Nadia – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Sun, 06 Sep 2026 07:15:50 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.3 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2026/08/cropped-645620059_1464002491756680_8204546671402832666_n.jpg?fit=32%2C32&ssl=1 Nadia – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 নদিয়ায় একই জমি ঘিরে বিবাদে দুই বিজেপি বিধায়ক, পৌঁছল মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে https://banglakal.com/state/land-dispute-between-two-bjp-mlas-in-nadia-reaches-chief-minister/ https://banglakal.com/state/land-dispute-between-two-bjp-mlas-in-nadia-reaches-chief-minister/#respond Sun, 06 Sep 2026 07:15:48 +0000 https://banglakal.com/?p=4528 চাকদহ, ৫ সেপ্টেম্বর:

একই জেলার দুই বিজেপি বিধায়কের মধ্যে জমি নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সংঘাত। ব্যক্তিগত সম্পর্কে কোনও টানাপোড়েন না থাকলেও নদিয়ার চাকদহ থানা এলাকার ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা মূল্যবান জমিকে ঘিরে হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অসীম কুমার বিশ্বাসের মধ্যে মালিকানা সংক্রান্ত বিতর্ক প্রকাশ্যে চলে এসেছে। একাধিক দফায় দলীয় ও প্রশাসনিক আলোচনার পরেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় দুই বিধায়কের দাবি অনুযায়ী বিষয়টি ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচরে আনা হয়েছে।

নদিয়ার চাকদহ থানার শিমুরালির নরপতিপাড়া মৌজায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে অবস্থিত ওই বিতর্কিত জমি। জানা গিয়েছে, প্রায় ৩২ শতক জমির একেবারে মাঝখানে থাকা ১১ শতক জমিকে ঘিরেই মূল বিরোধ। জমিটি ৮৯০ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্গত। কল্যাণী সংলগ্ন এই অঞ্চলে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর তৈরির সম্ভাবনা এবং জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণের কারণে জমির দাম অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এই অংশের মালিকানা ঘিরে দুই পক্ষের লড়াই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক অসীম কুমার বিশ্বাসের দাবি, বিতর্কিত ১১ শতক জমি তিনি ২০২১ সালেই নিয়ম মেনে কিনেছেন। যাবতীয় রেকর্ড এবং চেন ডিড পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেই সেই সময় জমি কেনা হয়েছিল এবং তাঁর কাছে জমি ক্রয়ের সমস্ত বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তাঁর কথায়, দলীয় সহকর্মীর সঙ্গে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই, বিবাদ কেবল ওই জমিকে ঘিরে। তাঁর কেনা দলিল আসল না অন্য কারও দলিল ভুয়ো, তা আদালতের বিচারেই প্রমাণিত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, রাজনৈতিক আলোচনার বদলে বিএলআরও দপ্তরের নথি খতিয়ে দেখলেই প্রকৃত সত্য জানা সম্ভব।

পাল্টা যুক্তি তুলে ধরেছেন হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার। তাঁর দাবি, জমিটির মূল মালিক ছিলেন যমুনা রানি দত্ত, যিনি ১৯৮৯ সালে আবুল হোসেন তরফদারের কাছে তা বিক্রি করেছিলেন। পরে আবুল হোসেন জমিটি চাষ করতেন এবং তাঁর নামে কিছু অংশ বর্গা হিসেবেও নথিভুক্ত ছিল। আবুল হোসেন পরবর্তীকালে অশোক বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিলেও তিন মাসের মাথায় তাঁর মৃত্যুর ফলে সেই পাওয়ারনামা আইনত বাতিল হয়ে যায়। এর পর আবুল হোসেনের তিন সন্তান জমিটির বিষয়ে অসীম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

