bjp – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Mon, 19 Oct 2026 13:35:18 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.3 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2026/08/cropped-645620059_1464002491756680_8204546671402832666_n.jpg?fit=32%2C32&ssl=1 bjp – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজায় বামপন্থী বইয়ের স্টল সরানোর অভিযোগে উত্তেজনা, পুলিশ-কেএমসি ও বুলডোজার নিয়ে যাদবপুরে টানাটানি https://banglakal.com/politics/west-bengal-durga-puja-left-book-stall-removal-jadavpur-tension/ https://banglakal.com/politics/west-bengal-durga-puja-left-book-stall-removal-jadavpur-tension/#respond Mon, 19 Oct 2026 13:35:06 +0000 https://banglakal.com/?p=5249

কলকাতা, ১৯ অক্টোবর ২০২৬: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের আমলে এবারের দুর্গাপূজায় বামপন্থী দলগুলির (প্রধানত সিপিআই(এম), সিপিআই ও সিপিআই(এমএল) লিবারেশন) ঐতিহ্যবাহী বইয়ের স্টল নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত তৈরি হয়েছে। রাজ্যজুড়ে একাধিক স্থানে স্টল ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, হামলা ও প্রশাসনিক অপসারণের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ও কলকাতা পৌরসভা (কেএমসি) কর্মকর্তারা স্টল সরানোর চেষ্টা করেছেন, কোথাও কোথাও বুলডোজারও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

প্রধান ঘটনাগুলি:

  • যাদবপুর: শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় যাদবপুর ৮বি এলাকায় সিপিআই(এম)-এর স্টলের সামনে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কেএমসি কর্মীরা বুলডোজার নিয়ে হাজির হন। দলের পক্ষ থেকে অনুমতির কাগজ দেখানো হলেও অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় কর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলায় তাৎক্ষণিকভাবে স্টল সরানো যায়নি। কাছাকাছি সংঘ পরিবারের একটি স্টল অক্ষত থাকার অভিযোগও উঠেছে।
  • ঢাকুরিয়া ও অন্যান্য এলাকা: ঢাকুরিয়ায় সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের স্টল তৈরির সময় হামলার অভিযোগ, বিজপুরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, নোয়াপাড়া, এন্টালি, শিবপুর, কুলপিসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বাধা দেওয়া বা ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে।
  • হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ: বনগাঁয়ে সিপিআই(এম) স্টল নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চ অনুমতি দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে দ্বি-বেঞ্চে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়। দলের পক্ষ থেকে আদালতের রায়কে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে স্টল সরানোর অভিযোগ করা হয়েছে।

সরকারের অবস্থান: মুখ্যমন্ত্রী সুভেন্দু অধিকারী ১০ সেপ্টেম্বর বিধানসভায় বলেছিলেন, সিপিআই(এম) যদি ‘শারদোৎসব’ লেখে ‘দুর্গাপূজা’ না লেখে, তাহলে পূজা কমিটিগুলিকে স্টল দিতে নিষেধ করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, এতে উৎসবের ধর্মীয় চরিত্র কমিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা নিজেরাই রাজ্যজুড়ে প্রায় ১,৫০০ থেকে ৫,০০০ বইয়ের স্টল তৈরির পরিকল্পনা করেছে (মোদী, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, আরএসএস ও সরকারের কাজ নিয়ে বই)।

বামপন্থীদের প্রতিক্রিয়া: সিপিআই(এম) ও অন্যান্য বাম দল বলেছে, ১৯৫৪ সাল থেকে (মুজাফফর আহমেদের উদ্যোগে) এই ঐতিহ্য চলে আসছে। তারা অভিযোগ করেছে, বই ও জ্ঞানের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালানো হচ্ছে এবং পুলিশ-প্রশাসনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যাদবপুরে প্রতিরোধের পর দল হাইকোর্টেও গেছে।

এদিকে, একই সময়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গাপূজায় (বিজেপি নিয়ন্ত্রিত কমিটি) ভিড়ে পদদলিত হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। বামপন্থীরা প্রশ্ন তুলেছে, পদদলনের জায়গায় পুলিশ কম থাকলেও বইয়ের স্টল সরাতে পুলিশ-কেএমসি ব্যস্ত ছিল।

বিজেপি প্রতিনিধিরা হামলা ও অপসারণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বিষয়টি এখন আদালত ও রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্কে রয়েছে। পূজা চলাকালীন এই বিতর্ক রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

]]>
https://banglakal.com/politics/west-bengal-durga-puja-left-book-stall-removal-jadavpur-tension/feed/ 0 5249
রেজিনগরে বিজেপির বিরুদ্ধে ৫০টি বুথ দখলের ছক কষার গুরুতর অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে DM অফিসে স্মারকলিপি বামেদের https://banglakal.com/state/serious-allegations-against-bjp-in-rejinagar-of-plotting-to-occupy-50-booths-left-submits-memorandum-to-dms-office-in-the-dark-of-night/ https://banglakal.com/state/serious-allegations-against-bjp-in-rejinagar-of-plotting-to-occupy-50-booths-left-submits-memorandum-to-dms-office-in-the-dark-of-night/#respond Mon, 05 Oct 2026 19:12:23 +0000 https://banglakal.com/?p=4839 নিজস্ব সংবাদদাতা: আর মাত্র আর কয়েক ঘণ্টা পরেই ভোটগ্রহণ। ঠিক তার আগের রাতে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে এক বোমা ফাটাল সিপিআইএম নেতৃত্ব। মুর্শিদাবাদের হাইভোল্টেজ রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরাসরি শাসকদল বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে যৌথভাবে বুথ দখলের ছক কষার গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিপিআইএম বিধায়ক তথা হেভিওয়েট নেতা মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান রানা। রাতের অন্ধকারে ডিএম (DM) অফিসে গিয়ে এই সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও বুথের তালিকা জমা দিল বাম শিবির।

আগামীকাল এই গুরুত্বপূর্ণ ভোটগ্রহণকে সামনে রেখে সিপিআইএমের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, রেজিনগরে কোনোভাবেই বিজেপি জয়ী হতে পারবে না। এই পরাজয়ের আশঙ্কায় বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন মিলে আঁতাত করে রেজিনগর বিধানসভার সুনির্দিষ্ট প্রায় ৫০টি বুথ জবরদখল করার চক্রান্ত করছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান রানা। শুধু তাই নয়, দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী শক্তির ওপর যেভাবে আক্রমণ নামিয়ে আনা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে যেভাবে প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে উঠছে, সেই প্রসঙ্গ টেনেই তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

