India – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Wed, 04 Mar 2026 12:49:31 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0.2 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 India – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 যুদ্ধের ঢেউ কি পৌঁছে গেল ভারত মহাসাগরে! শ্রীলঙ্কা উপকূলে ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবে যাওয়া: সাবমেরিন হামলার অভিযোগে ঘনীভূত রহস্য https://banglakal.com/world/iran-navy-sinking-sri-lanka/ https://banglakal.com/world/iran-navy-sinking-sri-lanka/#respond Wed, 04 Mar 2026 10:14:29 +0000 https://banglakal.com/?p=2269 রয়টার্সের প্রতিবেদন । ৪ মার্চ

আন্তর্জাতিক সংঘাতের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই ভারত মহাসাগরে ঘটল এক নাটকীয় ও উদ্বেগজনক ঘটনা। ইরানি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ IRIS Dena বুধবার ভোরে শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে বিপদসংকেত পাঠায়। দুপুরের মধ্যেই জাহাজটি ডুবে যায়। ঘটনাটি শুধু একটি নৌদুর্ঘটনা নয়—বরং চলমান ভূরাজনৈতিক সংঘাতের পরিধি কতদূর বিস্তৃত হয়েছে, তার এক গভীর ইঙ্গিত বহন করছে।

শ্রীলঙ্কার উপকূল থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি বিপদসংকেত পাঠানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ডুবতে শুরু করে। শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী Vijitha Herath পার্লামেন্টে জানান, জাহাজে প্রায় ১৮০ জন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ৩০ জন আহত অবস্থায় উদ্ধার করে গলের Karapitiya Hospital-এ ভর্তি করা হয়েছে।

কিন্তু এখনো ১০১ জন নিখোঁজ। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

এই ঘটনাকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—জাহাজটি কি চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল?

সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত সামরিক তৎপরতার খবর আন্তর্জাতিক মহলে চর্চিত। বিরোধী সাংসদরা পার্লামেন্টে সরাসরি জানতে চান, জাহাজটি কি সেই অভিযানের অংশ হিসেবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে?

কিন্তু শ্রীলঙ্কা কর্তৃপক্ষ কোনো স্পষ্ট জবাব দেয়নি। সরকারি নীরবতা কূটনৈতিক মহলে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে। এই নীরবতা কি কৌশলগত? নাকি সত্যিই তথ্যের ঘাটতি?

Islamic Republic of Iran Navy-এর জন্য এই ডুবি একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান তার নৌবাহিনীকে পারস্য উপসাগরের গণ্ডি ছাড়িয়ে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর পর্যন্ত সক্রিয় রাখতে চেয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে শ্রীলঙ্কা উপকূলে এমন একটি জাহাজডুবি ইরানের ‘পাওয়ার প্রজেকশন’-এর উপর গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এটি হামলার ফল হয়, তবে তা প্রমাণ করবে যে সংঘাতের ভৌগোলিক সীমানা অনেক বিস্তৃত হয়েছে। আর যদি এটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা দুর্ঘটনা হয়, তবুও তা ইরানের সামরিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করবে।

ভারত মহাসাগরে অস্থিরতা?

শ্রীলঙ্কা ঐতিহ্যগতভাবে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের উপকূলে এমন একটি আন্তর্জাতিক সামরিক ঘটনার সৃষ্টি দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেও প্রভাবিত করতে পারে। ভারত মহাসাগর ইতিমধ্যেই চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন শক্তিধর দেশের কৌশলগত প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র। সেখানে ইরানি যুদ্ধজাহাজের ডুবে যাওয়া নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষণের বাইরে, এই ঘটনার সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিক হলো মানবিক ক্ষয়ক্ষতি। ১০১ জন নাবিকের ভাগ্য এখনো অজানা। তাঁদের পরিবারগুলোর জন্য এই অনিশ্চয়তা এক অসহনীয় অপেক্ষা।

শ্রীলঙ্কা উপকূলে IRIS Dena-র ডুবি কেবল একটি নৌদুর্ঘটনা নয়—এটি বর্তমান সংঘাতের বিস্তার, কৌশলগত বার্তা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির জটিল সমীকরণের অংশ।

সরকারি নীরবতা যত দীর্ঘ হবে, ততই জল্পনা বাড়বে। আর একটি বিষয় স্পষ্ট—এই যুদ্ধ আর কেবল পারস্য উপসাগরে সীমাবদ্ধ নেই। তার ঢেউ পৌঁছে গেছে ভারত মহাসাগরের গভীরে।

]]>
https://banglakal.com/world/iran-navy-sinking-sri-lanka/feed/ 0 2269
১২ ফেব্রুয়ারি ভারত বনধ: আগামীকাল কি স্কুল ছুটি? জানুন পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যের আপডেট https://banglakal.com/nation/12-february-indian-bandh/ https://banglakal.com/nation/12-february-indian-bandh/#respond Wed, 11 Feb 2026 18:19:50 +0000 https://banglakal.com/?p=2069 কলকাতা: আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দেশজুড়ে ‘ভারত বনধ’-এর ডাক দিয়েছে ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চ। নতুন শ্রম কোড বাতিল, বেসরকারীকরণ রোধ এবং প্রস্তাবিত ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩০ কোটি শ্রমিক এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন বলে দাবি আয়োজকদের। এই আবহে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মনে সবথেকে বড় প্রশ্ন— আগামীকাল কি স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে?

