palestine – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Wed, 01 Jul 2026 06:23:00 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0.2 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 palestine – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 “আমাকে ক্ষমা করবেন, আমি জানতাম না আপনি ফিলিস্তিনি”: দোহায় চুরি যাওয়া ব্যাগ চিরকুটসহ ফেরত দিল চোর, নেটদুনিয়ায় শোরগোল https://banglakal.com/world/forgive-me-i-didnt-know-you-were-palestinian-stolen-bag-returned-with-apology-in-doha/ https://banglakal.com/world/forgive-me-i-didnt-know-you-were-palestinian-stolen-bag-returned-with-apology-in-doha/#respond Wed, 01 Jul 2026 06:22:58 +0000 https://banglakal.com/?p=2508 দোহা (কাতার): অপরাধের জগতেও কি নীতি-আদর্শ বলে কিছু থাকে? নাকি চরম অপরাধের মাঝেও কখনো কখনো জেগে ওঠে মানবিকতা বা কোনো বিশেষ সহানুভূতি? কাতার থেকে আসা এক অদ্ভুত ও নজিরবিহীন ঘটনা বর্তমান যুগে এই প্রশ্নগুলোকেই আবার সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে। কাতারের রাজধানী দোহায় এক ফিলিস্তিনি নারীর চুরি যাওয়া হ্যান্ডব্যাগ সমস্ত টাকাপয়সা ও নথিপত্রসহ অক্ষত অবস্থায় ফেরত দিয়ে গেছে চোর। শুধু ফেরত দেওয়াই নয়, ব্যাগটির সাথে চোর একটি হাতে লেখা ক্ষমাপ্রার্থনার চিরকুটও রেখে গেছে, যা দেখে হতবাক খোদ ভুক্তভোগী নারী এবং স্থানীয় প্রশাসন।

ঘটনার বিবরণ ও ব্যাগের সন্ধান

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘আল জাজিরা’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, দোহায় বসবাসকারী এক ফিলিস্তিনি নারীর একটি হ্যান্ডব্যাগ সম্প্রতি চুরি হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই ব্যাগটি হারিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু চুরির ঠিক পরদিন সকালে নিজের বাড়ির দরজার বাইরে ব্যাগটি অক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তিনি চমকে ওঠেন।

ব্যাগটি খোলার পর দেখা যায়, ভেতরে থাকা কোনো জিনিসেই হাত দেওয়া হয়নি। ব্যাগের মধ্যে থাকা নগদ ২৭৫ মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২৩ হাজার টাকা), অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত নথিপত্র এবং ওই নারীর চিকিৎসার কিছু জরুরি কাগজপত্র—সবকিছুই একদম ঠিকঠাক ছিল।

মন গলানো সেই চিরকুট

ব্যাগটি অক্ষত পাওয়ার চেয়েও বড় বিস্ময় অপেক্ষা করছিল ব্যাগের ভেতরে থাকা একটি ছোট্ট চিরকুটে। চোর ব্যাগটি ফেরত দেওয়ার সময় নিজের অপরাধ স্বীকার করে একটি আবেগঘন নোট বা চিরকুট রেখে যায়। তাতে লেখা ছিল: “আমাকে ক্ষমা করবেন, আমি জানতাম না যে আপনি একজন ফিলিস্তিনি। যদি আমি আগে থেকে জানতাম, তবে কোনোদিনও আপনার জিনিস চুরি করতাম না।”

অন্য একটি সূত্রের দাবি অনুযায়ী, চিরকুটে লেখা বাক্যটি ছিল কিছুটা এইরকম: “আমাদের ক্ষমা করে দিন। আমরা যদি জানতাম যে আপনি ফিলিস্তিনি, তবে কখনোই আপনার ব্যাগ চুরি করতাম না। আমরা অত্যন্ত দুঃখিত।”

কীভাবে মন বদলাল চোরের?

