ওয়াকফ – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Thu, 25 Sep 2025 13:28:25 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 ওয়াকফ – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 রাজ্য ওয়াকফ বোর্ড ও মুর্শিদাবাদ প্রশাসনের বিরুদ্ধে বহরমপুর কারবালা কবরস্থান দখলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ https://banglakal.com/waqf/baharampur-cemetery-waqf-land-grab-allegation/ https://banglakal.com/waqf/baharampur-cemetery-waqf-land-grab-allegation/#respond Thu, 25 Sep 2025 13:28:20 +0000 https://banglakal.com/?p=1068

বহরমপুর কারবালা কবরস্থানের জমি জবর দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করেছিল সিপিআইএম পরিচালিত মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ। সেই ঘরের উপর দোতলা বিল্ডিং তৈরি করছে তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদ। এই বেআইনি কাজে মদত দিচ্ছে জেলা প্রশাসন, ওয়াকফ বোর্ড এবং মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিরা। বহরমপুর কারবালা ওয়াকফ কবরস্থান মুতাওয়াল্লি কমিটির সদস্য এবং মুর্শিদাবাদ জেলা ওয়াকফ মনিটরিং সেল এর সদস্য আইনজীবী তৌফিক আহমেদ আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। কারবালা কবরস্থান এর মধ্যে অবস্থিত শিবডাঙ্গা জুমা মসজিদে কারবালা কবরস্থান মুতাওয়াল্লি কমিটির ডাকা এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বক্তব্য রাখছিলেন। তিনি বলেন মুর্শিদাবাদ প্রশাসন জনসাধারণের মাঝে অসত্য বক্তব্য প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। যে জমি নিয়ে বিরোধ সেই জমির কোন সমাধান হয়নি। অথচ জেলা পুলিশ সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করছে সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। প্রেস মিটে বক্তব্য রাখেন মুর্শিদাবাদ জেলা ওয়াকফ মনিটরিং সেল এর সদস্য ডাঃ এম হাসনাত আলী। তিনি বলেন জেলা পরিষদের সভায় এডিএম জেড পি ঘোষণা করেছেন কারবালা কবরস্থানের জমি সমস্যা মিটে গেছে। মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ আবু তাহের খান বলেছেন এডিএম বলেছেন সমাধান হয়ে গেছে। অতএব সরকারি দস্তখত পড়ে গেছে। আর কিছু করার নেই।


কারবালা কবরস্থান প্রাচীন ঐতিহাসিক ওয়াকফ কবরস্থান। অবিভক্ত বাংলার অনেক প্রসিদ্ধ ব্যক্তি এখানে শায়িত আছেন। মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২৮২ বিঘা। বিভিন্ন সময়ে নানা রকম ভাবে জবর দখলের ফলে তার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০.৫ একর । এর মধ্যে ৫.৪০ একর জমি মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ ২০০২/৩ সালে জবর দখল করে ১২৮ খানা দোকান ঘর নির্মাণ করে এবং খতিয়ান নং পরিবর্তন করে ১ নং করে।


বর্তমানে তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদ ঐ ১২৮ খানা দোকান ঘরের উপর দোতলা ঘর নির্মাণ করছে। মুতাওয়াল্লি কমিটি লিখিত অভিযোগ করেন রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের কাছে। মুতাওয়াল্লি কমিটির দাবি ওয়াকফ সম্পত্তিতে ঐ ১২৮ খানা দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। জেলা পরিষদের দাবি তারা জেলা পরিষদের নিজস্ব জায়গায় দোকান ঘর নির্মাণ করেছে। ওয়াকফ বোর্ড, মুতাওয়াল্লি কমিটি এবং জেলা পরিষদ যৌথ ভাবে জমি মাপ করে সমাধান করার জন্য ওয়াকফ বোর্ড নির্দেশ দেন।


গত ২৬ আগষ্ট যৌথ ভাবে জমি মাপ করা হয়। মাপ শেষে যৌথ রিপোর্ট তৈরি না করে জেলা পরিষদের প্রতিনিধিরা জানান যৌথ মাপ অনুযায়ী লিখিত রিপোর্ট তৈরি করে আপনাদের হাতে দিয়ে যাব। রিপোর্ট তৈরি করার সময় আপনাদের ডাকা হবে। কিন্তু সে সব না করে জেলা পরিষদের পক্ষে এডিএম জেলা পরিষদ নিজের মতো করে রিপোর্ট তৈরি করে ওয়াকফ বোর্ডে পাঠিয়ে দেন। সেই রিপোর্টের কথা জানতে বোর্ডকে চিঠি লিখলে বোর্ড গত ১৯ সেপ্টেম্বর বোর্ড অফিসে ডাকেন বিষয়টি আলোচনা করার জন্য। সেই মতো মুতাওয়াল্লি কমিটি বোর্ডের মিটিং এ যায়। মিটিং এ বোর্ডের সিইও জানান এডিএম জেলা পরিষদ এর কাছ থেকে যে রিপোর্ট এসেছে তাই চূড়ান্ত। একে অমান্য করতে পারব না। এডিএম জেলা পরিষদ যে রিপোর্ট পাঠিয়েছেন তাতে বলা হয়েছে রেকর্ড অনুযায়ী ওয়াকফ এর সম্পত্তি ৫.৪০ একর। কিন্তু নক্সা অনুযায়ী সে জমির পরিমাণ ৫.২৬ একর। বাস্তবে মুতাওয়াল্লি কমিটি দখল করে আছে ৫.৭৭ একর। এডিএম রিপোর্টে লিখেছেন ঐ ওয়াকফ সম্পত্তিতে কোন মসজিদ নেই। অথচ আপনারা দেখছেন মসজিদ। মসজিদ চত্বরেই আমরা প্রেস মিট করছি। কথাগুলো বললেন মুতাওয়াল্লি কমিটির সভাপতি সানোয়ার সেখ।