রাজ্যভিত্তিক পরিস্থিতির আপডেট

নিচে ভারতের প্রধান রাজ্যগুলোতে স্কুল খোলা বা বন্ধের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরা হলো:

  • পশ্চিমবঙ্গ (কলকাতা): রাজ্য সরকার বা শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে স্কুল বন্ধের কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তবে পরিবহণ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় কলকাতার বেশ কিছু বেসরকারি স্কুল আগামীকাল পঠন-পাঠন স্থগিত রাখার বা অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অভিভাবকদের নিজস্ব স্কুল কর্তৃপক্ষের বার্তার দিকে নজর রাখতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
  • কেরল: এই রাজ্যে বামপন্থী সংগঠনগুলোর প্রভাব বেশি থাকায় এবং ধর্মঘটের সমর্থনে বড় জমায়েতের সম্ভাবনা থাকায় প্রায় সমস্ত স্কুল ও কলেজ বন্ধ থাকার সম্ভাবনা প্রবল।
  • ওডিশা ও কর্ণাটক: ওডিশায় বনধের ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই অনেক জেলা প্রশাসন স্কুল ছুটির কথা বিবেচনা করছে। কর্ণাটকেও বিশেষ করে বেঙ্গালুরু ও মহীশূরে স্থানীয় পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে স্কুল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।
  • দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশ: দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় স্কুল খোলা থাকার কথা। তবে স্কুল বাস ও পরিবহণে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। উত্তরপ্রদেশেও সরকারিভাবে কোনো ছুটির ঘোষণা নেই।
  • পাঞ্জাব ও হরিয়ানা: এখানে কৃষক সংগঠনগুলো বনধকে সমর্থন জানানোয় গ্রামবাংলার দিকে জনজীবন ব্যাহত হতে পারে, তবে শহরাঞ্চলে স্কুল খোলা রাখারই প্রাথমিক ইঙ্গিত রয়েছে।

কী খোলা আর কী বন্ধ থাকবে?

বনধের প্রভাব জনজীবনের বিভিন্ন স্তরে পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও জরুরি পরিষেবাকে এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

বিভাগস্থিতি (সম্ভাবনা)
ব্যাঙ্ক পরিষেবাপাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্কের কর্মীরা ধর্মঘটে সামিল হওয়ায় লেনদেন ব্যাহত হতে পারে। এটিএম পরিষেবা সচল থাকবে।
গণপরিবহণসরকারি ও বেসরকারি বাস, অটো ও ট্যাক্সি চলাচল অনেক জায়গায় সীমিত হতে পারে।
জরুরি পরিষেবাহাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধের দোকান ও দমকল স্বাভাবিক থাকবে।
বিমান ও রেলউড়ান ও ট্রেন পরিষেবা সচল থাকবে, তবে স্টেশনে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষ পরামর্শ: বনধের সমর্থনে রাস্তায় মিছিল বা পিকেটিংয়ের জেরে যানজট হতে পারে। তাই আগামীকাল বাড়ির বাইরে বেরোনোর আগে স্থানীয় পরিস্থিতি যাচাই করে নেওয়া এবং স্কুলের পক্ষ থেকে কোনো শেষ মুহূর্তের বিজ্ঞপ্তি (Notification) দেওয়া হয়েছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি।

]]>
https://banglakal.com/nation/12-february-indian-bandh/feed/ 0 2069
পরপর ন’বার ভূমিকম্পে কাঁপল গুজরাটের রাজকোট, উৎসস্থল কচ্ছের কাছে, ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই https://banglakal.com/nation/9-earthquakes-shake-gujarats-rajkot-in-12-hours/ https://banglakal.com/nation/9-earthquakes-shake-gujarats-rajkot-in-12-hours/#respond Fri, 09 Jan 2026 11:11:51 +0000 https://banglakal.com/?p=1436 রাজকোট: একবার বা দুই বার নয়, ১২ ঘণ্টার মধ্যে নয়বার কাঁপল গুজরাতের রাজকোট। মৃদু কম্পন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই কম্পনের জেরে আতঙ্কিত রাজকোটবাসী ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন রাস্তায়। খালি করা হয় ঘরবাড়ি।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৪৩ মিনিটে প্রথম কম্পন হয়। শেষ কম্পন হয় শুক্রবার সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে। তার মাঝে আরও সাত বার কম্পন হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর। কম্পনের উৎসস্থল ছিল উপলেটার উত্তর-পশ্চিমে ৩০ কিলোমিটার দূরে। উপলেটা মূলত কচ্ছ অঞ্চলের মধ্যে পড়ে। আর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার মধ্যে পড়ে কচ্ছ। তবে একসঙ্গে এত বার কম্পন আগে কখনও অনুভূত হয়েছে কি না, মনে করতে পারছেন না রাজকোটবাসী। ফলে বড় কোনও বিপদের আশঙ্কায় দিন কাটছে মানুষের।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, ন’বারে মধ্যে সর্বোচ্চ কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৮। সবচেয়ে কম কম্পনের মাত্রা ছিল ২.৯। কম্পনের মাত্রা যদি ৩ থেকে ৩.৯-এর মধ্যে থাকে, সেটিকে মৃদু কম্পন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। যদি কম্পনমাত্রা ৩-এর নীচে হয়, তা হলে সেটিকে অতি মৃদু হিসাবে ধরা হয়। গান্ধীনগরের ইনস্টিটিউট অফ সিসমোলজিক্যাল রিসার্চ-এর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের মাত্রা যদি ৪-এর নীচে থাকে, তা হলে সেটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। কিন্তু একইসঙ্গে তাঁরা এটাও বলছেন যে, এত কম সময়ের মধ্যে কেন এত বার কাঁপল রাজকোট, সেটাই উদ্বেগের বিষয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চ্যুতিরেখার উপরেও পড়ছে না রাজকোট। তা হলে এই কম্পন কেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে বর্ষার মরসুমের পর এই ধরনের মৃদু কম্পন খুব একটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে এত বার কম্পনের বিষয়টিই ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের।