নির্বাচনের ঠিক আগের রাতে সিপিআইএম প্রার্থী তথা আইনজীবী সৈয়দ আসাদ আলী এবং অন্যান্য বাম নেতৃত্ব সোজা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (DM) অফিসে হাজির হন। তাঁরা রেজিনগর বিধানসভার প্রায় ৫০টিরও বেশি স্পর্শকাতর বুথের নাম এবং সুনির্দিষ্ট নম্বর সহ তালিকা প্রস্তুত করে প্রশাসনের হাতে জমা দেন। তাঁদের মূল আশঙ্কা, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং একাংশ পুলিশকে ব্যবহার করে এই নির্দিষ্ট বুথগুলিতে সাধারণ ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হবে এবং বহিরাগতদের দিয়ে বুথগুলি কব্জা করার চেষ্টা চলছে।

প্রশাসনের ভূমিকা ও চরম অব্যবস্থা নিয়ে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে বাম শিবির। জানা গেছে, ভোটের ঠিক চার দিন আগে অর্থাৎ গত ৪ তারিখে বুথ এজেন্টদের নাম জমা দেওয়ার যে অফিশিয়াল নোটিশ দেওয়ার কথা ছিল, তা অত্যন্ত রহস্যজনকভাবে ১ তারিখেই তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, সেই নোটিশ প্রার্থীর হাতে এসে পৌঁছায় ৪ তারিখ দুপুর ১টা থেকে দেড়টা নাগাদ। এর ফলে মাত্র ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার মধ্যে ২৫ জন বুথ এজেন্টের সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট এবং নাম তালিকাভুক্ত করে জমা দেওয়া একপ্রকার অসম্ভব করে তোলা হয়। বিরোধী দলকে কোণঠাসা করতেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

ভোটের ঠিক প্রাক্কালে রাতের বেলা এই ধরনের নজিরবিহীন অভিযোগ ও ৫০টি বুথের তালিকা জমা দেওয়ার ঘটনায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বিরোধী প্রার্থীর এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও আশঙ্কার পর নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসন শেষ মুহূর্তে রেজিনগরের বুথগুলির নিরাপত্তায় কতটা কঠোর ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ নেয়।

]]>
https://banglakal.com/state/serious-allegations-against-bjp-in-rejinagar-of-plotting-to-occupy-50-booths-left-submits-memorandum-to-dms-office-in-the-dark-of-night/feed/ 0 4839
রেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬: জনমত সমীক্ষা ও রাজনৈতিক চিত্রের মূল্যায়ন https://banglakal.com/politics/cpim-most-active-against-bjp-govt-survey-shows/ https://banglakal.com/politics/cpim-most-active-against-bjp-govt-survey-shows/#respond Thu, 01 Oct 2026 13:09:19 +0000 https://banglakal.com/?p=4834 বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রশ্নে সিপিআই(এম) শীর্ষে। কিন্তু সমীক্ষা ভোটের পূর্বাভাস নয় — মাঠ এখনও বহুমুখী।

NBTV ও Banglakal Media-র যৌথ ডেস্ক:
মুর্শিদাবাদ  ·  ভোট ৬ অক্টোবর  ·  গণনা ৯ অক্টোবর

মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন। আসনটি খালি হয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) প্রধান হুমায়ুন কবির নওদা ধরে রাখার সিদ্ধান্তে। মে মাসের বিধানসভা ভোটে তিনি রেজিনগর ও নওদা — দুই আসন থেকেই জিতেছিলেন। রেজিনগরে তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১,২৩,৫৩৬, ভোট শতাংশ ৫১.৬২, বিজেপির ওপর ব্যবধান ৫৮,৮৭৬। পাঁচ মাস পর সেই আসনেই তাঁর পুত্র গোলাম নবি আজাদ (রবিন) এজেইউপির প্রার্থী। বিজেপি, সিপিআই(এম), কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবির আলাদা প্রার্থী দিয়েছে। আরএসপি প্রতীক-বিতর্কের জেরে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।

এই প্রেক্ষাপটে NBTV ও Banglakal Media যৌথভাবে একটি স্থানীয় জনমত-আদানপ্রদান চালিয়েছে। ২,৫০৯টি প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে তৈরি এই চিত্র ভোটের পূর্বাভাস নয়। প্রশ্নটি ছিল সরাসরি — বর্তমানে বাংলায় কোন দল বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছে। উত্তরে সিপিআই(এম) ৩৭.৭ শতাংশ, কংগ্রেস ২৮.৬, এজেইউপি ২০, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল শিবির ১১.৪ এবং ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল প্রায় ১.৮ শতাংশ। অর্থাৎ বিজেপি-বিরোধী ধারণা একটি দলের মধ্যে আটকে নেই। সেটাই এই উপনির্বাচনের মূল রাজনৈতিক তথ্য।

১. কেন এই উপনির্বাচন

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে রেজিনগর ছিল হুমায়ুন কবিরের ব্যক্তিগত জয়ের আসন। ভারতভোটস ও সমকালীন ফলতালিকা অনুযায়ী বৈধ ভোটের হিসাবে এজেইউপি ৫১.৬২ শতাংশ, বিজেপি ২৭.০২ (বাপন ঘোষ, ৬৪,৬৬০) এবং তৃণমূল ১৭.৪৩ (আতাউর রহমান, ৪১,৭১৮) পায়। কংগ্রেসের জিল্লু শেখ পান ৪,১০১ ভোট, ১.৭৩ শতাংশ। নথিভুক্ত ভোটার ছিলেন ২,৫৬,২৬৭, ভোট পড়ে ২,৩৭,৬৬১, ভোটদান ৯২.৭ শতাংশ। নোটা ১,৬৩৪।

একই নেতা নওদাও জেতেন। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী দুই আসনে জিতলে একটি ছাড়তে হয়। কবির নওদা রাখেন, রেজিনগর ছাড়েন। নির্বাচন কমিশন ৭ সেপ্টেম্বর সূচি ঘোষণা করে: মনোনয়নের শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর, বাছাই ১৭ সেপ্টেম্বর, প্রত্যাহার ১৯ সেপ্টেম্বর, ভোট ৬ অক্টোবর, গণনা ৯ অক্টোবর। একই দিনে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামেও উপনির্বাচন — সেখানে শূন্যপদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর, যিনি ভবানীপুর রেখে নন্দীগ্রাম ছেড়েছেন। দুই আসনই তাই ক্ষমতাসীন বিজেপির জন্য পরীক্ষা, কিন্তু রেজিনগরের অঙ্ক আলাদা: এখানে মে মাসের জয়ী দল এজেইউপি, বিজেপি দ্বিতীয়।

