আল আমীন মিশন: আমাদের প্রশ্ন ও প্রতিবেদন (Al Ameen Mission: Our Questions and Reports)
পৃষ্ঠা সারাংশ (Page Summary)
সাধারণ মানুষের অনুদান ও যাকাতের অর্থে প্রতিষ্ঠিত আল আমীন মিশনের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, আর্থিক অব্যবস্থাপনা, শিক্ষকদের প্রতি অমানবিক আচরণ, এবং নৈতিকতার গুরুতর প্রশ্ন নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও পর্যবেক্ষণগুলো এখানে কালানুক্রমিকভাবে (নতুন থেকে পুরোনো) সাজানো হলো। এই লেখাগুলোর মূল লক্ষ্য হলো জনগণের অর্থ এবং আস্থার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানটিকে এর মূল উদ্দেশ্য ও আদর্শের পথে ফিরিয়ে আনা। প্রতিটি পোস্টের শিরোনামের উপরে ক্লিক করে আপনি সরাসরি সেই অংশে যেতে পারবেন।
সহজে অ্যাক্সেসের জন্য সূচীপত্র (Table of Contents / Hyperlink Navigation)
- আল আমীন মিশনের প্রতি আমার বার্তা (Dec 5, 20.18)
- আল আমীন মিশনের তালদি ব্রাঞ্চের ২০২১ সালের একটা হৃদয় বিদারক ঘটনা নিয়ে কাজ এগোচ্ছে। (Dec 4, 22.10)
- আল আমীন মিশনের মেদিনীপুর কোতবার ব্রাঞ্চের বছর কয়েক আগের ঘটনা। অমানবিকতার নিদর্শন। (Dec 4, 15.43)
- পড়তে গিয়েই চোখে জল আসছে আমার। (Dec 4, 00.35)
- আল আমীন মিশন নিয়ে লেখালেখির কারণে যেসব অভিভাবকরা আমাকে ফোন করে… (Dec 3, 20.02)
- আল আমীন মিশনে ২৪ ঘন্টা ডিউটি করা শিক্ষকদের সাথে অমানবিক ব্যবহার… (Dec 3, 16.07)
- আল আমিন মিশন নিয়ে প্রথম প্রশ্ন তুলছি এমন নয়… (Dec 2, 11.13)
- আল আমিন মিশনের সমকামিতার ঘটনা স্বীকার করে নিল নুরুল ইসলাম! (Dec 1, 20.03)
- আল আমিন মিশনের অভ্যন্তরে দুর্নীতি, সমকামিতা, ইসলামের অপব্যবহার নিয়ে লিখছি বলে… (Dec 1, 14.29)
- আল আমিন মিশন তৈরিতে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন… (Nov 30, 10.24)
- আল আমিন মিশনের বিষয়ে যে প্রশ্ন উঠছে সে বিষয়ে অনেক প্রশ্ন পাঠানো হলেও… (Nov 29, 16.19)
- আল আমিন মিশন থেকে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফিরে নিয়ে এসেছিলেন নিজের ছেলেকে, কিন্তু কেন? (Nov 28, 22.15)
- আল আমিন মিশনের নুরুল ইসলামের পক্ষ থেকে দেখা করতে চাওয়ার মেসেজে… (Nov 28, 12.59)
- আল আমিন মিশন থেকে মোস্তাক হোসেনের বেরিয়ে আসার নেপথ্যে: আর্থিক অস্বচ্ছতা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ (Nov 27, 20.02)
- আল আমিন মিশন থেকে মোস্তাক হোসেন সাহেবের বেরিয়ে আসার কারণ প্রকাশিত হবে আগামীকাল সন্ধ্যা ৭ টায়। (Nov 26, 17.30)
- ২০০৯ সালে আল আমিন মিশনের খলতপুর ব্রাঞ্চে ঘটে যাওয়া হৃদয়বিদারক ঘটনার কথা প্রকাশ করা হবে খুব শীঘ্রই। (Nov 26, 15.08)
- Dismantling the Al-Ameen Mission’s Defense: Transparency vs. Emotion (Nov 23, 21.17)
- আল আমিনের প্রাক্তনীর ক্রন্দনে কি সাড়া দেবেন এম নুরুল ইসলাম? (Nov 22, 6.26)
- আল আমিন ছেড়ে চলে আসছে ছাত্রছাত্রীরা, হ্যা, এটাই বাস্তবতা। (Nov 20, 1.30)
- আল আমিন মিশন নিয়ে একটু পরেই একটা পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হবে। (Nov 20, 20.33)
- বিতর্কিত সংবর্ধনা: ‘BASE’-এর অনুষ্ঠানে আল-আমিন মিশনের প্রধান নুরুল (Nov 17, 00.36)
প্রতিবেদনের আর্কাইভ (Reports Archive)
আল আমীন মিশনের প্রতি আমার বার্তা
প্রকাশের সময়: Dec 5, 20.18ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1BPyF9KJ7C/
আপনারা আমাকে যেভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করে চলেছেন, যেভাবে স্টাফদের ফেসবুক থেকে আমার অ্যাকাউন্টে রিপোর্ট মারার কাজ করছেন, পুলিশকে দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন, লোকজন ধরে কাজ বন্ধ করানোর চেষ্টা করছেন, সেটা না করে নিচের কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন। আমি খুব সহনশীলতার সঙ্গে কাজ করছি। খুব সহনশীলতার সঙ্গে পোস্ট করছি। যদি সহনশীলতা না দেখাই এবং আমার কাছে যা তথ্য আছে সেগুলো প্রকাশ করি, তারপরে কি ঘটবে আমার নিজেরও কল্পনা নেই। মিশনের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি, অ্যাডমিশনে