]]>
https://banglakal.com/nation/9-earthquakes-shake-gujarats-rajkot-in-12-hours/feed/ 0 1436
৯ রাজ্য ৩ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিলি ৫০ কোটিরও অধিক enumeration forms https://banglakal.com/nation/%e0%a7%af-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%85%e0%a6%9e/ https://banglakal.com/nation/%e0%a7%af-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%85%e0%a6%9e/#respond Tue, 18 Nov 2025 14:14:10 +0000 https://banglakal.com/?p=1187 বাংলাকাল ওয়েব ডেস্ক: নয়টি রাজ্য এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজ চলছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর, ২০২৫) ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) জানিয়েছে, নয়টি রাজ্য এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রায় ৫১ কোটি ভোটারের মধ্যে ৫০.২৫ কোটিরও বেশি ভোটার তালিকার চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধনের অধীনে গণনার ফর্ম পেয়েছেন।

অর্থাৎ সেখানকার ৯৮.৫৪ শতাংশ ভোটার ফর্ম পেয়ে গিয়েছেন। পর্যাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ৯৯.৬৪ শতাংশ ভোটার এনুমারেশন ফর্ম পেয়ে গিয়েছেন।

বলা বাহুল্য, ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে SIR মহড়ার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। চলবে  ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, এই রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ভোটারের সংখ্যা ৫০,৯৭,৪৪,৪২৩। ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত সেখানে এই সংখ্যক ভোটার ছিলেন। এখন পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম পেয়েছেন ৫০,২৫,১৩,০৯৪। অর্থাৎ মোট ভোটারের ৯৮.৫৪ শতাংশ ভোটারই এনুমারেশন ফর্ম পেয়ে গিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে ৭,৬৩,৬৩,৬৭৫ এনুমারেশন ফর্ম বিলি হয়েছে।

৯৯.৬৪ শতাংশ ভোটারই এনুমারেশন ফর্ম পেয়ে গিয়েছেন। এছাড়া, ৫০.৯৭ কোটি ভোটারের মধ্যে ৯৮.৫৪ শতাংশ আংশিকভাবে পূরণ করা ফর্ম পেয়েছেন। বিহারের পর দ্বিতীয় দফায় যে যে রাজ্যে sir হচ্ছে তদের মধ্যে তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কেরালা এবং পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালে নির্বাচন হবে।

উল্লেখ্য, রাজ্য চলছে SIR-র ফর্ম বিলি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসা হচ্ছে SIR-র ফর্ম। বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে কীভাবে তা পূর্ণ করতে হবে।

]]>
https://banglakal.com/nation/%e0%a7%af-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%85%e0%a6%9e/feed/ 0 1187
জয়পুরের মিষ্টির দোকানে ‘পাক’ বাদ! মাইসোর পাক এখন ‘মাইসোর শ্রী’— জাতীয়তাবাদের বাড়াবাড়ি নাকি অজ্ঞতার প্রকাশ? https://banglakal.com/nation/jaipur-sweets-shops-changed-name-of-mysore-pak-to-mysore-shree/ https://banglakal.com/nation/jaipur-sweets-shops-changed-name-of-mysore-pak-to-mysore-shree/#respond Sat, 24 May 2025 08:49:01 +0000 https://banglakal.com/?p=839 ভারত-পাকিস্তান চলমান রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে রাজস্থানের জয়পুর শহরের কয়েকটি মিষ্টির দোকান অভিনব এক ‘দেশপ্রেমমূলক’ পদক্ষেপ নিয়েছে — তারা ‘পাক’ শব্দটি মিষ্টির নাম থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছে। ফলে ‘মাইসোর পাক’ এখন ‘মাইসোর শ্রী’, ‘মোতি পাক’ হয়েছে ‘মোতি শ্রী’, আর ‘গোঁদ পাক’ রূপ নিয়েছে ‘গোঁদ শ্রী’-তে।

এক দোকানদার NDTV-কে বলেন, “আমরা সমস্ত মিষ্টির নাম থেকে ‘পাক’ শব্দটি বাদ দিয়ে দিয়েছি।”

এই সিদ্ধান্ত শুনে অনেকেই বিস্মিত, আবার কেউ কেউ এটিকে চরম পর্যায়ের “জিঙ্গোইস্টিক” বা উগ্র জাতীয়তাবাদী পদক্ষেপ বলেই চিহ্নিত করছেন। তবে এই নাম বদলের পেছনে যেটা সবচেয়ে বড় সমস্যা, সেটা হলো— “পাক” শব্দটির প্রকৃত অর্থ ও উৎস নিয়ে সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

‘পাক’ মানে কি পাকিস্তান?