আমরা ঐ রিপোর্ট সরাসরি প্রত্যাখ্যান করি এবং ঘোষণা করি এডিএম জেলা পরিষদ সম্পূর্ণ ভুল রিপোর্ট দিয়েছেন। এ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে বোর্ডের চেয়ারম্যান আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে সভা ভেঙে দেন।
ঘটনার বিশ্লেষণ বলছে জেলা পরিষদ সদস্যদের একাংশ, জেলা শাসক এবং ওয়াকফ বোর্ডের সিইও মিলিত ভাবে ওয়াকফ সম্পত্তি ফিরিয়ে দিতে ষড়যন্ত্র করছে। আশ্চর্যের বিষয় ওয়াকফ বোর্ডের দায়িত্ব ওয়াকফ সম্পত্তি রক্ষা করা অথচ আমরা দেখছি ওয়াকফ বোর্ডের সিইও ওয়াকফ সম্পত্তি দখলে মদত দিচ্ছেন।


মুতাওয়াল্লি কমিটি দাবি করেন
১. কারবালা কবরস্থানের খতিয়ান নং ১ পরিবর্তন করে আগের খতিয়ান নং এ নিয়ে যেতে হবে।
২. ২৩৩ দাগের ৫.৪০ একর জমি পুজিয়ে দিতে হবে।


ওয়াকফ বোর্ড যদি ওয়াকফ সম্পত্তি রক্ষার জন্য এগিয়ে না আসে তা হলে আমরা বিষয়টি মুর্শিদাবাদ জেলাবাসীকে জানাতে চাই এবং এই বিষয়ে জেলা পরিষদ, জেলা শাসক, ওয়াকফ বোর্ডের সিইও এবং জেলার জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা কী তাও জানাতে চাই। সেই সাথে জেলা ব্যাপী গণ আন্দোলন গড়ে তুলতে চাই – বলে তাঁরা ঘোষণা করেন।


সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সংবিধান রক্ষা ফোরাম এর সদস্য এবং আজাদ সমাজ পার্টির রাজ্য কনভেনর ইমতিয়াজ আহমেদ মোল্লা, ওয়েলফেয়ার পার্টি অফ ইন্ডিয়া-র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, মুসলিম লীগের রাজ্য সভাপতি আবুল হোসেন মোল্লা, বন্দী মুক্তি কমিটির জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এম আর ফিজা এবং এসডিপিআই এর জাতীয় সম্পাদক তায়েদুল ইসলাম।

]]>
https://banglakal.com/waqf/baharampur-cemetery-waqf-land-grab-allegation/feed/ 0 1068
দুর্নীতি, রাজনীতির বেড়াজালে মুর্শিদাবাদে দখল হচ্ছে ওয়াকফ সম্পত্তি https://banglakal.com/waqf/murshidabad-waqf-property-grab-corruption/ https://banglakal.com/waqf/murshidabad-waqf-property-grab-corruption/#respond Sat, 20 Sep 2025 17:39:30 +0000 https://banglakal.com/?p=1053 বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদ জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কারবালা ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে আবারও বিতর্কের ঝড় উঠেছে। এই পবিত্র কবরস্থানের জমিতে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ বেআইনিভাবে একটি দোতলা ভবন নির্মাণের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী কারবালা ওয়াকফ সম্পত্তি কমিটির সভাপতি সানোয়ার শেখ, তিনি ৩১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে জেলা পরিষদকে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এতে তিনি জানান যে, ওয়াকফ সম্পত্তির উপর নির্মিত ১২৮টি দোকানের উপর জেলা পরিষদ কোনো অনুমোদন ছাড়াই দোতলা ভবন তৈরি করছে এবং অবিলম্বে এই কাজ বন্ধ করার দাবি জানান।

জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় সানোয়ার শেখ গত ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে সরাসরি ওয়াকফ বোর্ডের প্রধান কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা (CEO)-কে লিখিত আবেদন করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় CEO ১৮ জুলাই, ২০২৪ তারিখে মুর্শিদাবাদ জেলাশাসককে একটি চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলেন। তবে, অভিযোগ অনুযায়ী, আজ পর্যন্ত নির্মাণ কাজ চলছে।

দীর্ঘদিনের বিবাদ: অতীত থেকে বর্তমান

কারবালা ওয়াকফ সম্পত্তি মূলত একটি বিশাল কবরস্থান, যা বহরমপুর শহরের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে শিবডাঙ্গা বদরপুর মৌজায় অবস্থিত। এর মোট জমির পরিমাণ প্রায় ৩০০ বিঘা। এই জমি নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ২০০২-০৩ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে তৎকালীন জেলা পরিষদের সভাধিপতি সচ্চিদানন্দ কান্ডারী ৩৭৭ খতিয়ানের ২৩৩ দাগের একটি অংশ পরিবর্তন করে ১ নং খতিয়ানে নিয়ে আসেন এবং এর উপর ১২৮টি দোকান তৈরি করেন। এই ঘটনা সেই সময় তীব্র জনঅসন্তোষের সৃষ্টি করে এবং ব্যাপক আন্দোলনের জন্ম দেয়।

২০০৭ সালে বহরমপুরের তৎকালীন মহকুমা আধিকারিকের তত্ত্বাবধানে একটি আপোষ মীমাংসা করা হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয় যে, দখলকৃত জমি আপাতত দখলমুক্ত করার চেষ্টা না করে, যেটুকু জমি কবরস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেটুকু সীমানা নির্ধারণ করে প্রাচীর দিয়ে ঘিরে দেওয়া হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে এবং মোতওয়াল্লী কমিটি এর তদারকি করবে। সেই অনুযায়ী কাজও হয়েছিল।