টেস্টে দুর্নীতি, আচার আচরণ, হোস্টেলের কর্মকাণ্ড, মসজিদের ফান্ডে টাকা নিয়েই যাওয়া, প্রাক্তন ছাত্রদের থেকে জাকাত, ডোনেশন নেওয়া, না দিলে তারা কিছু ফিডব্যাক দিতে গেলে তাদের যাচ্ছেতাই বলে অপমান করা, শিক্ষকদের ২৪ ঘন্টা খাটিয়ে নিয়ে মাত্র ১০/১২ হাজার টাকা বেতন দেওয়া, কথায় কথায় শিক্ষকদের চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি, ভয় দেখানো, দুরে ট্রান্সফার করে দেওয়ার, অন্যান্য স্টাফদের মানবতের অবস্থায় রাখা, সমকামিতার প্রশ্রয় দেওয়া থেকে শুরু করে আরও সেনসিটিভ কান্ড (যেগুলো আমি লিখলাম না) আপনারা করে চলেছেন। আমি আগেও করেছি, এবার পাবলিকলি প্রশ্ন রাখছি:
- গত ২৫ বছরের অডিট প্রকাশ করুন।
- কতগুলো ট্রাস্ট বা ফাউন্ডেশন রয়েছে সেগুলোর বিস্তারিত তথ্য প্রদান করুন।
- মসজিদের ফান্ড জমা হওয়া ও খরচের হিসেব একদম শুরু থেকে প্রকাশ করুন।
- ম্যানেজমেন্টে কে কত টাকা বেতন, বাড়ি, গাড়ি সহ অন্যান্য সুবিধা পেয়ে আসছে, আপনার পরিবার কি কি সুবিধা পেয়েছে, পরিবারের কত সম্পদ হয়েছে সেগুলো প্রকাশ করুন।
- সমস্ত দান, জাকাত সংগ্রহ, অন্যান্য দান আলাদা আলাদা করে প্রকাশ করুন।
আমাকে ভয় দেখিয়ে, থ্রেট দিয়ে আমার কাজ থামাতে পারবেন না। আমার অ্যাকাউন্ট উড়িয়ে দেবেন, ৫০ টা মিডিয়া ডেকে প্রেস কনফারেন্স করে সমস্ত তথ্য শেয়ার করে দেব তাদের সাথে। যেসব তথ্য আসছে সেসব দেখে আমার নিজেরই ডুকরে ডুকরে কান্না আসছে মাঝেমধ্যেই, ডিপ্রেশন চলে আসছে, আপনারা এসব করে কি করে ঘুমান সেটা ভেবেই আশ্চর্য হচ্ছি আমি। আমি আল আমীন মিশনের ভালো চাই। এই মিশনকে মানুষ ভালোবেসে বড় করেছে, টাকা দিয়ে, দুয়া দিয়ে বড় করেছে। এটা সাধারণ মানুষের মিশন। আপনার দায়িত্ব ছিল দেখভালের, সেই দায়িত্ব পালনে আপনি ব্যর্থ। মিশন আরও বড় হোক, বিশ্বের সব থেকে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হোক আল আমীন মিশন, সেটাই আমার কামনা।
আল আমীন মিশনের তালদি ব্রাঞ্চের ২০২১ সালের একটা হৃদয় বিদারক ঘটনা নিয়ে কাজ এগোচ্ছে।
প্রকাশের সময়: Dec 4, 22.10ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/17f5TQkmNe/
আল আমীন মিশনের তালদি ব্রাঞ্চের ২০২১ সালের একটা হৃদয় বিদারক ঘটনা নিয়ে কাজ এগোচ্ছে। আগামীকাল প্রকাশ করা হবে!
আল আমীন মিশনের মেদিনীপুর কোতবার ব্রাঞ্চের বছর কয়েক আগের ঘটনা। অমানবিকতার নিদর্শন।
প্রকাশের সময়: Dec 4, 15.43ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/17Sw5rZrtf/
খেলতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয় ক্লাস টেন এক ছাত্র। উড়িষ্যায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তার কয়েক মাস তাকে বেড রেস্টে থাকতে বলেন। সেই কয়েকমাসের বেতন কম করার জন্য অনুনয়-বিনয় করেছিলেন সেই ছাত্রের অভিভাবক। চিকিৎসার খরচ, শিক্ষার খরচ মিশনের মধ্যেই দুর্ঘটনা, তারপরেও কোনভাবেই ফি কম করেনি মিশন কর্তৃপক্ষ। উল্টে টেস্ট পরীক্ষার জন্য ব্রাঞ্চে ফিরতে একদিন দেরী হয় আলাদা করে ফাইন করা হয়েছিল এবং অকথ্য ভাষায় অপমান করা হয়েছিল সেই ছাত্রের অভিভাককে। মিশনের ভেতরে ঘটা দুর্ঘটনার দায় তো মিশনেরই, তারা তো সে দায় নেয়নি, যখন ছাত্র চিকিৎসার কারণে মিশনে ছিল না তখনও পুরো ফি নিয়েছে, পরীক্ষার জন্য মিশনে ফিরতে গিয়েও একটা দিন দেরী হওয়ায় আলাদা করে ফাইন করে। প্রাইভেট হাসপাতালের সাথে এই ঘটনার পার্থক্য কী? প্রাইভেট হাসপাতাল তবুও কোম্পানির নিজস্ব টাকায় তৈরি, কিন্তু আল আমিন তো লাখো মানুষের দানের টাকায় তৈরি। সম্পাদক সাহেবের জামাকাপড় থেকে কখনও ভাজ যায় না, আর এদিকে সামান্য কিছুর জন্য অমানবিক আচরণ, অপমান করা হয় বলে জানিয়েছেন এক প্রাক্তন ছাত্র।
পড়তে গিয়েই চোখে জল আসছে আমার।
প্রকাশের সময়: Dec 4, 00.35ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1Fg6b6KExX/
পড়তে গিয়েই চোখে জল আসছে আমার। আমার পক্ষে এসব চেপে রাখা সম্ভব নয়। আল্লাহ আমাকে ছাড়বে না। সাাক্ষী থাকুক টাইমলাইন। কিভাবে এত অন্যায় চালিয়ে যেতে পারে মানুষ! কতটা নির্দয় হলে এগুলো করা যায়! অকল্পনীয়!