অসীম সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সমস্ত কাগজপত্র যাচাই করেন এবং গত ২৫ অগস্ট কল্যাণীতে রেজিস্ট্রি করে মোট ৩২ শতক জমি কেনেন। তবে তাঁর অভিযোগ, রেজিস্ট্রির দিনই অসীম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে একদল লোক এসে প্রক্রিয়ায় বাধা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন। বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের তরফেও ওই ১১ শতক জমি নিয়ে বিবাদে না জড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল এবং যাঁরা আগে জমি বিক্রি করেছিলেন তাঁদের ৩৬ লক্ষ টাকা ফেরানোর বিষয় নিয়েও কথা হয়। তিনি এও অভিযোগ করেন যে, বিষয়টি জানার পরেও অসীম কুমার বিশ্বাস কৃষ্ণনগরে গিয়ে নতুন করে ওই জমি রেজিস্ট্রি করিয়েছেন। তবে অসীম কুমার বিশ্বাস একজন সহজ-সরল মানুষ এবং কেউ তাঁকে ভুল বুঝিয়ে এই কাজ করিয়েছে বলেই অসীম সরকারের মত।

এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অসীম কুমার বিশ্বাস। তাঁর প্রশ্ন, ২০২১ সালে তিনি আগেই ওই জমি কিনে নেওয়ার পর জেনেশুনে অসীম সরকার কেন পরবর্তীকালে সেই জমি কিনতে গেলেন। তাঁর মতে, গোটা বিষয়টি মূলত পারস্পরিক যোগাযোগের অভাব ও ভুল বোঝাবুঝির কারণে তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বিতর্ক কেবল নথিপত্রে সীমাবদ্ধ নেই। জাতীয় সড়কের ধারে ৩২ শতক জমিতে দুই বিধায়কের নামেই পৃথক দুটি সাইনবোর্ড ঝুলছে, যা পথচলতি মানুষের নজরে আসছে। দ্রুত জমি মাফিয়াদের প্রভাব ও মূল্যবৃদ্ধির আবহে ৩২ শতকের মধ্যে থাকা সেই বিতর্কিত ১১ শতকের প্রকৃত মালিক কে, তা নিয়ে প্রশ্ন জারি রয়েছে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/state/land-dispute-between-two-bjp-mlas-in-nadia-reaches-chief-minister/feed/ 0 4528
নায়ক হওয়ার স্বপ্নে বাড়ি ছেড়েছিলেন, মুম্বইয়ের বদলে পৌঁছে যান গুয়াহাটি! ৩৫ বছর ঘরে ফিরলেন নদিয়ার প্রৌঢ় https://banglakal.com/state/left-home-to-become-a-hero-emotion-runs-high-as-dead-son-returns-to-nadia-village-after-35-years/ https://banglakal.com/state/left-home-to-become-a-hero-emotion-runs-high-as-dead-son-returns-to-nadia-village-after-35-years/#respond Wed, 12 Aug 2026 20:19:21 +0000 https://banglakal.com/?p=3831 কলকাতা, ১৩ আগস্ট:

সিনেমার রূপোলি পর্দায় নায়ক হওয়ার এক অদম্য নেশা। আর সেই রঙিন স্বপ্নের টানেই ঘর ছেড়েছিল এক কিশোর। তারপর পেরিয়ে গিয়েছে দীর্ঘ পঁয়ত্রিশটি বছর। কালের নিয়মে কিশোর থেকে সে আজ প্রৌঢ়। পরিবারের মানুষজনও একপ্রকার মেনেই নিয়েছিলেন যে, তাঁদের হারিয়ে যাওয়া ছেলে আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন সে হয়তো আর বেঁচে নেই। কিন্তু সমস্ত হিসেব নিকেশ উলটে দিয়ে দীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছর পর একেবারে নাটকীয়ভাবে নিজের জন্মভিটেতে ফিরে এলেন সেই হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি। এই অভাবনীয় ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়া জেলার থানারপাড়া থানা এলাকার পিপুলখোলা গ্রামে। ৩৫ বছর পর হঠাৎ করে ‘মৃত’ ছেলের এমন আবির্ভাবের খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা গ্রামে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পাড়া-প্রতিবেশী থেকে শুরু করে আত্মীয়স্বজন, সকলেই যেন নিজেদের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। হারানো ঘরের ছেলেকে এত বছর পর ফিরে পেয়ে ওই পরিবারে এখন খুশির জোয়ার, আনন্দাশ্রুতে ভাসছেন বৃদ্ধ বাবা ও পরিজনেরা। গোটা এলাকার পরিবেশ মুহূর্তের মধ্যে এক আবেগঘন উৎসবের আকার ধারণ করেছে।

