বাজার – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Thu, 12 Mar 2026 14:04:04 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 বাজার – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 সংকটে কলকাতার ক্লাউড কিচেন: বাণিজ্যিক গ্যাসের অভাবে বন্ধের মুখে ট্যাংরার একাধিক ইউনিট https://banglakal.com/state/kolkatas-cloud-kitchen-in-crisis-multiple-tangra-units-face-closure-due-to-lack-of-commercial-gas/ https://banglakal.com/state/kolkatas-cloud-kitchen-in-crisis-multiple-tangra-units-face-closure-due-to-lack-of-commercial-gas/#respond Thu, 12 Mar 2026 14:03:07 +0000 https://banglakal.com/?p=2331 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহর কলকাতার রসনাতৃপ্তির অন্যতম ভরসা এখন ক্লাউড কিচেন। কিন্তু সেই জনপ্রিয় ব্যবসায় এবার থাবা বসালো বাণিজ্যিক গ্যাসের (Commercial Gas) চরম সংকট। বিশেষ করে ট্যাংরা অঞ্চলের একটি নামী ক্লাউড কিচেনের অবস্থা এখন রীতিমতো আশঙ্কাজনক। প্রয়োজনীয় জ্বালানির অভাবে অর্ডার বাতিলের পাশাপাশি কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকপক্ষ।

​প্রধান সমস্যাসমূহ:

  • সীমিত মেনু ও তন্দুর বন্ধ: তন্দুর আইটেম তৈরিতে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়। বর্তমানে জোগানে টান পড়ায় এই কিচেনগুলির সিগনেচার তন্দুরি আইটেমগুলি মেনু থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
  • পরিচালন সময় হ্রাস: স্বাভাবিক সময়ে এই ক্লাউড কিচেনগুলি সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকলেও, এখন শুধুমাত্র সীমিত সময়ের জন্য পরিষেবা চালু রাখা হচ্ছে।
  • কর্মী ছাঁটাই ও ছুটি: কিচেন পুরোপুরি সচল রাখা সম্ভব না হওয়ায় অধিকাংশ কর্মীকে ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাজ হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বহু শ্রমিক।
  • অর্ডার বাতিল: সাধারণ অর্ডারের পাশাপাশি বড় কোনো ‘পার্টি অর্ডার’ বা অনুষ্ঠানের খাবার সরবরাহ করতেও অপারগ কিচেনগুলো।

ভবিষ্যতের আশঙ্কা

​ট্যাংরার মতো ঘিঞ্জি অঞ্চলে যেখানে খাবারের ব্যবসা স্থানীয় অর্থনীতির একটি বড় অংশ, সেখানে এমন অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুধু ব্যবসায়ীরাই নন, এই কিচেনগুলোর ওপর নির্ভরশীল নিয়মিত গ্রাহক এবং ডেলিভারি বয়দের জীবনযাত্রাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের জোগান স্বাভাবিক না হলে শহরের আরও অনেক কিচেন স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

]]>
https://banglakal.com/state/kolkatas-cloud-kitchen-in-crisis-multiple-tangra-units-face-closure-due-to-lack-of-commercial-gas/feed/ 0 2331
ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপে বড় ঘোষণা: রাশিয়ান তেল কেনা বন্ধের প্রতিশ্রুতি, আমেরিকার শুল্ক ১৮%-এ নামল, ভারতের বাজারে শূন্য শুল্কের প্রতিশ্রুতি https://banglakal.com/nation/usa-india-trade-deal/ https://banglakal.com/nation/usa-india-trade-deal/#respond Tue, 03 Feb 2026 05:14:37 +0000 https://banglakal.com/?p=1869 ওয়াশিংটন/নয়াদিল্লি, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সোমবার একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হয়েছে। এই কথোপকথনের পর ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে একটি দীর্ঘ পোস্ট করে ঘোষণা করেন যে, দুই দেশের মধ্যে একটি বড় বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মোদি রাশিয়া থেকে তেল কেনা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে রাজি হয়েছেন। তার বদলে ভারত আমেরিকা ও সম্ভবত ভেনেজুয়েলা থেকে অনেক বেশি পরিমাণে তেল কিনবে। ট্রাম্পের মতে, এই পদক্ষেপ ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে সাহায্য করবে কারণ রাশিয়ার অর্থনীতির উপর চাপ বাড়বে।