‘পাক’ শব্দটি পাকিস্তানের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। আসলে, ‘পাক’ (বা ‘পাকা’) শব্দটি এসেছে দক্ষিণ ভারতের কন্নড় ভাষা থেকে, যার অর্থ— মিষ্টির প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত বিশেষ এক চিনি-সিরাপ বা মিষ্টি ঘন তরল উপাদান। আর তারও উৎস খুঁজে পাওয়া যায় সংস্কৃত ‘পক্ব’ (pakvá) শব্দে, যার অর্থ— রান্না করা, পাকা বা সিদ্ধ।

ভাষাবিদ ও অধ্যাপক অভিষেক অবতন্স এক্স-এ (পূর্বে টুইটার) লেখেন,

“কে তাদের বলবে যে মাইসোর পাক, মোতি পাক, আম পাক ইত্যাদিতে ‘পাক’ এসেছে ‘পাকা’ শব্দ থেকে, যা কন্নড় ভাষায় মিষ্টি চিনি-সিরাপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়… এই শব্দের উৎস সংস্কৃত ‘পক্ব’।”

https://twitter.com/avtansa/status/1925440777368347125

এই নাম বদল কার্যত অজ্ঞতা ও অতিরিক্ত আবেগপ্রবণতার প্রকাশ মাত্র। ভাষা ও সংস্কৃতির মূল তাৎপর্য না জেনে শুধুমাত্র রাজনৈতিক আবেগে এই ধরনের পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে হাস্যকর এবং অপ্রয়োজনীয়।

মিষ্টি হোক মিষ্টির মতো— রাজনীতি নয়

ভারতীয় মিষ্টির নাম শুধুমাত্র খাদ্য নয়, তার মধ্যে নিহিত থাকে একটি অঞ্চল, একটি ভাষা ও একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি। ‘মাইসোর পাক’ কেবল মিষ্টি নয়, মাইসোরের গর্বও বটে। তার নাম পরিবর্তন মানে তার ইতিহাসকে মুছে ফেলা নয় কি?

মিষ্টির রাজনীতি নয়, বরং মিষ্টির স্বাদেই থাকুক ঐক্যের বার্তা।

]]>
https://banglakal.com/nation/jaipur-sweets-shops-changed-name-of-mysore-pak-to-mysore-shree/feed/ 0 839
৪৩ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ভারতের বিরুদ্ধে https://banglakal.com/nation/indian-thrown-out-43-rohingya-on-the-sea/ https://banglakal.com/nation/indian-thrown-out-43-rohingya-on-the-sea/#respond Thu, 15 May 2025 13:38:02 +0000 https://banglakal.com/?p=811 ভারতীয় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গত ৮ মে নয়াদিল্লি থেকে আটক ৪৩ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মিয়ানমার সামুদ্রিক সীমান্তের কাছাকাছি আন্তর্জাতিক জলে ফেলে দিয়েছে। ওই অভিযানে শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের জোর করে জলে নামতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও তাদের লাইফ জ্যাকেট দেওয়া হয়েছিল, সাঁতরে তীরে পৌঁছাতে হয় তাদের।

অবাক করার বিষয়, এই ঘটনার দিনেই ভারতের সলিসিটর জেনারেল সুপ্রিম কোর্টে জানান, রোহিঙ্গাদের যেকোনো প্রত্যাবাসন “আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই” হবে।

নয়াদিল্লিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিরুদ্ধে চলমান দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত একাধিক আবেদনের শুনানিতে, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, যাদের ‘বিদেশি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদের প্রত্যাবাসন করতে হবে।

রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সরকারের কাছে রাষ্ট্রহীন হিসেবে বিবেচিত হয় এবং তাদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে। গণহত্যার কারণে তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছিল।

মাকতুব-কে দুইজন রোহিঙ্গা শরণার্থী জানিয়েছেন, দিল্লির উত্তম নগর থেকে আটক তাদের আত্মীয়রা মিয়ানমারে পৌঁছেছেন। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত এক আবেদনে বলা হয়েছে, “যাদের ফেলে দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৫ বছর বয়সী শিশু, ১৬ বছরের নারী কিশোরী, ৬৬ বছর বয়সী বৃদ্ধ এবং ক্যান্সারসহ নানা রোগে আক্রান্ত মানুষ রয়েছেন।”

রোহিঙ্গা খ্রিস্টান প্রতিনিধি ডেভিড নাজির জানান, তার বাবা-মাকে দিল্লি থেকে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে নৌবাহিনীর জাহাজে হাত বাঁধা ও চোখ বেঁধে তোলা হয়।

দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়েছিল, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের জন্য তাদের আটক করা হয়েছে। অথচ ১৩ জন নারীসহ এই ৪৩ জন রোহিঙ্গা জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (UNHCR) ভারতের রেজিস্টার্ড সদস্য।

সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়ার জন্য তৈরি আবেদনে আরও বলা হয়েছে, এক নারী বন্দি তার আত্মীয়কে জানিয়েছেন যে, জলে ফেলে দেওয়ার আগে কর্মকর্তারা তাদের যৌন নিপীড়ন ও অশ্লীলভাবে স্পর্শ করেছিলেন।

এক ১৬ বছর বয়সী মেয়েকে তার পরিবারের কাছ থেকে আলাদা করে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

আটকদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তারা মিয়ানমারে যেতে চান নাকি ইন্দোনেশিয়ায়। সবাই মিয়ানমারে যেতে রাজি হননি, কিন্তু পরে তাদের মিথ্যা আশ্বাসে ফেলে আন্তর্জাতিক জলে ফেলে দেওয়া হয়।

জলে ভেসে এসে তারা বুঝতে পারেন তারা মিয়ানমারে পৌঁছেছেন।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চালানো কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং জানিয়েছে মিয়ানমারে তারা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

ভারত ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন স্বাক্ষরকারী না হলেও, জাতিসংঘের “নির্যাতন ও নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ প্রতিরোধ কনভেনশন”-এ স্বাক্ষর করেছে, যার ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ বলেছে, কোনো ব্যক্তিকে এমন জায়গায় ফেরত পাঠানো যাবে না যেখানে তার জীবনের ঝুঁকি আছে।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা স্বীকার করেছেন যে, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে “পুশব্যাক” করা হয়েছে।

শরণার্থী নুর জানান, তিনি ও আরও ২৫ জন শিক্ষার্থী ৬ মে রাত থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তারা সবাই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওপেন স্কুলিং-এ পড়ে এবং বাবা-মা ছাড়া উত্তম নগরে থাকত।

৬ ও ৭ মে দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ৬৯ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা আবেদনে বলা হয়েছে।

আটক থাকা অবস্থায় নারী ও শিশুদের ১০ ঘণ্টা ধরে পুলিশ স্টেশনে রাখা হয়, কোনো খাবার দেওয়া হয়নি এবং পরে ইন্দারলোক ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়।

নুর বলেন, “একটা নৌকায় নিয়ে তাদের হাত ও পা বাঁধা হয়, এবং জলে ফেলে দেওয়া হয়। এটা বর্বরতা ছাড়া কিছু নয়।”

আইনজীবী ফজল আবদালি বলেন, “UNHCR দ্বারা স্বীকৃত হওয়া সত্ত্বেও, রোহিঙ্গারা ভারতের আইনে কোনো সুরক্ষা পান না। ‘নন-রিফাউলমেন্ট’ নীতির লঙ্ঘন মানবিকতা সংকোচনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।”

প্রায় ৪০,০০০ রোহিঙ্গা ভারতে আশ্রয় চেয়েছে, UNHCR-এর মতে ১৮,০০০ জন তাদের সাথে নিবন্ধিত।

জাতিসংঘের জাতিগত বৈষম্য নির্মূল কমিটি (CERD) ভারতকে রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে আটক বন্ধ ও মিয়ানমারে জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে গণহত্যা চালিয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা করে, এবং লক্ষাধিক রোহিঙ্গা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়। ২০২১ সালে সেই জেনারেলরাই সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে।


মাক্তুব মিডীয়ার জন্য শাহীন আব্দুল্লার লেখা, বাংলাকালের জন্য অনুবাদ করেছেন নিজাম পারভেজ। মূল লেখাটি এখানে ক্লিক করে পড়া যাবে।

]]>
https://banglakal.com/nation/indian-thrown-out-43-rohingya-on-the-sea/feed/ 0 811
অপারেশন সিঁদুর: পাকিস্তান ও পিওকে-তে ভারতীয় ত্রিসেনার সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান। https://banglakal.com/nation/operation-sindoor-india-strikes-tri-services-operation-targets-terror-camps-in-pakistan-and-pok/ https://banglakal.com/nation/operation-sindoor-india-strikes-tri-services-operation-targets-terror-camps-in-pakistan-and-pok/#respond Wed, 07 May 2025 12:31:22 +0000 https://banglakal.com/?p=778

নয়া দিল্লি: এক ঐতিহাসিক ও সমন্বিত ত্রিসেনা অভিযানে ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী গতকাল রাত ১:৪৪ মিনিটে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) অবস্থিত সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিগুলিতে নির্ভুল হামলা চালায়। ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পাহেলগামে ঘটে যাওয়া নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তরে এই অভিযান চালানো হয়, যেখানে ২৬ জন নিরীহ নাগরিক, যার মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও ছিলেন, প্রাণ হারান।
সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং ওয়ার রুম থেকে রাতভর এই উচ্চস্তরের অভিযান তদারকি করেছেন, যা মিশনের কৌশলগত গুরুত্ব ও জাতীয় সংকল্পকে স্পষ্ট করে তুলেছে।