পিপুলখোলা গ্রামের বাসিন্দা রেন্টু শেখ আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন দশক আগে হঠাৎ করেই একদিন নিখোঁজ হয়ে যান। জানা গিয়েছে, সেই সময় তাঁর চোখে ছিল শুধুই সিনেমার নায়ক হওয়ার স্বপ্ন। গ্ল্যামার জগতের সেই হাতছানিতেই কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি একদিন নিঃশব্দে বাড়ি ছেড়েছিলেন। পরিবারের তরফ থেকে সেই সময় সম্ভাব্য সমস্ত জায়গায় খোঁজখবর করা হয়েছিল। আত্মীয়দের বাড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্টেশনে মাসের পর মাস খোঁজ চালিয়েছিলেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোথাও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। মাসের পর মাস, বছরের পর বছর কেটে গিয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের লোকজনের মনে হতাশা গ্রাস করেছিল। অপেক্ষার প্রহর গুনতে গুনতে একসময় পরিবারের লোকজন আশা সম্পূর্ণ ছেড়ে দিয়েছিলেন। কালের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া রেন্টুকে প্রায় ‘মৃত’ বলেই ধরে নিয়েছিলেন সকলে। স্মৃতি থেকে যখন তাঁর মুখচ্ছবিও প্রায় ফিকে হতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই এই মিরাকল বা অলৌকিক ঘটনাটি ঘটে। পঁয়ত্রিশ বছর পর হঠাৎই একদিন গ্রামের চেনা রাস্তায় উদয় হন এক অচেনা ব্যক্তি। খোঁজ করতে করতে এসে পৌঁছান নিজের পুরনো বাড়ির ঠিকানায়। কিন্তু এতগুলো বছর পেরিয়ে যাওয়ায় তাঁর চেহারায় আমূল পরিবর্তন এসেছে।

দীর্ঘ সময় পর ঘরের ছেলেকে সামনে দেখে প্রাথমিকভাবে পরিজনদের কিছুটা সমস্যা হয়। পঁয়ত্রিশ বছর আগের সেই কিশোরের চেহারার সঙ্গে বর্তমান প্রৌঢ়ের চেহারার কোনো মিল খুঁজে পাচ্ছিলেন না কেউই। ফলে প্রথমে তাকে চিনতে রীতিমতো দ্বিধায় পড়েন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু সন্তানের নাড়ির টান কি আর ভোলা যায়! এই অসাধ্য সাধন করলেন রেন্টুর বৃদ্ধ বাবা উহাব শেখ। ছেলের চেহারায় বয়সের ছাপ পড়লেও, একজন পিতার স্মৃতি থেকে সন্তানের চিহ্ন একেবারে মুছে যায়নি। জানা গিয়েছে, রেন্টুর কানের কাছে একটি বিশেষ ভাঁজ বা জন্মগত দাগ ছিল। সেই ছোটবেলার পরিচিত চিহ্নটি দেখেই বৃদ্ধ উহাব শেখের মনে প্রথম সন্দেহ জাগে। এরপর একে একে পুরনো কিছু স্মৃতির কথা জিজ্ঞাসা করতে শুরু করেন তিনি। হারানো ছেলে যখন নিখুঁতভাবে অতীতের সেইসব ফেলে আসা দিনগুলোর কথা, পরিবারের পুরনো গোপন কথা এবং শৈশবের টুকরো স্মৃতিগুলো বলতে শুরু করেন, তখন আর কারও বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে এই ব্যক্তিই তাঁদের হারিয়ে যাওয়া রেন্টু।

