international – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Wed, 25 Mar 2026 17:24:02 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 international – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন, সচেতনতার উপর জোর https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d/#respond Wed, 25 Mar 2026 09:49:26 +0000 https://banglakal.com/?p=2441 বাঁকুড়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের সোনামুখী উত্তর চক্রের অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মদনপুর জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় ৪৫তম আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন করা হয়। এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা সচেতনতা মূলক শ্লোগান দিতে দিতে বাদ্যযন্ত্র ও বিউগল বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে গ্রাম পরিক্রমা করেন। শোভাযাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

পরে বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষকরা Tuberculosis বা যক্ষা রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে এই দিবস পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— “হ্যাঁ, আমরা যক্ষা নির্মূল করতে পারি, দেশগুলোর নেতৃত্বে মানুষের দ্বারা চালিত (Yes, we can end TB: led by countries, powered by people)”, যা ২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষা নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বিনিয়োগ এবং জনসচেতনতার উপর বিশেষ জোর দেয়।

এ বছরের মূল লক্ষ্য ছিল যক্ষা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নতুন রোগী শনাক্তকরণ এবং বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

এক সময় “যদি হয় যক্ষা, থাকবে না রক্ষা”—এই কথাটি সমাজে প্রচলিত ছিল, কারণ অতীতে এই রোগে মৃত্যুহার ছিল অত্যন্ত বেশি। তবে ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ Robert Koch যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন, যার ফলে এই মারণ রোগের চিকিৎসার পথ উন্মুক্ত হয়। এই আবিষ্কারের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৯৮২ সাল থেকে প্রতি বছর ২৪ মার্চ আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় ঘোষ জানান, যক্ষা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে সহজেই সুস্থ হওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, ১৯৯৩ সালে যক্ষাকে গ্লোবাল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হলেও এখনও এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। তবে সচেতনতা ও উন্নত চিকিৎসার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ সালে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ২৩৭ জন যক্ষায় আক্রান্ত হলেও বর্তমানে তা কমে ১৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে এবং মৃত্যুহার ২১% হ্রাস পেয়েছে।

তিনি সকলকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে যক্ষা নির্মূল করি।” এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভয় দূর করা। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়লে তবেই এই কর্মসূচির সার্থকতা অর্জিত হবে।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d/feed/ 0 2441
বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন, সচেতনতার উপর জোর https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6-2/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6-2/#respond Wed, 25 Mar 2026 09:49:26 +0000 https://banglakal.com/?p=2443 বাঁকুড়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের সোনামুখী উত্তর চক্রের অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মদনপুর জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় ৪৫তম আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন করা হয়। এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা সচেতনতা মূলক শ্লোগান দিতে দিতে বাদ্যযন্ত্র ও বিউগল বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে গ্রাম পরিক্রমা করেন। শোভাযাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

পরে বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষকরা Tuberculosis বা যক্ষা রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে এই দিবস পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— “হ্যাঁ, আমরা যক্ষা নির্মূল করতে পারি, দেশগুলোর নেতৃত্বে মানুষের দ্বারা চালিত (Yes, we can end TB: led by countries, powered by people)”, যা ২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষা নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বিনিয়োগ এবং জনসচেতনতার উপর বিশেষ জোর দেয়।

এ বছরের মূল লক্ষ্য ছিল যক্ষা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নতুন রোগী শনাক্তকরণ এবং বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

এক সময় “যদি হয় যক্ষা, থাকবে না রক্ষা”—এই কথাটি সমাজে প্রচলিত ছিল, কারণ অতীতে এই রোগে মৃত্যুহার ছিল অত্যন্ত বেশি। তবে ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ Robert Koch যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন, যার ফলে এই মারণ রোগের চিকিৎসার পথ উন্মুক্ত হয়। এই আবিষ্কারের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৯৮২ সাল থেকে প্রতি বছর ২৪ মার্চ আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় ঘোষ জানান, যক্ষা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে সহজেই সুস্থ হওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, ১৯৯৩ সালে যক্ষাকে গ্লোবাল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হলেও এখনও এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। তবে সচেতনতা ও উন্নত চিকিৎসার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ সালে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ২৩৭ জন যক্ষায় আক্রান্ত হলেও বর্তমানে তা কমে ১৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে এবং মৃত্যুহার ২১% হ্রাস পেয়েছে।