ট্রাম্প আরও জানান, ভারতের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে আমেরিকা ভারতীয় পণ্যের উপর আরোপিত শুল্ক ২৫% থেকে কমিয়ে ১৮%-এ নামিয়েছে। এর আগে রাশিয়ান তেল কেনার কারণে আমেরিকা ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫% শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছিল, যার ফলে মোট শুল্কের হার ৫০% পর্যন্ত পৌঁছেছিল। এই নতুন চুক্তির আওতায় ভারতও আমেরিকান পণ্যের উপর শুল্ক ও অশুল্ক বাধা শূন্যের দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ভারত আমেরিকার কাছ থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের শক্তি, প্রযুক্তি, কৃষিজাত পণ্য, কয়লা এবং অন্যান্য পণ্য কিনবে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স-এ (পূর্বে টুইটার) পোস্ট করে জানান, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে “চমৎকার” ফোনালাপ করেছেন এবং “মেড ইন ইন্ডিয়া” পণ্যের উপর শুল্ক ১৮%-এ নামার জন্য কৃতজ্ঞ। তবে মোদির পোস্টে রাশিয়ান তেল কেনা বন্ধ করা বা ৫০০ বিলিয়ন ডলারের কেনাকাটার বিষয়ে কোনও উল্লেখ করা হয়নি।

এই ঘোষণার পর ভারতে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলি প্রশ্ন তুলেছে যে, কেন ট্রাম্প প্রথমে এই চুক্তির কথা ঘোষণা করলেন, মোদি নয়। তারা আরও জানতে চেয়েছে— ভারতীয় কৃষক ও ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের স্বার্থ কীভাবে রক্ষা হবে? আমেরিকান কৃষিজাত পণ্য বেশি কেনার ফলে দেশীয় কৃষকদের কী অবস্থা হবে? ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের উপর এর প্রভাব কী হবে? এছাড়া রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল কেনার নীতি বদলে আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলার দিকে ঝুঁকে পড়ার কৌশলগত ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও আলোচনা চলছে।এই চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ভারত সরকারের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে রাশিয়ান তেল কেনা বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী দিনে সংসদে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া উচিত।

]]>
https://banglakal.com/nation/usa-india-trade-deal/feed/ 0 1869
ওয়াল স্ট্রিটে টানা চার দিন পতন: এসঅ্যান্ডপি ৫০০-এর ফিউচার্সে নতুন চাপ https://banglakal.com/nation/market-crash-usa/ https://banglakal.com/nation/market-crash-usa/#respond Mon, 02 Feb 2026 09:32:33 +0000 https://banglakal.com/?p=1839 নিউ ইয়র্ক | ২ ফেব্রুয়ারি: আমেরিকান শেয়ারবাজারে টানা চার দিন ধরে পতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০-এর ফিউচার্স (ই-মিনি এসঅ্যান্ডপি ৫০০) সোমবারও নিম্নমুখী রয়েছে, যার ফলে এই সূচকটি টানা চার দিন লালের মধ্যে থাকার পথে। আর্থিক তথ্য ও চার্ট বিশ্লেষণকারী সংস্থা বারচার্টের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্ট মাসের পর এই প্রথম এমন টানা পাঁচ দিনের লাল ধারা দেখা যায়নি, তবে চার দিনের পতন ইতিমধ্যেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।সোমবার এশিয়ান ও ইউরোপীয় বাজারের লেনদেন শুরুর আগে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার্স প্রায় ১.১ শতাংশ পর্যন্ত নেমে এসেছে। সূচকটির মূল্য ৬৮৮০-৬৮৯০ পয়েন্টের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে, যা গত কয়েক সপ্তাহের উচ্চতম স্তর ৭০০০ পয়েন্টের কাছাকাছি থেকে উল্লেখযোগ্য পতন।