আল আমীন মিশন নিয়ে লেখালেখির কারণে যেসব অভিভাবকরা আমাকে ফোন করে…
প্রকাশের সময়: Dec 3, 20.02ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/17x7HEHQcw/
আল আমীন মিশন নিয়ে লেখালেখির কারণে যেসব অভিভাবকরা আমাকে ফোন করে মিশনের সাজেশন চাইছেন তাদের কাছে অনুরোধ আমাকে এই বিষয়ে ফোন করবেন না। কোন মিশনে পড়াবেন সেটা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। আমি কোন ভাবেই কোন মিশনের সঙ্গে যুক্ত নই। আপনারা যেখানে পড়াতে চান সেই মিশন সম্বন্ধে ভালো করে খোঁজ নিন, বর্তমান ছাত্র, প্রাক্তন ছাত্র, অভিভাবকদের সাথে কথা বলুন, খাবারের মান, হোস্টেলের বেড, রুম, বাথরুম সবকিছু দেখুন। যদি মনে হয় আপনার ভালোবাসার সন্তান বাড়িতে যেভাবে থাকে ঠিক সেভাবে অথবা কাছাকাছি আরামে থাকবে, এবং স্টাফদের আচার-আচরণ, ম্যানেজমেন্ট এর আচার আচরণ, ব্যবহার দেখে সিদ্ধান্ত নিন। কোন মিশনের কেউ যদি উচ্চ স্বরে কথা বলে, সম্মান না দেয়, প্রাইভেট ব্যাঙ্কে গেলে যেমন সম্মান দেয় তেমন সম্মান না করে তাহলে ভর্তি করবেন না। আপনাকে সম্মান না দিলে আপনার সন্তানকেও সম্মান করবে না। আপনার মাসে যে ইনকাম তার সিংহভাগ দিয়ে যখন পড়াবেন তখন সবকিছু দেখেই পড়াবেন। কোনভাবেই আপোষ করবেন না। ধন্যবাদ।
আল আমীন মিশনে ২৪ ঘন্টা ডিউটি করা শিক্ষকদের সাথে অমানবিক ব্যবহার…
প্রকাশের সময়: Dec 3, 16.07ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/17LdjQnczD/
আল আমীন মিশনে ২৪ ঘন্টা ডিউটি করা শিক্ষকদের সাথে অমানবিক ব্যবহার, চাকরির গ্যারান্টি না থাকা, নাম মাত্র বেতন এবং বেতন বাড়ানোর অনুরোধ করলেই “বাইরে ১০ টা লোক তোমার এই চাকরি নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে” বলে কটাক্ষ করা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একটা লেখা তৈরি হচ্ছে। খুব শীঘ্রই প্রকাশ হবে। আর আল আমীন বিষয়ক সমস্ত লেখা বাংলাকালের ওয়েবসাইটে একটা ডেডিকেটেড পেজ বানিয়ে বাংলা এবং ইংরেজি এই দুই ভাষাতেই নিয়মিত আপডেট করা হবে।
আল আমিন মিশন নিয়ে প্রথম প্রশ্ন তুলছি এমন নয়…
প্রকাশের সময়: Dec 2, 11.13ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1Fra29SYQA/
আল আমিন মিশন নিয়ে প্রথম প্রশ্ন তুলছি এমন নয়, এর আগ গাইডেন্স অ্যাকাডেমিতে যখন নামাজ, রোজা করতে না দেওয়া সহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছিল, তখনও লিখেছিলাম। পোস্ট ভাইরালও হয়েছিল। গাইডেন্স অ্যাকাডেমি নোটিস দিতে বাধ্য হয়, এবং আমি যেন তাদের স্কুলে ঢুকতে না পারি সেজন্য রীতিমত আমার ছবি প্রিন্ট করে লাগিয়ে রেখেছিল ক্যাম্পাসে। গাইডেন্স নিয়ে কথা বলায় মুর্শিদাবাদের কাবিলপুরের Md Mustofa Shekh আমি গাইডেন্স নিয়ে লেখা বন্ধ না করলে রীতিমতো শারিরীকভাবে হেনস্থা করা হবে বলে হুমকি দেয়। এরপরও বলবেন যে আমি ভাইরাল হবার জন্য বা ঈর্ষা থেকে করছি?
আল আমিন মিশনের সমকামিতার ঘটনা স্বীকার করে নিল নুরুল ইসলাম!
প্রকাশের সময়: Dec 1, 20.03ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/14YGFtAAN9i/
গতকাল রাতে প্রায় ৩ ঘন্টা ধরে মিশনের ৩০ জন লোক বসে মিডিয়াকে বোঝাতে চেয়েছে যে নিজামের কাজে কোন প্রভাব পড়েনি। তখন মিডিয়া পাল্টা জিজ্ঞাসা করে প্রভাব পড়েনি তো ডেকে এতগুলো লোক মিলে মিডিয়ার সাথে কথা বলছেন কেন? তখন তারা নিশ্চুপ হয়ে যায়। গতকাল তারা এ বিষয়ে কোন ভিডিও-অডিও স্টেটমেন্ট দিতে অস্বীকার করে এবং তাদের সাথে নিজামকে ব্যক্তিগত ভাবে বসার প্রস্তাব দেয়। (এক্ষেত্রে কোন পাবলিক ভিজুয়ালিটির কথা উল্লেখ করেনি।)। কথা প্রসঙ্গে সমকামিতার প্রশ্ন আসলে তারা সেটা স্বীকার করে এবং বলে কিছু ছাত্র ধরা পড়লে তাদের শাস্তি না দিয়ে অন্য ব্রাঞ্চে ট্রান্সফার করে দেয়, তারসাথে আরও বলেন সেইসব ছাত্ররা অনেকেই প্রতিষ্ঠিত। অর্থাৎ সমকামীতাকে নুরুল ইসলাম সমকামীতাকে অপরাধ বলেই মনে করে না। নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে গেলে একটু আধটু সোকলড গুড মুসলিম সাজার দরকার আছে বৈকি! ঘটনা হচ্ছে সমকামীতার সমস্যা আসলে সমস্যা হিসেবে দেখাই হয় না। মিশনের স্টাফ, শিক্ষক, ওয়ার্ডেন সহ অনেকেই সমকামীতায় জড়িত। বর্ধমান ব্রাঞ্চের এক শিক্ষক ছাত্রের সঙ্গে ধরা পড়লে সেই শিক্ষককে সাময়িক ভাবে বের করে দিলেও পরে হাওড়াস্থিত নিট এর কোচিং সেন্টারে নিয়োগ দেওয়া হয়। খলতপুর হোস্টেলে এক ছাত্র জানিয়েছেন তার রুম মেট সমকামী ছিল এবং রুমে অন্য এক ছেলের সাথে মিলিত হত। এটা জানতে পেরে অভিযোগ জানালে শুধুমাত্র সেই ছাত্রকে অন্য রুমে স্থানান্তরিত করে। আমি জোরগলায় বলতে পারি নুরুল ইসলাম বেস এর মত সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক এবং সবকিছু জানা সত্বেও, বিভিন্ন মহল থেকে নিষেধ আসা সত্বেও বেস এর প্রোগ্রামে যাওয়ার অন্য কারণ থাকতে পারে না। সে যে শান্তিতে নোবেল পাওয়ার স্বপ্ন দেখে এটা সে দেখাতে চায় সে মডারেট ইসলামে বিশ্বাসী। সবকিছু জেনে শুনে বেস এর প্রোগ্রামে যাওয়ার আর কোন কারণ থাকতে পারে না এবং আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আল