ধারণা করা হচ্ছে, চুরির পর ব্যাগের ভেতরের নথিপত্র ও চিকিৎসার কাগজপত্র ঘাঁটতে গিয়ে চোর বা চোর চক্র জানতে পারে যে, ব্যাগের মালিক একজন ফিলিস্তিনি নারী এবং তিনি কোনো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। বর্তমানে ফিলিস্তিনের চলমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সেখানকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা মাথায় রেখেই সম্ভবত চোরের মনে অপরাধবোধ চাড়া দিয়ে ওঠে। ফিলিস্তিনিদের প্রতি এই বিশেষ সহানুভূতি ও শ্রদ্ধাবোধ থেকেই চোর তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এবং চুরির মাল ফেরত দেওয়ার ঝুঁকি নেয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও রসাত্মক আলোচনা

এই অদ্ভুত চুরির ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটি ব্যাপক ভাইরাল হয়ে গেছে। নেটিজেনদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে বেশ কৌতুকপূর্ণ ও চোরের এই আচরণকে ‘আজব’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই ওই অজ্ঞাতপরিচয় চোরকে রসিকতা করে “নীতিবান চোর” (Thief with principles) বা “বিবেকবান অপরাধী” বলে অভিহিত করছেন। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন যে, সাধারণত চোরেরা কোনো কিছুর তোয়াক্কা করে না, কিন্তু ফিলিস্তিনিদের প্রতি এই চোরের আবেগ সত্যি অনুকরণীয়। আবার অনেকে বলেছেন, অপরাধ অপরাধই, তবে এই চোরের ভেতরে এখনো যেটুকু মানবিকতা অবশিষ্ট রয়েছে, তা সত্যিই বিরল।

দোহায় ঘটে যাওয়া এই অনন্য ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষের মনে কতটা গভীর আবেগ ও সহানুভূতি জড়িয়ে রয়েছে—তা সে কোনো সাধারণ নাগরিকই হোক কিংবা সমাজের চোখে অপরাধী কোনো চোর!

]]>
https://banglakal.com/world/forgive-me-i-didnt-know-you-were-palestinian-stolen-bag-returned-with-apology-in-doha/feed/ 0 2508
ইসরায়েল বিরোধী অবস্থানের জেরে বরখাস্ত ভারতীয় বংশোদ্ভূত চিকিৎসক রূপা মারিয়া, UCSF-এ ২৩ বছরের কর্মজীবনের ইতি https://banglakal.com/world/nri-doctor-fired-over-anti-genocide-comment-on-israeli-slaughiters-in-palestine-gaza/ https://banglakal.com/world/nri-doctor-fired-over-anti-genocide-comment-on-israeli-slaughiters-in-palestine-gaza/#respond Tue, 01 Jul 2025 09:02:05 +0000 https://banglakal.com/?p=925

ক্যালিফোর্নিয়ার ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকো (UCSF)-র চিকিৎসক ও অধ্যাপক ড. রূপা মারিয়া–কে বরখাস্ত করা হয়েছে, কারণ তিনি প্রকাশ্যে ইসরায়েলের গাজায় চালানো গণহত্যা ও তা থেকে উদ্ভূত স্বাস্থ্য সংকটের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন।

ড. মারিয়া UCSF-এ ২৩ বছর ধরে কর্মরত ছিলেন। ২০২4 সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁকে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয় এবং সাময়িকভাবে তাঁর ক্লিনিক্যাল অধিকার স্থগিত করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের মে মাসে UCSF-এর এক্সিকিউটিভ মেডিকেল বোর্ড তাঁকে বরখাস্ত করে, মূলত তাঁর এক্স (প্রাক্তন টুইটার)-এ দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে যেখানে তিনি “জায়োনিজমকে এক প্রাধান্যবাদী ও বর্ণবাদী মতবাদ” বলে বর্ণনা করেন এবং মার্কিন চিকিৎসাক্ষেত্রে তার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

ড. মারিয়ার পোস্টে লেখা ছিল,

“মার্কিন চিকিৎসাক্ষেত্রে জায়োনিজমের উপস্থিতি স্বাস্থ্য-সমতার পথে কাঠামোগত বাধা। জায়োনিজম একটি প্রাধান্যবাদী, বর্ণবাদী মতবাদ, এবং আমরা দেখি, জায়োনিস্ট চিকিৎসকেরা ফিলিস্তিনিদের গণহত্যাকে ন্যায্যতা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এদের দৃষ্টিভঙ্গি মার্কিন চিকিৎসাক্ষেত্রের নীতি নির্ধারণে কী প্রভাব ফেলছে?”

