রাজনীতি – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Fri, 27 Mar 2026 14:51:55 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 রাজনীতি – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 রাণীনগরে তৃণমূলের বড় ভাঙন: কংগ্রেসে যোগ দিলেন শাহ আলমসহ ৭ পঞ্চায়েত সদস্য https://banglakal.com/state/tmc-workers-join-congress-in-raninagar/ https://banglakal.com/state/tmc-workers-join-congress-in-raninagar/#respond Fri, 27 Mar 2026 14:51:04 +0000 https://banglakal.com/?p=2450

রাণীনগর: দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুর্শিদাবাদের রাণীনগরে শাসক শিবিরে বড়সড় ভাঙন ধরল। তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করলেন রাণীনগরের দাপুটে নেতা শাহ আলম। তাঁর সঙ্গেই দল ছাড়লেন পঞ্চায়েতের আরও ৭ জন সদস্য এবং শতাধিক সক্রিয় কর্মী-সমর্থক।

শুক্রবার রাণীনগরে শাহ আলমের নিজস্ব বাসভবনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে রাণীনগর ১ ব্লকের সহ-সভাপতি জুলফিকার আলীর হাত ধরে তাঁরা কংগ্রেসের পতাকা তুলে নেন। বেশ কিছুদিন ধরেই শাহ আলমের দলবদল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কানাঘুষো চলছিল, আজ তাতে শীলমোহর পড়ল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শাহ আলমের এই দলবদল রাণীনগর বিধানসভা এলাকায় কংগ্রেসের জমি আরও শক্ত করল।

  • তৃণমূলের ক্ষতি: পঞ্চায়েত স্তরের ৭ জন সদস্য একসঙ্গে দল ছাড়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় শাসক দল সাংগঠনিকভাবে কিছুটা ধাক্কা খেল।
  • কংগ্রেসের শক্তি বৃদ্ধি: শাহ আলমের অনুগামী ও শতাধিক কর্মীর উপস্থিতিতে এলাকায় কংগ্রেসের মনোবল তুঙ্গে।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, শাহ আলমের যোগদানে আগামী নির্বাচনে রাণীনগর বিধানসভা আসনটি কংগ্রেসের জন্য জয়লাভ করা অনেক বেশি সহজ হয়ে উঠবে।

যোগদান শেষে শাহ আলম জানান, এলাকার উন্নয়ন এবং কর্মীদের স্বার্থ রক্ষার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

যোগদান কর্মসূচি শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জুলফিকার আলী বলেন:

আজকের এই যোগদান রাণীনগরের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। শাহ আলম সাহেবের মতো দক্ষ সংগঠক এবং পঞ্চায়েতের ৭ জন সদস্যের আমাদের দলে আসা প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ এবং কর্মীরা এখন কংগ্রেসের আদর্শের ওপরই ভরসা রাখছেন। তৃণমূলের অপশাসনে মানুষ বীতশ্রদ্ধ, তাই একের পর এক পঞ্চায়েত সদস্য ও কর্মী-সমর্থকরা আজ আমাদের হাত শক্ত করছেন। শাহ আলম ও তাঁর অনুগামীদের উপস্থিতিতে রাণীনগর বিধানসভায় কংগ্রেস এখন অপরাজেয়। আগামী দিনে আমরা এই ব্লকের প্রতিটি কোণায় কংগ্রেসের ঝাণ্ডা আরও উঁচুতে তুলে ধরব।”

]]>
https://banglakal.com/state/tmc-workers-join-congress-in-raninagar/feed/ 0 2450
“মিঠুন আসবেন” বলে ভিড় টানা, শেষে শূন্য মঞ্চ—বিহারের দিনমজুরদের দিয়ে সাজানো জনসমাবেশ বিজেপির জন সমাবেশ থেকে ছবি https://banglakal.com/state/mitun-expected-empty-stage/ https://banglakal.com/state/mitun-expected-empty-stage/#respond Thu, 19 Mar 2026 20:44:01 +0000 https://banglakal.com/?p=2422 পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক এক রাজনৈতিক সমাবেশ ঘিরে উঠে এসেছে এক গভীর হতাশা ও প্রশ্নের চিত্র—যেখানে মানুষের আবেগ, দারিদ্র্য এবং সরল বিশ্বাস যেন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে ‘দেখানোর রাজনীতি’র অংশ হিসেবে। অভিযোগ উঠেছে, জনপ্রিয় অভিনেতা Mithun Chakraborty-এর নাম ভাঙিয়ে হাজার হাজার মানুষকে সভায় আনা হলেও, শেষ পর্যন্ত তিনি উপস্থিতই হননি।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক যে দিকটি সামনে এসেছে, তা হলো—এই ভিড়ের বড় অংশই পশ্চিমবঙ্গের ভোটার নন। বরং তারা এসেছেন প্রতিবেশী রাজ্য Bihar থেকে—দিন আনা দিন খাওয়া শ্রমিক, যারা সাধারণত আলু তোলার মতো কৃষিকাজে নিযুক্ত। প্রতিদিন ৩০০ টাকার বিনিময়ে মাঠে কাজ করা এই মানুষগুলোকেই নাকি বাস-ট্রাকে করে এনে দাঁড় করানো হয়েছে রাজনৈতিক সভায়, শুধু ভিড় বাড়ানোর জন্য।