আমিন মিশন থেকে আসা কিছু অধ্যাপক এর গ্যাং রয়েছে যারা বেস এর সাথে যুক্ত। এভাবে ইসলামকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গুড মুসলিম সেজে বাবুদের মাঝে, ইসলাম বিরোধীদের কছে অনেকেই সম্মান পেয়েছে আর সেটাই হয়তো করতে চাইছে এম নুরুল ইসলাম। নয়তো শুধুমাত্র টিউশন সেন্টার চালিয়ে বিশ্বে কে নোবেল পেয়েছে সেটাও প্রশ্নের। আর্থিক তছরুপ, দুর্নীতির কথা উঠে আসলে বলে তারা নাকি বছরে সামান্য কিছু টাকা জাকাতের টাকা পায়! আর্থিক অসংগতির প্রশ্নে বলে সরকার যেমন বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানায় না তেমন তারাও জানাবে না, দরকারে আরটিআই করুক, কিন্তু এদের কি সামান্য জ্ঞান নেই যে আরটিআই কাদের বিরুদ্ধে করা যায় সে বিষয়ে! তাছাড়া আল আমিন মিশন তো নুরুল ইসলাম তার পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে এত বড় করেন নি, করেছেন অসংখ্য মানুষের সাহায্যে, অবদানে, এমনকি বিখ্যাত অভিনেতা দীলিপ কুমারের (আসল নাম ইউসুফ খান) কাছে পর্যন্ত পৌছেছিলেন টাকা এনে দেওয়ার জন্য। প্রশ্নের উত্তর না দেওয়ার প্রসঙ্গে বলে নিজামকে তো ব্যক্তিগত ভাবে ডাকা হয়েছে সে আসছে না কেন? এম নুরুল ইসলাম রীতিমত ‘আমি কুৎসা করছি, গীবত করা ইসলামে হারাম বলে উল্লেখ করে’। (হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট অনুযায়ী) একটা প্রতিষ্ঠানকে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশ্ন করা কিভাবে গীবত হয়? আমি জবাব দিই ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আমি নিজে নামী প্রতিষ্ঠান থেকে পড়েছি এবং গীবত কোনটা সেটাও জানি। সাথে মিডিয়াতে রয়েছি ৭ বছর, কেউ ইন্টিগ্রিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেনি। এবং এই মুহূর্তে দেখা করার মত পরিস্থিতি নেই, বরং প্রশ্নের উত্তর গুলো দিন। আমার কিন্তু বসতে সমস্যা নেই, তবে আমি আরও কিছু মিডিয়া নিয়ে বসতে চাই যেখানে সমস্ত প্রশ্ন আসবে সেগুলোর উত্তর দেবেন, এবং সেটা লাইভ সম্প্রচার করা হবে যেন সাধারণ মানুষ এডিট ছাড়ায় সবকিছু দেখতে পান। ইসলামের বিষয় যখন এসে গেছে তখন জানিয়ে রাখি কিছু শিক্ষক মিশন ছেড়েছেন কারণ সেখানে কুরআন, হাদিসের বিভিন্ন অর্থ নিজের মত করে, যেমন একটা হচ্ছে ভর্তির জন্য ডোনেশনের টাকাকে জাকাতের খাতে ধরাে জন্য অভিভাবকদের বলা। এরকম আরও বিষয় রয়েছে যে কারণে শিক্ষককেরা মিশন ছেড়েছেন। নুরুল ইসলাম আরও দাবী করেছেন, এখানে পড়ে ছেলেরা কোটি কোটি টাকা ইনকাম করছে, আমেরিকায় থাকছে, তাই যারা মিশনের সাথে দীর্ঘদিন থেকে যুক্ত (যাদের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের একাধিক অভিযোগ আসছে) তাদেরকে ঘর-বাড়ি-গাড়ি করে দেওয়া হয়েছে, তারা যদি একটু অভিজাত জীবনযাপন করে তাতে কি সমস্যা? অর্থাৎ জাকাতের টাকায় অভিজাত জীবনযাপন করাকে অন্যায়ভাবে দেখেই না ‘ডিয়ার সম্পাদক স্যার’। সমস্যা হচ্ছে মিশন তৈরিতে যারা জানপ্রাণ লাগিয়ে দিয়েছে তারা মিশনে গেলে মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিধায়ক ননীগোপালকে হেনস্থা করা হয়েছে, অডিট টিম গেলে হেনস্থা করা হয়েছে। তার সাথে সমস্যা হচ্ছে অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে কত খরচ হয় সেটা দেখাতে আপত্তি কেন? নুরুল ইসলামের স্ত্রী পর্যন্ত বেতন নিতেন (এখন নেন কি না জানিনা) সেটা কত জানাতে আপত্তি কেন? তার জামাই নাকি জমি বিক্রি করে বাড়ি করেছে তাহলে জামাই সহ পরিবারের বর্তমান সম্পত্তি কত সেটার হিসেব দিতে আপত্তি কোথায়? কাজ করলে বেতন নিতেই পারেন কিন্তু কত নিয়েছেন, মেয়ে কত নেন, ছেলে কত নেন, অন্যরা কত পান সেটা জানাতে সমস্যা কোথায়? বছরে ২১২ কোটির যে ফিগার সেটা আসলে মিনিমাম একটা, সেটার সাথে খরচ কেন দেখায়নি সেটা উঠে এসেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে একজন জানিয়েছেন বাৎসরিক রেভিনিউ ১০০০ কোটি টাকারও বেশি। সম্প্রতি আল আমিন 80G এর বেনিফিটও হারিয়েছে। বছরে ২০০ হোক বা ১০০০ কোটি হোক তাতে তো সাধারণ মানুষ, জাকাত দাতা বা দানকারীদের সমস্যা নেই। কিন্তু সেটার হিসেব দিতে আপত্তি কেন, সেটা নিয়ে প্রশ্ন। টিউশন সেন্টার থেকে স্কুলে পরিণত হচ্ছে না কেন? কেন বিশ্ববিদ্যালয় হবে না? মিশনের অধিকাংশ ব্রাঞ্চের মালিকানা মিশনের হাতেই, তারা অন্য কোন মিশনকে তাদের সাথে নেয় না। নিজেরাই সমস্ত কিছু দেখভাল করে। রিলায়েন্স কোম্পানির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে সেটাও জানাতে হয় পাবলিককে। আম্বানি কত বেতন নেন সেটাও জানে পাবলিক, জানে না শুধু জাকাতের টাকায় তৈরি আল আমিন মিশনের কর্মচারীদের বেতন! “আল আমিন মিশন হচ্ছে জাকাতের টাকায়-দানের টাকায় তৈরি একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রফিটই আসল”, ঠিক এভাবেই মন্তব্য করেছেন আল আমিন মিশনের এক প্রাক্তন শিক্ষক। তিনি বলেন প্রাইভেট হাসপাতালে যেভাবে শুষে নেওয়া হয়, ভয় দেখানো হয় ঠিক সেভাবেই অভিভাবকদের সাথে আচরণ করা হয় আল আমিন মিশনে। লেখা চলতে থাকবে। শুরুর দিকে আল আমিন মিশনকে আল আমিন মিশন গড়ে তুলতে কে কতটা অবদান রেখেছেন, তাদের সাথে কি আচরণ করা হয়েছে সেসব বিষয়ে উঠে আসবে সামনে বুধবার থেকে।
