Narendra Modi – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Thu, 16 Jul 2026 06:22:29 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0.2 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 Narendra Modi – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 মোদীর অস্ট্রেলিয়া সফর নিয়ে পবন খেরার তীব্র কটাক্ষ! অজি সংবাদমাধ্যমের ভিডিও শেয়ার করে বললেন ‘ডঙ্কাপতি জি’ https://banglakal.com/world/international/pawan-kheras-sharp-sarcasm-over-modis-australia-trip-calls-him-dankapati-ji-sharing-australian-media-video/ https://banglakal.com/world/international/pawan-kheras-sharp-sarcasm-over-modis-australia-trip-calls-him-dankapati-ji-sharing-australian-media-video/#respond Thu, 16 Jul 2026 06:22:28 +0000 https://banglakal.com/?p=2789 নয়াদিল্লি, ১৬ জুলাই: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাম্প্রতিক অস্ট্রেলিয়া সফরকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অলিন্দে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। এই হাই-প্রোফাইল সফর নিয়ে শাসক দল বিজেপির পক্ষ থেকে সাফল্যের প্রভূত দাবি করা হলেও, বিরোধী দল কংগ্রেস বিষয়টিকে একেবারেই ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে। কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা পবন খেরা প্রধানমন্ত্রীর এই সফর এবং তা নিয়ে প্রচারের বহরকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত কড়া এবং ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় আক্রমণ শাণিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে খোঁচা দিয়ে তিনি সরাসরি ‘ডঙ্কাপতি জি’ বা নিজের সাফল্যের ঢোল নিজে পেটানো ব্যক্তি বলে অভিহিত করেছেন, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা এবং বাদানুবাদ শুরু হয়েছে। এই সফরের আসল প্রভাব কতটা, তা নিয়েই এখন বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

কংগ্রেস নেতা পবন খেরা তাঁর এই ব্যঙ্গাত্মক দাবির সপক্ষে একটি বিশেষ ভিডিও কোলাজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। মূলত গত ৮ থেকে ১০ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অস্ট্রেলিয়া সফরের বিভিন্ন মুহূর্তকে একত্রিত করে এই ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে। ভিডিওটিতে স্থান পেয়েছে মেলবোর্ন শহরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া জাঁকজমকপূর্ণ আনুষ্ঠানিক স্বাগত সম্ভাষণ, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের সঙ্গে তাঁর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং একটি বিশাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিশেষ গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান। ভিডিওর দৃশ্যগুলোতে দেখা যাচ্ছে, প্রতিটি অনুষ্ঠানেই প্রচারের আলো কীভাবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানদের ওপর বজায় ছিল। তবে পবন খেরা এই ভিডিওটির মাধ্যমে মূল যে বিষয়টি বোঝাতে চেয়েছেন তা হলো, ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এই সফরকে যতটা গম্ভীর এবং ঐতিহাসিক হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার মূল ধারার সংবাদমাধ্যম বিষয়টিকে ততটা গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি, বরং তাদের উপস্থাপনা ছিল বেশ কিছুটা আলাদা।

শেয়ার করা ভিডিওটির সবচেয়ে আলোচিত এবং বিতর্কিত অংশটি হলো অস্ট্রেলিয়ার একটি টেলিভিশন চ্যানেলেন নিউজ স্টুডিওর দৃশ্য। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ যখন একটি দ্বিপাক্ষিক অনুষ্ঠানে যৌথভাবে একে অপরের হাত তুলে দর্শকদের উদ্দেশ্যে নাড়ছিলেন, তখন সেই দৃশ্য দেখে স্টুডিওতে উপস্থিত অজি নিউজ হোস্ট বা সঞ্চালকেরা হাসাহাসি শুরু করেন। শুধু সামান্য হাসাহাসিই নয়, লাইভ নিউজ বুলেটিন চলার মাঝেই সেই সঞ্চালকেরা দুই নেতার হাত তোলার ভঙ্গিটি অবিকল নকল বা অনুকরণ করে দর্শকদের দেখান। পবন খেরা এই নির্দিষ্ট অংশটিকে বিশেষভাবে হাইলাইট করে দেখাতে চেয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই প্রচারমুখী আচরণকে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম কতটা হালকা এবং কৌতুকপূর্ণ মেজাজে গ্রহণ করেছে। তাঁর মতে, এটি দেশের কূটনৈতিক সফলতার চেয়েও বেশি আন্তর্জাতিক স্তরে বিনোদনের উপাদানে পরিণত হয়েছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

