Supreme court of India – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Wed, 04 Feb 2026 14:21:27 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0.2 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 Supreme court of India – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্ট কে কি কি বলেছিলেন https://banglakal.com/nation/mamata-banerjee-arguments-in-sc/ https://banglakal.com/nation/mamata-banerjee-arguments-in-sc/#respond Wed, 04 Feb 2026 14:18:40 +0000 https://banglakal.com/?p=1920 নয়াদিল্লি| ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ :আজ সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নজিরবিহীনভাবে নিজে সওয়াল করেছেন। তিনি Special Intensive Revision (SIR) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নিজের পিটিশন নিয়ে সরাসরি যুক্তি দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চের সামনে তিনি খুবই আবেগপ্রবণ এবং কড়া ভাষায় নির্বাচন কমিশনের (ECI) বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।

নীচে তাঁর প্রধান যুক্তিগুলো

  • শুধু নাম কাটা হচ্ছে, নতুন নাম যোগ হচ্ছে না  গত ৪ মাস ধরে কোনো নতুন ভোটার যোগ করা হচ্ছে না। 
    প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র deletion (নাম কাটা)-এর জন্য, inclusion (নাম যোগ)-এর জন্য নয়।
  • “Why only Bengal and not Assam?” 
    অন্যান্য রাজ্যে (বিশেষ করে আসামে) এই ধরনের কড়া SIR চালানো হচ্ছে না।নির্বাচনের আগে শুধু বাংলাকে টার্গেট করে ভোটারদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
  • বিপুল সংখ্যক নাম কাটা হয়েছে  প্রথম পর্যায়েই প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম কাটা হয়েছে। 
    অনেক জীবিত মানুষকে “declared dead” বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
  • বিবাহের পর স্বামীর বাড়িতে চলে যাওয়া মেয়েদের নামও একতরফাভাবে কাটা হচ্ছে।
  • মাইক্রো-অবজার্ভারদের (MO) অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে মাইক্রো-অবজার্ভারদের দিয়ে ERO (Electoral Registration Officer)-দের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।এদের অনেককে বিজেপি-শাসিত রাজ্য থেকে আনা হয়েছে। এরা সাধারণ spelling mistake-এর জন্যও নাম কেটে দিচ্ছে।
  • যথাযথ ডকুমেন্ট গ্রহণ করা হচ্ছে না  আধার কার্ড, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট, OBC সার্টিফিকেট ইত্যাদি গ্রহণ করা হচ্ছে না। 
    সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশ সত্ত্বেও আধারকে বৈধ প্রমাণ হিসেবে মানা হচ্ছে না।
  • মানুষের উপর অমানবিক চাপ  SIR-এর চাপে ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন (একজন বুথ লেভেল অফিসারও রয়েছেন)।
  • দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, যা বিশেষ করে বয়স্ক ও মহিলাদের জন্য কষ্টদায়ক।
  • নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে কটাক্ষ করে কমিশনকে “WhatsApp Commission” বলে সম্বোধন করেছেন। 
    অর্থাৎ, কোনো নিয়ম-কানুন ছাড়াই WhatsApp-এর মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
  • “Justice is crying behind closed doors.” 
    কমিশনকে ৬ বার চিঠি লিখেছেন, কোনো উত্তর পাননি। 
    অন্য কোথাও ন্যায় পাওয়া যাচ্ছে না, তাই সুপ্রিম কোর্টে এসেছি।“গণতন্ত্রকে বাঁচান” – এই আবেদন জানিয়েছেন।
  • সামান্য spelling mistake বা surname পরিবর্তনের জন্য নাম কাটা যাবে না। 
    ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন বর্তমান ভোটার তালিকা (২০২৫-এর) দিয়েই করতে হবে।

             
 

সুপ্রিম কোর্টের প্রতিক্রিয়া  কমিশনকে নোটিস জারি করা হয়েছে (বিশেষ করে মাইক্রো-অবজার্ভার নিয়োগ নিয়ে)। 
কমিশনকে আরও sensitive হতে বলা হয়েছে। 
পরবর্তী শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার)।