কিন্তু গত বছরখানেক আগে বর্তমান তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদ সেই ১২৮টি দোকানের উপর দোতলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করলে নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য জেলা পরিষদ ও মোতওয়াল্লী কমিটির মধ্যে একাধিকবার বৈঠক হলেও কোনো সমাধান সূত্র বের হয়নি।

বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু: নয়নজুলি

এই বিবাদের মূল কারণ হলো একটি নয়নজুলি (খাল)। জেলা পরিষদের দাবি, এই নয়নজুলি ২৩৪ দাগের অংশ এবং দোকানগুলো সেখানেই নির্মিত হয়েছে। অন্যদিকে, মোতওয়াল্লী কমিটির দাবি, নয়নজুলি ২৩৩ দাগের অংশ এবং দোকানগুলো ২৩৩ দাগের কিছু অংশ দখল করে তৈরি হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে, বহরমপুরের প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও মুর্শিদাবাদ কবরস্থান বাঁচাও কমিটির সদস্য ডা. এম. আর. ফিজা বলেন, “সিএস এবং আরএস মানচিত্র অনুযায়ী, নয়নজুলি ২৩৩ দাগের অংশ। মানচিত্র অনুযায়ী জমির পরিমাণ পূরণের জন্য এই নয়নজুলিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

এছাড়াও, আরও কিছু প্রশ্ন উঠেছে:

  • কীসের ভিত্তিতে ৩৭৭ খতিয়ানের ২৩৩ দাগ পরিবর্তন করে ১ নং খতিয়ান করা হয়েছিল?
  • ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এটি ১ নং খতিয়ান হয় এবং পরে ১০৯৪ খতিয়ানে রূপান্তরিত হয়। এই পরিবর্তন কীভাবে সম্ভব হলো?
  • ২৩৩ এবং ২৩৪ দাগের মধ্যবর্তী রাস্তাটি কি ওয়াকফ সম্পত্তি, নাকি এটি ব্রিটিশ আমলের জেলা বোর্ডের রাস্তা?

অনেকের অভিযোগ, বামফ্রন্ট সরকারের শেষ দিকে রাজ্যজুড়ে অনেক কবরস্থানকে ১ নং খতিয়ানে নিয়ে আসা হয়েছিল, যা কার্যত ওয়াকফ সম্পত্তিকে সরকারি সম্পত্তিতে রূপান্তরিত করার শামিল।

রাজনৈতিক কোন্দল ও দুর্নীতির অভিযোগ

মুর্শিদাবাদ জেলা ওয়াকফ সম্পত্তি সুপারভাইজার কমিটির সদস্য ডা. এম. হাসনাত জানান, কারবালা ছাড়াও আরও অনেক ওয়াকফ সম্পত্তি স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব এবং দুর্নীতির কারণে বেদখল হচ্ছে। তিনি বলেন, “বারো বিঘা কবরস্থানের জায়গায় রাণী স্বর্ণময়ীর মূর্তি স্থাপনের বায়না করা হয়েছে এবং বাইশ পল্লীর ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করে বাজার বসানো হয়েছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদ সিপিআইএম পরিচালিত জেলা পরিষদের শুরু করা দখল প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।

এসডিপিআইয়ের জাতীয় সম্পাদক তায়েদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বহরমপুরে ওয়াকফ সম্পত্তি দখলের সূচনা হয়েছিল কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর হাত ধরে, পরে সিপিআইএম এতে গতি দেয়, এবং এখন তৃণমূল সেই ধারা বজায় রেখেছে। তিনি আরও দাবি করেন, সিপিআইএম-এর জেলা অফিস এবং দক্ষিণবঙ্গ রাজ্য পরিবহন নিগমকে দেওয়া বাস টার্মিনালও ওয়াকফ সম্পত্তির উপর নির্মিত হয়েছে।

কিছু এলাকাবাসী বর্তমান মোতওয়াল্লী কমিটির একাংশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগও এনেছেন। তাদের মতে, ১২৮টি দোকান থেকে যে ভাড়া আসছে, তার পুরোটা জেলা পরিষদের তহবিলে জমা হচ্ছে না।

ওয়াকফ বোর্ড এবং মোতওয়াল্লী কমিটির ব্যর্থতা?

প্রশ্ন উঠেছে, দখল ঠেকাতে বা পুনরুদ্ধার করতে ওয়াকফ বোর্ড এবং মোতওয়াল্লী কমিটি কতটা সফল? স্থানীয়দের অভিযোগ, কমিটিতে যোগ্য সদস্যদের পরিবর্তে রাজনৈতিক নেতাদের পছন্দের লোকজন স্থান পায়, যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। তারা বলছেন, রাজনৈতিক নেতা, মোতওয়াল্লী কমিটির কিছু সদস্য এবং সরকারি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করা হচ্ছে।

গত ২৬ আগস্ট ২০২৫, জেলা পরিষদ ও ওয়াকফ বোর্ডের যৌথ মাপজোখে প্রমাণিত হয় যে, জেলা পরিষদ ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করে রেখেছে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, জেলা পরিষদ কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে মাপ শেষ করে এবং পরে ডিএলআরও-এর মাধ্যমে ওয়াকফ বোর্ডকে ভুল তথ্য দিয়ে চিঠি পাঠায়। ওয়াকফ বোর্ড প্রথমে রিপোর্টে অস্বীকৃতি জানালেও, পরে লিখিত আবেদনের পর জানায় যে মাপে প্রমাণ হয়েছে জেলা পরিষদ কোনো দখল করেনি।