কূটনৈতিক স্তরে অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর এই তিন দিনের অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক ফলাফল এবং চুক্তি উঠে এসেছে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই হাই-প্রোফাইল সফরে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক আদানপ্রদান আরও গতিশীল করতে বিশেষ অর্থনৈতিক চুক্তি এবং খেলাধুলার ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি পার্টনারশিপের অংশ হিসেবে একটি বড় মাপের ক্রীড়া সহযোগিতা রোডম্যাপ বা রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

তবে কংগ্রেস এবং পবন খেরার মূল নিশানা ছিল এই সফরের কূটনৈতিক অর্জনের চেয়েও এর পেছনে থাকা বিশাল প্রচার কৌশলের ওপর। খেরার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে এটি স্পষ্ট যে, তিনি অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমের এই লঘু ও মজাদার কভারেজকে প্রধান হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের প্রকৃত প্রভাব এবং গুরুত্বের ওপর বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন খাড়া করতে চেয়েছেন। তাঁদের দাবি, যেখানে দেশের মানুষের মূল ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরকারের বেশি নজর দেওয়া দরকার, সেখানে কেবল আন্তর্জাতিক স্তরে প্রচার পাওয়ার এই আগ্রাসী চেষ্টা কতটা ফলপ্রসূ, তা অজি মিডিয়ার এই প্রতিক্রিয়াই স্পষ্ট করে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক তরজা আগামী দিনে আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে মনে করছেন দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/world/international/pawan-kheras-sharp-sarcasm-over-modis-australia-trip-calls-him-dankapati-ji-sharing-australian-media-video/feed/ 0 2789
মোদীর ব্রিগেড সভার আগে শহরে ‘গো ব্যাক’ পোস্টার, বকেয়া পাওনা নিয়ে আক্রমণ তৃণমূলের https://banglakal.com/state/go-back-posters-in-city-ahead-of-modis-brigade-meeting-trinamool-attacks-over-outstanding-dues/ https://banglakal.com/state/go-back-posters-in-city-ahead-of-modis-brigade-meeting-trinamool-attacks-over-outstanding-dues/#respond Sat, 14 Mar 2026 14:40:41 +0000 https://banglakal.com/?p=2376 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ব্রিগেডের মেগা সমাবেশের কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই তপ্ত কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের আগের রাতে শহর জুড়ে দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। মা উড়ালপুল থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোদীর সভার পাল্টা হিসেবে পড়ে গেল ‘গো ব্যাক মোদী’ (Go Back Modi) লেখা হোর্ডিং।

​বকেয়া পাওনা নিয়ে সুর চড়া

​এদিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাওয়া হোর্ডিংগুলিতে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর ফিরে যাওয়ার দাবি তোলা হয়নি, বরং সেখানে রাজ্য সরকারের দীর্ঘদিনের অভিযোগকেও হাতিয়ার করা হয়েছে। হোর্ডিংগুলোতে বড় হরফে লেখা রয়েছে ‘১ লক্ষ ৯৬ হাজার কোটি’। অর্থাৎ, কেন্দ্রের কাছে বাংলার কত টাকা বকেয়া রয়েছে, সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরে সরাসরি বিজেপি সরকারকে বিঁধেছে শাসক শিবির।

​জনসভা ও প্রশাসনিক বৈঠক

​আজ কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এক বিশাল রাজনৈতিক জনসভা করার কথা রয়েছে। এই সভাকে কেন্দ্র করে গোটা কলকাতা গেরুয়া পতাকা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে ঢেকে ফেলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তবে রাজনৈতিক সভার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কিছু প্রশাসনিক কর্মসূচিও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

​শাসক ও বিরোধী তরজা

​তৃণমূলের অভিযোগ, কেন্দ্র বাংলার প্রাপ্য টাকা আটকে রেখে সাধারণ মানুষকে সমস্যায় ফেলছে। এই ‘গো ব্যাক’ হোর্ডিং সেই বঞ্চনারই প্রতিবাদ। অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে এই ধরণের হোর্ডিংয়ের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়েই শহরজুড়ে এই ধরনের কুরুচিকর পোস্টার দেওয়া হয়েছে।