যে মানুষগুলো সারাদিন মাটির সঙ্গে লড়াই করে জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের কাছে এই ৩০০ টাকা বড় প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনকেই কাজে লাগিয়ে তাদের রাজনৈতিক মঞ্চে নিয়ে আসা হয়েছে বলে অভিযোগ। তাদের অনেকেই জানতেন না সভার উদ্দেশ্য কী, বা তারা কাদের সমর্থনে দাঁড়িয়ে আছেন—তারা শুধু জানতেন, দিন শেষে কিছু টাকা পাবেন।

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশেষ করে প্রবীণ মানুষদের টানা হয়েছে এক ভিন্ন কৌশলে—“মিঠুনদাকে দেখা যাবে” এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে। বহু মানুষ, বিশেষ করে বয়স্করা, দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এসেছিলেন শুধুমাত্র একবার প্রিয় অভিনেতাকে সামনে থেকে দেখার আশায়।

কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও যখন Mithun Chakraborty-এর দেখা মিলল না, তখন ভিড়ের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে হতাশা ও ক্ষোভ। এক বৃদ্ধা বলছিলেন—“ছোটবেলা থেকে সিনেমা দেখেছি, একবার সামনে থেকে দেখব ভেবেছিলাম… আমাদের কেন এমন আশা দেখানো হলো?”

এই পুরো ঘটনায় যেন দুটি ভিন্ন বাস্তবতা একসঙ্গে ধরা পড়েছে—একদিকে দরিদ্র শ্রমিক, যারা পেটের দায়ে ‘ভাড়া করা ভিড়’-এর অংশ; অন্যদিকে আবেগপ্রবণ সাধারণ মানুষ, যারা বিশ্বাস করে এসেছিলেন, কিন্তু ফিরে গেলেন ভাঙা মন নিয়ে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের কৌশল গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। যখন ভিড় দেখানোর জন্য বাইরের রাজ্যের অ-ভোটার শ্রমিকদের আনা হয়, এবং সাধারণ মানুষকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে টানা হয়, তখন প্রকৃত জনসমর্থনের ধারণাটাই প্রশ্নের মুখে পড়ে।

যদিও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করছে, তবুও মাঠপর্যায়ে উঠে আসা অভিজ্ঞতা এক ভিন্ন গল্প বলছে—একটি গল্প, যেখানে দারিদ্র্য, প্রতিশ্রুতি এবং প্রতারণা একসূত্রে গাঁথা।

দিনের শেষে, সেই শ্রমিকরা ফিরে গেছেন হয়তো ৩০০ টাকা নিয়ে, আর প্রবীণ মানুষগুলো ফিরেছেন গভীর হতাশা বুকে নিয়ে। রাজনৈতিক মঞ্চে হয়তো করতালি হয়েছে, কিন্তু সেই করতালির আড়ালে চাপা পড়ে গেছে অসংখ্য মানুষের নীরব প্রতারনায়।

]]>
https://banglakal.com/state/mitun-expected-empty-stage/feed/ 0 2422
টিকিট না পেয়ে রাজনীতিতে ইতি! ওকালতিতে ফেরার ইঙ্গিত চুঁচুড়ার বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারের https://banglakal.com/state/outgoing-chinsurah-mla-asit-majumdar-hints-at-return-to-advocacy-after-not-getting-ticket/ https://banglakal.com/state/outgoing-chinsurah-mla-asit-majumdar-hints-at-return-to-advocacy-after-not-getting-ticket/#respond Wed, 18 Mar 2026 10:07:40 +0000 https://banglakal.com/?p=2416 নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে শুরু হয়েছে মান-অভিমান আর দলবদলের পালা। তবে চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রে এবার সবথেকে বড় চমক বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারের রাজনৈতিক সন্ন্যাস। টানা তিনবারের বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও এবার দল তাঁর ওপর ভরসা না রাখায় একরাশ ক্ষোভ ও অভিমান নিয়ে রাজনীতির ময়দান ছাড়ার ঘোষণা করলেন তিনি।