তিনি প্রশ্ন তোলেন,

“যদি সুপ্রতিষ্ঠিত বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গি পোষণকারী ব্যক্তিরা চিকিৎসাক্ষেত্রে নেতৃত্বে থাকেন, তাহলে কীভাবে স্বাস্থ্য-সমতা সম্ভব?”

UCSF তাঁর বিরুদ্ধে কোনও নাম না করে এক বিবৃতিতে জানান, “জায়োনিস্ট চিকিৎসকেরা মার্কিন চিকিৎসাক্ষেত্রের জন্য হুমকি”—এমন ‘বর্ণবাদী ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব’ অনলাইনে প্রচার হচ্ছে, যা “পুরোটাই ভিত্তিহীন ও ঘৃণ্য” এবং একে “এন্টিসেমিটিক আক্রমণ” বলেও আখ্যা দেওয়া হয়।

ড. মারিয়া UCSF-এর বিরুদ্ধে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন—একটি প্রথম সংশোধনী (First Amendment) লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে তাঁর বাক্‌স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করার মামলা এবং অপরটি নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের মামলা, যেখানে তিনি ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থানের জন্য হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

“Stop Bombing Hospitals”—এই কথাই কি আমার কর্মজীবনের অবসান?

Democracy Now-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. মারিয়া বলেন, “আমি ভাবতেও পারিনি যে ‘হাসপাতাল বোমা মারা বন্ধ করুন’ বলা হবে আমার কর্মজীবনের শেষ পেরেক।” তিনি জানান, এই বরখাস্তির পেছনে শুধু UCSF নয়, ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের সিনেটর স্কট উইনার এবং ধনকুবের দাতাদেরও ভূমিকা রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, UCSF-এর পক্ষ থেকে তাঁর নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় “অপপ্রচার” চালানো হয়, যার ফলে তিনি প্রাণনাশের হুমকি পান। এমনকি UCSF-এর কিছু সহকর্মীকে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা রিপোর্ট জমা দিতে চাপ দেওয়া হয়।

ড. মারিয়া UCSF-এর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ করেন, তিনি যখন সহকর্মীদের ইসলামবিদ্বেষী ও আরব-বিরোধী মন্তব্যের রিপোর্ট করেছিলেন, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্য-বিরোধী দপ্তর কোনওরকম তদন্ত না করেই মামলাগুলি বন্ধ করে দেয়।

“Genocide Enablement Apparatus” ও ন্যায়ের ডাক

তিনি তাঁর সহকর্মী ড. ঘাসান আবু-সিত্তাহর একটি শব্দবন্ধ তুলে ধরেন—“Genocide Enablement Apparatus”, অর্থাৎ এমন এক কাঠামো যা গাজায় চিকিৎসকদের শারীরিকভাবে নিধন করে এবং বিশ্বজুড়ে তাঁদের কণ্ঠস্বর দমন করে।

Mondoweiss-এ প্রকাশিত একটি মতামত প্রবন্ধে তিনি লেখেন:

“আমি একজন মা, একজন চিকিৎসক এবং এক পৃথিবীজোড়া সমতার জন্য লড়াইরত মানুষ হিসেবে চুপ থাকতে পারিনি। আমি বিশ্বাস করি, সমস্ত প্রাণের অধিকার আছে সুস্থ থাকার, ফিলিস্তিনিদেরও।”

UCSF-এর ভণ্ডামি ও চিকিৎসার ভবিষ্যৎ

ড. মারিয়া UCSF-এর ভণ্ডামি তুলে ধরে বলেন, “যদি একটা চাকরি আমাকে চুপ করে থাকতে বাধ্য করে যখন শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে, তাহলে সেটি কোনও চাকরি নয়, সেটি একটি অন্যায়ের সহযোগিতা।”

তিনি এক নতুন চিকিৎসা-চর্চার দৃষ্টিভঙ্গির আহ্বান জানান:

“আমাদের এমন এক চিকিৎসা-পদ্ধতির প্রয়োজন যা নিরাময়ের মাধ্যমে মুক্তি দেয়, যা মানবজাতির প্রতি ভালোবাসার উপর দাঁড়িয়ে থাকে, এবং যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাকে দায়িত্ব বলে মনে করে।”

রূপা মারিয়া কে?