এই ধারাবাহিক পতনের পিছনে একাধিক কারণ কাজ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যবান ধাতু বিশেষ করে রুপোর (সিলভার) দরে ৫ শতাংশেরও বেশি পতন হয়েছে এবং বিটকয়েনের মূল্যও প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। এই সমস্ত সম্পদের পতনের প্রভাব অন্যান্য সম্পদ শ্রেণিতে ছড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর (বিগ টেক) ত্রৈমাসিক আয়ের ফলাফল এবং ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা এই পতনকে আরও তীব্র করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ফেড চেয়ার পদে কেভিন ওয়ার্শের মতো ব্যক্তির নাম ঘোষণার পর থেকে সোনা-রুপোর মতো নিরাপদ সম্পদেও বিক্রির চাপ বেড়েছে, যা সামগ্রিক বাজার মেজাজকে আরও নেতিবাচক করে তুলেছে।

ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীদের একাংশ অবশ্য এই পতনকে ‘সংশোধনমূলক পুনর্মূল্যায়ন’ (corrective repricing) হিসেবে দেখছেন, আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি নয় বলে মনে করছেন। বারচার্ট-সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত চার্ট অনুযায়ী, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার্সের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ৬৮২০-৬৮৩০ পয়েন্টের কাছাকাছি রয়েছে। এই স্তর ধরে রাখতে পারলে স্বল্পমেয়াদে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা থাকতে পারে।ঐতিহাসিক তথ্য বলছে, এ ধরনের টানা চার দিনের পতনের পর পরবর্তী দুই সপ্তাহের মধ্যে বাজার ইতিবাচক দিকে ফিরে আসার সম্ভাবনা প্রায় ৬৫ শতাংশ। তবে এ সপ্তাহে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর আয় ঘোষণা এবং মার্কিন চাকরির বাজারের তথ্য প্রকাশের কারণে বাজারে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

]]>
https://banglakal.com/nation/market-crash-usa/feed/ 0 1839
কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬: ওড়িশার প্রতি অবহেলা অব্যাহত, নবীন পট্টনায়কের তীব্র সমালোচনা https://banglakal.com/nation/odisha-neglected-budget-2026/ https://banglakal.com/nation/odisha-neglected-budget-2026/#respond Sun, 01 Feb 2026 15:01:14 +0000 https://banglakal.com/?p=1836 ভুবনেশ্বর| ১ ফেব্রুয়ারি : কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ ওড়িশার প্রতি অবহেলা অব্যাহত, নবীন পট্টনায়কের তীব্র সমালোচনা ভারত সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেট উপস্থাপনের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ওড়িশায় এই বাজেটকে ঘিরে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজু জনতা দলের (বিজেডি) সভাপতি এবং বর্তমানে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নবীন পট্টনায়ক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি বিস্তারিত পোস্টে বাজেটের প্রতি গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন।

তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে এই বাজেটে ওড়িশা ও তার জনগণের জন্য কোনও উল্লেখযোগ্য সুবিধা নেই।নবীন পট্টনায়কের মতে, ওড়িশাবাসীরা আশা করেছিলেন যে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার (কেন্দ্র ও রাজ্যে একই দলের শাসন) অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রাজ্যের প্রাপ্য অতিরিক্ত অনুদানের উপর জোর দিয়ে উন্নয়নের গতি বাড়াবে। কিন্তু বাস্তবে রাজ্য খুব কমই পেয়েছে। তিনি লিখেছেন, “The budget has offered no noteworthy benefits to Odisha and its people. The state has received very little.”

একদিকে তিনি ওড়িশায় ‘রেয়ার আর্থ করিডর’ (Rare Earth Corridor) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন। ওড়িশা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খনিজের অন্যতম প্রধান উৎপাদক রাজ্য হিসেবে দেশ গঠনে সবসময় অবদান রেখে চলেছে। কিন্তু এই প্রস্তাবের পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রে গভীর অবহেলা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, খনিজসমৃদ্ধ অঞ্চল ও শিল্পকেন্দ্রগুলিকে বন্দরের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য জাতীয় জলপথ (National Waterways) নির্মাণের প্রস্তাব আবারও ঘোষণা করা হয়েছে।