​‘আমরা তো চুনোপুটির লোক’

​দলীয় সিদ্ধান্তে তাঁর জায়গায় তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যকে প্রার্থী করায় স্বভাবতই মুষড়ে পড়েছেন অসিতবাবু। সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের আক্ষেপ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা তো চুনোপুটি লোক, দল আমাদের সাথে কেন কথা বলবে? আমি মনে করেছি আমার কাজে খামতি নেই, কিন্তু দল হয়তো খামতি খুঁজে পেয়েছে। না হলে তিনবার জেতার পর এবার কেন টিকিট দেওয়া হলো না?” তাঁর অনুগামীদের ক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি জানান, মানুষের ভালোবাসা আছে বলেই তাদের মন ভেঙেছে, তবে সময়ের সাথে সব ঠিক হয়ে যাবে।

​বই আর ওকালতিতেই নতুন জীবন

​রাজনীতি থেকে আপাতত ‘বিশ্রাম’ নেওয়ার কথা জানিয়ে অসিত মজুমদার তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি জানান, “একদম তো বেকার হয়ে যাইনি। আমার উকিলের ডিগ্রি আছে, বার কাউন্সিলের সার্টিফিকেটও আছে। দরকার পড়লে আবার ওকালতি শুরু করব। এছাড়া বই পড়া আর ক্লাবে সময় কাটিয়ে দিন কাটাব।” দলের প্রতি কিছুটা বিদ্রুপের সুরে তিনি যোগ করেন, “দল কাজ করতে বললেই কি করতে হবে? আমি কি একা ঠ্যাকা নিয়েছি নাকি?”

​দলবদল কি সময়ের অপেক্ষা?

​রাজনীতি ছাড়ার কথা বললেও অন্য দলে যোগ দেওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা জিইয়ে রেখেছেন তিনি। বিজেপি বা অন্য কোনো শিবিরে যাচ্ছেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি সরাসরি ‘না’ বলেননি। তিনি জানান, “এখনো কিছু ভেবে দেখিনি। আমার একটা রাজনৈতিক পরিবার ও অনুগামীরা আছে। তাঁদের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করব।”

​২০১১ সালে বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে চুঁচুড়া থেকে ঘাসফুল ফুটিয়েছিলেন অসিত মজুমদার। দীর্ঘ ১৫ বছর বিধায়ক থাকার পর তাঁর এই ‘সন্ন্যাস’ ঘোষণা হুগলি জেলার রাজনীতিতে তৃণমূলের অন্দরে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

]]>
https://banglakal.com/state/outgoing-chinsurah-mla-asit-majumdar-hints-at-return-to-advocacy-after-not-getting-ticket/feed/ 0 2416
ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ: চলতি সপ্তাহেই প্রকাশিত হচ্ছে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা https://banglakal.com/state/big-step-before-the-election-supplementary-voter-list-to-be-published-this-week/ https://banglakal.com/state/big-step-before-the-election-supplementary-voter-list-to-be-published-this-week/#respond Wed, 18 Mar 2026 10:02:53 +0000 https://banglakal.com/?p=2413 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা:

রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এরই মাঝে ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনী নিয়ে বড়সড় স্বস্তির খবর জানাল নির্বাচন কমিশন সূত্র। আগামী শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যেই প্রকাশ পেতে চলেছে নতুন সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট।

ট্রাইব্যুনাল ও সিইও অফিসের সমন্বয়

​যাঁরা ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি বা সংশোধনের জন্য ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, তাঁদের বিষয়ে আদালত বিশেষ নির্দেশিকা দিয়েছে। ট্রাইব্যুনাল থেকে সেই তালিকা সরাসরি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতরে পাঠানো হবে। সিইও অফিস সেই তালিকা খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বচ্ছতা বজায় রাখাই কমিশনের মূল লক্ষ্য।