​শনিবার রাত থেকেই মা উড়ালপুলের ওপর সারি সারি এই ‘গো ব্যাক’ হোর্ডিং পথচারীদের নজর কেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা শহর যখন সভার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন এই হোর্ডিং বিতর্ক রাজনৈতিক উত্তাপ আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

]]>
https://banglakal.com/state/go-back-posters-in-city-ahead-of-modis-brigade-meeting-trinamool-attacks-over-outstanding-dues/feed/ 0 2376
এবার মোদির রাজ্যে বিএলও-র মৃত্যু, উদ্ধার সুইসাইড নোট https://banglakal.com/nation/blo-ends-life-in-gujarat/ https://banglakal.com/nation/blo-ends-life-in-gujarat/#respond Fri, 21 Nov 2025 14:39:13 +0000 https://banglakal.com/?p=1221
বাংলাকাল, ওয়েব ডেস্ক: আতঙ্কের আর এক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে SIR। এবার গোবলয়ে আত্মঘাতী খোদ বিএলও। অত্যধিক কাজের চাপের জেরেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে গুজরাটের গির সোমনাথ জেলার কোডিনার এলাকায়। মৃত ওই বিএলও কর্মীর নাম অরবিন্দ মুলজি ভাধের। উদ্ধার সুইসাইড নোট।

স্ত্রীকে সম্বোধন করা কথিত সুইসাইড নোটে, ভাধের এই চরম পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এসআইআরকে দায়ী করেছেন। বলেছেন, এখন আমার পক্ষে এই SIR কাজটি আর করা অসম্ভব। গত কয়েকদিন ধরে আমি ক্লান্ত এবং মানসিকভাবে চাপে আছি। দয়া করে আমাদের ছেলের যত্ন নিন… এই পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আমার আর কোনও উপায় নেই। যার জেরেই এই সিদ্ধান্ত।

৪০ বছর বয়সি অরবিন্দের মৃত্যুর খবর সামনে আসার পর ফুঁসে উঠেছেন রাজ্যের বিএলওরা। শুক্রবার সকালে বিএলও অরবিন্দের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। রাজ্যের এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন অরবিন্দ ভাধের। তাঁর এলাকায় এসআইআর কাজের জন্য বিএলও হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পরিবারের দাবি, গত কয়েক দিন স্কুল সামলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করছিলেন মৃত।
শুধু তা-ই নয়, ভোটারদের ফর্ম পূরণ হয়ে গেলে, তা সংগ্রহ করা থেকে শুরু করে অনলাইনে আপলোড করা সবই করতে হচ্ছিল। যাকে কেন্দ্র করে মানসিক দিক থেকে ভেঙে পড়েছিলেন। স্কুল ও কাজ একসঙ্গে পেরে উঠছিলেন না তিনি। তারপরেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।

উল্লেখ্য যে, বৃহস্পতিবার রাজ্যের খেদা জেলায় বিএলও হিসেবে কর্মরত একজন স্কুল শিক্ষক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তার পরিবার তার মৃত্যুর জন্য ভোটার তালিকার চলমান এসআইআর-এর সাথে “অতিরিক্ত কাজের চাপ” যুক্ত বলে অভিযোগ করেছে।

]]>
https://banglakal.com/nation/blo-ends-life-in-gujarat/feed/ 0 1221
৯ রাজ্য ৩ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিলি ৫০ কোটিরও অধিক enumeration forms https://banglakal.com/nation/%e0%a7%af-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%85%e0%a6%9e/ https://banglakal.com/nation/%e0%a7%af-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%85%e0%a6%9e/#respond Tue, 18 Nov 2025 14:14:10 +0000 https://banglakal.com/?p=1187 বাংলাকাল ওয়েব ডেস্ক: নয়টি রাজ্য এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজ চলছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর, ২০২৫) ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) জানিয়েছে, নয়টি রাজ্য এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রায় ৫১ কোটি ভোটারের মধ্যে ৫০.২৫ কোটিরও বেশি ভোটার তালিকার চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধনের অধীনে গণনার ফর্ম পেয়েছেন।

অর্থাৎ সেখানকার ৯৮.৫৪ শতাংশ ভোটার ফর্ম পেয়ে গিয়েছেন। পর্যাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ৯৯.৬৪ শতাংশ ভোটার এনুমারেশন ফর্ম পেয়ে গিয়েছেন।