মুহূর্তের মধ্যে সমস্ত দ্বিধা দ্বন্দ্ব কেটে যায়। চোখের জলে দীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছরের জমে থাকা কষ্ট এক নিমেষে ধুয়ে যায়। বৃদ্ধ বাবা উহাব শেখ তাঁর হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। এই আবেগঘন দৃশ্য দেখে সেখানে উপস্থিত প্রতিবেশীদেরও চোখে জল চলে আসে। খবর পেয়ে আশেপাশের গ্রাম থেকেও বহু মানুষ রেন্টুকে এক ঝলক দেখার জন্য তাঁদের বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন। যে ছেলে একসময় নায়ক হওয়ার রঙিন স্বপ্ন নিয়ে ঘর ছেড়েছিল, সে হয়তো সিনেমার পর্দায় হিরো হতে পারেনি, কিন্তু পঁয়ত্রিশ বছর পর নিজের বাড়িতে ফিরে এসে সে যেন গোটা পরিবারের কাছে এক নতুন জীবনের নায়ক হয়েই ধরা দিল। দীর্ঘ সময় পর এমন এক অপ্রত্যাশিত এবং রূপকথার মতো পুনর্মিলনে নদিয়ার পিপুলখোলা গ্রামে এখন শুধুই আনন্দ আর উৎসবের আবহ বিরাজ করছে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/state/left-home-to-become-a-hero-emotion-runs-high-as-dead-son-returns-to-nadia-village-after-35-years/feed/ 0 3831
রমজানে রোজা ভেঙে রক্ত দিলেন নাসিম, জীবন বাঁচল সঙ্গীতার https://banglakal.com/communalism/fasting-muslim-man-donates-blood-to-hindu-women-in-west-bengal/ https://banglakal.com/communalism/fasting-muslim-man-donates-blood-to-hindu-women-in-west-bengal/#respond Thu, 20 Mar 2025 12:02:02 +0000 https://banglakal.com/?p=471 মানবতার অনন্য নজির গড়লেন নদিয়ার পলাশির নাসিম মালিতা বয়স ২৭ বছর। রমজানের পবিত্র মাসে রোজা রেখে থাকা সত্ত্বেও, এক হিন্দু মহিলা সঙ্গীতা ঘোষের জীবন বাঁচাতে রক্তদান করলেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার, কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু হাসপাতালে। সঙ্গীতা ঘোষ, যিনি মজদিয়ার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন, জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন ছিল। তার ছেলে সঞ্জু ঘোষ সাহায্যের জন্য Emergency Blood Service (EBS) নামক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এই সংস্থার নিয়মিত রক্তদাতা নাসিম, কোনো দ্বিধা না করেই সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন। তিনি না জেনে বা প্রশ্ন না করেই নিজের রক্ত দান করেন, ধর্ম-পরিচয় সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে। EBS-এর সম্পাদক সুবীর সেন জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে মাত্র পাঁচজন সদস্য নিয়ে শুরু হওয়া এই সংস্থা বর্তমানে ১৫,০০০ সদস্যের পরিবারে পরিণত হয়েছে। এখানে কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক ভেদাভেদ নেই, বরং মানবতাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। সঙ্গীতার ছেলে সঞ্জু ঘোষ আবেগি হয়ে বলেন, “নাসিমদা, তোমাকে ধন্যবাদ। আমার বিশ্বাস, জীবন বাঁচানোই সবচেয়ে বড় ধর্ম। জাত, ধর্ম, বর্ণের ঊর্ধ্বে মানবতা সবার আগে।” ধর্মের নামে যখন বিভাজনের রাজনীতি চর্চিত হয়, তখন নাসিমের এই নিঃস্বার্থ মানবসেবা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সত্যিকারের বিশ্বাস মানবতাকেই অগ্রাধিকার দেয়। তার এই কাজ সমাজে সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দিল।

]]>
https://banglakal.com/communalism/fasting-muslim-man-donates-blood-to-hindu-women-in-west-bengal/feed/ 0 471