এর প্রতিবাদে মোতওয়াল্লী কমিটি ৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে বোর্ডকে লিখিতভাবে জানায় যে তারা এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন এবং বোর্ড এককভাবে রিপোর্ট তৈরি করেছে। ১৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কমিটির বৈঠকে কোনো সমাধান হয়নি। বৈঠক থেকে বেরিয়ে সানোয়ার শেখ জানান, তারা আদালতের দ্বারস্থ হবেন।

তারা ইতিমধ্যে ২০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান এবং ২১ আগস্ট ২০২৫ মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ২২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে তারা জেলার সব সাংসদ, কয়েকজন বিধায়ক এবং সভাধিপতির সঙ্গে বৈঠক করবেন। যদি এর পরেও কোনো সমাধান না হয়, তবে পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে। ওয়াকফ সম্পত্তি বাঁচানোর এই লড়াই এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।

]]>
https://banglakal.com/waqf/murshidabad-waqf-property-grab-corruption/feed/ 0 1053
ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে কেরালার হিন্দু সংগঠন। https://banglakal.com/waqf/hindu-organization-moves-sc-against-waqf-act-says-law-threatens-existence-of-muslims/ https://banglakal.com/waqf/hindu-organization-moves-sc-against-waqf-act-says-law-threatens-existence-of-muslims/#respond Wed, 07 May 2025 12:41:44 +0000 https://banglakal.com/?p=782

নয়াদিল্লি: কেরালাভিত্তিক হিন্দু সংগঠন ‘শ্রী নারায়ণা মানব ধর্মম ট্রাস্ট’ সুপ্রিম কোর্টে ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছে। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ট্রাস্ট সমাজসংস্কারক শ্রী নারায়ণা গুরুর শিক্ষার প্রচারের উদ্দেশ্যে গড়ে উঠেছিল। তাদের দাবি, সংশোধিত আইনটি ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের অস্তিত্বের জন্য সরাসরি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনি সংবাদমাধ্যম বার অ্যান্ড বেন্চ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাস্টটি ইতিমধ্যেই চলা একাধিক পিটিশনের মধ্যে হস্তক্ষেপ করার আবেদন দায়ের করেছে। ট্রাস্টের বক্তব্য, তাদের এই হস্তক্ষেপ শ্রী নারায়ণা গুরুর শিক্ষা ও মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে, যা সামাজিক ন্যায় ও সম্প্রদায়গুলির পারস্পরিক নির্ভরশীলতার উপর জোর দেয়। শীর্ষ আদালতে ট্রাস্ট জানায়, “আমরা নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারি না, যখন এই বিতর্কিত আইন মুসলিম সম্প্রদায় এবং দেশের সামাজিক সম্প্রীতির উপর ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলছে।”

পিটিশনে বলা হয়েছে, সংশোধিত আইনটি ওয়াকফ ব্যবস্থাকে ভুলভাবে ‘অ-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে চিহ্নিত করছে এবং ঐতিহাসিকভাবে ইসলামি আইনি ভিত্তিকে মুছে দিচ্ছে, যা ওয়াকফ সম্পত্তি পরিচালনার মূল ভিত্তি ছিল। ট্রাস্টের দাবি, এই আইন শতাব্দীপ্রাচীন ইসলামি ফিকাহকে সরিয়ে দিয়ে এক রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত কাঠামো চাপিয়ে দিচ্ছে, যা মুসলিম ধর্মীয় দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলির স্বায়ত্তশাসনকে নস্যাৎ করছে।

আবেদনপত্রে সংশোধিত আইনটিকে “অসাংবিধানিক, অনন্য রাষ্ট্র-নির্মিত এবং রাষ্ট্র-আরোপিত পরিকল্পনা” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা ধর্মীয় দান-সম্পত্তির উপর অযাচিত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করছে এবং সংবিধানের ২১, ২৫, ২৬ ও ২৯(১) অনুচ্ছেদের অধীনে মুসলিম সম্প্রদায়ের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করছে। পিটিশনে বলা হয়েছে, এই আইন কার্যত মুসলিম সম্প্রদায়কে তার অর্থনৈতিক ও আর্থিক ভিত্তি থেকে বঞ্চিত করবে, যা ইসলামের চর্চা ও অস্তিত্বকেই বিপন্ন করবে।

এদিকে কেন্দ্র সরকার সুপ্রিম কোর্টে ১,৩৩২ পৃষ্ঠার প্রাথমিক হলফনামা দাখিল করে সমস্ত চ্যালেঞ্জকারী পিটিশন বাতিলের দাবি করেছে। তারা পিটিশনগুলিতে উত্থাপিত উদ্বেগকে “দুষ্টু চক্রান্তমূলক মিথ্যা প্রচার” বলে আখ্যা দিয়েছে এবং সংশোধনটিকে আইনসম্মত ও সংসদের ক্ষমতার মধ্যে পড়া পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে।

১৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে এক সপ্তাহের সময় দেয় পিটিশনের জবাব দিতে এবং সরকারের আশ্বাস নেয় যে ৫ মে পর্যন্ত ওয়াকফ সম্পত্তি বাতিল বা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডে সদস্য নিয়োগ করা হবে না।

তবে ৫ মে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, যিনি মামলাটি শুনছিলেন, হঠাৎ নিজের বিরত থাকার সিদ্ধান্ত জানান, কারণ ১৩ মে তার অবসর। তিনি জানান, এই পর্যায়ে কোনো অন্তর্বর্তী আদেশ বা রায় সংরক্ষণ করতে তিনি ইচ্ছুক নন। এখন মামলাটি ১৫ মে বিচারপতি বি.আর. গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শোনা হবে।

এত বিপুল সংখ্যক পিটিশন জমা পড়লেও, সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি স্পষ্ট করেছে যে ৭০টিরও বেশি দায়ের করা মামলার মধ্যে থেকে শুধুমাত্র নির্বাচিত পাঁচজন পিটিশনারের পক্ষ থেকে যুক্তি শোনা হবে।