লক্ষ্য ২০ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি

​সূত্রের খবর, এই পর্যায়ে প্রায় ২০ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে। অর্থাৎ, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এক বিশাল সংখ্যক মানুষের নাম ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত হতে চলেছে। তবে কাজ এখানেই থেমে থাকছে না। যাঁদের নাম এই তালিকায় থাকবে না, তাঁদের আবেদনগুলি বাতিল হচ্ছে না; বরং সেগুলোর ওপর নিরন্তর কাজ চালিয়ে যাওয়া হবে।

ভোটের আগে পর্যন্ত দফায় দফায় তালিকা

​কমিশন সূত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ভোটার তালিকা সংশোধনের এই প্রক্রিয়া একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে জারি থাকবে। আগামী শুক্রবার-শনিবারের তালিকার বাইরেও অবশিষ্ট আবেদনকারীদের নাম পর্যায়ক্রমে খতিয়ে দেখা হবে। ভোটের আগে পর্যন্ত নিয়মিত ব্যবধানে এই ধরনের আরও সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বের করা হবে, যাতে একজন যোগ্য ভোটারও তাঁর ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।

এক নজরে মূল তথ্য:

  • প্রকাশের দিন: আগামী শুক্রবার অথবা শনিবার।
  • তালিকার ভিত্তি: ট্রাইব্যুনালের পাঠানো তথ্য ও সিইও অফিসের যাচাইকরণ।
  • নিষ্পত্তির সংখ্যা: প্রায় ২০ লক্ষ নাম।
  • ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: ভোটের আগের মুহূর্ত পর্যন্ত ধাপে ধাপে আরও সম্পূরক তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা।
]]>
https://banglakal.com/state/big-step-before-the-election-supplementary-voter-list-to-be-published-this-week/feed/ 0 2413
মোদীর ব্রিগেড সভার আগে শহরে ‘গো ব্যাক’ পোস্টার, বকেয়া পাওনা নিয়ে আক্রমণ তৃণমূলের https://banglakal.com/state/go-back-posters-in-city-ahead-of-modis-brigade-meeting-trinamool-attacks-over-outstanding-dues/ https://banglakal.com/state/go-back-posters-in-city-ahead-of-modis-brigade-meeting-trinamool-attacks-over-outstanding-dues/#respond Sat, 14 Mar 2026 14:40:41 +0000 https://banglakal.com/?p=2376 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ব্রিগেডের মেগা সমাবেশের কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই তপ্ত কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের আগের রাতে শহর জুড়ে দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। মা উড়ালপুল থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোদীর সভার পাল্টা হিসেবে পড়ে গেল ‘গো ব্যাক মোদী’ (Go Back Modi) লেখা হোর্ডিং।

​বকেয়া পাওনা নিয়ে সুর চড়া

​এদিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাওয়া হোর্ডিংগুলিতে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর ফিরে যাওয়ার দাবি তোলা হয়নি, বরং সেখানে রাজ্য সরকারের দীর্ঘদিনের অভিযোগকেও হাতিয়ার করা হয়েছে। হোর্ডিংগুলোতে বড় হরফে লেখা রয়েছে ‘১ লক্ষ ৯৬ হাজার কোটি’। অর্থাৎ, কেন্দ্রের কাছে বাংলার কত টাকা বকেয়া রয়েছে, সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরে সরাসরি বিজেপি সরকারকে বিঁধেছে শাসক শিবির।

​জনসভা ও প্রশাসনিক বৈঠক

​আজ কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এক বিশাল রাজনৈতিক জনসভা করার কথা রয়েছে। এই সভাকে কেন্দ্র করে গোটা কলকাতা গেরুয়া পতাকা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে ঢেকে ফেলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তবে রাজনৈতিক সভার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কিছু প্রশাসনিক কর্মসূচিও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

​শাসক ও বিরোধী তরজা

​তৃণমূলের অভিযোগ, কেন্দ্র বাংলার প্রাপ্য টাকা আটকে রেখে সাধারণ মানুষকে সমস্যায় ফেলছে। এই ‘গো ব্যাক’ হোর্ডিং সেই বঞ্চনারই প্রতিবাদ। অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে এই ধরণের হোর্ডিংয়ের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়েই শহরজুড়ে এই ধরনের কুরুচিকর পোস্টার দেওয়া হয়েছে।