বলা বাহুল্য, ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে SIR মহড়ার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। চলবে  ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, এই রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ভোটারের সংখ্যা ৫০,৯৭,৪৪,৪২৩। ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত সেখানে এই সংখ্যক ভোটার ছিলেন। এখন পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম পেয়েছেন ৫০,২৫,১৩,০৯৪। অর্থাৎ মোট ভোটারের ৯৮.৫৪ শতাংশ ভোটারই এনুমারেশন ফর্ম পেয়ে গিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে ৭,৬৩,৬৩,৬৭৫ এনুমারেশন ফর্ম বিলি হয়েছে।

৯৯.৬৪ শতাংশ ভোটারই এনুমারেশন ফর্ম পেয়ে গিয়েছেন। এছাড়া, ৫০.৯৭ কোটি ভোটারের মধ্যে ৯৮.৫৪ শতাংশ আংশিকভাবে পূরণ করা ফর্ম পেয়েছেন। বিহারের পর দ্বিতীয় দফায় যে যে রাজ্যে sir হচ্ছে তদের মধ্যে তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কেরালা এবং পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালে নির্বাচন হবে।

উল্লেখ্য, রাজ্য চলছে SIR-র ফর্ম বিলি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসা হচ্ছে SIR-র ফর্ম। বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে কীভাবে তা পূর্ণ করতে হবে।

]]>
https://banglakal.com/nation/%e0%a7%af-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a7%a9-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%85%e0%a6%9e/feed/ 0 1187
ভারতে ২০২৪ সালে বিদ্বেষমূলক বক্তৃতা: ইন্ডিয়া হেট ল্যাবের প্রতিবেদন https://banglakal.com/fact-check/hate-speech-in-india-report-by-india-hate-lab/ https://banglakal.com/fact-check/hate-speech-in-india-report-by-india-hate-lab/#respond Mon, 26 May 2025 04:10:07 +0000 https://banglakal.com/?p=868 ইন্ডিয়া হেট ল্যাব (আইএইচএল)-এর ২০২৪ সালের প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তৃতার ঘটনা ২০২৩ সালের তুলনায় ৭৪.৪% বৃদ্ধি পেয়ে ১,১৬৫টিতে পৌঁছেছে। এই ঘটনাগুলি রাজনৈতিক সমাবেশ, ধর্মীয় মিছিল, প্রতিবাদ মিছিল এবং সাংস্কৃতিক সমাবেশে ঘটেছে, যার মধ্যে ৯৮.৫% মুসলিমদের লক্ষ্য করে এবং ১০% খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে ছিল। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের রাজ্য নির্বাচন এই বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। সামাজিক মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক (৪৯৫টি ভিডিও) এবং ইউটিউব (২১১টি ভিডিও), বিদ্বেষমূলক বক্তৃতা ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২৫৯টি বিপজ্জনক বক্তৃতার মধ্যে ২১৯টি সামাজিক মাধ্যমে লাইভ-স্ট্রিম করা হয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৩টি ফেসবুক থেকে সরানো হয়েছে। বিজেপি নেতারা, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ এবং যোগী আদিত্যনাথ উল্লেখযোগ্যভাবে জড়িত ছিলেন, ৩৪০টি ঘটনার আয়োজন করেছেন। উত্তর প্রদেশ (২৪২টি ঘটনা), মহারাষ্ট্র (২১০টি ঘটনা) এবং মধ্য প্রদেশে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে। ১১৮টি ঘটনা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের এবং ১৮২টি “বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী” নিয়ে মিথ্যা আখ্যান ছড়িয়েছে। ২৭৪টি বক্তৃতায় মুসলিম ও খ্রিস্টানদের উপাসনালয় ধ্বংসের আহ্বান জানানো হয়েছে, এবং ১২৩টি বক্তৃতায় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহারের প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে।


ইন্ডিয়া হেট ল্যাব (আইএইচএল), ওয়াশিংটন-ভিত্তিক সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ অর্গানাইজড হেট (সিএসওএইচ)-এর একটি প্রকল্প, ২০২৪ সালে ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তৃতার ঘটনাগুলির উপর একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনটি রাজনৈতিক সমাবেশ, নির্বাচনী প্রচার, ধর্মীয় মিছিল, প্রতিবাদ মিছিল এবং সাংস্কৃতিক বা জাতীয়তাবাদী সমাবেশে ঘটে যাওয়া ১,১৬৫টি যাচাইকৃত বিদ্বেষমূলক বক্তৃতার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ৬৬৮, যা ২০২৪ সালে ৭৪.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি ভারতের ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচন, মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের রাজ্য নির্বাচন এবং বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অতিরঞ্জিত দাবির কারণে ত্বরান্বিত হয়েছে।