প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর অনুমোদনের পর কেন্দ্রীয় সরকার ৫ এপ্রিল ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫ গেজেট আকারে প্রকাশ করে।

]]>
https://banglakal.com/waqf/hindu-organization-moves-sc-against-waqf-act-says-law-threatens-existence-of-muslims/feed/ 0 782
ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫ নিয়ে শুনানি স্থগিত, ১৫ মে হবে শুনানি: সুপ্রিম কোর্ট। https://banglakal.com/waqf/supreme-court-postpones-hearing-on-waqf-amendment-act-petitions-to-may-15/ https://banglakal.com/waqf/supreme-court-postpones-hearing-on-waqf-amendment-act-petitions-to-may-15/#respond Mon, 05 May 2025 12:08:30 +0000 https://banglakal.com/?p=753


ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫ চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একাধিক মামলার শুনানি স্থগিত করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। নতুন করে ১৫ মে বিচারপতি বি.আর. গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলাটি শোনা হবে। বিচারপতি গাভাই শিগগিরই ভারতের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন।

বর্তমান প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না ৫ মে শুনানিতে বলেন, “আমি অবসর নিচ্ছি, তাই অন্তর্বর্তী রায় সংরক্ষণ করতে চাই না। দ্রুত শুনানি দরকার, কিন্তু আমি তা দেখব না। সব পক্ষ রাজি হলে বিচারপতি গাভাইয়ের বেঞ্চে বিষয়টি তোলা হবে।” উভয় পক্ষের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বল, এ.এম. সিংভি এবং কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা এতে সম্মতি জানান।

শীর্ষ আদালত জানায়, আপাতত পাঁচটি আবেদনই পরবর্তী শুনানিতে নেওয়া হবে, নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। “একই বিষয়ে শত শত আবেদন দেখা সম্ভব নয়,” বলে আদালত মন্তব্য করে।

আগের শুনানিতে কপিল সিব্বল যুক্তি দেন, বহু শতাব্দী প্রাচীন মসজিদ-দরগাহের মতো ধর্মীয় স্থানগুলোর নথিপত্র না থাকলেও জনসাধারণ সেগুলোকে ওয়াকফ হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে, তাই “ওয়াকফ বাই ইউজার” ধারাটি বাদ দেওয়া সমস্যা তৈরি করবে।

কেন্দ্রের পক্ষে তুষার মেহতা বলেন, নতুন বিধান শুধু ভবিষ্যতের জন্য প্রযোজ্য এবং পূর্বে নথিভুক্ত সম্পত্তি ওয়াকফ হিসেবে থাকবে। তিনি জানান, সংসদে এই আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু দিয়েছেন।

ওয়াকফ বোর্ড ও কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিলে অ-মুসলিম সদস্য অন্তর্ভুক্তি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ হয়। প্রধান বিচারপতি খন্না বলেন, “হিন্দু ধর্মীয় বোর্ডে কি অ-হিন্দুদের রাখা হবে?” — বিষয়টির সংবেদনশীলতার দিকটি তুলে ধরে আদালত প্রস্তাব করে যে কেবল সরকারি পদে থাকা সদস্য ছাড়া সকল নিয়মিত সদস্য মুসলিম হওয়া উচিত।

কেন্দ্র আদালতকে আশ্বাস দেয়, নতুন করে কোনো নিয়োগ এখনই করা হবে না এবং বিদ্যমান ওয়াকফ সম্পত্তিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। আদালত এই বক্তব্য রেকর্ডে রাখে।

এআইএমআইএম সাংসদ আসাদুদ্দিন ওয়াইসি, দিল্লির বিধায়ক আমানতুল্লাহ খান, জামিয়ত উলেমা-ই-হিন্দ, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড এবং ডিএমকে, আরজেডি, সিপিআই-র মতো বিরোধী দলগুলি এই আইন চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে। বিপরীতে অসম, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্রের বিজেপি-শাসিত সরকারগুলি সংশোধিত আইনকে সমর্থন করেছে।

প্রধান আপত্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে “ওয়াকফ বাই ইউজার” প্রভিশন বাতিল, অ-মুসলিমদের বোর্ডে অন্তর্ভুক্তি, নারী সদস্য সীমিত করা, ওয়াকফ সৃষ্টিতে পাঁচ বছর মুসলিম অনুশীলনকারী থাকার শর্ত, প্রত্নতাত্ত্বিক বা আদিবাসী জমিতে ওয়াকফের সীমাবদ্ধতা এবং সরকারের ভূমি বিরোধ মেটানোর ক্ষমতা বৃদ্ধি।


]]>
https://banglakal.com/waqf/supreme-court-postpones-hearing-on-waqf-amendment-act-petitions-to-may-15/feed/ 0 753
কেরালার শ্রী নারায়ণা সংস্থা সুপ্রিম কোর্টে, ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন ২০২৫-এর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ। https://banglakal.com/waqf/keralas-sree-narayana-trust-moves-supreme-court-against-waqf-act-calls-it-threat-to-muslim-survival/ https://banglakal.com/waqf/keralas-sree-narayana-trust-moves-supreme-court-against-waqf-act-calls-it-threat-to-muslim-survival/#respond Mon, 05 May 2025 11:20:59 +0000 https://banglakal.com/?p=744

কেরালা-ভিত্তিক শ্রী নারায়ণা মানব ধর্মম ট্রাস্ট সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে, দাবি করে যে এই আইন ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ফেলেছে।

ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারি না যখন এই বিতর্কিত আইন পুরো মুসলিম সম্প্রদায় এবং দেশের সামাজিক ন্যায়বিচারের উপর ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলছে।”