​শনিবার রাত থেকেই মা উড়ালপুলের ওপর সারি সারি এই ‘গো ব্যাক’ হোর্ডিং পথচারীদের নজর কেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা শহর যখন সভার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন এই হোর্ডিং বিতর্ক রাজনৈতিক উত্তাপ আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

]]>
https://banglakal.com/state/go-back-posters-in-city-ahead-of-modis-brigade-meeting-trinamool-attacks-over-outstanding-dues/feed/ 0 2376
হুমায়ূনের স্ত্রীকে পুলিশের নোটিশ, হাজিরা দিতে নারাজ বিধায়ক-পত্নী https://banglakal.com/state/police-notice-issued-to-humayuns-wife-mla-and-wife-refuse-to-appear/ https://banglakal.com/state/police-notice-issued-to-humayuns-wife-mla-and-wife-refuse-to-appear/#respond Thu, 12 Mar 2026 14:19:08 +0000 https://banglakal.com/?p=2341

নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে ফের আইনি জটিলতায় জড়ালেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ূন কবীরের স্ত্রী মীরা সুলতানা। রাজ্য ভূমি দপ্তরের পর এবার সরাসরি পুলিশি সক্রিয়তা শুরু হয়েছে এই ইস্যুতে। শক্তিপুর থানায় মীরা সুলতানাকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও, বিধায়ক জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী থানায় যাচ্ছেন না।

​বিতর্কের সূত্রপাত

​শক্তিপুরে প্রায় ১৭ শতক জায়গার ওপর হুমায়ূন কবীরের একটি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই জমি ও বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বৈধতা বা অনুমতি নেই। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই এর আগে রাজ্য ভূমি দপ্তরের পক্ষ থেকে মীরা সুলতানাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দফায় তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান।

​পুলিশের তলব ও বিধায়কের পালটা অভিযোগ

​ভূমি দপ্তরের ডাকে সাড়া না দেওয়ায় এবার কড়া পদক্ষেপ নিল শক্তিপুর থানার পুলিশ। আজ, ১২ই মার্চ দুপুর ১২টার মধ্যে মীরা সুলতানাকে থানায় দেখা করার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ পাঠানো হয়।

​তবে এই গোটা ঘটনায় চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছেন বিধায়ক হুমায়ূন কবীর। তাঁর দাবি:

  • ​এটি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাঁকে হেনস্থা করার একটি পরিকল্পিত ছক।
  • ​প্রশাসনকে ব্যবহার করে তাঁর পরিবারকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার চেষ্টা চলছে।
  • ​আইনি পথেই তিনি এর মোকাবিলা করবেন, তাই নির্ধারিত সময়ে তাঁর স্ত্রী থানায় হাজিরা দিচ্ছেন না।

​বর্তমান পরিস্থিতি

​পুলিশের নোটিশ সত্ত্বেও মীরা সুলতানা হাজিরা না দেওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে জেলা মহলে জল্পনা তুঙ্গে। পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, তদন্তের স্বার্থেই এই তলব করা হয়েছিল। অভিযুক্ত পক্ষ সহযোগিতা না করলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

​এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে শক্তিপুর ও বহরমপুর এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর চরমে পৌঁছেছে। বিরোধীরা একে ‘আইন অমান্য’ হিসেবে দেখলেও, বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীরা একে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে দাবি করছেন।

]]>
https://banglakal.com/state/police-notice-issued-to-humayuns-wife-mla-and-wife-refuse-to-appear/feed/ 0 2341
বিহারের রাজনীতিতে বড়সড় পালাবদলের ইঙ্গিত: মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন নীতীশ কুমার? https://banglakal.com/nation/bihar-political-changes/ https://banglakal.com/nation/bihar-political-changes/#respond Wed, 04 Mar 2026 18:02:57 +0000 https://banglakal.com/?p=2295 পাটনা, ৪ মার্চ: বিহারের রাজনৈতিক অন্দরে জোর জল্পনা—দীর্ঘদিনের মুখ্যমন্ত্রী Nitish Kumar কি এবার রাজ্যসভায় পা রাখতে চলেছেন? নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর, ১৬ মার্চ ২০২৬-এ নির্ধারিত রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য তিনি প্রার্থীপদ দাখিল করতে পারেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সম্ভাব্য শেষ তারিখ ৫ মার্চ।

এই সম্ভাব্য পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বিহারের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। কারণ, সংবিধান অনুযায়ী একইসঙ্গে রাজ্য বিধানসভার সদস্য এবং সংসদের উচ্চকক্ষের সদস্য থাকা যায় না। ফলে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হলে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হবে।