এই সওয়ালকে অনেকে ঐতিহাসিক বলছেন কারণ কোনো বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এর আগে সুপ্রিম কোর্টে নিজে এভাবে সওয়াল করেননি। TMC এটাকে গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে বিরোধীরা বলছেন এটা রাজনৈতিক বক্তব্য।

]]>
https://banglakal.com/nation/mamata-banerjee-arguments-in-sc/feed/ 0 1920
“ভারত কোনো ধর্মশালা নয়”: শ্রীলঙ্কার তামিল নাগরিকের আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য। https://banglakal.com/communalism/india-not-a-dharmshala-cannot-host-refugees-from-all-over-go-to-some-other-country-sc-rejects-sri-lankan-tamils-plea/ https://banglakal.com/communalism/india-not-a-dharmshala-cannot-host-refugees-from-all-over-go-to-some-other-country-sc-rejects-sri-lankan-tamils-plea/#respond Mon, 19 May 2025 10:35:46 +0000 https://banglakal.com/?p=826


ভারত “কোনো ধর্মশালা নয়” যে বিশ্বের সব দেশের শরণার্থীদের আশ্রয় দেবে — এই মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট শ্রীলঙ্কার এক তামিল নাগরিকের আটক নিয়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তা বলেন, “ভারতের ১৪০ কোটির জনসংখ্যার চাপে আমরা নিজেরাই হিমশিম খাচ্ছি। এটা কি ধর্মশালা যে, যে কেউ এসে থাকতে পারবে?”

এই মন্তব্যটি আসে সেই সময়, যখন আদালত মাদ্রাজ হাইকোর্টের এক রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আবেদনের শুনানি করছিল। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, ইউএপিএ মামলায় সাত বছরের সাজা শেষে ওই বিদেশিকে অবিলম্বে ভারত ছাড়তে হবে।

আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, তিনি শ্রীলঙ্কার তামিল এবং ভারতে ভিসায় এসেছিলেন। তাঁর দেশে প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকায় তিনি ভারতে আশ্রয় চাইছেন। আইনজীবী এও বলেন, আবেদনকারী গত তিন বছর ধরে দেশে আটকে রয়েছেন, কিন্তু এখনো কোনো দেশান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।

এ প্রসঙ্গে বিচারপতি দত্তা প্রশ্ন তোলেন, “ভারতে বসবাসের অধিকার কীভাবে পেলেন তিনি?” আইনজীবী জানান, আবেদনকারী একজন শরণার্থী এবং তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা ইতিমধ্যেই ভারতে বসবাস করছেন।

বিচারপতি দত্তা বলেন, আবেদনকারীর মুক্তি বা অধিকার সংক্রান্ত সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘিত হয়নি, কারণ তাঁকে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আটকে রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ১৯ অনুচ্ছেদে বসবাস ও স্থায়ী হওয়ার অধিকার শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

আবেদনকারীর দেশে প্রাণহানির আশঙ্কার প্রসঙ্গে বিচারপতি দত্তা বলেন, “তাহলে অন্য কোনো দেশে যান।”

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই সুপ্রিম কোর্ট রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেশে ফেরত পাঠানো নিয়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকৃতি জানায়।


]]>
https://banglakal.com/communalism/india-not-a-dharmshala-cannot-host-refugees-from-all-over-go-to-some-other-country-sc-rejects-sri-lankan-tamils-plea/feed/ 0 826
ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫ নিয়ে শুনানি স্থগিত, ১৫ মে হবে শুনানি: সুপ্রিম কোর্ট। https://banglakal.com/waqf/supreme-court-postpones-hearing-on-waqf-amendment-act-petitions-to-may-15/ https://banglakal.com/waqf/supreme-court-postpones-hearing-on-waqf-amendment-act-petitions-to-may-15/#respond Mon, 05 May 2025 12:08:30 +0000 https://banglakal.com/?p=753


ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫ চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একাধিক মামলার শুনানি স্থগিত করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। নতুন করে ১৫ মে বিচারপতি বি.আর. গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলাটি শোনা হবে। বিচারপতি গাভাই শিগগিরই ভারতের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন।