আল আমিন মিশনের অভ্যন্তরে দুর্নীতি, সমকামিতা, ইসলামের অপব্যবহার নিয়ে লিখছি বলে…
প্রকাশের সময়: Dec 1, 14.29ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1YmZUfcjz4/
আল আমিন মিশনের অভ্যন্তরে দুর্নীতি, সমকামিতা, ইসলামের অপব্যবহার নিয়ে লিখছি বলে কিছু লোক বলছে আমি কেন শুধু আল আমিন নিয়ে প্রশ্ন করছি, অন্য দুর্নীতি নিয়ে কেন বলিনা, সে প্রসঙ্গেই এই পোস্ট। সেদিন হঠাৎ করেই পরিবহন দপ্তর থেকে ফোন এলো। ফোন ধরতেই জানতে পারলাম যে আমি অভিযোগ জানিয়েছিলাম সেটার জন্যই এই কল, কলের কথা থাকছে শেষে। গত ৭ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও চিফ সেক্রেটারিকে ইমেলের মাধ্যমে জানিয়েছিলাম সরকারী বাস ভাড়া চুরি নিয়ে। দেদার ভাড়া চুরি সেই ২০১৩ তে কলকাতায় পর থেকেই দেখছিলাম, অনেক কন্ডাকটরকে ধরে কনফ্রন্টও করেছি যে কেন তারা করছে, এমনকি যাত্রীকেও। এবং একটা এস্টিমেশন করে দেখেছি বছরে ড্রাইভার আর কন্ডাকটর মিলে কয়েকশো কোটি টাকা এভাবে সরকারী টাকা চুরি করে। সেটা নিয়েই সেদিন মেল করলাম, মেলে চেন্নাই শহরের কিভাবে ভাড়া মেইনটেইন করে সেটাও জানালাম এবং এটা যে বড় দুর্নীতি, এবং ভাড়া চুরি রুখতে পারলে সরকারি পরিবহন দপ্তর যে লসে চলছে সেই লস আর থাকবে না। সপ্তাহ খানেক কল এলো পরিবহন দপ্তর থেকে, তারা জানতে চাইলেই সবকিছু, এবং জানালেন ভাড়া চুরি রোধে তারা কি কাজ করছে এবং আরও কি কি করবে সেটাও এবং শেষে ধন্যবাদ জানালেন বিষয়টা তুলে ধরার জন্য। আমার সামনে চুরি হতে দেখলে আমি সেটা সবসময়ে হাত দিয়ে অথবা কথা দিয়ে রোধের চেষ্টা করি। আমি কারও কখনও ১ টাকা জেনেশুনে মেরে খাইনি। সরকার হোক, প্রাইভেট হোক চোখের সামনে অন্যায় দেখলে রোখার চেষ্টা করি। আল আমিনও তাই, যারা ডোনেশন দেন, যারা অভিভাবক তাদের উচিত কি চলছে সেটা জানা, নন প্রফিট সংস্থা হিসেবে তাদের দায়িত্ব মানুষকে জানানো। ইসলামের নামে টাকা তুলে ইসলাম বিরোধী কাজের আখড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে আল আমিন মিশন। বেস এর মত সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক আল আমিন মিশন। মিশনে ইসলামকে কলুষিত করে চলেছে এরা। জাকাতের টাকায় তৈরি সংস্থা আজ নুরুল ইসলাম, আলমগীরদের ব্যবসার জায়গায় পরিণত হয়েছে। পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না বানিয়ে টিউশন সেন্টার বানিয়ে রেখেছে যেন শোষণ চালাতে পারে। আর সেটা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আমাকেই আক্রমণ করা হচ্ছে। তাই আল আমিন মিশনের দুর্নীতি নিয়ে কলম চলবে। শুধু আল আমিন নয়, যেকোন দুর্নীতি সামনে দেখলেই এবং আমার প্রতিবাদ করার সামর্থ্য থাকলে আমি অবশ্যই প্রতিবাদ করি, সেটার উদাহরণ দিলাম এটাই। সম্প্রতি শিয়ালদহ স্টেশনে জন আহারের একটা বিষয় নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলাম, জন আহারের সেই ম্যানেজার সাসপেন্ড হয়েছে, অন্য স্টাফেরা ক্ষমা চেয়েছে। ফলে আমার কাজের খতিয়ান না চাইতে আসায় ভালো। আমি আমার কাজ করি, করে থাকি এবং আল আমিন মিশন সেরকম একটা সংস্থা মাত্র আমার কাছে, তাই বড় ভেবে চুপ করে যাব এমন কোন বিষয় নেই।
আল আমিন মিশন তৈরিতে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন…
প্রকাশের সময়: Nov 30, 10.24ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1FfQbS8NPX/
আল আমিন মিশন তৈরিতে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, শহর শহর ঘুরে ডোনেশন সংগ্রহ করে দিয়েছেন তারা আজ ব্রাত্য। আগামী বেশ কয়েকটি লেখায় তাদের কথায় উঠে আসবে। কিভাবে তারা আল আমিন মিশনকে বড় করতে সাহায্য করেছেন এবং কি উদ্দেশ্যে করেছেন এবং কেন এখন এম নুরুল ইসলাম গ্যাং এখন তাদের দেখতে পারেন না।
আল আমিন মিশনের বিষয়ে যে প্রশ্ন উঠছে সে বিষয়ে অনেক প্রশ্ন পাঠানো হলেও…
প্রকাশের সময়: Nov 29, 16.19ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/19hj1SUzt8/
আল আমিন মিশনের বিষয়ে যে প্রশ্ন উঠছে সে বিষয়ে অনেক প্রশ্ন পাঠানো হলেও এখনও কোন উত্তর না দিয়ে আগামিকাল নিউটাউনে কিছু মিডিয়াকে ডেকেছে বলে খবর পেলাম। যারা আগামীকাল যাবেন কয়েকটা বিষয় মাথায় রাখবেন, ১) এম নুরুল ইসলামের কেঁদে ফেলা অভ্যাস রয়েছে, সেটা আমাকে বেশ কয়েকজন জানিয়েছেন যে তিনি কান্না করে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করেন, প্রশ্ন তোলা হলেই তিনি সেটা করেন। ২) যে প্রশ্নগুলো করা হয়েছে সেগুলোর উত্তর কেন দিচ্ছেন না? ৩) আল আমিন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নাকি নন প্রফিট সংস্থা? তার ম্যানিপুলেশনে না পড়ে সবাই সাংবাদিকতাকে তুলে ধরবে সবাই সেটাই আশা। যে প্রশ্নগুলো পাঠানো হয়েছে সেগুলো কমেন্টে দিলাম। সাথে কিছু প্রশ্ন পাবলিক করছি না কারণ সেগুলো সেনসিটিভ তাই। বাকি প্রশ্নগুলো আপনারাও করুন।
আল আমিন মিশন থেকে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফিরে নিয়ে এসেছিলেন নিজের ছেলেকে, কিন্তু কেন?