তিনি সকলকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে যক্ষা নির্মূল করি।” এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভয় দূর করা। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়লে তবেই এই কর্মসূচির সার্থকতা অর্জিত হবে।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6-2/feed/ 0 2443
বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন, সচেতনতার উপর জোর https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-awareness/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-awareness/#respond Wed, 25 Mar 2026 09:49:26 +0000 https://banglakal.com/?p=2445 বাঁকুড়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের সোনামুখী উত্তর চক্রের অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মদনপুর জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় ৪৫তম আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন করা হয়। এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা সচেতনতা মূলক শ্লোগান দিতে দিতে বাদ্যযন্ত্র ও বিউগল বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে গ্রাম পরিক্রমা করেন। শোভাযাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

পরে বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষকরা Tuberculosis বা যক্ষা রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে এই দিবস পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— “হ্যাঁ, আমরা যক্ষা নির্মূল করতে পারি, দেশগুলোর নেতৃত্বে মানুষের দ্বারা চালিত (Yes, we can end TB: led by countries, powered by people)”, যা ২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষা নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বিনিয়োগ এবং জনসচেতনতার উপর বিশেষ জোর দেয়।

এ বছরের মূল লক্ষ্য ছিল যক্ষা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নতুন রোগী শনাক্তকরণ এবং বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

এক সময় “যদি হয় যক্ষা, থাকবে না রক্ষা”—এই কথাটি সমাজে প্রচলিত ছিল, কারণ অতীতে এই রোগে মৃত্যুহার ছিল অত্যন্ত বেশি। তবে ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ Robert Koch যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন, যার ফলে এই মারণ রোগের চিকিৎসার পথ উন্মুক্ত হয়। এই আবিষ্কারের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৯৮২ সাল থেকে প্রতি বছর ২৪ মার্চ আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় ঘোষ জানান, যক্ষা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে সহজেই সুস্থ হওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, ১৯৯৩ সালে যক্ষাকে গ্লোবাল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হলেও এখনও এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। তবে সচেতনতা ও উন্নত চিকিৎসার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ সালে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ২৩৭ জন যক্ষায় আক্রান্ত হলেও বর্তমানে তা কমে ১৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে এবং মৃত্যুহার ২১% হ্রাস পেয়েছে।

তিনি সকলকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে যক্ষা নির্মূল করি।” এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভয় দূর করা। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়লে তবেই এই কর্মসূচির সার্থকতা অর্জিত হবে।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-awareness/feed/ 0 2445
বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন, সচেতনতার উপর জোর https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-bakura/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-bakura/#respond Wed, 25 Mar 2026 09:49:26 +0000 https://banglakal.com/?p=2447 বাঁকুড়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের সোনামুখী উত্তর চক্রের অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মদনপুর জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় ৪৫তম আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন করা হয়। এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা সচেতনতা মূলক শ্লোগান দিতে দিতে বাদ্যযন্ত্র ও বিউগল বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে গ্রাম পরিক্রমা করেন। শোভাযাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

পরে বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষকরা Tuberculosis বা যক্ষা রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে এই দিবস পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— “হ্যাঁ, আমরা যক্ষা নির্মূল করতে পারি, দেশগুলোর নেতৃত্বে মানুষের দ্বারা চালিত (Yes, we can end TB: led by countries, powered by people)”, যা ২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষা নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বিনিয়োগ এবং জনসচেতনতার উপর বিশেষ জোর দেয়।

এ বছরের মূল লক্ষ্য ছিল যক্ষা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নতুন রোগী শনাক্তকরণ এবং বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

এক সময় “যদি হয় যক্ষা, থাকবে না রক্ষা”—এই কথাটি সমাজে প্রচলিত ছিল, কারণ অতীতে এই রোগে মৃত্যুহার ছিল অত্যন্ত বেশি। তবে ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ Robert Koch যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন, যার ফলে এই মারণ রোগের চিকিৎসার পথ উন্মুক্ত হয়। এই আবিষ্কারের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৯৮২ সাল থেকে প্রতি বছর ২৪ মার্চ আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় ঘোষ জানান, যক্ষা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে সহজেই সুস্থ হওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, ১৯৯৩ সালে যক্ষাকে গ্লোবাল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হলেও এখনও এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। তবে সচেতনতা ও উন্নত চিকিৎসার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ সালে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ২৩৭ জন যক্ষায় আক্রান্ত হলেও বর্তমানে তা কমে ১৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে এবং মৃত্যুহার ২১% হ্রাস পেয়েছে।