  • ২০০২ সালে জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন
  • UCSF-এ ২০০৭ সালে ইন্টারনাল মেডিসিন রেসিডেন্সি সম্পন্ন করেন
  • তিনি Deep Medicine Circle-এর প্রতিষ্ঠাতা, যা উপনিবেশবিরোধী আরোগ্যের দর্শনে পরিচালিত
  • Do No Harm Coalition-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যারা সামাজিক কাঠামো পরিবর্তনের মাধ্যমে রোগ নিরাময়ে বিশ্বাসী
  • ২০২১ সালে American Medical Student Association তাঁকে Women Leaders in Medicine Award প্রদান করে
  • ক্যালিফোর্নিয়া গভর্নর গ্যাভিন নিউসম তাঁকে “Healthy California for All” কমিশনে মনোনীত করেন
  • সহ-লেখক: Inflamed: Deep Medicine and the Anatomy of Injustice (রাজ প্যাটেলের সঙ্গে)
  • তাঁর ব্যান্ড Rupa and the April Fishes বিশ্বের ২৯টি দেশে পারফর্ম করেছে, যার সংগীতকে গিল স্কট-হেরন বলেছেন “Liberation Music”

UCSF-এ আরও দমনপীড়নের নজির

  • এক নার্স প্র্যাকটিশনারকে বরখাস্ত করা হয়, কারণ তিনি ফিলিস্তিনপন্থী প্রতীক watermelon pin পরেছিলেন
  • ডেনিসে কারামাগনো নামের এক থেরাপিস্টকেও চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়, কারণ তিনি ড. মারিয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করেছিলেন

ড. রূপা মারিয়ার ঘটনা আজ কেবল একজন চিকিৎসকের বরখাস্তের কাহিনি নয়—এটি মার্কিন একাডেমিক ও চিকিৎসাক্ষেত্রে ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান ও মানবাধিকারের পক্ষের কণ্ঠকে দমন করার এক বড় উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

]]>
https://banglakal.com/world/nri-doctor-fired-over-anti-genocide-comment-on-israeli-slaughiters-in-palestine-gaza/feed/ 0 925
গাজা থেকে কাউকে উৎখাত করা হচ্ছে না: মত বদলালেন ট্রাম্প https://banglakal.com/world/gaza-eviction-trump-policy-change/ https://banglakal.com/world/gaza-eviction-trump-policy-change/#respond Thu, 13 Mar 2025 10:14:52 +0000 https://banglakal.com/?p=347

গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে অবশেষে অবস্থান পরিবর্তন করলেন আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, গাজা থেকে কাউকে উৎখাত করা হবে না। বুধবার (১২ মার্চ) হোয়াইট হাউসে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মিশেল মার্টিনের সঙ্গে বৈঠকের সময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।

ট্রাম্পের এই বক্তব্য তার আগের ঘোষণার সম্পূর্ণ বিপরীত। এর আগে তিনি গাজা দখলের পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে অঞ্চলটিকে মধ্যপ্রাচ্যের রিভেরা (পর্যটন কেন্দ্র) বানানোর কথা বলেছিলেন। গত মাসে গাজা দখলের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, “গাজার প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দাকে স্থায়ীভাবে সরিয়ে নেওয়া হবে।”

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতির সময় ট্রাম্পের এই প্রস্তাব বিশ্বব্যাপী নিন্দার মুখে পড়ে। ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘদিন ধরে আশঙ্কা প্রকাশ করে আসছিলেন যে, তাদের স্থায়ীভাবে বিতাড়িত করার ষড়যন্ত্র চলছে। ট্রাম্পের মন্তব্য সেই আশঙ্কাকে আরও উসকে দেয়।

ট্রাম্পের বিতর্কিত পরিকল্পনার পর আরব রাষ্ট্রগুলো হুঁশিয়ারি দেয় যে, এমন কোনো পদক্ষেপ পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। এরপরই মিসরের নেতৃত্বে আরব দেশগুলো গাজার পুনর্গঠনের জন্য ৫৩ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করে, যা ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতির পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কাজ করবে।

ট্রাম্পের এই নরম অবস্থান কি কূটনৈতিক চাপে নেওয়া কৌশলগত পরিবর্তন, নাকি তিনি সত্যিই গাজার জনগণকে তাদের ভূমিতে থাকতে দেওয়ার পক্ষে? বিশ্লেষকদের মতে, এটি তার নির্বাচনী কৌশলের অংশ হতে পারে, কারণ আমেরিকায় ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিক্ষোভ এবং মুসলিম ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