কিন্তু এটি এক দশকেরও বেশি পুরনো প্রস্তাব, যার মাটিতে কোনও অগ্রগতি হয়নি। ওড়িশাবাসীদের জন্য সবচেয়ে বড় হতাশার বিষয় হলো সাতটি হাই-স্পিড রেল করিডরের ঘোষণা, যা শহরগুলির মধ্যে ‘গ্রোথ কানেক্টর’ হিসেবে কাজ করবে। এই তালিকায় ওড়িশার কোনও স্থান নেই। এছাড়া ভুবনেশ্বর মেট্রো প্রকল্পকে ওড়িশা বিজেপি সরকার আগেই আটকে দিয়েছে, এবং জনগণের প্রয়োজনের প্রতি অবহেলা অব্যাহত রয়েছে।আরও একটি আশ্চর্যজনক বিষয় হলো বৌদ্ধ সার্কিট উন্নয়নের পর্যটন-কেন্দ্রিক প্রকল্প থেকে ওড়িশাকে সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া। অথচ রাজ্যে ডায়মন্ড ট্রায়াঙ্গল সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ স্থান রয়েছে, যা পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করতে পারত।

সামগ্রিকভাবে বাজেট পর্যালোচনা করে নবীন পট্টনায়কের অভিযোগ, ওড়িশা শুধু তার প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে যাওয়ার জন্যই অনুদান পাচ্ছে, কিন্তু রাজ্যবাসীর কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, “Odisha is getting allocations only for taking its natural resources away and completely ignored when it comes to resource allocation for benefit of people of the State.”এই প্রেক্ষাপটে নবীন পট্টনায়ক রাজ্যের বিজেপি সরকারকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রাজ্য সরকারকে কেন্দ্রের কাছ থেকে ওড়িশার ন্যায্য অধিকার আদায় করতে হবে। ওড়িশা ও তার জনগণ কেন্দ্রীয় বাজেট থেকে আরও ভালো ও বেশি প্রাপ্য।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নবীন পট্টনায়কের বিজেডি দল অতীতে এনডিএ-র (NDA) সঙ্গে দীর্ঘদিন জোটে ছিল। ১৯৯৮ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিজেডি-বিজেপি জোট ওড়িশায় শাসন করেছে এবং নবীন পট্টনায়ক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৯ সালে জোট ভেঙে যাওয়ার পর থেকে বিজেডি স্বাধীনভাবে লড়াই করে এবং একাধিকবার ক্ষমতায় এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পুরনো জোটের ইতিহাসের প্রেক্ষিতে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের প্রতি তাঁর সমালোচনা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ওড়িশার মতো খনিজসমৃদ্ধ রাজ্যের জন্য এই বাজেট শুধু সম্পদ নিষ্কাশনের পথ প্রশস্ত করেছে, কিন্তু জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও আধুনিক অবকাঠামোর প্রতিশ্রুতি পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই অবহেলা দীর্ঘমেয়াদে রাজ্যের অর্থনৈতিক বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