প্রধান ফলাফল

  • লক্ষ্যবস্তু: ১,১৬৫টি ঘটনার মধ্যে ৯৮.৫% মুসলিমদের লক্ষ্য করে এবং প্রায় ১০% খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে ছিল। ১১৮টি ঘটনা (১০.১%) রোহিঙ্গা শরণার্থীদের এবং ১৮২টি (১৫.৬%) “বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী” নিয়ে মিথ্যা আখ্যান ছড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তৃতা ২০২৩ সালের তুলনায় ২১০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • নির্বাচনের ভূমিকা: ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচন (১৯ এপ্রিল থেকে ১ জুন) এবং মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের রাজ্য নির্বাচনের সময় বিদ্বেষমূলক বক্তৃতা বৃডি় পায়। মে মাসে ২৬৯টি ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, যা সর্বোচ্চ। উত্তর প্রদেশ (২৪২টি), মহারাষ্ট্র (২১০টি) এবং মধ্য প্রদেশে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে।
  • বিজেপির ভূমিকা: বিজেপি ৩৪০টি ঘটনার আয়োজন করেছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৫৮০% বৃদ্ধি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (৫৮টি বক্তৃতা), এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (৮৬টি বক্তৃতা) উল্লেখযোগ্যভাবে জড়িত ছিলেন। মোদীর ২১ এপ্রিল রাজস্থানের বাঁসওয়ারায় দেওয়া একটি বক্তৃতায় মুসলিমদের “অনুপ্রবেশকারী” হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যা বিদ্বেষমূলক বক্তৃতার ঢেউ তুলেছিল।
  • বিপজ্জনক বক্তৃতা: ২৫৯টি বিপজ্জনক বক্তৃতার মধ্যে ২১৯টি সামাজিক মাধ্যমে লাইভ-স্ট্রিম করা হয়েছে। ১২৩টি বক্তৃতায় (১০.৬%) হিন্দুদের সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে “সুরক্ষার” জন্য অস্ত্র সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৩২.৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। ১১১টি বক্তৃতায় (৯.৫%) মুসলিমদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বয়কটের আহ্বান জানানো হয়েছে।
  • উপাসনালয়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ: ২৭৪টি বক্তৃতা (২৩.৫%) মুসলিম ও খ্রিস্টানদের উপাসনালয় দখল, অপসারণ বা ধ্বংসের আহ্বান জানিয়েছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৬২.১% বৃদ্ধি পেয়েছে। বিজেপি নেতারা এর মধ্যে ৮৪টি বক্তৃতার জন্য দায়ী।
  • সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা: ১,১৬৫টি ঘটনার মধ্যে ৯৯৫টি সামাজিক মাধ্যমে প্রথম শেয়ার বা লাইভ-স্ট্রিম করা হয়েছে। ফেসবুক ৪৯৫টি ঘটনার জন্য শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম, তারপরে ইউটিউব (২১১টি), ইনস্টাগ্রাম এবং এক্স। ২৬৬টি বিজেপি নেতাদের বক্তৃতা একাধিক প্ল্যাটফর্মে লাইভ-স্ট্রিম করা হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত, ফেসবুক মাত্র ৩টি ভিডিও সরিয়েছে, ৯৮.৪% ভিডিও এখনও প্ল্যাটফর্মে রয়ে গেছে।

প্রধান প্রবণতা

বিদ্বেষমূলক বক্তৃতার ধরণে হিন্দু জাতীয়তাবাদী আখ্যান প্রাধান্য পেয়েছে, যেখানে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের “বহিরাগত” হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। মুসলিমদের “অনুপ্রবেশকারী” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, বিশেষ করে বাংলাদেশী অভিবাসী বা রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে। হিন্দু কট্টরপন্থী নেতারা মুসলিমদের পরজীবী এবং চোর হিসেবে চিত্রিত করেছেন, যারা হিন্দুদের সম্পদ হরণ করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই বক্তৃতাগুলি সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও শত্রুতা বাড়িয়েছে।