তুলনার জন্য ২০২১-এর চিত্র দরকার। সেবার তৃণমূলের রবিউল আলম চৌধুরী ১,১৮,৪৯৪ ভোটে জিতেন, বিজেপির অরবিন্দ বিশ্বাস পান ৫০,২২৬, ব্যবধান ৬৮,২৬৮। পাঁচ বছরে আসনটি তৃণমূল থেকে এজেইউপিতে ঘুরেছে, আর রবিউল নিজে এবার মমতা-শিবিরের প্রার্থী। স্থানীয় স্মৃতিতে তাই দুই ধারা একসঙ্গে আছে — কবিরের সাম্প্রতিক জয়, এবং তৃণমূলের পুরোনো সাংগঠনিক ছাপ।

২. সমীক্ষা: কী জিজ্ঞেস করা হয়েছে, কী জিজ্ঞেস করা হয়নি

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতিগত কথা আগে বলা দরকার। প্রশ্নটি ছিল, “বর্তমানে বাংলায় কোন দল বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছে?” এটা পছন্দের দল, সম্ভাব্য ভোট, বা প্রার্থী-পরিচিতির প্রশ্ন নয়। এটা একটি উপলব্ধি বা perception-এর প্রশ্ন। একজন উত্তরদাতা সিপিআই(এম)-এর নাম বলতে পারেন রাজ্যজুড়ে বিজেপি-বিরোধী অবস্থানের জন্য, অথচ ভোটের দিন রেজিনগরে এজেইউপি বা কংগ্রেসকে বেছে নিতে পারেন। উল্টোটাও সম্ভব।

তথ্যসংগ্রহ হয়েছে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে। মোট প্রতিক্রিয়া ২,৫০৯। শতাংশগুলো এই মোটের ওপর। আনুমানিক সংখ্যায় সিপিআই(এম) প্রায় ৯৪৬, কংগ্রেস প্রায় ৭১৮, এজেইউপি প্রায় ৫০২, মমতা-তৃণমূল প্রায় ২৮৬ এবং ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল প্রায় ৪৫। ISF ও অন্যান্য দলের নাম করেন কিছু লোক।

যা এই সমীক্ষায় প্রকাশিত হয়নি, সেটাও পাঠকের জানা দরকার। নমুনা কীভাবে বাছাই হয়েছে — বুথভিত্তিক এলোমেলো নাকি সুবিধা-নমুনা — তা আলাদা করে বলা হয়নি। বয়স, লিঙ্গ, এলাকা বা ধর্মভিত্তিক ভাঙন নেই। ওজনকরণ (weighting) বা ত্রুটির সীমা (margin of error) প্রকাশিত হয়নি। ২,৫০৯ একটি স্থানীয় আদানপ্রদানের জন্য বড় সংখ্যা, কিন্তু এলোমেলো নমুনা না হলে সংখ্যাটা নিজে থেকে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে না। তাই এই প্রতিবেদন ফলকে “ভোটশতাংশ” বলছে না। বলছে, ভোটের পাঁচ দিন আগে বিজেপি-বিরোধী রাজনীতি নিয়ে মানুষের মুখের কথা কোন দিকে ঝুঁকছে।

৩. ফল, এক নজরে

দলউত্তরআনুমানিক সংখ্যাপাঠ
সিপিআই(এম)৩৭.৭%প্রায় ৯৪৬শীর্ষে; বিজেপি-বিরোধী ধারণায় এগিয়ে
কংগ্রেস২৮.৬%প্রায় ৭১৮দ্বিতীয়; আলাদা প্রার্থী মাঠে
এজেইউপি২০.০%প্রায় ৫০২আসনধারী দল, কিন্তু এই প্রশ্নে তৃতীয়
তৃণমূল (মমতা শিবির)১১.৪%প্রায় ২৮৬২০২১-এর বিজয়ী দল এখন অনেক পিছে
ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূলপ্রায় ১.৮%প্রায় ৪৫বিভক্ত তৃণমূলের অপর শিবির

উৎস: NBTV ও Banglakal Media যৌথ সমীক্ষা, ২,৫০৯টি প্রতিক্রিয়া। আনুমানিক সংখ্যা শতাংশ থেকে হিসাব। যোগফল রাউন্ডিংয়ে ৯৯.৫ শতাংশ।

৪. রাজনৈতিক পাঠ: শীর্ষে সিপিআই(এম), কিন্তু আসনটি তাঁদের ছিল না

৩৭.৭ শতাংশ উত্তরদাতা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছে বলে সিপিআই(এম)-এর নাম বলেছেন। মে মাসের ফলতালিকায় এই আসনে সিপিআই(এম) প্রথম সারিতে ছিল না। কংগ্রেসই চতুর্থ হয়েছিল, ১.৭৩ শতাংশ ভোটে। তার মানে এই সংখ্যা পুরোনো ভোটভিত্তির পুনরাবৃত্তি নয়। এটা সাম্প্রতিক একটি ধারণা — মাঠে উপস্থিতি, সংগঠন, এবং বিজেপির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নিয়ে উত্তরদাতাদের একাংশের মুখের কথা।

সিপিআই(এম) প্রার্থী দিয়েছে অ্যাডভোকেট সঈদ আসাদ আলিকে। বামফ্রন্টের শরিক আরএসপি আলাদা প্রার্থী বিকাশচন্দ্র মিশ্রকে নামিয়েছিল। কমিশন কোদাল-বেলচা না দিয়ে টর্চলাইট বা বালতি প্রতীকের কথা জানানোর পর আরএসপি ১৯ সেপ্টেম্বরের আশপাশে প্রার্থী প্রত্যাহার করে। বাম শিবিরের ভিতরকার টানাপড়েন তাই প্রকাশ্যে এসেছে, যদিও প্রত্যাহারে মাঠ কিছুটা সরল হয়েছে। সিপিআই(এম) এখন বাম দিকের একক চিহ্নিত প্রার্থী। সমীক্ষায় তাঁদের শীর্ষ অবস্থান এই সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে মেলে, কিন্তু ভোটের অঙ্কে রূপান্তরের প্রমাণ এখনও নেই।

কংগ্রেস ২৮.৬ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয়। প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। মে মাসে কংগ্রেস এই আসনে প্রায় মুছে গিয়েছিল। সমীক্ষায় এই উত্থান তাই ভোটের স্মৃতি নয়, বিজেপি-বিরোধী বিকল্প হিসেবে দলটির নাম এখনও মুখে আসা। সিপিআই(এম) ও কংগ্রেস মিলিয়ে এই প্রশ্নের ৬৬.৩ শতাংশ। দুই দল আলাদা প্রার্থী দিয়েছে। ধারণা যোগ হলেও ভোট যোগ হবে কি না, সেটা ৬ অক্টোবরের প্রশ্ন।