গাজা নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তন হলেও, বাস্তব পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। সামনের দিনগুলোতে দেখা যাবে, তার নতুন অবস্থান বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আনতে পারে কি না।

]]>
https://banglakal.com/world/gaza-eviction-trump-policy-change/feed/ 0 347
সংঘাতবিরতির পরও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ১৫০ ফিলিস্তিনি: ইউরো-মেড মনিটর https://banglakal.com/world/isreal-killed-150-palestinians-in-gaza-since-ceasefire-using-snipersdronestarvation/ https://banglakal.com/world/isreal-killed-150-palestinians-in-gaza-since-ceasefire-using-snipersdronestarvation/#respond Thu, 13 Mar 2025 09:07:34 +0000 https://banglakal.com/?p=333 সংঘাতবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। ইউরো-মেড মনিটরের বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ১৫০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল—গড়ে প্রতিদিন তিনজন। সংস্থাটি অভিযোগ করেছে, সংঘাতবিরতির পরও ইসরায়েল গণহত্যার নীতি অব্যাহত রেখেছে।

ড্রোন ও স্নাইপার হামলার শিকার সাধারণ ফিলিস্তিনিরা

ইউরো-মেড মনিটরের ফিল্ড টিম জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা স্নাইপার ও ড্রোন ব্যবহার করে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। গাজা উপত্যকার উত্তরে ও পূর্ব সীমান্তে আরোপিত “বাফার জোন” সংলগ্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি পরিদর্শন করতে গেলে ফিলিস্তিনিদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ১৫ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে পাঁচজন নিৎসারিম সামরিক চেকপয়েন্টের কাছে নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১০ মার্চ) একটি ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় রাফাহ শহরের পূর্বাঞ্চলে আব্দুল্লাহ আলি আল-শায়ের নিহত হয়েছেন এবং অপর একজন আহত হয়েছেন, যদিও তারা ঘোষিত “নিরাপদ অঞ্চলে” অবস্থান করছিলেন। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই অন্য একটি ড্রোন হামলায় আল-বুরেইজ শরণার্থী শিবিরের কাছে তিন সহোদর—মাহমুদ, মোহাম্মদ ও আহমদ আবদুল্লাহ আহমেদ নিহত হন।

রাফাহ সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার

সংঘাতবিরতির পর থেকে সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার হয়েছে রাফাহ গভর্নরেট।

  • ৮ মার্চ, শনিবার সকালে ইসরায়েলি বাহিনী মিশর সীমান্তবর্তী আল-সালাম এলাকায় ৫৩ বছর বয়সী আবদেল মোনিম আলি কিস্তাকে তার নিজের বাড়ির ভেতরে গুলি করে হত্যা করে।
  • একই দিনে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আল-শাওকা শহরে মাহমুদ হুসেইন ফারহান আল-হিসি (৩৭) ও মাহদি আবদুল্লাহ নাদি জারঘুন (৩৯) নিহত হন।

ইসরায়েলি সেনারা গাজার পূর্বাঞ্চলে শুজাইয়া এবং উত্তর গাজার বেইত হানুন শহরে বারবার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইসরায়েল সংঘাতবিরতি লঙ্ঘন করছে

ইউরো-মেড মনিটরের হিসাব অনুযায়ী, সংঘাতবিরতির পর থেকে:

  • ১৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন (প্রতি দুই দিনে গড়ে ৬ জন)
  • ৬০৫ জন আহত হয়েছেন (প্রতিদিন গড়ে ১১.৮ জন)

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের এসব হামলা “কোনো সামরিক প্রয়োজন ছাড়াই” পরিচালিত হচ্ছে এবং এটি সংঘাতবিরতির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন।

ইসরায়েলের অবরোধ ও মানবিক সংকট

গত ১৫ মাস ধরে ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছে। অবরোধকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ফিলিস্তিনিদের ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।

ইউরো-মেড মনিটর জানায়, ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। ফলে বাজারগুলোতে দ্রব্যসামগ্রীর মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে, খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রগুলো কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে ফিলিস্তিনিদের জন্য জীবনধারণ অসম্ভব করে তুলতে চায়, যা গণহত্যার স্পষ্ট ইঙ্গিত।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চাপ প্রয়োগের আহ্বান