NITISH KUMAR BIHAR CHIEF MINISTER

জেডিইউ-এনডিএ শিবিরে তৎপরতা

বর্তমানে Janata Dal (United)-এর প্রধান হিসেবে নীতীশ কুমার National Democratic Alliance-এর সমর্থনে বিহারে জোট সরকার পরিচালনা করছেন। গত বছরের বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট উল্লেখযোগ্য জয় পায়। যদিও নীতীশ কুমার টানা দশমবারের মতো শপথ নেন, তবে আসনসংখ্যার বিচারে Bharatiya Janata Party একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে।

এই প্রেক্ষাপটে রাজ্যসভায় তাঁর সম্ভাব্য গমন জোট রাজনীতির অন্দরে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিজেপি সূত্রে ইঙ্গিত, পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী পদে নিজেদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা জোরদার করা হয়েছে।

উত্তরসূরি কে?

দলীয় সূত্রে আলোচনা চলছে, নীতীশ-পুত্র নিশান্ত কুমারকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে আনার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু জেডিইউ-র ভেতরে উত্তরাধিকার প্রশ্নে নীরব তৎপরতা স্পষ্ট।

এদিকে রাজ্যসভায় বিহারের পাঁচটি আসন খালি হচ্ছে। জেডিইউ-র দখলে থাকা দুটি আসনের একটি থেকে বর্তমান সাংসদ Ram Nath Thakur-কে তৃতীয়বারের জন্য মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত বলে জানা গেছে। তিনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও ভারতরত্ন প্রাপ্ত কর্পূরী ঠাকুরের পুত্র।

দিল্লিমুখী নীতীশ—রাজনীতির নতুন অধ্যায়?

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নীতীশ কুমার বিহারের রাজনীতিতে এক অনিবার্য নাম। জোটবদল, কৌশলী অবস্থান ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় তিনি বারবার প্রাসঙ্গিক থেকেছেন। এবার যদি তিনি রাজ্যসভায় যান, তবে তা হবে রাজ্য রাজনীতি থেকে জাতীয় মঞ্চে তাঁর ভূমিকার পুনর্নির্ধারণ।

প্রশ্ন উঠছে—এটি কি ধীরে ধীরে সক্রিয় রাজ্য রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত, নাকি বৃহত্তর জাতীয় কৌশলের অংশ? বিজেপির উত্থান ও এনডিএ-র ভেতরে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্তকে অনেকে কৌশলগত বলেই মনে করছেন।

সরকারিভাবে এখনো কিছু ঘোষণা না হলেও পাটনার রাজনৈতিক মহল উত্তেজনায় টগবগ করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টাই স্পষ্ট করে দিতে পারে—বিহারের শীর্ষপদে কি সত্যিই আসছে নতুন মুখ, আর নীতীশ কুমারের রাজনৈতিক যাত্রা কি এবার দিল্লিমুখী?