৫. এজেইউপি তৃতীয় কেন, যদিও আসন তাঁদের

এজেইউপি ২০ শতাংশ। মে মাসে দলটির প্রধান এই আসনে অর্ধেকের বেশি ভোট পেয়েছিলেন। ব্যবধানটা ব্যাখ্যার দাবি রাখে, এবং ব্যাখ্যাটি সমীক্ষার বিপক্ষে যায় না। প্রশ্ন ছিল “কোন দল বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছে”, “কাকে ভোট দেবেন” নয়। রেজিনগরের অনেক ভোটার কবিরকে স্থানীয় বিজয়ী হিসেবে দেখতে পারেন, অথচ রাজ্যজুড়ে বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে সিপিআই(এম) বা কংগ্রেসের নাম বলতে পারেন।

এজেইউপির প্রার্থী গোলাম নবি আজাদ, পরিচিত নাম রবিন, হুমায়ুন কবিরের পুত্র। দলের পরীক্ষা এখানে সাংগঠনিক: কবিরের ব্যক্তিগত ভোট ছেলের নামে স্থানান্তর হয় কি না। ৫৮,৮৭৬ ভোটের ব্যবধান একটি বড় ব্যবধান। কিন্তু বহুমুখী লড়াইয়ে সেই ব্যবধান তখনই কাজে লাগে, যখন মে মাসের জোটবদ্ধ সমর্থন ভাঙে না। সমীক্ষা বলছে, বিজেপি-বিরোধী কথায় এজেইউপি আর একচেটিয়া নয়।

৬. তৃণমূলের ভাঙন সংখ্যায়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল শিবির ১১.৪, ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল প্রায় ১.৮। দুই শিবির মিলিয়েও এই প্রশ্নে ১৩ শতাংশের ঘরে। মে মাসে একক তৃণমূল পেয়েছিল ১৭ শতাংশ ভোট। ধারণা ও ভোট এক জিনিস নয়, তবু দিকটা স্পষ্ট: তৃণমূল এই আসনে আর প্রধান বিজেপি-বিরোধী চিহ্ন নয়।

মাঠের ঘটনা এই সংখ্যার সঙ্গে যায়। মমতা-শিবির প্রার্থী করেছে রবিউল আলম চৌধুরীকে — ২০২১-এর বিধায়ক। ১৯ সেপ্টেম্বর তিনি প্রথমে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা বলেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফিরে আসেন। দলীয় সূত্রে প্রতীক-বিরোধ ও সাংগঠনিক চাপের কথা উঠেছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির প্রার্থী দিয়েছে শেখ সফিউজ্জামানকে। দুই তৃণমূল, দুই প্রতীক, এক আসন। সমীক্ষায় ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূলের ১.৮ শতাংশ বলছে, দ্বিতীয় শিবিরের নাম মানুষের মুখে প্রায় আসেই না — অন্তত এই প্রশ্নের উত্তরে।

৭. মাঠের প্রার্থীচিত্র

প্রত্যাহারের পর রেজিনগর কার্যত পাঁচ-ছয় কোণের লড়াই। আরএসপি সরে যাওয়ায় বামফ্রন্টের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ভোট-বিভাজনে আর বড় ভূমিকা রাখবে না।

দল / শিবিরপ্রার্থীটিকা
এজেইউপিগোলাম নবি আজাদ (রবিন)হুমায়ুন কবিরের পুত্র; আসনধারী দল
বিজেপিশাখারভ সরকারপ্রাক্তন জেলা সভাপতি, রাজ্য কমিটি
সিপিআই(এম)সঈদ আসাদ আলিঅ্যাডভোকেট; বামফ্রন্ট মনোনীত
কংগ্রেসমো. আব্দুল্লাহিল কাফিআলাদা প্রার্থী, বামের সঙ্গে সিট ভাগাভাগি নয়
তৃণমূল (মমতা)রবিউল আলম চৌধুরী২০২১-এর বিধায়ক; প্রত্যাহারের পর ফিরে এসেছেন
তৃণমূল (ঋতব্রত)শেখ সফিউজ্জামানবিভক্ত দলের অপর শিবির
আরএসপিবিকাশচন্দ্র মিশ্রপ্রতীক-বিতর্কে মনোনয়ন প্রত্যাহার

৮. মে ২০২৬-এর ভিত্তিরেখা

উপনির্বাচন পড়তে গেলে মে মাসের সংখ্যা ছাড়া চলে না। রেজিনগর সাধারণ আসন, বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের অংশ, মুর্শিদাবাদ জেলা।

প্রার্থী (২০২৬)দলভোটশতাংশ
হুমায়ুন কবিরএজেইউপি১,২৩,৫৩৬৫১
বাপন ঘোষবিজেপি৬৪,৬৬০২৭
আতাউর রহমানতৃণমূল৪১,৭১৮১৭
জিল্লু শেখকংগ্রেস৪,১০১১
নোটা—১,৬৩৪—

নথিভুক্ত ভোটার ২,৫৬,২৬৭। ভোটদান ৯২.৭ শতাংশ। ব্যবধান ৫৮,৮৭৬ (বৈধ ভোটের ২৪.৮ শতাংশ)। সূত্র: ভারতভোটস ও সমকালীন ফলতালিকা।

এই ভিত্তিরেখা থেকে তিনটি কাজের কথা বেরোয়। এক, বিজেপির মে মাসে প্রায় ৬৫ হাজার ভোট পেয়েছে। দুই, তৃণমূলের পেয়েছে প্রায় ৪২ হাজার, কিন্তু সেই ভোট এবার দুই শিবিরে ভাগ হতে পারে। তিন, কংগ্রেস ও বামের স্থানীয় ভোট মে মাসে নগণ্য ছিল — সমীক্ষায় তাঁদের নাম এগিয়ে থাকলেও সেই নাম ভোটে না উঠলে পুরোনো অঙ্কই থেকে যাবে।

৯. বিভক্ত প্রতিপক্ষ, বিজেপির সুযোগ

বিজেপি-বিরোধী ধারণা ৮০ শতাংশের ওপর হলেও ভোট পাঁচ দিকে ভাগ হলে দ্বিতীয় স্থানের দল জিততে পারে। রেজিনগরে সেই অঙ্ক খোলা আছে।