ইউরো-মেড মনিটর বলেছে, “মানবিক সহায়তা পাওয়ার অধিকার আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত। এটি কোনোভাবেই রাজনীতি বা সামরিক লেনদেনের উপকরণ হতে পারে না।”

সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, “ইসরায়েল যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করছে, সেটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এড়িয়ে যেতে পারে না।”

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বাণিজ্য ও চুক্তি স্থগিতের আহ্বান

ইসরায়েলের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে ইউরো-মেড মনিটর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন ইসরায়েলের বাণিজ্য সুবিধা ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্থগিত করা হয়।

]]>
https://banglakal.com/world/isreal-killed-150-palestinians-in-gaza-since-ceasefire-using-snipersdronestarvation/feed/ 0 333
গাজাবাসী ও হামাসকে নিয়ে ট্রাম্পের হুমকি: “এটাই শেষ সতর্কবার্তা!” https://banglakal.com/world/donald-trump-threatens-palestinians-in-gaza/ https://banglakal.com/world/donald-trump-threatens-palestinians-in-gaza/#respond Thu, 06 Mar 2025 09:53:16 +0000 https://banglakal.com/?p=170 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা এবং হামাসকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যেখানে তিনি ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “যদি বন্দিরা মুক্তি না পায়, তবে চরম মূল্য দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এটাই তোমাদের শেষ সতর্কবার্তা! হামাস নেতাদের জন্য, এখনই গাজা ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়, যতক্ষণ না তোমাদের সুযোগ আছে। এছাড়াও, গাজার জনগণের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে, কিন্তু সেটি তখনই সম্ভব, যদি তোমরা বন্দিদের মুক্তি দাও। যদি তা না করো, তবে তোমরা শেষ! বুদ্ধিমানের মতো সিদ্ধান্ত নাও।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্য হোয়াইট হাউজ নিশ্চিত করার কিছু সময় পরেই আসে যে, ওয়াশিংটন হামাসের সাথে আলোচনায় রয়েছে।

ট্রাম্প বহুদিন ধরে গাজার সম্পূর্ণ জনসংখ্যার জোরপূর্বক উচ্ছেদের দাবি করে আসছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের “ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের মালিকানা” নেওয়ার কথা বলেছেন।

তবে, ট্রাম্প যে “সুন্দর ভবিষ্যৎ”-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা কীভাবে তার বিতর্কিত পরিকল্পনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, সেটি স্পষ্ট নয়। পূর্বে তিনি বলেছেন, তার প্রস্তাবের অধীনে ফিলিস্তিনিরা গাজায় ফিরে আসার অনুমতি পাবেন না।

তিনি আরও বলেন, “‘শালোম হামাস’ মানে হ্যালো এবং বিদায়—তোমরা যেকোনোটি বেছে নিতে পারো। এখনই বন্দিদের মুক্ত করো, তাদের দেহ ফিরিয়ে দাও, নাহলে সব শেষ! শুধুমাত্র অসুস্থ ও বিকৃত মানুষরা মৃতদেহ আটকে রাখে, এবং তোমরা তেমনই! আমি ইসরায়েলকে যা যা দরকার তা পাঠাচ্ছি, যাতে হামাসের একজন সদস্যও নিরাপদ না থাকে, যদি তোমরা আমার কথা না শোনো।”

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে শত শত ফিলিস্তিনির মৃতদেহ আটকে রেখেছে, যাকে “নেক্রোভায়োলেন্স” বা মৃতদেহকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ট্রাম্প এর আগেও একই ধরনের হুমকি দিয়েছেন, তবে হামাস বরাবরই বলে এসেছে যে, বন্দিদের মুক্তি শুধুমাত্র অস্ত্রবিরতির চুক্তির অংশ হিসেবেই সম্ভব।

প্রথম ধাপের অস্ত্রবিরতি চুক্তি গত সপ্তাহে শেষ হয়েছে, কিন্তু ইসরায়েল এখনো দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করতে রাজি নয়, যা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং সকল বন্দির মুক্তির পথ সুগম করতে পারত।

পরিবর্তে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার, ট্রাম্পের সমর্থনে, প্রথম ধাপটি সম্প্রসারিত করতে চেয়েছে, যাতে আরো বন্দিদের মুক্তি সম্ভব হয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী অস্ত্রবিরতির কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া না হয়।

ইসরায়েল গাজা সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ করে রেখেছে, যাতে কোনো মানবিক সহায়তা—খাদ্য, জ্বালানি বা ওষুধ—প্রবেশ করতে না পারে। এই পদক্ষেপটি জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন দেশের দ্বারা তীব্র নিন্দার সম্মুখীন হয়েছে।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, যেখানে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ, বিশেষত খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।

গাজাবাসী ও হামাসকে নিয়ে ট্রাম্পের হুমকি: “এটাই শেষ সতর্কবার্তা!”