প্রকাশের সময়: Nov 28, 22.15ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1Bk9LBxSqn/
পড়ুন আরেক অভিভাবকের অভিজ্ঞতা। এরকম অনেক জমা হয়ে আছে। “আমার ছেলেকে খড়্গপুরে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে দুদিন রেখেছিলাম। যেদিন প্রথম ওর ঘরে ঢুকতে দেয় অর্থাৎ প্রথম দিন, সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগও করেছিলাম, ৫০ টা ছেলের জন্য ওপরে একটিমাত্র বাথরুম, সেটিও ও একেবারেই ভাঙাচোরা। কলার চোকা শুকিয়ে পড়ে আছে, দেখেই মনে হচ্ছে অন্তত সাত দিন ধরে পড়ে রয়েছে, ডাস্টবিন উপচে পড়ে বারান্দাতেই পড়ে রয়েছে। উক্ত দুই অভিযোগ করলে পরে, এমন মনে হল যে ওর আকাশ থেকে পড়ল। ১০৫৯০ টাকা সম্ভবত ফিজ পার মান্থ। এক কালীন ভর্তি ফি ৫০ হাজার টাকার উপর বারবার মনের মধ্যে প্রশ্ন এসেছিল যে এত টাকা ফিস নেয়ার পর পরিষেবা কোথায়? শেষে যখন ছেলেকে রেখে আসছি, চোখের সামনে যেটা দেখলাম, দারোয়ান মোটা মোটা লাঠি নিয়ে, ছেলেদের তুই তাকরি করে মারধর করছে। আমার তো মনে হয়েছিল এটা একটা পেড জেলখানা। সেই জন্যই কোন দিকে না তাকিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ছেলেকে নিয়ে চলে আসি, এবং সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল সেটা আজকে প্রমাণিত। আর একটা কথা বলি, অনলাইনে, ভর্তির আগে কাউন্সেলিং হয়। দুটো প্রশ্ন রেখেছিলাম সেক্রেটারির উদ্দেশ্যে ১) কিসের জন্য এডমিশন (টেস্ট) ফি বাবদ ৮০০ টাকা করে নেয়া হয়, কি এমন খরচ হয় পরীক্ষা নিতে? ২) কথায় কথায় রামকৃষ্ণ মিশনের উদাহরণ দিচ্ছিলেন, আমি বললাম আল্লাহ আপনাকে সুযোগ দিয়েছিল রামকৃষ্ণ মিশনের ত্যাগ তিতিক্ষা এগুলোকে গ্রহণ করার, প্রয়োজনে তুলনায় অত্যধিক পয়সা নেন। রামকৃষ্ণ মিশনের আদর্শ আল আমিন মিশন আদর্শ সঙ্গে খাপ খাচ্ছে না। উনি তখন এতিমদের গরিবদের বিনা পয়সায় পড়ানো হয় এ কথা বলেছেন, কিন্তু সেটাও সর্বতো সত্য নয়। মেধাবী এতিম ছেলেদের কাছ থেকেও পয়সা নেওয়া হয়। শেষ বেলায় একটি কথাই বলব: In the name of Muslim, they are cheating Muslims. They are talented cheater। তবে এটাও ঠিক মুস্তাক সাহেবের জন্য হোক বা অন্য কারো জন্য, এই মিশনগুলোর জন্যই গ্রাম বাংলাতে মুসলমানদের শিক্ষার বিপ্লব ঘটেছে, এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। তবে রামকৃষ্ণ মিশনের যে আদর্শ সে আদর্শ যদি আলামিন মিশন গ্রহণ করত তবে সেটা আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতো। মহান আল্লাহতালা সেই সুযোগও দিয়েছেন।”
আল আমিন মিশনের নুরুল ইসলামের পক্ষ থেকে দেখা করতে চাওয়ার মেসেজে…
প্রকাশের সময়: 28 Nov, 12.59ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1Ao4CA8nPc/
আল আমিন মিশনের নুরুল ইসলামের পক্ষ থেকে দেখা করতে চাওয়ার মেসেজে যে প্রশ্নগুলো উঠছে সেগুলোকে তিনি কুৎসা বলে দাবী করেছেন, তাছাড়া প্রশ্নের উত্তর লিখিতভাবে দেওয়াটাই বাঞ্ছনীয় যাতে পরবর্তীতে যে উত্তর দেয়া হয়েছে সেভাবেই প্রেজেন্ট করা হয়েছে বলে উঠে আসে। আর অবশ্যই দেখা করার সময় যখন আসবে অবশ্যই দেখা করা যাবে।
আল আমিন মিশন থেকে মোস্তাক হোসেনের বেরিয়ে আসার নেপথ্যে: আর্থিক অস্বচ্ছতা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ
প্রকাশের সময়: 27 Nov, 20.02ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1BtNzAWdXo/
আল আমিন মিশনের খলতপুর ব্রাঞ্চে আজও শিল্পপতি মোস্তাক হোসেনের প্রতিষ্ঠান জিডি-র (GD) নামে একাধিক স্থাপনা দেখা যায়। আল আমিন মিশনের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে জিডি-র অবদান অনস্বীকার্য হলেও, হঠাৎ করেই মিশন থেকে বেরিয়ে আসেন মোস্তাক হোসেন। এই সম্পর্কচ্ছেদের নেপথ্যে ছিল আর্থিক অস্বচ্ছতা, অব্যবস্থাপনা এবং নৈতিকতার গুরুতর প্রশ্ন।
১. আল আমিন মিশনের উত্থান ও জিডি-র প্রবেশ
১৯৮০-র দশকে গুটি গুটি পায়ে যাত্রা শুরু করে আল আমিন মিশন। প্রথম দিকে বর্ধমানের চাল ব্যবসায়ী থেকে বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী, সরকারি দপ্তরের অফিসার এবং মুর্শিদাবাদের গ্রামে গ্রামে গিয়ে অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে মাথা তুলে দাঁড়ায়। এরপরই আর্থিক কাঠামোর মূল ভিত্তি শক্ত করতে এগিয়ে আসেন শিল্পপতি মোস্তাক হোসেন। তাঁর এবং তাঁর প্রতিষ্ঠান জিডি-র দেওয়া কোটি কোটি টাকা মিশনে প্রবেশ করে। এই অনুদান দেওয়া চলতেই থাকে—বিল্ডিং তৈরির টাকা, ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্কলারশিপ এবং নগদ অর্থ প্রদান।
২. প্রথম ধাক্কা: ছাত্রের মৃত্যু ও ঋণের বিস্ফোরণ