এই অভিযানের নামকরণ করা হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’, যা পাহেলগাম হামলায় বিধবা হয়ে যাওয়া নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাখা হয়েছে। হামলায় মোট নয়টি স্থাপনা লক্ষ্য করা হয়, যা সন্ত্রাসবাদী প্রশিক্ষণ, রসদ সরবরাহ এবং অপারেশনাল নেটওয়ার্ক হিসেবে ব্যবহৃত হত। এর আগে এই এলাকাগুলোর সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ এবং ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের যোগসূত্র পাওয়া গেছে।

প্রধান লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল পাকিস্তানের মুরিদকে, যা লস্কর-ই-তৈবা (LeT)-র সদর দফতর, যার নেতৃত্বে রয়েছেন হাফিজ সইদ, এবং পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাহাওয়ালপুর, যা জইশ-ই-মোহাম্মদ (JeM)-এর কেন্দ্র, যার নেতা রাষ্ট্রপুঞ্জ ঘোষিত সন্ত্রাসী মাসুদ আজহার। এছাড়াও হিজবুল মুজাহিদিন এবং অন্যান্য পাকিস্তান-সমর্থিত ছায়া সংগঠনের ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়।

সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হামলাগুলি ছিল “কেন্দ্রিক, নিয়ন্ত্রিত এবং উত্তেজনা না বাড়ানোর উদ্দেশ্যে পরিচালিত”, যেখানে সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামো ও পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রাখা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “পাকিস্তানের কোনো সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়নি। লক্ষ্য নির্বাচনে ও হামলার পদ্ধতিতে ভারত যথেষ্ট সংযম দেখিয়েছে।”

পররাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, “পাহেলগাম হামলার দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা আমাদের প্রতিশ্রুতি।” এই কৌশলগত হামলা ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিকে দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে, এবং পাকিস্তানি রাষ্ট্রের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সংঘর্ষ এড়ানোর বার্তাও দিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি ভারতের বহুমুখী প্রতিক্রিয়া কৌশলের প্রথম ধাপ। পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়ার উপর নির্ভর করে আগামী দিনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

ভারতের অভিযানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান লাইন অব কন্ট্রোল (LoC)-এ সীমান্তবর্তী এলাকায় গুলি ও গোলাবর্ষণ শুরু করে, যেখানে তিনজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। পাকিস্তান বিগত এক সপ্তাহে একাধিক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগেও অভিযুক্ত হয়েছে, যার ফলে সীমান্তে উত্তেজনা বেড়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ “ভারত মাতার জয়” পোস্ট করেন, আর কিছুক্ষণ পরে ভারতীয় সেনার সরকারি হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা হয়, “ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয়েছে। জয় হিন্দ।” দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অনলাইন এবং ময়দানের জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া এক অভিন্ন জাতীয় গর্ব ও ন্যায়বোধের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

এই অভিযানের সময় ও নির্ভুলতা ভারতের ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসবিরোধী নীতির প্রতিফলন—যেখানে ত্রিসেনার সমন্বয়, রিয়েল-টাইম গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার, এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার এক মিশ্রণ দেখা যাচ্ছে, যা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের পথে না গিয়ে কঠোর জবাব দিতে সক্ষম।

পাহেলগামের বর্বরোচিত হামলার প্রায় দুই সপ্তাহ পরে নেওয়া এই পদক্ষেপ শত্রু পক্ষের কাছে স্পষ্ট বার্তা পাঠিয়েছে—ভারত আর চুপ থাকবে না, নাগরিকদের প্রাণনাশ হলে উপযুক্ত জবাব দেবে। শোকাহত দেশের কাছে সরকারের বার্তা একটাই: ভারত কাজ করবে, এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করবে।

]]>
https://banglakal.com/nation/operation-sindoor-india-strikes-tri-services-operation-targets-terror-camps-in-pakistan-and-pok/feed/ 0 778
ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫ নিয়ে শুনানি স্থগিত, ১৫ মে হবে শুনানি: সুপ্রিম কোর্ট। https://banglakal.com/waqf/supreme-court-postpones-hearing-on-waqf-amendment-act-petitions-to-may-15/ https://banglakal.com/waqf/supreme-court-postpones-hearing-on-waqf-amendment-act-petitions-to-may-15/#respond Mon, 05 May 2025 12:08:30 +0000 https://banglakal.com/?p=753


ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫ চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একাধিক মামলার শুনানি স্থগিত করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। নতুন করে ১৫ মে বিচারপতি বি.আর. গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলাটি শোনা হবে। বিচারপতি গাভাই শিগগিরই ভারতের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন।

বর্তমান প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না ৫ মে শুনানিতে বলেন, “আমি অবসর নিচ্ছি, তাই অন্তর্বর্তী রায় সংরক্ষণ করতে চাই না। দ্রুত শুনানি দরকার, কিন্তু আমি তা দেখব না। সব পক্ষ রাজি হলে বিচারপতি গাভাইয়ের বেঞ্চে বিষয়টি তোলা হবে।” উভয় পক্ষের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বল, এ.এম. সিংভি এবং কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা এতে সম্মতি জানান।