]]>
https://banglakal.com/nation/odisha-neglected-budget-2026/feed/ 0 1836
সোনা-রুপোর বাজারে বিপর্যয়: ১৮০,০০০ টাকা ছোঁয়া থেকে তীব্র ধস, আমেরিকায় ৬ ট্রিলিয়ন ডলারের লস https://banglakal.com/market/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/ https://banglakal.com/market/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond Sun, 01 Feb 2026 07:18:24 +0000 https://banglakal.com/?p=1802 কলকাতা | ১ ফেব্রুয়ারি : কলকাতা ও ভারতের সোনা-রুপো বাজারে গত দুই সপ্তাহে যে অভূতপূর্ব উত্থান দেখা গিয়েছিল, তা এখন সম্পূর্ণ উল্টো দিকে মোড় নিয়েছে। জানুয়ারি মাঝামাঝি থেকে শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত সোনার দাম MCX-তে ১,৬৭,০০০ টাকা থেকে ১,৮০,৭৭৯ টাকা প্রতি ১০ গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছেছিল — কলকাতায় ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা ১০ গ্রামে ১,৮০,০০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এই উত্থানের পিছনে ছিল আন্তর্জাতিক অস্থিরতা, ইরান-সম্পর্কিত ভূ-রাজনৈতিক টেনশন, ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতির ভয়, ডলারের দুর্বলতা এবং সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের সোনা কেনাকাটা। রুপো তখন ১২০ ডলার প্রতি আউন্স ছাড়িয়ে ভারতে কেজি প্রতি ৪-৫ লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছিল। লগ্নিকারীরা সোনাকে ‘সেফ-হেভেন’ হিসেবে দেখে বিপুল পরিমাণে কিনেছিলেন, যার ফলে দাম প্যারাবলিক র‍্যালি দেখিয়েছিল — গত এক বছরে সোনা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু ২৯-৩০ জানুয়ারি থেকে ছবি পুরোপুরি বদলে যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩০ জানুয়ারি কেভিন ওয়ার্শকে ফেড চেয়ার হিসেবে নমিনেট করেন। ওয়ার্শকে ‘হকিশ’ (মুদ্রানীতিতে কড়া) বলে পরিচিত, যা ফেডের স্বাধীনতা বজায় রাখার সংকেত দেয় এবং ইনফ্লেশন নিয়ন্ত্রণে কঠোরতা দেখায়। এতে ডলার মজবুত হয়ে ওঠে (USD ইনডেক্স ০.৯%+ বাড়ে), রিয়েল ইয়েল্ড বাড়ে এবং সোনা-রুপোর মতো সেফ-হেভেন অ্যাসেট থেকে ফান্ড সরে যায়। আন্তর্জাতিক স্পট গোল্ড ৫,৫৯৫ ডলার থেকে একদিনে ৯-১২% পড়ে ৪,৭০০-৫,০০০ ডলারের কাছে নেমে আসে। রুপোতে ধস আরও ভয়াবহ — ৩০-৩১% পড়ে ৭৮ ডলারের কাছে, যা ১৯৮০-এর পর সবচেয়ে খারাপ দিন। এই পতনে গ্লোবাল প্রিসিয়াস মেটাল মার্কেট থেকে ৩-৬ ট্রিলিয়ন ডলারের মূল্য হ্রাস হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আমেরিকান স্টক মার্কেটেও (S&P 500, Nasdaq) একই সময়ে টেক স্টক (Microsoft-সহ) ধসে ৬ ট্রিলিয়ন ডলারের ইকুইটি লস দেখা যায়, যা ট্রেড ওয়ার ভয়, ফেড নমিনেশন ও প্রফিট বুকিংয়ের যৌথ প্রভাব।

ভারতে এর প্রভাব তীব্র। MCX গোল্ড ফেব্রুয়ারি কন্ট্রাক্ট ১২%+ পড়ে ১,৫০,০০০-১,৬০,০০০ টাকা প্রতি ১০ গ্রামে শেষ হয়েছে। কলকাতায় ১ ফেব্রুয়ারি ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা প্রতি ১০ গ্রামে ১,৬০,৫৮০-১,৬২,৩০০ টাকা (প্রতি গ্রাম ১৬,০৫৮-১৬,২৩০ টাকা), হলমার্ক গয়না (২২ ক্যারেট) ১,৪৭,২০০-১,৫৪,২৫০ টাকা। রুপো কেজি প্রতি ৩.৫ লক্ষের নীচে নেমেছে। আনন্দবাজার পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে, হলমার্ক সোনার গহনা ১০ গ্রামে ৭,৩০০ টাকা কমেছে, পাকা সোনা ৭,৬৫০ টাকা কম। এই ধসে লগ্নিকারীদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে, কারণ অনেকে রেকর্ড উচ্চতায় কিনে লসের মুখে পড়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পতন সাময়িক। প্রফিট বুকিংয়ের পর ফের উত্থান সম্ভব, কারণ ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা (ইরান, ট্যারিফ), ইনফ্লেশন ভয় ও সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক কেনাকাটা অব্যাহত থাকবে। তবে বর্তমানে কেনাকাটার জন্য ভালো সুযোগ, বিশেষ করে বিবাহ-উৎসব মরসুমে। সতর্কতা অবলম্বন করে বিনিয়োগ করুন। দাম স্থানীয় GST, মেকিং চার্জ ও রিয়েল-টাইম পরিবর্তন অনুসারে ভিন্ন হতে পারে।

]]>
https://banglakal.com/market/%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/ 0 1802