তিনি সকলকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে যক্ষা নির্মূল করি।” এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভয় দূর করা। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়লে তবেই এই কর্মসূচির সার্থকতা অর্জিত হবে।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-bakura/feed/ 0 2447
আন্তর্জাতিক জল দিবস বাঁকুড়ার সোনামুখীতে https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-water-day-sonamukhi/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-water-day-sonamukhi/#respond Mon, 23 Mar 2026 03:07:16 +0000 https://banglakal.com/?p=2431 বাঁকুড়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

“জলের নাম জীবন ,
জল অপচয় করবেন না ,
করুন সবাই পণ।”
” জল দিবসে শপথ করি,
জল দূষণ, জল অপচয় রোধ করি”

সোনামুখী উত্তর চক্রের ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মদনপুর জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সারম্বরে পালিত হল ৩৪ তম আন্তর্জাতিক বা বিশ্ব জল দিবস। এদিন রবিবার বিদ্যালয়ে ছুটি থাকা সত্ত্বেও এদিন প্রভাতে ছাত্র-ছাত্রী , শিক্ষকগণ এবং অভিভাবক গণ ওইসব শ্লোগান দিতে দিতে বাদ্যযন্ত্র বিউগল বাজিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে গ্রাম পরিক্রমা করে। পরে বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে জলে গুরুত্ব, জল দিবসের ইতিহাস সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় ঘোষ।

বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা জল নিয়ে বিভিন্ন কবিতা, বক্তৃতা ও নৃত্য পরিবেশন করে এবং জল দিবস সম্পর্কে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে একটি বসে আঁকা প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় ঘোষ বলেন ,”জলের অপর নাম জীবন। জল ছাড়া আমাদের এক মুহূর্ত চলে না । জল ছাড়া গোটা পৃথিবী অচল। পৃথিবীর সৃষ্টির সময় গোটা পৃথিবী জলময় ছিল। আজ পৃথিবীতে দেখা দিয়েছে জলের তীব্র সংকট ।নাগরিক সভ্যতার লোভে জলময় পৃথিবী হতে চলেছে মরুভূমি।তবুও মানুষ জলের অপচয় করে চলেছে,জলের অপব্যবহার করে জলকে দূষিত করে চলেছে। জলের গুরুত্ব অনুধাবন করার জন্য ,জল নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতি বছরই বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব জল দিবস পালন করা হয়ে থাকে। বর্তমানে পৃথিবীতে জলের সংকট দেখা দিয়েছে। জলের সংকটের কথা অনুধাবন করে ‌ ১৯৯৩ সালে রাষ্ট্রসঙ্ঘের উদ্যোগে ২২শে মার্চ জল দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