বিজেপির প্রার্থী শাখারভ সরকার, রাজ্য সম্পাদক, মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন জেলা সভাপতি। মে মাসে দলের প্রার্থী ছিলেন বাপন ঘোষ। প্রার্থী বদল নিজে থেকে ভোট কমায় বা বাড়ায় না, কিন্তু প্রচারের মুখ বদলায়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপনির্বাচনের আগে বলেছেন, বিরোধীরা জামানত হারাবেন এবং রেজিনগরে বিজেপি স্বস্তিতে জিতবে। এটা প্রচারের কথা, ফল নয়। তবে বিভক্ত মাঠ তাঁর যুক্তিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারযোগ্য করেছে।

উল্টো দিকের যুক্তিও সমান জোরালো। মে মাসে এজেইউপি একাই ৫২ শতাংশ পেয়েছিল। রবিন যদি সেই সমর্থনের বড় অংশ ধরে রাখেন, বিভাজন সত্ত্বেও আসন এজেইউপির কাছে থাকতে পারে। সিপিআই(এম) বা কংগ্রেস জিততে গেলে শুধু ধারণায় এগিয়ে থাকলে চলবে না — মে মাসে যাঁরা কবিরকে ভোট দিয়েছিলেন, তাঁদের একাংশকে সরাতে হবে। সমীক্ষা সেই সরানোর প্রমাণ দেয় না। দেয় শুধু এটুকু যে, বিজেপি-বিরোধী কথোপকথনে বাম ও কংগ্রেসের নাম আবার ফিরেছে।

১০. ৬ অক্টোবর কী দেখতে হবে

  • ভোটদান। মে মাসে ৯২.৭ শতাংশ পড়েছিল। উপনির্বাচনে ভোটদান কমলে কার ঘরের ভোট ঘরে থাকল, সেটা ফল ঠিক করবে।
  • এজেইউপির স্থানান্তর। কবিরের ১.২৩ লক্ষ ভোটের কতটা রবিনের নামে এল।
  • তৃণমূলের ভাঙন। রবিউল ও সফিউদ্দিন মিলিয়ে মে মাসের ৪২ হাজারের কাছাকাছি থাকেন, নাকি দুই শিবিরই ক্ষয়ে যায়।
  • বাম-কংগ্রেসের প্রকৃত ভোট। সমীক্ষার ৩৭.৭ ও ২৮.৬ যদি বুথে না নামে, ধারণা ও ভোটের ফারাকই হবে খবর।
  • বিজেপির মেঝে। ৬৫ হাজারের নিচে নামে, নাকি বিভক্ত মাঠে সেই মেঝেই জেতানোর জন্য যথেষ্ট হয়।
  • প্রতীক-বিভ্রান্তি। তৃণমূলের দুই শিবির আলাদা প্রতীকে। অপরিচিত প্রতীক গ্রামীণ বুথে ভোট কাটে।

গণনা ৯ অক্টোবর। দুর্গাপূজার আগে এই ফল মুর্শিদাবাদের পরবর্তী রাজনৈতিক কথোপকথন ঠিক করবে — এজেইউপি স্থানীয় শক্তি হিসেবে টিকেছে, নাকি বিজেপি বিভক্ত প্রতিপক্ষকে কাজে লাগিয়েছে, নাকি বাম-কংগ্রেস ধারণার এগিয়ে থাকা ভোটে বদলেছে।

সম্পাদকীয় নোট

এই প্রতিবেদন NBTV ও Banglakal Media-র যৌথ সমীক্ষার ২,৫০৯টি প্রতিক্রিয়া এবং প্রকাশিত নির্বাচনী তথ্যের ওপর দাঁড়ানো। সমীক্ষা একটি উপলব্ধির চিত্র। একে আসন-পূর্বাভাস, এক্সিট পোল বা ভোটশতাংশের অনুমান হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রার্থী-তালিকা ১৯ সেপ্টেম্বরের প্রত্যাহার-পর্ব পর্যন্ত প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে। ভোটের দিনের সিদ্ধান্ত, স্থানীয় ইস্যু এবং প্রচারই চূড়ান্ত ফল ঠিক করবে।

প্রকাশ: NBTV ও Banglakal Media  ·  ১ অক্টোবর ২০২৬

]]>
https://banglakal.com/politics/cpim-most-active-against-bjp-govt-survey-shows/feed/ 0 4834
পুজোর আগেই বিজেপিতে মিশে যাবে এনসিপিআই, বিস্ফোরক দাবি সাংসদ জগদীশ বসুনিয়ার https://banglakal.com/state/ncpi-to-merge-with-bjp-before-durga-puja-claims-mp-jagadish-basunia/ https://banglakal.com/state/ncpi-to-merge-with-bjp-before-durga-puja-claims-mp-jagadish-basunia/#respond Mon, 14 Sep 2026 09:22:59 +0000 https://banglakal.com/?p=4787 কলকাতা, ১৪ সেপ্টেম্বর:

দুর্গাপুজোর আগেই ভারতীয় জনতা পার্টিতে মিশে যেতে পারে সদ্য গঠিত ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই। সরাসরি পদ্মশিবিরে যোগ দিতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের নিয়ে তৈরি এই দলের সদস্যরা।এমনটাই বিস্ফোরক দাবি করেছেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া।তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিতে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে।

কোচবিহারের সাংসদ দাবি করেছেন, তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদের মধ্যে অন্তত সতেরো জন সাংসদ দুর্গাপুজোর আগেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন। দলত্যাগবিরোধী আইনের বিষয়টি মাথায় রেখেই এই রণকৌশল নেওয়া হয়েছে। মোট কুড়ি জন সাংসদের মধ্যে দলবদলের ক্ষেত্রে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন, যার জন্য অন্তত চোদ্দো জন সাংসদের সম্মতি দরকার। সে ক্ষেত্রে সতেরো জন সাংসদ একসঙ্গে পা বাড়ালে দলত্যাগবিরোধী আইনের কোনও বাধা থাকবে না বলে দাবি করেছেন তিনি।