বিজেপি-শাসিত রাজ্য

প্রায় ৮০% ঘটনা (৯৩১টি) বিজেপি-শাসিত রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ঘটেছে। উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং মধ্য প্রদেশে প্রায় অর্ধেক ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশে ২৪২টি ঘটনা ২০২৩ সালের তুলনায় ১৩২.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। মহারাষ্ট্রে ২১০টি ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯৫টি সরাসরি মুসলিম-বিরোধী ছিল।

পদ্ধতি

প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের বিদ্বেষমূলক বক্তৃতার কাঠামো এবং রাবাত প্ল্যান অফ অ্যাকশনের ছয়-অংশের পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি সামাজিক মাধ্যম ট্র্যাকিং, মিডিয়া বিশ্লেষণ, ফিল্ড রিপোর্টিং এবং যাচাইকরণের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেছে।

উপসংহার

২০২৪ সালে ভারতে বিদ্বেষমূলক বক্তৃতার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের প্রতি বৈষম্য ও সহিংসতার ঝুঁকি বাড়িয়েছে। বিজেপি এবং এর মিত্রদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা এই সমস্যাকে আরও জটিল করেছে। সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলি তাদের নীতি সত্ত্বেও বিদ্বেষমূলক কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে, যা হিন্দু জাতীয়তাবাদী মতাদর্শের প্রসারে সহায়তা করেছে।

উৎস: ইন্ডিয়া হেট ল্যাব, “রিপোর্ট ২০২৪: হেট স্পিচ ইভেন্টস ইন ইন্ডিয়া,” ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। মূল প্রতিবেদনটি পড়ুন এখানে ক্লিক করে।

]]>
https://banglakal.com/fact-check/hate-speech-in-india-report-by-india-hate-lab/feed/ 0 868
বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীর হুঁশিয়ারি: “RSS শিক্ষাব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ পেলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে” https://banglakal.com/politics/rss-controlling-universities-destroying-future-of-indian-students-rahul-gandhi/ https://banglakal.com/politics/rss-controlling-universities-destroying-future-of-indian-students-rahul-gandhi/#respond Mon, 24 Mar 2025 13:44:08 +0000 https://banglakal.com/?p=531 সোমবার, বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পায়, তবে দেশ “ধ্বংস হয়ে যাবে।” জন্তর মন্তরে INDIA ব্লকের অন্তর্ভুক্ত ছাত্র সংগঠনগুলোর আয়োজিত এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গান্ধী বলেন, তাদের আদর্শগত পার্থক্য থাকতে পারে, তবে শিক্ষাব্যবস্থার প্রশ্নে তারা কখনো আপস করবে না। গান্ধী বলেন, “একটি সংগঠন এই দেশের ভবিষ্যৎ এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে চায়। সেই সংগঠনের নাম হলো RSS। যদি শিক্ষাব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে যায়, তবে এই দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। কেউ চাকরি পাবে না, আর দেশ শেষ হয়ে যাবে।” তিনি অভিযোগ করেন যে, RSS-এর প্রভাব ক্রমশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাড়ছে। তিনি বলেন, “ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্যদের (VC) মধ্যে RSS-এর আধিপত্য বাড়ছে। আগামী দিনে রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা RSS-এর সুপারিশে নিয়োগ পাবেন। আমাদের এটা থামাতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে গান্ধী বলেন, সংসদে মোদি মহাকুম্ভ নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন, কিন্তু বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে একটি কথাও বলেননি। গান্ধী অভিযোগ করেন, “প্রধানমন্ত্রী বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেন না। তাদের মডেল হলো সমস্ত সম্পদ আদানি এবং আম্বানির হাতে তুলে দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানগুলো RSS-এর হাতে সঁপে দেওয়া।” ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (UGC)-এর খসড়া নিয়মাবলীর বিরুদ্ধে পূর্বে সংগঠিত একটি প্রতিবাদ উল্লেখ করে গান্ধী অভিযোগ করেন, UGC RSS-এর একমাত্র জাতীয় পরিচয় চাপানোর এজেন্ডা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ছাত্রদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমরা এই লড়াই একসঙ্গে লড়ব এবং RSS-কে প্রতিহত করব।” রাহুল গান্ধীর এই বক্তব্য নিয়ে শিক্ষাব্যবস্থা ও RSS-এর ভূমিকা নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।

]]>
https://banglakal.com/politics/rss-controlling-universities-destroying-future-of-indian-students-rahul-gandhi/feed/ 0 531