২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শ্রী নারায়ণা মানব ধর্মম ট্রাস্ট, যা মহাপুরুষ ও দার্শনিক শ্রী নারায়ণা গুরু’র শিক্ষা ও আদর্শ প্রচারে কাজ করে, চলমান মামলায় হস্তক্ষেপের আবেদন করেছে।

গুরু’র শিক্ষা তুলে ধরে ট্রাস্ট সুপ্রিম কোর্টে বলেছে, “শ্রী নারায়ণা গুরু’র শিক্ষা অনুযায়ী, সকল সম্প্রদায়ের মঙ্গল একে অপরের সঙ্গে জড়িত। তাই আমরা এই আইন দ্বারা মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর সৃষ্ট ধ্বংসাত্মক প্রভাবের প্রতি নিরুত্তর থাকতে পারি না।”

সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই নতুন পিটিশন দাখিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তাই ট্রাস্ট হস্তক্ষেপের আবেদন করেছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, “এই বিতর্কিত আইন ওয়াকফ ব্যবস্থাকে অ-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভুলভাবে চিহ্নিত করছে, ইসলামি আইনকে পুরোপুরি বাদ দিয়ে রাষ্ট্র-নির্ধারিত আইন চাপিয়ে দিচ্ছে।”

ট্রাস্টের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট আইনজীবী এবং ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড. মোহন গোপাল। তিনি একজন অভিজ্ঞ সামাজিক ন্যায়কর্মী এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ন্যাশনাল জুডিশিয়াল একাডেমির প্রাক্তন পরিচালক ও বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ল স্কুলের প্রাক্তন উপাচার্য।

গোপাল বলেন, “এটি ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন।”

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই আইন একটি “অসাংবিধানিক, অনন্য, রাষ্ট্র-নকশা করা এবং রাষ্ট্র-আরোপিত পরিকল্পনা” চাপিয়ে দিয়েছে যা মুসলিম সম্প্রদায়ের দান এবং চ্যারিটির উপর সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করছে।

“এই আইন সাংবিধানিকভাবে বাতিলযোগ্য কারণ সংসদের এ ধরনের পরিকল্পনা চাপিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা নেই এবং এটি সংবিধানের উপর প্রতারণা,” বলা হয়েছে আবেদনে।

এছাড়াও বলা হয়েছে, ওয়াকফ ব্যবস্থার উপর সরকারের দখলদারির ফলে মুসলিম সম্প্রদায় তাদের ধর্মচর্চা চালিয়ে যাওয়ার আর্থিক সামর্থ্য হারাবে।

“এই আইন ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের অস্তিত্বের উপর হুমকি,” বলা হয়েছে আবেদনে, “কারণ তাদের টিকে থাকার জন্য ওয়াকফ ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে হয়।”

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, “শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ওয়াকফ ব্যবস্থা ইসলামের চর্চা ও টিকে থাকার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও আর্থিক উৎস হিসেবে কাজ করছে।”

সুপ্রিম কোর্ট ৫ মে এই মামলাগুলি শুনানি করবে।

২০২৫ সালের সংশোধনী আইন চ্যালেঞ্জ করে ৭০টিরও বেশি পিটিশন দাখিল হয়েছে, যার মধ্যে একটি ১৯৯৫ সালের মূল ওয়াকফ আইনকেও চ্যালেঞ্জ করছে।

পিটিশনকারীদের মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, এআইএমআইএম, আইইউএমএল, ডিএমকে, সিপিআই, সিপিএম, আপ, ওয়াইএসআরসিপি, তামিলগা ভেট্ট্রি কাজগম প্রধান অভিনেতা বিজয় এবং অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড, জামাত-এ-ইসলামি হিন্দ, এপিসিআর-এর মতো সংগঠনগুলো।

]]>
https://banglakal.com/waqf/keralas-sree-narayana-trust-moves-supreme-court-against-waqf-act-calls-it-threat-to-muslim-survival/feed/ 0 744
ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে দেশজুড়ে ‘বাতি গুল’ আন্দোলন, নেতৃত্বে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড। https://banglakal.com/waqf/wafq-amendment-act-batti-gul-protest-across-the-country-led-by-all-india-personal-law/ https://banglakal.com/waqf/wafq-amendment-act-batti-gul-protest-across-the-country-led-by-all-india-personal-law/#respond Thu, 01 May 2025 11:18:31 +0000 https://banglakal.com/?p=724 ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে বুধবার রাত ৯টায় অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড (AIMPLB)-এর ডাকে সারা দেশে পালিত হলো ‘বাতি গুল’ (বাতি নিভিয়ে) আন্দোলন।

রাত ৯টায়, দেশের নানা শহরের হাজারো বাড়ি, দোকান ও অফিস ১৫ মিনিটের জন্য তাদের আলো নিভিয়ে রাখে, ফলে গোটা পাড়া-প্রতিবেশ অন্ধকারে ডুবে যায়, শুধু রাস্তাঘাটের আলোগুলোই জ্বলতে দেখা যায়।

হায়দরাবাদে এই আন্দোলনে ব্যাপক সাড়া মেলে। AIMIM প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি নিজেও তার বাড়ি ও অফিসের আলো নিভিয়ে প্রতিবাদে সামিল হন, স্থানীয় বহু বাসিন্দা ও দোকানদারদের সঙ্গে। একই ছবি দেখা যায় আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (AMU) ও মৌলানা আজাদ ন্যাশনাল উর্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে (MANUU)। সেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু বাতি নিভিয়েই ক্ষান্ত থাকেনি, ‘কালা কানুন ওয়াপাস লো’ স্লোগানও তোলে, যা থেকে স্পষ্ট ছাত্র সমাজের অসন্তোষ।

দিল্লির জামিয়া নগরের জামাত-এ-ইসলামি হিন্দ-এর সদর দফতরও আলো নিভিয়ে আন্দোলনে সংহতি জানায়।

