#GazaSiege – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Tue, 03 Feb 2026 16:06:17 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.1 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 #GazaSiege – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 গাজায় ফের গণহত্যার ছবি: এক সপ্তাহে ৫২ ফিলিস্তিনি নিহত https://banglakal.com/world/photos-of-another-massacre-in-gaza-52-palestinians-killed-in-one-week/ https://banglakal.com/world/photos-of-another-massacre-in-gaza-52-palestinians-killed-in-one-week/#respond Tue, 03 Feb 2026 16:20:11 +0000 https://banglakal.com/?p=1898 রামাল্লাহ | ৩ ফেব্রুয়ারি: যুদ্ধবিরতির পরও গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর তীব্র হামলা অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহে (২৭ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) ইসরায়েলি বোমা হামলায় অন্তত ৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও ৮৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। একই সময়ে আহত হয়েছেন ১৩৬ জন।ওআইসি’র ‘ইসরায়েলি অপরাধের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের মিডিয়া অবজারভেটরি’র ১১৪তম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুত মানুষের সমাবেশ, বাড়িঘর ও শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণ গত যুদ্ধবিরতির আগের গণহত্যার দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এই হামলাগুলো বেসামরিক এলাকা ও জনসমাগমের ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল।একই সপ্তাহে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় আরও দুজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২৪ জন আহত হয়েছেন। অবজারভেটরির হিসাব অনুযায়ী, এই সময়ে পশ্চিম তীরে মোট ১,২৮৫টি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪০৯টি অভিযান, ১১০টি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা এবং ৮০০-এর বেশি জলপাই গাছ উপড়ে ফেলা। এছাড়া বেশ কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস করে ৩৫টি বাড়ি দখল করা হয়েছে। এসব ঘটনায় ইসরায়েলি বাহিনীর সরাসরি সহায়তা ও সুরক্ষা ছিল বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে।ওআইসি’র প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ৭২,৮৮৬ জনে পৌঁছেছে। গত সপ্তাহের হামলাগুলো যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলের আগ্রাসী নীতির ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

]]>
https://banglakal.com/world/photos-of-another-massacre-in-gaza-52-palestinians-killed-in-one-week/feed/ 0 1898
গাজায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: আট আরব-ইসলামী দেশের যৌথ নিন্দা, শান্তি পরিকল্পনায় বিঘ্নের আশঙ্কা https://banglakal.com/world/gaza-ceasefire-violation-joint-condemnation-by-eight-arab-islamic-countries-fears-of-disruption-to-peace-plan/ https://banglakal.com/world/gaza-ceasefire-violation-joint-condemnation-by-eight-arab-islamic-countries-fears-of-disruption-to-peace-plan/#respond Sun, 01 Feb 2026 14:30:38 +0000 https://banglakal.com/?p=1827 দোহা | ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আটটি আরব ও ইসলামী দেশ। কাতার, মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে এই লঙ্ঘনকে “সরাসরি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার জন্য হুমকি” বলে অভিহিত করেছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ঘটনাগুলির ফলে এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত ও আহত হয়েছেন।যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসরায়েলের এই পুনরাবৃত্ত লঙ্ঘন অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

বর্তমানে যখন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পক্ষগুলি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৮০৩ বাস্তবায়নের জন্য একযোগে কাজ করছে, তখন এই লঙ্ঘনগুলি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক।বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গাজায় নিরাপত্তা ও মানবিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য যে প্রচেষ্টা চলছে, তা এই লঙ্ঘনের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায় সফল করতে সব পক্ষের পূর্ণ প্রতিশ্রুতি ও সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০ দফা বিস্তৃত গাজা শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এর প্রথম পর্যায়ে যুদ্ধবিরতি, জিম্মি মুক্তি এবং মানবিক সাহায্য প্রবেশের ব্যবস্থা ছিল। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয়েছে, যেখানে গাজায় প্রযুক্তিগত প্রশাসন, পুনর্গঠন, নিরস্ত্রীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৮০৩ এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করে এবং ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছে।যৌথ বিবৃতিতে আহ্বান জানানো হয়েছে, সব পক্ষ যেন এই সংকটকালে দায়িত্বশীল আচরণ করে, যুদ্ধবিরতি বজায় রাখে এবং কোনো এমন পদক্ষেপ না নেয় যা বর্তমান প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তারা গাজার দ্রুত পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্র গঠনের অধিকারের ভিত্তিতে ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন—যা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট রেজোলিউশন এবং আরব শান্তি উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

https://x.com/i/status/2017944267562315883

এই যৌথ বিবৃতি কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট @MofaQatar_EN -এ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে। বিবৃতির পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু এবং তুরস্ক, জর্ডান, সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও প্রকাশিত হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই যৌথ নিন্দা আঞ্চলিক দেশগুলির মধ্যে গাজা ইস্যুতে একমত প্রকাশের প্রয়াসকে তুলে ধরলেও, শুধুমাত্র বিবৃতির মাধ্যমে বাস্তব পরিবর্তন আনা কঠিন। অনেকে মনে করছেন, শক্তিশালী পদক্ষেপ না নিলে ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে না।