]]>
https://banglakal.com/nation/bihar-political-changes/feed/ 0 2295
তৃণমূল বুথ সভাপতি ও পঞ্চায়েত মেম্বারের দাদাগিরির অভিযোগ থানায় https://banglakal.com/state/trinamul-bhata-president-complaint/ https://banglakal.com/state/trinamul-bhata-president-complaint/#respond Wed, 04 Mar 2026 16:11:35 +0000 https://banglakal.com/?p=2285 তৃণমূল কংগ্রেসের জামানায় তৃণমূলের কিছু দুষ্টু লোকের গুন্ডামি এবং অশ্লীলতার ছবি বার বার উঠে এসেছে বিভিন্ন খবরে। কখনো চুরি,কখনো হুমকি আবার কখনো খুনের অভিযোগ উঠেছে বার বার। বার বার খবর হবার পরেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেসের চুনোপুঁটি কিছু দুষ্টু নেতা বা নেত্রী। ঠিক তারিই একটি নজির স্থাপন করেছেন এক তৃণমূল বুথ সভাপতি ও পঞ্চায়েতের মহিলা সদস্য। কারিবিল্লা খাঁ নতুন বাড়ি তৈরির জন্য স্টোনচিফ ফেলতে গিয়ে সৈয়দ আলি খাঁয়ের বাড়ির কোনাচে লেগে যায় গাড়ি, ফলত ভেঙে যায় কোনাচ। সূত্রের খবর সৈয়দ আলি খাঁয়ের প্রথম বিয়ে হয়েছিল সুপিয়া বিবির সাথে। খবরের ভিতরে খবর যে সুপিয়া বিবিকে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করে সৈয়দ আলি খাঁ প্রায় দুই বছর ঘরে ঢুকতেই দেইনি এখন পর্যন্ত বলে অভিযোগ করছেন তার বৌমা আল্লাদী বিবি, তারপর বিয়ে করেছে সৈয়দ আলি খাঁ আরো একটি।এবার ঘটনা হলো সৈয়দ আলি খাঁ এর প্রথম স্ত্রী সুপিয়া বিবির নামে এবছর বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা এসেছে, অনেক চেষ্টা করেও সেই বাড়ি সৈয়দ আলি সহ তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা কেড়ে নিতে পারেননি এরকমটাই জানিয়েছেন কারিবিল্লা খাঁয়ের বৌ অর্থাৎ সুপিয়া বিবির বৌমা অর্থাৎ যারা বর্তমানে দেখাশোনা করছেন সুপিয়া বিবির।ফলত একটা চাপা রাগ ছিল আর তার উপর কোনাচ ভেঙে যাওয়া । প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে জানালে তাদের অর্থাৎ সৈয়দ আলি খাঁয়ের যা ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করবেন বলেন কারিবিল্লা খাঁ। তারপর চুপচাপ ছিল একদিন। পরদিন চলে তুমুল গালিগালাজ এবং লাঠির আঘাত। অভিযোগ বুথ সভাপতি দাঁড়িয়ে থেকে বলে ক্ষতিপূরণ নেওয়ার দরকার নেই মেরে শোধ করে লে, পঞ্চায়েত মেম্বারের পাওয়ার আরো বেড়ে যায় ফলত চলে তুমুল ধ্বস্তাধ্বস্তি। এক পর্যায়ে সুপিয়া বিবিকে একা পেয়ে বুথ সভাপতি সজোরে মাথায় মারে লাঠি,ফেটে রক্ত পড়তে থাকে এবং দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা।ফলত কেস গড়ায় থানা পর্যন্ত। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা ১ নং ব্লকের সন্ধিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার যাদববাটীর। জানা গেছে ২৫২ নং তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি আসরাফ ভাঙ্গি ও সন্ধিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত সদস্যা সানোয়ারা এই পুরো কর্মকাণ্ডটি ঘটিয়েছে যা সত্যিই বেদনাদায়ক।যদিও বর্তমানে পুলিশের কাছে হস্তান্তর হয়েছে এই ঘটনা এখন দেখার বিষয় কবে বিচার পান উক্ত নিরীহ দরিদ্র পরিবারের মানুষ গুলো।তবে এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৈয়দ আলি খাঁয়ের ভাগ্না তথা সন্ধিপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী অর্থাৎ যাদববাটীর অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা জাকির হোসেন খাঁন। তিনি বলেন ভিডিও দেখেছি খুব খারাপ লাগলো। তবে বাড়িটা আমার দূরে তাই কি হয়েছে আসলে আমি জানিনা।

]]>
https://banglakal.com/state/trinamul-bhata-president-complaint/feed/ 0 2285
বিধায়কের নামে ‘নিখোঁজ’ পোস্টার: কৃষ্ণগঞ্জে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা https://banglakal.com/state/missing-poster-in-the-name-of-mla-political-tension-in-krishnaganj/ https://banglakal.com/state/missing-poster-in-the-name-of-mla-political-tension-in-krishnaganj/#respond Thu, 26 Feb 2026 11:23:02 +0000 https://banglakal.com/?p=2211 নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণগঞ্জ: ‘বিধায়ককে খুঁজে দিন’— এই মর্মেই পোস্টার পড়ল নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায়। বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক আশীষ কুমার বিশ্বাসের ছবি সম্বলিত এই পোস্টারগুলিকে কেন্দ্র করে বুধবার সকাল থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের নানা প্রান্তে। পোস্টারের নিচে সৌজন্যে লেখা রয়েছে ‘কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার সচেতন নাগরিক সমাজ’।