শীর্ষ আদালত জানায়, আপাতত পাঁচটি আবেদনই পরবর্তী শুনানিতে নেওয়া হবে, নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। “একই বিষয়ে শত শত আবেদন দেখা সম্ভব নয়,” বলে আদালত মন্তব্য করে।

আগের শুনানিতে কপিল সিব্বল যুক্তি দেন, বহু শতাব্দী প্রাচীন মসজিদ-দরগাহের মতো ধর্মীয় স্থানগুলোর নথিপত্র না থাকলেও জনসাধারণ সেগুলোকে ওয়াকফ হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে, তাই “ওয়াকফ বাই ইউজার” ধারাটি বাদ দেওয়া সমস্যা তৈরি করবে।

কেন্দ্রের পক্ষে তুষার মেহতা বলেন, নতুন বিধান শুধু ভবিষ্যতের জন্য প্রযোজ্য এবং পূর্বে নথিভুক্ত সম্পত্তি ওয়াকফ হিসেবে থাকবে। তিনি জানান, সংসদে এই আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু দিয়েছেন।

ওয়াকফ বোর্ড ও কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিলে অ-মুসলিম সদস্য অন্তর্ভুক্তি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ হয়। প্রধান বিচারপতি খন্না বলেন, “হিন্দু ধর্মীয় বোর্ডে কি অ-হিন্দুদের রাখা হবে?” — বিষয়টির সংবেদনশীলতার দিকটি তুলে ধরে আদালত প্রস্তাব করে যে কেবল সরকারি পদে থাকা সদস্য ছাড়া সকল নিয়মিত সদস্য মুসলিম হওয়া উচিত।

কেন্দ্র আদালতকে আশ্বাস দেয়, নতুন করে কোনো নিয়োগ এখনই করা হবে না এবং বিদ্যমান ওয়াকফ সম্পত্তিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। আদালত এই বক্তব্য রেকর্ডে রাখে।

এআইএমআইএম সাংসদ আসাদুদ্দিন ওয়াইসি, দিল্লির বিধায়ক আমানতুল্লাহ খান, জামিয়ত উলেমা-ই-হিন্দ, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড এবং ডিএমকে, আরজেডি, সিপিআই-র মতো বিরোধী দলগুলি এই আইন চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে। বিপরীতে অসম, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্রের বিজেপি-শাসিত সরকারগুলি সংশোধিত আইনকে সমর্থন করেছে।

প্রধান আপত্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে “ওয়াকফ বাই ইউজার” প্রভিশন বাতিল, অ-মুসলিমদের বোর্ডে অন্তর্ভুক্তি, নারী সদস্য সীমিত করা, ওয়াকফ সৃষ্টিতে পাঁচ বছর মুসলিম অনুশীলনকারী থাকার শর্ত, প্রত্নতাত্ত্বিক বা আদিবাসী জমিতে ওয়াকফের সীমাবদ্ধতা এবং সরকারের ভূমি বিরোধ মেটানোর ক্ষমতা বৃদ্ধি।


]]>
https://banglakal.com/waqf/supreme-court-postpones-hearing-on-waqf-amendment-act-petitions-to-may-15/feed/ 0 753
সুপ্রিম কোর্টের বড় রায়: অসমের ‘বিদেশি’ মামলা বাতিল, আগের রায়ই চূড়ান্ত। https://banglakal.com/nation/supreme-court-quashes-assam-foreigner-case-calls-fresh-proceedings-an-abuse-of-law/ https://banglakal.com/nation/supreme-court-quashes-assam-foreigner-case-calls-fresh-proceedings-an-abuse-of-law/#respond Mon, 05 May 2025 11:02:22 +0000 https://banglakal.com/?p=742


সুপ্রিম কোর্ট গুয়াহাটি হাইকোর্টের এক আদেশ খারিজ করে দিয়েছে, যেখানে আসামের বিদেশি ট্রাইব্যুনালের মামলার কার্যক্রম বন্ধ করার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। শীর্ষ আদালত রায়ে জানিয়েছে, ওই মামলাটি ‘রেস জুডিকাটা’-এর আওতায় পড়ে, কারণ অভিযুক্ত তারাভানু খাতুনকে আগেই এক মামলায় ভারতীয় বলে ঘোষণা করা হয়েছিল।

শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে, “বিদেশি ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম আইনপ্রক্রিয়ার অপব্যবহার ছাড়া আর কিছু নয়,” এবং স্পষ্ট করেছে, যতক্ষণ না আগের রায় বহাল থাকে, ততক্ষণ একই বিষয়ে নতুন মামলা শুরু করা যায় না।

২০১৬ সালে তারাভানু খাতুনের বিরুদ্ধে ২৫ মার্চ ১৯৭১-এর পর অসমে প্রবেশের অভিযোগে বিদেশি আইন, ১৯৪৬-এর আওতায় মামলা শুরু হয়। তবে নলবাড়ি (মুকালমুয়া) বিদেশি ট্রাইব্যুনাল ৩১ আগস্ট ২০১৬ সালের চূড়ান্ত রায়ে জানায়, তিনি বিদেশি নন। ট্রাইব্যুনাল জানায়, রাজ্যপক্ষ কোনো সাক্ষী হাজির করতে পারেনি, আর খাতুনের দাখিল করা দলিলপত্র ও মৌখিক সাক্ষ্য (যেমন ১৯৭১-এর আগে ভোটার তালিকায় তার বাবা-মায়ের নাম এবং ১৯৮৫ থেকে তার ভোটার রেকর্ড) যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হয়েছে।