]]>
https://banglakal.com/world/gaza-ceasefire-violation-joint-condemnation-by-eight-arab-islamic-countries-fears-of-disruption-to-peace-plan/feed/ 0 1827
গাজায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: ইসরায়েলি হামলায় ৩১ ফিলিস্তিনি নিহত, ছয় শিশুসহ বহু নিরীহ প্রাণহানি https://banglakal.com/world/%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%98%e0%a6%a8/ https://banglakal.com/world/%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%98%e0%a6%a8/#respond Sun, 01 Feb 2026 04:37:19 +0000 https://banglakal.com/?p=1799 গাজা,১ ফেব্রুয়ারি : ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরায়েলি বাহিনীর একাধিক বিমান হামলায় অন্তত ৩১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছয়জন শিশু রয়েছে এবং বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যও এই হামলার শিকার হয়েছেন। এই ঘটনা ঘটেছে ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি শনিবার ভোর থেকে, যা অক্টোবর ২০২৫-এ কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর সবচেয়ে মারাত্মক দিনগুলির একটি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

হামলাগুলি গাজা সিটি এবং খান ইউনিসে কেন্দ্রীভূত ছিল, যার মধ্যে তাঁবু শিবির, আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট এবং একটি পুলিশ স্টেশন লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে। এই হামলার ঠিক পরের দিন, অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার, রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং সীমিত ভাবে পুনরায় খোলার কথা রয়েছে, যা ২০২৪ সালের মে মাসের পর প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা এবং যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার সকাল থেকে একাধিক হামলায় মোট ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবু শিবিরে একটি বিমান হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হন, যাদের মধ্যে একটি পরিবারের তিন শিশু এবং তাদের দাদা রয়েছেন। নাসের হাসপাতালে মৃতদেহ নিয়ে আসা হয়েছে এবং হামলায় আগুন লেগে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। গাজা সিটির রেমাল এলাকায় একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে হামলায় পাঁচজন নিহত হন—তিন শিশু, তাদের খালা এবং দাদি।

শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সেলমিয়া জানিয়েছেন, গাজা সিটির শেখ রাদওয়ান এলাকায় একটি পুলিশ স্টেশনে হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পুলিশ অফিসার, চারজন মহিলা পুলিশ সদস্য এবং কয়েকজন বন্দি রয়েছেন। গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে শিশু ও নারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য এবং কয়েকটি পরিবার সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) এই হামলাগুলিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা দাবি করেছে, শুক্রবার রাফাহতে একটি টানেল থেকে আটজন ফিলিস্তিনি যোদ্ধা বেরিয়ে আসার ঘটনা এবং অন্যান্য লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে এই হামলা চালানো হয়েছে।

আইডিএফ জানিয়েছে, হামাস ও ইসলামিক জিহাদের কয়েকজন কমান্ডার এবং অবকাঠামো লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে। অন্যদিকে, হামাস এই হামলাগুলিকে “যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট ও নতুন লঙ্ঘন” বলে অভিহিত করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ মধ্যস্থতাকারী দেশগুলির কাছে ইসরায়েলকে থামানোর আহ্বান জানিয়েছে। হামাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলা নিরীহ নাগরিকদের বিরুদ্ধে “নৃশংস অপরাধ” এবং এটি অঞ্চলের শান্তি প্রচেষ্টাকে বিপন্ন করছে। মিশর ও কাতারও ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের নিন্দা করে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।