প্রতিবছর জলদিবস একটা নির্দিষ্ট থিম বা প্রতিপাদ্য বিষয়কে কেন্দ্র করে পালিত হয়।। ২০২৬ সালে অর্থাৎ এ বছরে জল দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় “জল ও লিঙ্গ” (water and Gender)‌ যা জল সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নারী ও মেয়েরা যে অসম বোঝার সম্মুখীন হয় তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই থিমটি কিভাবে লিঙ্গ সমতা এবং নিরাপদ জলের প্রবেশাধিকার একে অপরের সাথে যুক্ত ,কিভাবে জল ব্যবস্থাপনায় নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন সমাজের সকলের উপকার করতে পারে তা অনুসন্ধান করে। ২০২৬ সালের অর্থাৎ এ বছরে জল দিবসের স্লোগান হল”where there is water there is equality” অর্থাৎ যেখানে জল সেখানেই সমতা।
“Water is life but it is also a tool for empowerment ” অর্থাৎ জলই জীবন কিন্তু এটা একটা শক্তিশালী মাধ্যম।
“Water is human right and women should lead the way”জলই মানবিক অধিকার এবং নারী তার নেতৃত্বে”। “
পৃথিবীর তিন ভাগ জল এক ভাগ স্থল হলেও ৯৭ শতাংশ জল সামুদ্রিক যা আমাদের প্রত্যক্ষ ভাবে কোনো কাজে লাগে না। মাত্র ৩ শতাংশ জল আমাদের ব্যবহারের উপযোগী। এর মধ্য ২.৩১ শতাংশ জল মেরু প্রদেশে বরফ হিসাবে জমা রয়েছে। তাহলে মাত্র ০.৬৯ শতাংশ জল আমরা ব্যবহার করি। অতএব সহজে অনুমেয় আমাদের কাছে জল কতটা গুরুত্বপূর্ণ।”
বিদ্যালয়ের শিশু সংসদের প্রধানমন্ত্রী প্রিতম বাউরী, আদৃতা চক্রবর্তী, অনুষ্কা বাউরী, অঙ্কিতা ধীবর,অদ্রিজা বাউরী, প্রিতম মেটে,সরলিপি মন্ডল , বিশ্বজিৎ বাউরি জানায়, “আজ আমরা সকলে মিলে জল অপচয় না করার আবেদন নিয়ে গ্রামের মানুষদের সচেতন করার বার্তা প্রচার করলাম। আমাদের বিদ্যালয়ে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা আছে, আমাদের ব্যবহৃত জল পুনরায় বিদ্যালয়ের সবজি বাগানে ব্যবহার করা হয়। এখানে জলের যথোপযুক্ত ব্যবহার করি।”
অভিভাবক দিলীপ মণ্ডল বলেন, “বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের এই অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই । এর ফলে সাধারণ মানুষের জল সমন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে”।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-water-day-sonamukhi/feed/ 0 2431
গ্যাসের হাহাকার: জয়নগরে বন্ধের মুখে বিখ্যাত ‘বীণাপাণি মিষ্টান্ন ভান্ডার’ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/gas-woes-famous-beenapani-sweets-store-in-jaynagar-faces-closure/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/gas-woes-famous-beenapani-sweets-store-in-jaynagar-faces-closure/#respond Wed, 18 Mar 2026 10:14:18 +0000 https://banglakal.com/?p=2419 বাবলু প্রামাণিক, জয়নগর: দিন যত এগোচ্ছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় এলপিজি (LPG) সংকট ততই ঘনীভূত হচ্ছে। সাধারণ গৃহস্থের রান্নাঘর থেকে শুরু করে বড় রেস্তোরাঁ—সবখানেই হাহাকার। তবে এই সংকটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে জয়নগরের বহুরু এলাকার সুপরিচিত মিষ্টির দোকান ‘বীণাপাণি মিষ্টান্ন ভান্ডার’-এ। জ্বালানির অভাবে এই ঐতিহ্যবাহী দোকানটি এখন পাকাপাকিভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

​আকাশছোঁয়া দাম, তবুও অমিল গ্যাস

​দোকানের কর্ণধর গণেশ দাস জানান, গত বেশ কিছু দিন ধরেই গ্যাসের এই চরম সমস্যা চলছে। আগে যে বাণিজ্যিক গ্যাসের সিলিন্ডার ১৮০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪০০ থেকে ৩০০০ টাকায়। কিন্তু ট্র্যাজেডি হলো, আকাশছোঁয়া দাম দিতে রাজি থাকলেও সময়মতো সিলিন্ডার মিলছে না। সরবরাহ এতটাই অনিয়মিত যে, মিষ্টি তৈরির কাজ সচল রাখা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​মেনু থেকে বাদ পড়ছে ছানার মিষ্টি

​গ্যাসের অভাব সরাসরি প্রভাব ফেলেছে মিষ্টির ধরনে। গণেশবাবু জানান:

  • ​দুধ ফুটিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধরে ঘন করে ছানা ও ক্ষীর তৈরির জন্য প্রচুর জ্বালানির প্রয়োজন হয়।
  • ​জ্বালানি বাঁচাতে আপাতত ছানার তৈরি সমস্ত বিশেষ মিষ্টি উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।
  • দোকানের অধিকাংশ জনপ্রিয় আইটেমই এখন আর তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না।

​”যদি এই সমস্যা আর মাত্র দু-তিন দিন স্থায়ী হয়, তবে দোকান সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো পথ থাকবে না,” অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে বলেন তিনি।