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা এবং হামাসকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যেখানে তিনি ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “যদি বন্দিরা মুক্তি না পায়, তবে চরম মূল্য দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এটাই তোমাদের শেষ সতর্কবার্তা! হামাস নেতাদের জন্য, এখনই গাজা ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়, যতক্ষণ না তোমাদের সুযোগ আছে। এছাড়াও, গাজার জনগণের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে, কিন্তু সেটি তখনই সম্ভব, যদি তোমরা বন্দিদের মুক্তি দাও। যদি তা না করো, তবে তোমরা শেষ! বুদ্ধিমানের মতো সিদ্ধান্ত নাও।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্য হোয়াইট হাউজ নিশ্চিত করার কিছু সময় পরেই আসে যে, ওয়াশিংটন হামাসের সাথে আলোচনায় রয়েছে।

ট্রাম্প বহুদিন ধরে গাজার সম্পূর্ণ জনসংখ্যার জোরপূর্বক উচ্ছেদের দাবি করে আসছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের “ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের মালিকানা” নেওয়ার কথা বলেছেন।

তবে, ট্রাম্প যে “সুন্দর ভবিষ্যৎ”-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা কীভাবে তার বিতর্কিত পরিকল্পনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, সেটি স্পষ্ট নয়। পূর্বে তিনি বলেছেন, তার প্রস্তাবের অধীনে ফিলিস্তিনিরা গাজায় ফিরে আসার অনুমতি পাবেন না।

তিনি আরও বলেন, “‘শালোম হামাস’ মানে হ্যালো এবং বিদায়—তোমরা যেকোনোটি বেছে নিতে পারো। এখনই বন্দিদের মুক্ত করো, তাদের দেহ ফিরিয়ে দাও, নাহলে সব শেষ! শুধুমাত্র অসুস্থ ও বিকৃত মানুষরা মৃতদেহ আটকে রাখে, এবং তোমরা তেমনই! আমি ইসরায়েলকে যা যা দরকার তা পাঠাচ্ছি, যাতে হামাসের একজন সদস্যও নিরাপদ না থাকে, যদি তোমরা আমার কথা না শোনো।”

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে শত শত ফিলিস্তিনির মৃতদেহ আটকে রেখেছে, যাকে “নেক্রোভায়োলেন্স” বা মৃতদেহকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ট্রাম্প এর আগেও একই ধরনের হুমকি দিয়েছেন, তবে হামাস বরাবরই বলে এসেছে যে, বন্দিদের মুক্তি শুধুমাত্র অস্ত্রবিরতির চুক্তির অংশ হিসেবেই সম্ভব।

প্রথম ধাপের অস্ত্রবিরতি চুক্তি গত সপ্তাহে শেষ হয়েছে, কিন্তু ইসরায়েল এখনো দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করতে রাজি নয়, যা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং সকল বন্দির মুক্তির পথ সুগম করতে পারত।

পরিবর্তে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার, ট্রাম্পের সমর্থনে, প্রথম ধাপটি সম্প্রসারিত করতে চেয়েছে, যাতে আরো বন্দিদের মুক্তি সম্ভব হয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী অস্ত্রবিরতির কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া না হয়।

ইসরায়েল গাজা সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ করে রেখেছে, যাতে কোনো মানবিক সহায়তা—খাদ্য, জ্বালানি বা ওষুধ—প্রবেশ করতে না পারে। এই পদক্ষেপটি জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন দেশের দ্বারা তীব্র নিন্দার সম্মুখীন হয়েছে।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, যেখানে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ, বিশেষত খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।

]]>
https://banglakal.com/world/donald-trump-threatens-palestinians-in-gaza/feed/ 0 170