Independent MP from UK

যুদ্ধবিরতি চুক্তি ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কার্যকর হয়েছে, যার দ্বিতীয় পর্যায়ে রাফাহ ক্রসিং পুনরায় খোলা, গাজার নিরস্ত্রীকরণ এবং পুনর্গঠনের জন্য নতুন প্রশাসন গঠনের বিষয় রয়েছে। কিন্তু চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, যুদ্ধবিরতির পর থেকে এ পর্যন্ত ৫০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। সমগ্র যুদ্ধে (২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে) মোট নিহতের সংখ্যা ৭১,০০০-এরও বেশি। রাফাহ ক্রসিং খোলার ফলে চিকিৎসা, মানবিক সাহায্য এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের চলাচল সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছিল, কিন্তু এই ধরনের হামলা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলেছে। গাজার বাসিন্দারা বলছেন, যুদ্ধবিরতি ও যুদ্ধের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই—প্রতিদিনই মৃত্যু ও ধ্বংস অব্যাহত রয়েছে।এই ঘটনা গাজার মানবিক সংকটকে আরও গভীর করেছে। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলি তাঁবুতে আশ্রয় নিয়ে কোনোমতে বেঁচে আছে, শিশুরা খাদ্য ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এখন প্রশ্ন উঠেছে—যুদ্ধবিরতি কি সত্যিই কার্যকর হচ্ছে, নাকি এটি শুধুমাত্র কাগজে-কলমে? গাজার জনগণের জন্য স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা এখনও দূরের স্বপ্ন।

]]>
https://banglakal.com/world/%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%98%e0%a6%a8/feed/ 0 1799
গাজায় সাংবাদিকদের উপর নির্যাতন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি https://banglakal.com/world/torture-of-journalists-in-gaza-situation-worse-than-world-war-ii/ https://banglakal.com/world/torture-of-journalists-in-gaza-situation-worse-than-world-war-ii/#respond Tue, 20 Jan 2026 04:45:13 +0000 https://banglakal.com/?p=1615 ২০ জানুয়ারী: গাজায় চলমান যুদ্ধে সাংবাদিকদের উপর হামলা এক অভূতপূর্ব মাত্রায় পৌঁছেছে, যা ঐতিহাসিক যুদ্ধগুলোর চেয়েও ভয়াবহ। জাতিসংঘের স্বীকৃত প্যালেস্টাইনীয় কূটনীতিক মোহাম্মদ সাফা সম্প্রতি এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে এই তথ্য তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রতিবেদন অনুসারে, গত দু’বছরে গাজায় প্রায় ৩০০ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (৬৯-৭৯ জন, ৪ বছরে), দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (৬৭-৬৯ জন, ৬ বছরে), ভিয়েনাম যুদ্ধ (৬৩ জন, ২০ বছরে) এবং অন্যান্য যুদ্ধগুলোর মোট সাংবাদিক হত্যার সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই তথ্য কমিটি টু প্রটেক্ট Commite to Protect Journalist  এর তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গাজায় ২৪৯ জনের বেশি সাংবাদিক ও মিডিয়া কর্মী নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে। সাফার পোস্টে একটি ছবি রয়েছে যাতে একটি বোমা বিস্ফোরিত ‘প্রেস’ চিহ্নিত গাড়ি দেখা যায়, যা সাংবাদিকদের উপর লক্ষ্যবস্তু হামলার প্রমাণ। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্ব কি মধ্যপ্রাচ্যের সাংবাদিকদের হত্যাকে নিন্দা করবে, নাকি এটি ‘জটিল’ বলে এড়িয়ে যাবে? এই প্রতিবেদনের থ্রেডে আরও উল্লেখ আছে যে ইসরায়েল গাজায় ৭০০ জনের বেশি সাংবাদিকের আত্মীয়কে হত্যা করেছে, যা প্যালেস্টাইনীয় সাংবাদিক সিন্ডিকেটের প্রতিবেদন থেকে উদ্ধৃত।


এটি সাংবাদিকতাকে দমন করার জন্য সম্মিলিত শাস্তির কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।গাজায় সাংবাদিকরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাজ করছেন। সিপিজে-র তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী ১২৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ইসরায়েলের হামলায় গাজায় ৮৬ জন।
এই যুদ্ধ সাংবাদিকতার ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক বলে চিহ্নিত। হামলা, আটক, আঘাত এবং মিডিয়া অফিসের ধ্বংস সত্য প্রকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এটিকে গণহত্যা হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা সাংবাদিকতার স্বাধীনতাকে আরও জটিল করে তুলেছে।এই প্রসঙ্গে ভারতের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ভারতীয় সরকার এই গণহত্যাকে সমর্থন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যেখানে যুদ্ধের জন্য অস্ত্র বিক্রি একটি প্রধান কারণ। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে, ভারত ইসরায়েলে রকেট এবং বিস্ফোরক রপ্তানি করছে।
আদানি-এলবিট যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে ড্রোন এবং অস্ত্র সরবরাহ চলছে, যা গাজায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
২০২৪ সালে ভারত ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানির ৩৭ শতাংশ গ্রহণ করেছে, কিন্তু এখন ভারত নিজেও সরবরাহকারী। এটি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির অংশ, কিন্তু মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও সংকটে। ২০২৫ ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে ভারত ১৫১তম স্থানে রয়েছে, স্কোর ৩২.৯৬।
সাংবাদিকদের উপর সহিংসতা, মিডিয়া মালিকানার একচেটিয়াকরণ এবং রাজনৈতিক প্রভাব এর কারণ। বিজেপি-র নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে এটি আরও খারাপ হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গাজার সত্য প্রকাশ করা কঠিন, এবং ভারতীয় মিডিয়া এটি বোঝে না।এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকতার স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের প্রশ্ন তুলেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে সাংবাদিকরা নিরাপদে কাজ করতে পারেন।