সম্পর্কের এই মসৃণ পথে প্রথম বড় ধাক্কাটি আসে ২০০৫-২০০৬ সাল নাগাদ, যখন হোস্টেলে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। অভিযোগ ওঠে, তাকে কোনোরকম চিকিৎসা দেওয়া হয়নি এবং বাড়ি যাওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়নি। এরপর, ২০০৬ সালের অভ্যন্তরীণ মিটিংয়ে আল আমিন মিশনের সম্পাদক এম নুরুল ইসলাম প্রায় কাঁদো কাঁদো অবস্থায় জানান যে, মিশনের ১ কোটি টাকারও বেশি ঋণ হয়ে গেছে। এত বিপুল পরিমাণ ঋণের কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি উত্তর দেন, “তিনি জানেন না”। এই পরিস্থিতিতে মিশনের আর্থিক অবস্থা খতিয়ে দেখতে মোস্তাক হোসেনের পক্ষ থেকে একটি অডিট টিম তৈরি করা হয় এবং ক্যাম্পাস ভিজিটের দিন ধার্য করা হয়।
৩. ডোনেশনের অভিযোগ ও অডিটে বাধা
অডিট টিম প্রস্তুত হওয়ার এই একই সময়ে মোস্তাক হোসেন গোপন সূত্রে জানতে পারেন যে, মিশনে ভর্তির জন্য মোটা অঙ্কের ডোনেশন নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ ওঠে, এই অর্থ সংগ্রহ করছেন এম নুরুল ইসলামের জামাই আলমগীর। অডিট কমিটি এই বিষয়টি আমলে নিয়ে মোটা ডোনেশন দিয়ে ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীদের তালিকা ও যোগাযোগের নম্বর দাবি করে। তবে, নির্ধারিত দিনে অডিট টিম খলতপুর ক্যাম্পাসে পৌঁছালে পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়:
- **সম্পাদকের অনুপস্থিতি:** অডিটের দিন এম নুরুল ইসলাম ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিলেন না।
- **দুর্ব্যবহার:** সেই অডিট টিমের সদস্যদের সাথে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করা হয়।
- **ফিরে যেতে বাধ্য:** ফলস্বরূপ, অডিট টিম কোনো রকম কাজ না করেই ফিরে আসতে বাধ্য হয়।
৪. নিয়োগে স্বজনপোষণ এবং আর্থিক দুর্নীতি
এ ছাড়াও, অন্য একটি প্রশাসনিক অসঙ্গতিও সামনে আসে। মোস্তাক হোসেন যখন অনুদান দিচ্ছিলেন, তখন একটি কমিটি ছিল যার সদস্য সৈয়দ নাসিরুদ্দিন মিশনের যেকোনো চাকরি বা ম্যানেজমেন্টে নিয়োগের ক্ষেত্রে অনুমোদন (Approval) দিতেন। অথচ, অভিযোগ উঠেছে যে সৈয়দ নাসিরুদ্দিনকে কোনো ক্ষেত্রেই না জানিয়ে সমস্ত নিয়োগ সম্পন্ন করা হতো। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, এই আর্থিক অব্যবস্থাপনার সময়ই নুরুল ইসলামের জামাই আলমগীরকে প্রায়ই পকেটে ৫০০ টাকার নোটের বান্ডিল নিয়ে ঘুরতে দেখা যেত।
৫. মোস্তাক হোসেনের প্রস্থান
উপরোক্ত আর্থিক অস্বচ্ছতা, প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা, অডিটে বাধা এবং নৈতিক অভিযোগ—এই সবকিছুর মাঝে ২০০৬ সালের শেষ নাগাদ মোস্তাক হোসেন আল আমিন মিশন থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে বেরিয়ে এলেও, সেই সময় পর্যন্ত মিশনকে করা তাঁর সমস্ত আর্থিক কমিটমেন্ট তিনি সম্পূর্ণভাবে পূরণ করেছিলেন। এ বিষয়ে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলো এম নুরুল ইসলামকে করা হলে তিনি এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোন উত্তর প্রদান করেননি।
আল আমিন মিশন থেকে মোস্তাক হোসেন সাহেবের বেরিয়ে আসার কারণ প্রকাশিত হবে আগামীকাল সন্ধ্যা ৭ টায়।
প্রকাশের সময়: Nov 26, 17.30ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/17wEWcicbv/
আল আমিন মিশন থেকে মোস্তাক হোসেন সাহেবের বেরিয়ে আসার কারণ প্রকাশিত হবে আগামীকাল সন্ধ্যা ৭ টায়।
২০০৯ সালে আল আমিন মিশনের খলতপুর ব্রাঞ্চে ঘটে যাওয়া হৃদয়বিদারক ঘটনার কথা প্রকাশ করা হবে খুব শীঘ্রই।
প্রকাশের সময়: 26 Nov, 15.08ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1AUjYYZVMr/
২০০৯ সালে আল আমিন মিশনের খলতপুর ব্রাঞ্চে ঘটে যাওয়া হৃদয়বিদারক ঘটনার কথা প্রকাশ করা হবে খুব শীঘ্রই।
Dismantling the Al-Ameen Mission’s Defense: Transparency vs. Emotion
প্রকাশের সময়: 23 NOv, 21.17ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1DFCFodeyr/
My central argument is clear: an institution relying on public donations (Zakat, Zakah, etc.) and substantial student fees must be financially transparent and accountable to the public। The Mission’s response strategically avoided this core issue by focusing on its noble work and using emotional appeals।
1. Evasion of the Core Issue: Non-Profit Status vs. Accountability
The Mission’s Claim: “Al-Ameen Mission is a Non-Profit, Service-Oriented Educational Movement”।
The Critique: This is an irrelevant defense। Being a non-profit does not exempt an organization from scrutiny। On the contrary, because it operates on public donations and Zakat, it is even more imperative that they publicly release audited financial statements detailing where every rupee is being ‘reinvested’।
(Detailed critique continues… Please refer to the full document/post for the remainder of this English post)
আল আমিনের প্রাক্তনীর ক্রন্দনে কি সাড়া দেবেন এম নুরুল ইসলাম?