তবু, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮-তে তার বিরুদ্ধে আবার নোটিস জারি হয় এবং নতুন মামলা রুজু হয়। তিনি এই দ্বিতীয় মামলার বিরুদ্ধে গুয়াহাটি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। হাইকোর্ট যদিও আগের ঘোষণার কথা স্বীকার করে, তবে পিটিশন খারিজ করে দিয়ে জানান যে তিনি নতুন মামলায় ট্রাইব্যুনালের সামনে তার বক্তব্য রাখতে পারেন।

এরপর খাতুন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।

সিনিয়র অ্যাডভোকেট পি ভি সুরেন্দ্রনাথ, খাতুনের পক্ষে যুক্তি দেন যে, আগের মামলার রায় চূড়ান্ত এবং তা বহাল থাকা অবস্থায় একই ভিত্তিতে নতুন মামলা শুরু করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। রাজ্যের পক্ষে অ্যাডভোকেট দেবজ্যোতি বরকটাকি বলেন, আগের ট্রাইব্যুনালের রায় সংক্ষিপ্ত ছিল এবং সঠিকভাবে প্রমাণ বিশ্লেষণ করা হয়নি, তাই তা বাধ্যতামূলক নয়।

সুপ্রিম কোর্ট এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে জানায়, রাজ্যের একমাত্র আইনি পথ ছিল আগের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা বা তা বাতিলের আবেদন করা। কোনো পুনর্বিবেচনার ব্যবস্থা না থাকায়, একই বিষয়ে দ্বিতীয় মামলা করা অবৈধ।

শীর্ষ আদালত জানায়, ২০১৮ সালের মামলা আইনপ্রক্রিয়ার অপব্যবহার, এবং তা খারিজ করে হাইকোর্টের ৩১ মে ২০২৩ সালের আদেশ আংশিকভাবে বাতিল করে দেয়।

রায়ে বলা হয়েছে, ‘‘৩১ মে ২০২৩ তারিখের হাইকোর্টের আদেশ, যেখানে পরবর্তী মামলাটি বাতিল না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করা হচ্ছে।’’


]]>
https://banglakal.com/nation/supreme-court-quashes-assam-foreigner-case-calls-fresh-proceedings-an-abuse-of-law/feed/ 0 742
জাতীয় জনগণনায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে জাতভিত্তিক তথ্য, মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। https://banglakal.com/communalism/cabinet-approves-caste-survey-in-upcoming-population-census/ https://banglakal.com/communalism/cabinet-approves-caste-survey-in-upcoming-population-census/#respond Wed, 30 Apr 2025 13:37:03 +0000 https://banglakal.com/?p=701

নয়াদিল্লি: আসন্ন জনগণনায় জাতভিত্তিক হিসাব অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রাজনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি (Cabinet Committee on Political Affairs)। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এক সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা দেন। মন্ত্রী জানান, “ভারতের সংবিধান অনুযায়ী জনগণনা একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। যদিও কয়েকটি রাজ্য ইতিমধ্যেই জাতভিত্তিক সমীক্ষা করেছে, সেগুলোর স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হওয়ায় এসব সমীক্ষা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।” তিনি জানান, জাতভিত্তিক গণনা এবার সরাসরি সরকারি জনগণনার অংশ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে যাতে রাজনৈতিক অপব্যবহার এড়ানো যায় এবং স্বচ্ছতা বজায় থাকে। অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “এই সিদ্ধান্ত দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোকে মজবুত করবে। সমাজের অগ্রগতির স্বার্থে এটি একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। পূর্ববর্তী সরকারগুলো যেখানে এই জাতভিত্তিক গণনা থেকে পিছু হটেছে, বর্তমান সরকার সেখানে সামাজিক ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি পালন করছে।” মন্ত্রী কংগ্রেস পার্টির দিকেও কটাক্ষ ছুড়ে বলেন, “কংগ্রেস সরকার কখনওই জাতভিত্তিক জনগণনার পক্ষে ছিল না। তারা কেবল সমীক্ষা চালিয়েছে, প্রকৃত গণনা করেনি। জাতিভিত্তিক তথ্যকে তারা রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে।” উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯৫১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত প্রতিটি জনগণনায় শুধুমাত্র অনুস্থিত জাতি (Scheduled Castes) ও জনজাতি (Scheduled Tribes)-এর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। অন্যান্য জাতি সম্পর্কে শেষবার সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল ১৯৩১ সালের ব্রিটিশ আমলে। এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি মন্ত্রিসভা অসম ও মেঘালয়ের মধ্য দিয়ে জাতীয় সড়ক ০৬ নম্বর বরাবর একটি নতুন উচ্চগতির করিডোর নির্মাণেরও অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রকল্পে প্রায় ₹২২,৮৬৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।

]]>
https://banglakal.com/communalism/cabinet-approves-caste-survey-in-upcoming-population-census/feed/ 0 701