​পোস্টারের বিষয়বস্তু ও জনমত

উদ্ধার হওয়া পোস্টারগুলিতে বিধায়ককে ‘মিথ্যাবাদী’ ও ‘ধাপ্পাবাজ’ বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। এমনকি ইডি (ED), সিবিআই (CBI) এবং পুলিশ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বিধায়ককে খুঁজে দেওয়ার আর্জিও জানানো হয়েছে। তবে এই ধরনের পোস্টারকে ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দা শম্ভুনাথ সরকার বলেন, “বিধায়ক একজন ভালো মানুষ, তিনি সবসময় আমাদের পাশে থাকেন। যারা এই কাজ করেছে তারা ঠিক করেনি। এর পেছনে শাসকদলের হাত থাকতে পারে।”

বিধায়কের পাল্টা তোপ

​নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক আশীষ কুমার বিশ্বাস। তাঁর দাবি, ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল পায়ের তলায় মাটি হারিয়ে এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করছে। তিনি বলেন:

“তৃণমূল চক্রান্ত করে এই পোস্টার মেরেছে। কেউ বুক ঠুকে বলতে পারবে না আমি কারও থেকে এক পয়সা নিয়েছি। আমি আমার তহবিলের সমস্ত টাকা উন্নয়নের কাজে লাগাই। এমনকি এক কোটি টাকার বেশি কাজের অনুমোদন হয়ে আছে, যা কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হবে।”

তিনি আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান যে, কৃষ্ণগঞ্জ বিজেপির শক্ত ঘাঁটি এবং ছাব্বিশের ভোটে বিজেপিই ক্ষমতায় আসছে বুঝতে পেরে তৃণমূল সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

​অন্যদিকে, পোস্টার বিতর্কে শাসকদলের কোনো ভূমিকা নেই বলে দাবি করেছেন কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি শুভদীপ সরকার। তবে পোস্টারের বিষয়বস্তু সঠিক বলে তিনি বিধায়ককে আক্রমণ করেন। শুভদীপবাবুর কথায়, “বিধায়ককে এলাকায় দেখতে পাওয়া যায় না। এসআইআর-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ চললেও তাঁর দেখা নেই। তিনি মানুষের কাজ করেন না বলেই সাধারণ মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে এই পোস্টার মেরেছে।” তৃণমূল কর্মীদের এই কাজের সময় নেই দাবি করে তিনি পাল্টাসুর চড়িয়ে বলেন, খোদ বিজেপি কর্মীরাই বিধায়কের ওপর তিতিবিরক্ত।

​সব মিলিয়ে, পোস্টার কেন্দ্রিক এই বিবাদকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণগঞ্জের রাজনৈতিক পরিবেশ এখন বেশ উত্তপ্ত।

]]>
https://banglakal.com/state/missing-poster-in-the-name-of-mla-political-tension-in-krishnaganj/feed/ 0 2211
জৌগ্রাম বিতর্কের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই জারো গ্রামে মাস্টারস্ট্রোক তৃণমূলের https://banglakal.com/state/trinamools-masterstroke-in-jaro-village-within-24-hours-of-the-jaugram-controversy/ https://banglakal.com/state/trinamools-masterstroke-in-jaro-village-within-24-hours-of-the-jaugram-controversy/#respond Thu, 26 Feb 2026 11:18:21 +0000 https://banglakal.com/?p=2208

জামালপুর: রাজনীতির ময়দানে কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, বরং উন্নয়নের মাধ্যমেই বিরোধীদের জবাব দিতে চায় শাসকদল। গতকাল জৌগ্রামে পথশ্রী প্রকল্পের সরকারি সাইনবোর্ডে বিজেপির পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, আজ তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই নতুন প্রকল্পের সূচনা করে কার্যত মাস্টারস্ট্রোক দিল তৃণমূল কংগ্রেস।

গতকাল জামালপুরের জৌগ্রামে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের সরকারি বিজ্ঞাপনের ওপর বিজেপির পোস্টার দেখা যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চরম বাদানুবাদ শুরু হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে একে সরকারি প্রকল্পের অবমাননা বলে দাবি করা হয়, অন্যদিকে বিজেপি সেই অভিযোগ অস্বীকার করে। জেলাজুড়ে এই নিয়ে যখন চর্চা তুঙ্গে, ঠিক তখনই আজ জাড়গ্রাম অঞ্চলে নতুন রাস্তার কাজ শুরু করে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিল শাসকদল।

]]>
https://banglakal.com/state/trinamools-masterstroke-in-jaro-village-within-24-hours-of-the-jaugram-controversy/feed/ 0 2208