প্রকাশের সময়: 22 Nov, 6.26ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1CYaTSJZqD/
প্রাক্তন ছাত্রের মতামত: মিশন কে বাধ্য করা উচিৎ হিসাব দেওয়ার জন্য…আমাদের gurdian meeting Covid r সময় অনলাইন এ এসে যাকাতের টাকা ও মিশনে দিতে বলেছিল বাবা শুনে তো রেগেই গেছিল আর সব থেকে হাস্যকর overhyped খলাতপুর ওখানে ভর্তি র জন্য এতো টাকা আমিও খালাতপুরের even এখনো Khalatpur কে 2nd home মানি গোটা কলেজের যতজন আমাকে চিনে সবাই জানে খলতপুরের নাম(non muslim দের মধ্যে বলছি) এত গল্প শুনাই ওদের.. কিন্তু আপসোস ও অনেক আছে ম্যানেজমেন্ট কে নিয়ে..অযোগ্য লোক দের উচুপদ দিয়ে রেখে দিয়েছে এই কয়েক বছরে এত fees বৃদ্ধি দেখে আমিও অবাক সবার কাছে একটাই ইমোশন এর জায়গা তাই কেও কিছু বলে না সেটাকেই এরা সবথেকে বড়ো হাতিয়ার করে নিয়েছে…এবার থেকে একটিই নড়ে চড়ে বসবে আসা করি মিশনের ভালোর জন্য দুয়া করি নবীজির নামে যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এত নাম ডাক সেখানে বসে তো আর যাকাত,সদকার টাকার গরমিল চলবে না..
আল আমিন ছেড়ে চলে আসছে ছাত্রছাত্রীরা, হ্যা, এটাই বাস্তবতা।
প্রকাশের সময়: 20 Nov, 1.30ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1AGC4kurNA/
আল আমিন ছেড়ে চলে আসছে ছাত্রছাত্রীরা, হ্যা, এটাই বাস্তবতা। আল আমিন মিশন সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সবথেকে বেশি যেটা জানতে পারছি যেটা সেটা হল ইসলামী পরিবেশ না থাকায় ছেড়ে চলে আসা, এবং পড়াশোনার মান, ক্যাম্পাসের পরিবেশ ভালো না থাকায় ছেড়ে চলে আসছে। একটা ব্রাঞ্চের ৪০ জন দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জনই ছেড়ে গেছে। আরও অনেক তথ্য এসেছে, ধীরে ধীরে সব প্রকাশ করা হবে। আগামীকাল একটা লাইভও হবে এই ফেসবুকেই।
আল আমিন মিশন নিয়ে একটু পরেই একটা পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হবে।
প্রকাশের সময়: 20 Nov, 20.33ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1DMQ9Up5CG/
আল আমিন মিশন নিয়ে একটু পরেই একটা পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হবে। ২৩৫০০ শিক্ষার্থীর ভর্তি ফি, টিউশন ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি সহ কত টাকা রেভিনিউ হয় এই বিষয়ে। আরেকটা কথা হচ্ছে, এটা জাকাতের টাকা, জিডির টাকা, ওয়াকফের টাকা সহ মানুষের দানে তৈরি ফলে এই প্রতিষ্ঠানের নৈতিক কর্তব্য হিসেব, কে কত বেতন পাচ্ছে, কি কি সুবিধা পাচ্ছে সেসব জানানো।
বিতর্কিত সংবর্ধনা: ‘BASE’-এর অনুষ্ঠানে আল-আমিন মিশনের প্রধান নুরুল
প্রকাশের সময়: 17 Nov, 00.36ফেসবুক লিংক: https://www.facebook.com/share/p/19vf6ayWae/
সম্প্রতি কলকাতার নিউ টাউনের রবীন্দ্র তীর্থে অনুষ্ঠিত ‘Precarity and Resistance: Bengali Muslim Experience and Contemporary India’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনে আল-আমিন মিশনের প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল সেক্রেটারি এম নুরুল ইসলাম-এর অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে মুসলিম সমাজে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আল-আমিন মিশন, যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মুসলিমদের দেওয়া যাকাত ও দান-এর অর্থে, তার অভ্যন্তরে নৈতিক স্খলনের একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
- **হোস্টেলে সমকামিতার ঘটনা:** প্রাক্তন ছাত্র ও অভিভাবকদের অভিযোগ, মিশনের হোস্টেল এবং ম্যানেজমেন্টের মধ্যেও সমকামিতার (Homosexuality) মতো গুরুতর অনৈতিক ঘটনা ঘটছে। এমনকি এই অভিযোগগুলোর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
- **ইসলামী অনুশাসন নেই:** প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও, প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত ইসলামী অনুশাসন নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে।
- **অর্থ তোলার চাপ:** শিক্ষার্থীদের ওপর প্রচুর অর্থ তোলার জন্য চাপ সৃষ্টির অভিযোগও রয়েছে।
এই অভিযোগগুলি আল-আমিন মিশনের ভিত্তিমূল, অর্থাৎ ইসলামী নৈতিকতা ও আমানত (Trust)-এর সঠিক ব্যবহারকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। আল-আমিন মিশনের বিরুদ্ধে ওঠা সমকামিতা ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগগুলি ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে চরম গুরুতর।
আল আমিন মিশনের দুর্নীতি নিয়ে বাংলাকাল একটি তদন্ত মূলক রিপোর্ট তৈরি করছে। এই প্রতিবেদন তার অংশ!