]]>
https://banglakal.com/world/torture-of-journalists-in-gaza-situation-worse-than-world-war-ii/feed/ 0 1615
সৌদি আরব গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়কে স্বাগত জানিয়েছে https://banglakal.com/world/saudi-arabia-welcomes-second-phase-of-gaza-peace-plan/ https://banglakal.com/world/saudi-arabia-welcomes-second-phase-of-gaza-peace-plan/#respond Sat, 17 Jan 2026 07:43:47 +0000 https://banglakal.com/?p=1576 রিয়াদ, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬: সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর ঘোষণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে। এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে গাজা স্ট্রিপের অস্থায়ী প্রশাসনের জন্য ফিলিস্তিনি জাতীয় কমিটি (National Committee for the Administration of Gaza) গঠন করা হয়েছে, যা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৮০৩-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি অস্থায়ী  সংস্থা।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই দ্বিতীয় পর্যায় গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা, ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার, গাজার পুনর্গঠন এবং ফিলিস্তিনি জনগণের দৈনন্দিন জীবন পরিচালনায় সহায়তা করবে। বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্ব এবং ‘পিস কাউন্সিল’ (Board of Peace) গঠনের প্রশংসা করা হয়েছে। এই কাউন্সিলের নেতৃত্বে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই রয়েছেন এবং এতে মার্কো রুবিওসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা অন্তর্ভুক্ত। কাউন্সিল গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার, ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের কোনো অংশের সংযোজন রোধ এবং দুই-রাষ্ট্র সমাধানের পথ প্রশস্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।সৌদি আরব মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো—কাতার, মিশর এবং তুরস্কের—প্রচেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এই দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিবৃতিতে জোর দেওয়া হয়েছে যে, গাজা ও ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের মধ্যে ভৌগোলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ঐক্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি এবং গাজাকে বিভক্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করা হবে।এই পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ে গাজায় পূর্ণাঙ্গ নিরস্ত্রীকরণ, পুনর্গঠন কাজ শুরু এবং মানবিক সাহায্যের অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করার কথা রয়েছে। জাতিসংঘের রেজোলিউশন ২৮০৩ (২০২৫ সালের নভেম্বরে গৃহীত) এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করে এবং আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (International Stabilization Force) মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। এই বাহিনী গাজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করবে।

এদিকে, এই ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে ফিলিস্তিনি ঐক্য ও শান্তির আশায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন যে, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও ধ্বংসের পর এই পরিকল্পনা কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। গাজার মানবিক সংকট এখনও অব্যাহত, এবং লাখ লাখ মানুষ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বসবাস করছেন।সৌদি আরবের এই অবস্থান আঞ্চলিক শান্তি প্রচেষ্টায় রিয়াদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে তুলে ধরে। দেশটি দুই-রাষ্ট্র সমাধান, আরব শান্তি উদ্যোগ এবং জাতিসংঘের সকল প্রাসঙ্গিক রেজোলিউশনের ভিত্তিতে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান বজায় রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই দ্বিতীয় পর্যায় যদি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে।

]]>
https://banglakal.com/world/saudi-arabia-welcomes-second-phase-of-gaza-peace-plan/feed/ 0 1576
“চিকিৎসা নেই, খাবার নেই: অবরুদ্ধ গাজায় ধুঁকে ধুঁকে মরছেন প্রবীণরা” https://banglakal.com/world/no-medicine-no-food-elderly-dying-slowly-in-besieged-gaza/ https://banglakal.com/world/no-medicine-no-food-elderly-dying-slowly-in-besieged-gaza/#respond Sun, 11 May 2025 17:14:37 +0000 https://banglakal.com/?p=805 গত এক সপ্তাহে গাজার বিভিন্ন এলাকায় ১৪ জন প্রবীণ ফিলিস্তিনির মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে, যারা ক্ষুধা, অপুষ্টি ও চিকিৎসার অভাবে প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে ইউরো-মেডিটারেনিয়ান হিউম্যান রাইটস মনিটর।

মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, “এই মৃত্যুগুলি সরাসরি ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধের ফল, যা ২ মার্চ থেকে সীমান্ত সম্পূর্ণ বন্ধ করে মানবিক সাহায্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য গাজায় প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।”

এই প্রবীণরা মারা গেছেন গাজার বিভিন্ন স্থানে, যেখানে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের চরম সংকট চলছে।

ইউরো-মেড মনিটর জানায়, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়েছে, স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে, এবং সবচেয়ে মৌলিক চিকিৎসাসেবাও অনুপলব্ধ। ফলে প্রবীণ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করছেন।

৮৪ বছর বয়সী মুসবাহ আব্দুল রউফ আব্দুল গাফুর শনিবার খান ইউনিসে মারা যান। ইউরো-মেড মনিটরকে তাঁর পরিবার জানায়, তিনি পেটের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন এবং অবরোধের কারণে গাজার বাইরে চিকিৎসা নিতে পারেননি। ভেতরে কোনো চিকিৎসা না পাওয়ায়, অপুষ্টি ও উপযুক্ত খাবারের অভাবে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে এবং তিনি মারা যান।

৭ মে মঙ্গলবার, ৮০ বছর বয়সী তালিব সাব্বাহ সুলাইমান আল-আরজা-র মৃত্যু রেকর্ড করা হয়। তাঁর ছেলে জালাল ইউরো-মেড মনিটরকে বলেন: “গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এবং কঠোর অবরোধ আরোপের পর আমার বাবার শরীর খারাপ হতে থাকে। আমরা রাফাতে চরম দুরবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলাম। পরে খান ইউনিসে স্থানান্তরিত হলে দুর্দশা আরও বেড়ে যায়। তাঁবুতে প্রচণ্ড গরম, রাতে পোকামাকড়ের কামড়—একজন প্রবীণ মানুষের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব ছিল না। বাবা বারবার ঠান্ডা পানি চাইতেন, কিন্তু দিতে পারতাম না। তিনি মুরগি, মাছ, ডিম, ফল ইত্যাদি খেতে চাইতেন—কিন্তু কিছুই জোটেনি।”

তিনি আরও বলেন, “সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণে শরীর দুর্বল ও ন্যুব্জ হয়ে পড়ে। আমরা তাঁকে নাসের হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসকরা জানান তিনি মারাত্মক অ্যানিমিয়া ও প্রোটিন-খনিজের ঘাটতিতে ভুগছেন। প্রায় ৩০ ঘণ্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁর শরীর আর সাড়া দিচ্ছিল না, এবং অবশেষে তিনি মারা যান।”

ইউরো-মেড মনিটর জানিয়েছে, অনেক প্রবীণ রোগী হাসপাতালে আসছেন যাঁরা সবাই গুরুতর অপুষ্টি ও অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন। দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা না পেয়ে তাঁরা কেবল টিনজাত খাবারের ওপর নির্ভর করছেন, যার ফলে তাঁদের স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটছে এবং অনেকে প্রাণ হারাচ্ছেন।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, চিকিৎসাব্যবস্থার ধ্বংস, খাদ্যের ঘাটতি ও দুর্ভিক্ষের ফলে প্রবীণ, শিশু ও রোগীদের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। ইসরায়েলি অবরোধের ফলে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থার পদ্ধতিগত ভেঙে পড়াই এর মূল কারণ।

এছাড়াও, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এ ধরনের মৃত্যুর পর্যবেক্ষণের কোনো কার্যকর ব্যবস্থাও নেই। ফলে এসব মৃত্যু প্রায়শই ‘প্রাকৃতিক মৃত্যু’ হিসেবে নথিভুক্ত হয়, যদিও বাস্তবে এগুলো ইচ্ছাকৃত অভুক্ত রাখার নীতির ফল এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও ফৌজদারি আইনের লঙ্ঘন।

সংস্থাটি বলেছে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধান অনুযায়ী সবচেয়ে গুরুতর অপরাধের মধ্যে পড়ে, বিশেষ করে ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে অনাহারে মারার ঘটনা যা যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী: “এই কর্মকাণ্ডগুলো গণহত্যার আইনি সংজ্ঞার মধ্যেও পড়ে—যেমন হত্যা, গুরুতর শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি, অথবা এমন জীবনযাপনের পরিবেশ আরোপ করা যা একটি সুরক্ষিত জনগোষ্ঠীকে আংশিক বা সম্পূর্ণ ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। গত ১৯ মাস ধরে গাজার বেসামরিক জনগণের ওপর ইসরায়েলের এই ধরনের অপরাধ চলমান রয়েছে।”

]]>
https://banglakal.com/world/no-medicine-no-food-elderly-dying-slowly-in-besieged-gaza/feed/ 0 805