AIMPLB-এর দাবি, ওয়াকফ আইন এবং তার সংশোধন মুসলিম সম্প্রদায়ের সম্পত্তি ও স্বায়ত্তশাসনের উপর ‘ব্যবস্থাগত হস্তক্ষেপ’, এবং তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে— দাবি না মানা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

]]>
https://banglakal.com/waqf/wafq-amendment-act-batti-gul-protest-across-the-country-led-by-all-india-personal-law/feed/ 0 724
দুন মেডিক্যাল কলেজে মাজার ভাঙল দেরাদুন প্রশাসন — এক সপ্তাহে দ্বিতীয় ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে https://banglakal.com/nation/dehradun-administration-demolishes-shrine-at-doon-medical-college-second-religious-structure-razed-in-a-week/ https://banglakal.com/nation/dehradun-administration-demolishes-shrine-at-doon-medical-college-second-religious-structure-razed-in-a-week/#respond Mon, 28 Apr 2025 14:59:40 +0000 https://banglakal.com/?p=664

দুন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চত্বরে অবস্থিত একটি মাজার শুক্রবার ভোর রাতে দেরাদুন কর্তৃপক্ষ ভেঙে দেয়। এর মাধ্যমে এক সপ্তাহের মধ্যে উত্তরাখণ্ডে দ্বিতীয় কোনো ইসলামী ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংস করা হলো।

রাত প্রায় ২টার সময় রাজস্ব বিভাগ, পৌর কর্পোরেশন, জনপথ বিভাগ (PWD), এবং হাসপাতাল প্রশাসনের এক যৌথ টিম এই শতবর্ষী সুফি সাধক বাবা কামাল শাহের মাজারটি ভেঙে ফেলে।
কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, মাজারটি হাসপাতালের জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল এবং এর কোনো বৈধ কাগজপত্র ছিল না। তাই এটিকে দখল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
দুন পৌর কমিশনার নমামি বংশাল জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর হেল্পলাইনে অভিযোগ আসার পর এবং মেডিক্যাল কলেজ প্রশাসনও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পরে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। “দুন মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ এই স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে। প্রশাসনের অনুরোধে খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) পাঠানো হয় এবং রাজস্ব বিভাগের মাধ্যমে ভাঙার কাজ সম্পন্ন করা হয়,” তিনি বলেন।
চিকিৎসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. রবীন্দ্র বিশ্বাস জানান, চার মাস আগে এক স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। “মাজারের বৈধতা প্রমাণে কোনো নথিপত্র চাইলে আমরা কিছু দিতে পারিনি,” তিনি বলেন।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, মাজারের তত্ত্বাবধায়ককে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু কোনো উত্তর আসেনি।
তবে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, এই মাজারটি রেজিস্টার্ড ওয়াকফ সম্পত্তি ছিল এবং এর ভাঙচুর সুপ্রিম কোর্টের ওয়াকফ জমি সংক্রান্ত নির্দেশনার লঙ্ঘন। ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান শাদাব শামস নিশ্চিত করেছেন, মাজারটি বোর্ডের নথিভুক্ত ছিল।

এর আগে সপ্তাহের শুরুতে রুদ্রপুরে একটি রাস্তা সম্প্রসারণ প্রকল্পের সময় জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) আরেকটি ইসলামী স্থাপনা ভেঙে দেয়। এই দুটি ঘটনা রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে।

]]>
https://banglakal.com/nation/dehradun-administration-demolishes-shrine-at-doon-medical-college-second-religious-structure-razed-in-a-week/feed/ 0 664
কর্ণাটক ওয়াকফ বোর্ডের জমি দখল: ৪,১০৮টি মামলার মধ্যে মাত্র ৩৭১ একর উদ্ধার https://banglakal.com/waqf/karnataka-waqf-board-land-encroachment-cases/ https://banglakal.com/waqf/karnataka-waqf-board-land-encroachment-cases/#respond Fri, 14 Mar 2025 14:30:07 +0000 https://banglakal.com/?p=381 কর্ণাটকের আবাসন, ওয়াকফ ও সংখ্যালঘু কল্যাণমন্ত্রী বি. জেড. জামির আহমেদ খান জানিয়েছেন, রাজ্যের ওয়াকফ বোর্ড তার নথিভুক্ত সম্পত্তির ব্যাপক দখলদারি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। এ পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মোট ৪,১০৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, কর্ণাটকের মসজিদ, দরগাহ, কবরস্থান, আশুরখানা, ঈদগাহ এবং অন্যান্য ধর্মীয়, সামাজিক ও শিক্ষামূলক ওয়াকফ সম্পত্তিগুলো দখলদারদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এই দখলদারি রোধে রাজ্য সরকার গত পাঁচ বছরে ৫২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

বিগত অর্থবছরে ওয়াকফ বোর্ডকে দেওয়া অনুদান ছিল:

  • ২০১৯-২০: ১২৫ কোটি টাকা
  • ২০২০-২১: ৮৭ কোটি টাকা
  • ২০২১-২২: ৯৬ কোটি টাকা
  • ২০২২-২৩: ৯৩ কোটি টাকা
  • ২০২৩-২৪: ১২৭ কোটি টাকা

তবে, দখলদারদের হাত থেকে মাত্র ৩৭১ একর জমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, যা মোট মামলার তুলনায় অত্যন্ত কম।

কর্ণাটকের ওয়াকফ জমির মালিকানা নিয়ে বিতর্ক ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ওয়াকফ বোর্ড কৃষকদের জমিকে ওয়াকফ সম্পত্তি বলে দাবি করে উচ্ছেদ নোটিশ পাঠায়, যা ব্যাপক বিক্ষোভ ও আইনি লড়াইয়ের জন্ম দেয়।