​কর্মসংস্থানে সিঁদুরে মেঘ

​বীণাপাণি মিষ্টান্ন ভান্ডারের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মী নির্ভরশীল। দোকান বন্ধ হলে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের রুজি-রুটি টান পড়বে। কারিগর থেকে শুরু করে সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকেই এখন অনিশ্চয়তার প্রহর গুনছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলের আশঙ্কা, দ্রুত এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বহুরুর এই মিষ্টির দোকানের মতো আরও অনেক ছোট-বড় প্রতিষ্ঠান তালাবন্ধ হওয়ার পথে এগোবে। প্রশাসন এই বিষয়ে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয় কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে এলাকার মানুষ ও ব্যবসায়ীরা।।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/gas-woes-famous-beenapani-sweets-store-in-jaynagar-faces-closure/feed/ 0 2419
গ্যাসের আকালে ধুঁকছে বাঁশবেড়িয়ার ‘মা ক্যান্টিন’, বন্ধের আশঙ্কায় কয়েকশ অভুক্ত মানুষ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/banshberias-ma-canteen-is-in-shambles-due-to-gas-shortage-hundreds-of-hungry-people-fear-closure/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/banshberias-ma-canteen-is-in-shambles-due-to-gas-shortage-hundreds-of-hungry-people-fear-closure/#respond Sat, 14 Mar 2026 14:37:11 +0000 https://banglakal.com/?p=2373 নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁশবেড়িয়া: রান্নার গ্যাসের তীব্র সঙ্কটে এবার সরাসরি প্রভাব পড়ল সাধারণ মানুষের সস্তার হেঁশেলে। বাঁশবেড়িয়া পুরসভা পরিচালিত ‘মা ক্যান্টিন’ দুটিতে দেখা দিয়েছে গ্যাসের চরম অভাব। পরিস্থিতি এতটাই ঘোরালো যে, যে কোনও মুহূর্তে ক্যান্টিন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ইতিমধ্যেই কোথাও কোথাও নোটিশ ঝোলানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যার ফলে আতঙ্কে রয়েছেন কয়েকশ মানুষ যারা প্রতিদিন মাত্র ৫ টাকায় দুপুরের খাবার পান।

সঙ্কটে পাঁচ টাকার ডিম-ভাত

​বাঁশবেড়িয়া পুরসভা পরিচালিত দুটি ক্যান্টিনে প্রতিদিন প্রায় ৭০০ জন মানুষ ডিম-ভাতের মিল পেয়ে থাকেন। মূলত ভবঘুরে, দিনমজুর এবং অভাবী মানুষের কাছে এই ক্যান্টিনই ছিল জীবনরেখা। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরেই জোগানে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে পরিষেবা।

​ক্যান্টিন কর্মীদের বয়ান অনুযায়ী:

  • ​গত দুই-তিন দিন ধরে গ্যাসের সমস্যা চরম আকার নিয়েছে।
  • ​পুরসভার পক্ষ থেকে ছোট সিলিন্ডার দিয়ে কোনোক্রমে আজকের রান্না করা সম্ভব হয়েছে।
  • ​শনিবার পরিষেবা চালু রাখা যাবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে।

ক্ষোভ ও অসহায়তা

​ক্যান্টিনের রান্নাঘরের কর্মী দেবী নন্দন জানান, “আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্যাস না পাওয়া গেলে বাধ্য হয়েই আমাদের ঝাঁপ ফেলতে হবে।” অন্যদিকে, ক্যান্টিনে নিয়মিত খাবার খেতে আসা এক ব্যক্তি আক্ষেপ করে বলেন, “ক্যান্টিন বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের ক্ষুধার্ত থাকতে হবে। ৫ টাকায় খাবার না পেলে আমাদের মুড়ি বা চিঁড়ে খেয়ে দিন কাটাতে হবে।”

রাজনৈতিক চাপানউতোর

​গ্যাসের এই আকাল নিয়ে সরাসরি কেন্দ্র সরকারকে নিশানা করেছেন বাঁশবেড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যান তাপস মুখোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ:

​”কেন্দ্রীয় সরকারের ভুল মনোভাব এবং ‘তুঘলকি’ নির্দেশের কারণেই আজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। গ্যাস না পাওয়া গেলে ক্যান্টিন বন্ধ করা ছাড়া উপায় থাকবে না।”

​তবে চেয়ারম্যান আশ্বাস দিয়েছেন যে, পুরসভার পক্ষ থেকে আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে যাতে দ্রুত গ্যাসের ব্যবস্থা করে পরিষেবা সচল রাখা যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ক্যান্টিনে চাল বা ডিমের কোনও অভাব নেই, একমাত্র রান্নার গ্যাসের অভাবেই এই নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

​এখন দেখার, পুরসভার তৎপরতায় গ্যাস জোগাড় করে কয়েকশো মানুষের দুপুরের আহার নিশ্চিত করা যায় কি না, নাকি প্রশাসনের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত বন্ধই হয়ে যায় এই জনপ্রিয় প্রকল্প।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/banshberias-ma-canteen-is-in-shambles-due-to-gas-shortage-hundreds-of-hungry-people-fear-closure/feed/ 0 2373