তবে দলের বাকি তিন জন সংখ্যালঘু সাংসদ সরাসরি বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেবেন না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সংশ্লিষ্ট লোকসভা কেন্দ্রগুলির বিশেষ রাজনৈতিক ও সামাজিক সমীকরণের কথা বিবেচনা করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁরা সরাসরি পদ্মশিবিরে যোগ না দিলেও বাইরে থেকে এনডিএ জোটকে পূর্ণ সমর্থন জানাবেন বলে জানিয়েছেন জগদীশ বসুনিয়া।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/state/ncpi-to-merge-with-bjp-before-durga-puja-claims-mp-jagadish-basunia/feed/ 0 4787
ইংরেজবাজারের পুরপ্রধানের পদে ইস্তফা কৃষ্ণেন্দুর, ‘বড় ছাতার’ ইঙ্গিত https://banglakal.com/state/krishnendu-resigns-as-english-bazar-municipality-chairman-hints-at-joining-a-bigger-umbrella/ https://banglakal.com/state/krishnendu-resigns-as-english-bazar-municipality-chairman-hints-at-joining-a-bigger-umbrella/#respond Wed, 09 Sep 2026 12:43:18 +0000 https://banglakal.com/?p=4683 ডেস্ক নিউজ,ইনামুল ভুূঁইয়া

ইস্তফা দিলেন ইংরেজবাজারের পুরপ্রধান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী। বুধবার দুপুরে বোর্ড অফ কাউন্সিলারদের সঙ্গে বৈঠকের পরই পুরপ্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন মালদহের তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু।

ইস্তফার কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, “কাজ করতে পারছিলাম না।” তবে শুধু পদত্যাগ নয়, তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

ইস্তফার পর কৃষ্ণেন্দু বলেন, “আগামী দিনে বড় ছাতার তলায় থাকব। রাজনীতির জন্য জেলে গিয়েছি, আহত হয়েছি। ভয় পাইনি কোনও দিন, আজও ভয় পাই না। পরিস্থিতির উপর বিচার করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

এর আগে মঙ্গলবারই কৃষ্ণেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তৃণমূলের হয়ে আর কোনও দিন ভোটে লড়বেন না। একইসঙ্গে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেও তিনি ভোটে দাঁড়াবেন না বলে জানিয়েছেন।

তাঁর কথায়, “যেমন ভাবে বৃষ্টি হবে, তেমন ভাবে ছাতা ধরব। কিন্তু তৃণমূলের হয়ে লড়ব না।”

নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অবশ্য সময়ের উপরেই ছেড়ে দিয়েছেন ইংরেজবাজার পুরসভার পাঁচ বারের পুরপ্রধান। কৃষ্ণেন্দুর কথায়, “সময় কথা বলবে। যেমন পরিস্থিতি আসবে, তেমন চলবে।”

দীর্ঘদিন ধরে মালদহের জেলা রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে কৃষ্ণেন্দুর। বাম আমলেও কংগ্রেসের বিধায়ক হিসেবে নিজের রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রেখেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়ে মন্ত্রী এবং একাধিকবার ইংরেজবাজারের পুরপ্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন।

তবে এবার পুরপ্রধানের পদ থেকে তাঁর ইস্তফায় নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইংরেজবাজার পুরসভায় এখনও তৃণমূলেরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।

এখন নজর থাকবে, কৃষ্ণেন্দুর সেই ‘বড় ছাতা’ আসলে কোন রাজনৈতিক আশ্রয়—তা নিয়ে।

]]>
https://banglakal.com/state/krishnendu-resigns-as-english-bazar-municipality-chairman-hints-at-joining-a-bigger-umbrella/feed/ 0 4683
ঝাড়খণ্ডে ভোটারদের নাম কাটার অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি বুথ লেভেল এজেন্ট https://banglakal.com/nation/bjp-booth-agent-arrested-in-jharkhand-over-mass-voter-deletion-forms/ https://banglakal.com/nation/bjp-booth-agent-arrested-in-jharkhand-over-mass-voter-deletion-forms/#respond Sun, 06 Sep 2026 14:26:33 +0000 https://banglakal.com/?p=4563 গোড্ডা, ৬ সেপ্টেম্বর:

ঝাড়খণ্ডে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ২০০ জন ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার জন্য গণহারে ৭ নম্বর ফর্ম জমা দেওয়ার অভিযোগে ভারতীয় জনতা পার্টির এক বুথ লেভেল এজেন্টকে গ্রেফতার করল পুলিশ।ধৃত ব্যক্তির নাম বিনয় কুমার মণ্ডল।ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলায়।সাংবাদিক পীযূষ রাইয়ের পোস্ট এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে এই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

রাজ্যে বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন কর্মসূচি চলছে।এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই গোড্ডা জেলার পাঁচরুখি গ্রামের ২৩১ নম্বর বুথের এক ভোটারের দায়ের করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। অভিযোগে জানানো হয়, এলাকার নির্দিষ্ট একটি বুথ থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বৈধ ভোটারদের চিহ্নিত করে অন্যায়ভাবে তাঁদের নাম বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিনয় মণ্ডল প্রায় ২০০টি ৭ নম্বর ফর্ম জমা দিয়েছিলেন।

স্থানীয় বুথ লেভেল অফিসার সাজিদা বিবি জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর কাছে গিয়ে ফর্মগুলি জমা দেওয়ার আবেদন জানান এবং রসিদ চান। কিন্তু যাচাই না করে রসিদ দিতে অস্বীকার করেন ওই আধিকারিক। পরবর্তীকালে ফর্মগুলি খতিয়ে দেখে জানা যায় যে, আবেদনগুলির মাধ্যমে কেবল সংখ্যালঘু ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এবং আশ্চর্যের বিষয় হল, ওই তালিকায় খোদ বুথ লেভেল অফিসার এবং তাঁর স্বামীর নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গোড্ডা মুফাস্সিল থানায় ভারতীয় আইন এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় জালিয়াতি ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।এফআইআর দায়ের হওয়ার পর পুলিশ বিনয় কুমার মণ্ডলকে গ্রেফতার করে, যদিও গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি জামিনে মুক্তি পান।

পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমের কাছে অভিযুক্ত বিজেপি এজেন্ট দাবি করেছেন, দলের বুথ স্তরের এজেন্টদের একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠক থেকেই তাঁকে এই ফর্মগুলি জমা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, রসিদ সংগ্রহ করতে গেলে উল্টে তাঁকেই ঘিরে ধরে হেনস্থা ও মারধর করা হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তাঁর জমা দেওয়া ফর্মগুলির মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটারদের নাম থাকলেও তাঁর নিজস্ব হিন্দুপ্রধান গ্রামেও অন্যান্য বুথ এজেন্টের মাধ্যমে একই ধরণের আবেদন জমা পড়েছে।নির্বাচন সংক্রান্ত এই বিতর্কিত পদক্ষেপ ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং প্রশাসনের উচ্চস্তর থেকে গোটা প্রক্রিয়ার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/nation/bjp-booth-agent-arrested-in-jharkhand-over-mass-voter-deletion-forms/feed/ 0 4563
নদিয়ায় একই জমি ঘিরে বিবাদে দুই বিজেপি বিধায়ক, পৌঁছল মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে https://banglakal.com/state/land-dispute-between-two-bjp-mlas-in-nadia-reaches-chief-minister/ https://banglakal.com/state/land-dispute-between-two-bjp-mlas-in-nadia-reaches-chief-minister/#respond Sun, 06 Sep 2026 07:15:48 +0000 https://banglakal.com/?p=4528 চাকদহ, ৫ সেপ্টেম্বর:

একই জেলার দুই বিজেপি বিধায়কের মধ্যে জমি নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সংঘাত। ব্যক্তিগত সম্পর্কে কোনও টানাপোড়েন না থাকলেও নদিয়ার চাকদহ থানা এলাকার ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা মূল্যবান জমিকে ঘিরে হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অসীম কুমার বিশ্বাসের মধ্যে মালিকানা সংক্রান্ত বিতর্ক প্রকাশ্যে চলে এসেছে। একাধিক দফায় দলীয় ও প্রশাসনিক আলোচনার পরেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় দুই বিধায়কের দাবি অনুযায়ী বিষয়টি ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচরে আনা হয়েছে।

নদিয়ার চাকদহ থানার শিমুরালির নরপতিপাড়া মৌজায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে অবস্থিত ওই বিতর্কিত জমি। জানা গিয়েছে, প্রায় ৩২ শতক জমির একেবারে মাঝখানে থাকা ১১ শতক জমিকে ঘিরেই মূল বিরোধ। জমিটি ৮৯০ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্গত। কল্যাণী সংলগ্ন এই অঞ্চলে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর তৈরির সম্ভাবনা এবং জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণের কারণে জমির দাম অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এই অংশের মালিকানা ঘিরে দুই পক্ষের লড়াই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক অসীম কুমার বিশ্বাসের দাবি, বিতর্কিত ১১ শতক জমি তিনি ২০২১ সালেই নিয়ম মেনে কিনেছেন। যাবতীয় রেকর্ড এবং চেন ডিড পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেই সেই সময় জমি কেনা হয়েছিল এবং তাঁর কাছে জমি ক্রয়ের সমস্ত বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তাঁর কথায়, দলীয় সহকর্মীর সঙ্গে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই, বিবাদ কেবল ওই জমিকে ঘিরে। তাঁর কেনা দলিল আসল না অন্য কারও দলিল ভুয়ো, তা আদালতের বিচারেই প্রমাণিত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, রাজনৈতিক আলোচনার বদলে বিএলআরও দপ্তরের নথি খতিয়ে দেখলেই প্রকৃত সত্য জানা সম্ভব।

পাল্টা যুক্তি তুলে ধরেছেন হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার। তাঁর দাবি, জমিটির মূল মালিক ছিলেন যমুনা রানি দত্ত, যিনি ১৯৮৯ সালে আবুল হোসেন তরফদারের কাছে তা বিক্রি করেছিলেন। পরে আবুল হোসেন জমিটি চাষ করতেন এবং তাঁর নামে কিছু অংশ বর্গা হিসেবেও নথিভুক্ত ছিল। আবুল হোসেন পরবর্তীকালে অশোক বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিলেও তিন মাসের মাথায় তাঁর মৃত্যুর ফলে সেই পাওয়ারনামা আইনত বাতিল হয়ে যায়। এর পর আবুল হোসেনের তিন সন্তান জমিটির বিষয়ে অসীম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

অসীম সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সমস্ত কাগজপত্র যাচাই করেন এবং গত ২৫ অগস্ট কল্যাণীতে রেজিস্ট্রি করে মোট ৩২ শতক জমি কেনেন। তবে তাঁর অভিযোগ, রেজিস্ট্রির দিনই অসীম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে একদল লোক এসে প্রক্রিয়ায় বাধা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন। বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের তরফেও ওই ১১ শতক জমি নিয়ে বিবাদে না জড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল এবং যাঁরা আগে জমি বিক্রি করেছিলেন তাঁদের ৩৬ লক্ষ টাকা ফেরানোর বিষয় নিয়েও কথা হয়। তিনি এও অভিযোগ করেন যে, বিষয়টি জানার পরেও অসীম কুমার বিশ্বাস কৃষ্ণনগরে গিয়ে নতুন করে ওই জমি রেজিস্ট্রি করিয়েছেন। তবে অসীম কুমার বিশ্বাস একজন সহজ-সরল মানুষ এবং কেউ তাঁকে ভুল বুঝিয়ে এই কাজ করিয়েছে বলেই অসীম সরকারের মত।

এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অসীম কুমার বিশ্বাস। তাঁর প্রশ্ন, ২০২১ সালে তিনি আগেই ওই জমি কিনে নেওয়ার পর জেনেশুনে অসীম সরকার কেন পরবর্তীকালে সেই জমি কিনতে গেলেন। তাঁর মতে, গোটা বিষয়টি মূলত পারস্পরিক যোগাযোগের অভাব ও ভুল বোঝাবুঝির কারণে তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বিতর্ক কেবল নথিপত্রে সীমাবদ্ধ নেই। জাতীয় সড়কের ধারে ৩২ শতক জমিতে দুই বিধায়কের নামেই পৃথক দুটি সাইনবোর্ড ঝুলছে, যা পথচলতি মানুষের নজরে আসছে। দ্রুত জমি মাফিয়াদের প্রভাব ও মূল্যবৃদ্ধির আবহে ৩২ শতকের মধ্যে থাকা সেই বিতর্কিত ১১ শতকের প্রকৃত মালিক কে, তা নিয়ে প্রশ্ন জারি রয়েছে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/state/land-dispute-between-two-bjp-mlas-in-nadia-reaches-chief-minister/feed/ 0 4528
৩৬ হাজার ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে উদ্বোধনের চার মাসেই ফাটল,প্রশ্নের মুখে যোগী সরকার https://banglakal.com/nation/cracks-reappear-on-uttar-pradesh-ganga-expressway-within-four-months-of-inauguration/ https://banglakal.com/nation/cracks-reappear-on-uttar-pradesh-ganga-expressway-within-four-months-of-inauguration/#respond Thu, 27 Aug 2026 07:57:36 +0000 https://banglakal.com/?p=4275 উন্নাও, ২৭ আগস্ট:

উদ্বোধনের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই বড়সড় ফাটল দেখা দিল উত্তরপ্রদেশের গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে। উন্নাওয়ের কাছে এই নবনির্মিত এক্সপ্রেসওয়ের মেরামতি করা অংশে নতুন করে ফাটল তৈরি হওয়ায় এর নির্মাণকাজের মান নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। সাংবাদিক পীযূষ রাই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এনেছেন যেখানে পিচ ঢালাই করা রাস্তার উপরিভাগে দীর্ঘ এবং গভীর ফাটল স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। ৩৬ হাজার ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই মেগা প্রকল্পটি গত ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে উদ্বোধন করা হয়েছিল।

উদ্বোধনের পর কয়েক মাস পেরোতে না পেরোতেই বর্ষার বৃষ্টির জেরে একাধিকবার ভূমি ধস এবং নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। মূলত ৪২১ থেকে ৪২২ কিলোমিটার অংশের কাছাকাছি বৃষ্টির কারণে মাটি ধুয়ে গিয়ে রাস্তার ঢাল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নির্মাণকারী সংস্থার পক্ষ থেকে বারবার মেরামতির কাজ করা হলেও ওই একই জায়গায় ফাটল ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। ভিডিও ফুটেজে রাস্তার মাঝ বরাবর তৈরি হওয়া ওই ফাটলগুলো সারাই করা অংশেই পুনরায় দেখা গিয়েছে।

এই ঘটনাগুলি ভারতের নতুন এক্সপ্রেসওয়েগুলির গুণমান এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এত বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে তৈরি করা পরিকাঠামো কেন কয়েক মাসের মধ্যেই এমন বেহাল দশায় পৌঁছল তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা চলছে। সরকারি আধিকারিকদের দাবি অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণেই রাস্তার এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলিতে ফের মেরামতির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট নির্মাণকারী সংস্থা।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/nation/cracks-reappear-on-uttar-pradesh-ganga-expressway-within-four-months-of-inauguration/feed/ 0 4275
কয়েকজন নেতা ও মন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন নেতার ‘মাখো মাখো সম্পর্ক’ বলায় গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন রায়কে শোকজ https://banglakal.com/state/indecent-remark-against-union-minister-gangarampur-bjp-mla-satyen-roy-show-caused/ https://banglakal.com/state/indecent-remark-against-union-minister-gangarampur-bjp-mla-satyen-roy-show-caused/#respond Thu, 27 Aug 2026 07:36:30 +0000 https://banglakal.com/?p=4269 কলকাতা, ২৭ আগস্ট:

দলের শীর্ষ নেতা এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ করল রাজ্য বিজেপি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন রায়কে শোকজ নোটিস ধরানো হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাঁকে এই মন্তব্যের বিস্তারিত কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য নেতৃত্ব।

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্নীতি এবং দলীয় শৃঙ্খলারক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে দল। সম্প্রতি একটি ফেসবুক লাইভ করে দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য তোপ দাগেন গঙ্গারামপুরের এই দু’বারের বিধায়ক। জনসমক্ষে দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে এমন মন্তব্য অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং সংগঠন বিরোধী বলে কড়া বার্তা দিয়েছে রাজ্য বিজেপি।

সম্প্রতি ওই ফেসবুক লাইভে সত্যেন রায় প্রকাশ্যেই দাবি করেছিলেন, দলের বেশ কয়েকজন নেতা ও মন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন নেতার ‘মাখো মাখো সম্পর্ক’ রয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ভাল তৃণমূল নেতারা বিজেপিতে প্রবেশ করে দলের ব্যাপক ক্ষতি করছেন। এই প্রসঙ্গেই তিনি রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা বর্তমান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের নাম উল্লেখ করে মন্তব্য করেন।

তাঁর এই মন্তব্যের পরই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। এরপরই রাজ্য বিজেপির শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সুপারিশে এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নির্দেশে দলীয় স্তরে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির প্রধান প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় বিধায়ককে আনুষ্ঠানিকভাবে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছেন।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সত্যেন রায় পূর্বে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি দলবদল করে বিজেপিতে যোগদান করেন এবং বর্তমানে তিনি গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের দু’বারের বিজেপি বিধায়ক। দলীয় নেতৃত্বের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে বিধায়কের জবাব হাতে পাওয়ার পরই তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/state/indecent-remark-against-union-minister-gangarampur-bjp-mla-satyen-roy-show-caused/feed/ 0 4269
পুরভোটে বিজেপির সঙ্গে জোট এনসিপিআই-এর, দাবি সুদীপের, খারিজ গেরুয়া শিবিরের https://banglakal.com/state/ncpi-to-partner-bjp-in-city-elections-sudip-bandyopadhyay-bjp-denies-alliance-plan/ https://banglakal.com/state/ncpi-to-partner-bjp-in-city-elections-sudip-bandyopadhyay-bjp-denies-alliance-plan/#respond Thu, 27 Aug 2026 07:29:29 +0000 https://banglakal.com/?p=4266 কলকাতা, ২৭ আগস্ট:

আসন্ন পুরসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে জোট গড়ে লড়ার ঘোষণা করল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই। দলটির শীর্ষ নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শহরের পুরভোটে তারা বিজেপির হাত ধরে ময়দানে নামতে প্রস্তুত। তবে এই দাবি পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া শিবিরের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এমন কোনো নির্বাচনী জোট বা আসন সমঝোতার পরিকল্পনা তাদের নেই।

সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ অংশ এবং একাধিক সাংসদকে সঙ্গে নিয়ে ত্রিপুরা-ভিত্তিক রাজনৈতিক দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়। জাতীয় স্তরে এনডিএ জোটকে সমর্থনের ঘোষণা করার পাশাপাশি রাজ্য স্তরেও বিভিন্ন নির্বাচনে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে চাইছে দলটি। তারই অংশ হিসেবে কলকাতা পুরভোটে বিজেপির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা তুলে ধরেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, শহরের নাগরিক সমস্যা ও বর্তমান শাসকদলের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে এনসিপিআই এবং বিজেপির একযোগে কাজ করা দরকার। সেই প্রেক্ষাপটেই পুরসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

তবে বিজেপির পক্ষ থেকে এই সম্ভাবনা স্পষ্ট ভাষায় খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের মতে, পুরভোটে অন্য কোনো নতুন বা আঞ্চলিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গড়ার কোনো সিদ্ধান্ত বা পরিকল্পনা রাজ্য বা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নেওয়া হয়নি। ফলে এনসিপিআই নেতৃত্বের দাবি তাদের নিজস্ব, দলের সঙ্গে এর কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/state/ncpi-to-partner-bjp-in-city-elections-sudip-bandyopadhyay-bjp-denies-alliance-plan/feed/ 0 4266