২০২৪ সালের অক্টোবরে, বিজয়পুর জেলার হোনাওয়াদ গ্রামে প্রায় ১,৫০০ একর কৃষিজমি ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে কৃষকদের উচ্ছেদ নোটিশ পাঠানো হয়। তবে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে সরকার জানায়, আসলে সেখানে মাত্র ১১ একর জমি ওয়াকফ বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত।

ওয়াকফ সম্পত্তি দখলদারি নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় দায়ের করা মামলার সংখ্যা:

  • কালাবুরাগি: ৫৬২টি মামলা
  • বেঙ্গালুরু আরবান: ৪১৮টি মামলা
  • বিজয়পুর: ৩৮৮টি মামলা
  • বিদর: ৩০৯টি মামলা
  • বেল্লারি: ২৭৪টি মামলা

এর মধ্যে কালাবুরাগি জেলায় ৩৯৪টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে, যা মোট মামলার তুলনায় অনেক বেশি। অন্যদিকে, তুমাকুরু জেলায় নিষ্পত্তির হার সবচেয়ে বেশি (৮৫%)—২৮৪টি মামলার মধ্যে ২৪২টির সমাধান হয়েছে।

  • মোট ১,৯৩৫টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে, যা মোট মামলার ৪৭%।
  • ২,১৭৩টি মামলা এখনো ওয়াকফ বোর্ডের সিইও বা তদন্ত কর্মকর্তার অধীনে বিচারাধীন
  • ৭৬টি মামলা বিভিন্ন আদালতে আটকে রয়েছে।
  • ১১২টি মামলা কর্ণাটক ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।

এছাড়া, ১,৪৮৫টি মামলা ওয়াকফ কর্মকর্তা পুনরুদ্ধারের জন্য পাঠালেও বাস্তবে মাত্র ১৭৯টি জমি উদ্ধার করা হয়েছে

একটি ২০১২ সালের কর্ণাটক সংখ্যালঘু কমিশনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, কর্ণাটকে ২৭,০০০ একর ওয়াকফ জমি অবৈধভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে বা দখলদারদের হাতে চলে গেছে। এই অনিয়মে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ওয়াকফ বোর্ডের কিছু সদস্য ও রিয়েল এস্টেট মাফিয়ার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

ওয়াকফ বোর্ডের জমি দখলদারি নিয়ে কর্ণাটকে ক্রমবর্ধমান বিতর্ক, আইনি লড়াই ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। যদিও সরকার ও ওয়াকফ বোর্ড এই সমস্যার সমাধানে সক্রিয়, তবুও মামলা নিষ্পত্তি ও পুনরুদ্ধারের গতি অত্যন্ত ধীর। ভবিষ্যতে এই সমস্যার কী সমাধান হয়, তা নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের পাশাপাশি সাধারণ জনগণেরও গভীর দৃষ্টি থাকবে।

]]>
https://banglakal.com/waqf/karnataka-waqf-board-land-encroachment-cases/feed/ 0 381
ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল বিরোধিতায় ‘জালিয়ানওয়ালা বাগ’-এর হুঁশিয়ারি, বললেন শিবসেনা নেতা সঞ্জয় নিরুপম https://banglakal.com/waqf/waqf-bill-protest-sanjay-nirupam-jallianwala-bagh-warning/ https://banglakal.com/waqf/waqf-bill-protest-sanjay-nirupam-jallianwala-bagh-warning/#respond Wed, 12 Mar 2025 12:13:29 +0000 https://banglakal.com/?p=329 ওয়াকফ (সংশোধনী) বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (AIMPLB)। এরই মধ্যে শিবসেনা নেতা সঞ্জয় নিরুপম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই আন্দোলন যদি ‘শাহীন বাগ’-এর পথে এগোয়, তবে ‘জালিয়ানওয়ালা বাগ’-এর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে পারে।

AIMPLB দাবি করেছে, পার্লামেন্ট যদি ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাশ করে, তবে দেশজুড়ে আরেকটি ‘শাহীন বাগ’-এর মতো বিক্ষোভ হবে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে দিল্লির শাহীন বাগ ছিল সিএএ ও এনআরসি-র বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক প্রতিবাদের কেন্দ্রস্থল।

এই প্রসঙ্গে মঙ্গলবার IANS-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিরুপম বলেন, ওয়াকফ সংশোধনী বিলটির উদ্দেশ্য সমস্যার সমাধান করা, মুসলিম সম্প্রদায়ের ক্ষতি করা নয়। তার দাবি, যদি কারও আপত্তি থাকে, তবে তা আদালতে তোলা উচিত, রাজনৈতিকভাবে বিরোধিতা করা ঠিক নয়।

তিনি বলেন, “যদি বিশেষ কোনও গোষ্ঠী শাহীন বাগের মতো আন্দোলনের হুমকি দিয়ে বিশেষ সুবিধা আদায় করতে চায়, তবে তাদের মনে রাখা উচিত, এর ফলাফল জালিয়ানওয়ালা বাগের মতোও হতে পারে।”

প্রসঙ্গত, ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল, ব্রিটিশ সেনাধিনায়ক জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে পাঞ্জাবের অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালা বাগে নিরস্ত্র জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় শতাধিক মানুষ প্রাণ হারান। ব্রিটিশ সরকারের রাওলাট অ্যাক্ট এবং দুই স্বাধীনতা সংগ্রামী ডঃ সাইফুদ্দিন কিচলু ও ডঃ সত্য পালকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদেই সেই জমায়েত হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ডই পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে আরও তীব্র করে তোলে।

]]>
https://banglakal.com/waqf/waqf-bill-protest-sanjay-nirupam-jallianwala-bagh-warning/feed/ 0 329