বর্তমান প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না ৫ মে শুনানিতে বলেন, “আমি অবসর নিচ্ছি, তাই অন্তর্বর্তী রায় সংরক্ষণ করতে চাই না। দ্রুত শুনানি দরকার, কিন্তু আমি তা দেখব না। সব পক্ষ রাজি হলে বিচারপতি গাভাইয়ের বেঞ্চে বিষয়টি তোলা হবে।” উভয় পক্ষের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বল, এ.এম. সিংভি এবং কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা এতে সম্মতি জানান।

শীর্ষ আদালত জানায়, আপাতত পাঁচটি আবেদনই পরবর্তী শুনানিতে নেওয়া হবে, নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। “একই বিষয়ে শত শত আবেদন দেখা সম্ভব নয়,” বলে আদালত মন্তব্য করে।

আগের শুনানিতে কপিল সিব্বল যুক্তি দেন, বহু শতাব্দী প্রাচীন মসজিদ-দরগাহের মতো ধর্মীয় স্থানগুলোর নথিপত্র না থাকলেও জনসাধারণ সেগুলোকে ওয়াকফ হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে, তাই “ওয়াকফ বাই ইউজার” ধারাটি বাদ দেওয়া সমস্যা তৈরি করবে।

কেন্দ্রের পক্ষে তুষার মেহতা বলেন, নতুন বিধান শুধু ভবিষ্যতের জন্য প্রযোজ্য এবং পূর্বে নথিভুক্ত সম্পত্তি ওয়াকফ হিসেবে থাকবে। তিনি জানান, সংসদে এই আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু দিয়েছেন।

ওয়াকফ বোর্ড ও কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিলে অ-মুসলিম সদস্য অন্তর্ভুক্তি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ হয়। প্রধান বিচারপতি খন্না বলেন, “হিন্দু ধর্মীয় বোর্ডে কি অ-হিন্দুদের রাখা হবে?” — বিষয়টির সংবেদনশীলতার দিকটি তুলে ধরে আদালত প্রস্তাব করে যে কেবল সরকারি পদে থাকা সদস্য ছাড়া সকল নিয়মিত সদস্য মুসলিম হওয়া উচিত।

কেন্দ্র আদালতকে আশ্বাস দেয়, নতুন করে কোনো নিয়োগ এখনই করা হবে না এবং বিদ্যমান ওয়াকফ সম্পত্তিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। আদালত এই বক্তব্য রেকর্ডে রাখে।

এআইএমআইএম সাংসদ আসাদুদ্দিন ওয়াইসি, দিল্লির বিধায়ক আমানতুল্লাহ খান, জামিয়ত উলেমা-ই-হিন্দ, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড এবং ডিএমকে, আরজেডি, সিপিআই-র মতো বিরোধী দলগুলি এই আইন চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে। বিপরীতে অসম, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্রের বিজেপি-শাসিত সরকারগুলি সংশোধিত আইনকে সমর্থন করেছে।

প্রধান আপত্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে “ওয়াকফ বাই ইউজার” প্রভিশন বাতিল, অ-মুসলিমদের বোর্ডে অন্তর্ভুক্তি, নারী সদস্য সীমিত করা, ওয়াকফ সৃষ্টিতে পাঁচ বছর মুসলিম অনুশীলনকারী থাকার শর্ত, প্রত্নতাত্ত্বিক বা আদিবাসী জমিতে ওয়াকফের সীমাবদ্ধতা এবং সরকারের ভূমি বিরোধ মেটানোর ক্ষমতা বৃদ্ধি।


]]>
https://banglakal.com/waqf/supreme-court-postpones-hearing-on-waqf-amendment-act-petitions-to-may-15/feed/ 0 753
যোগ্য-অযোগ্য বিভাজনে জোর দাবি, এসএসসি-কে ডেডলাইন দিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল চাকরিপ্রার্থীরা”। https://banglakal.com/politics/protest-escalates-over-ssc-list-jobless-teachers-demand-cancellation-of-ineligible-appointments-set-deadline-for-commission/ https://banglakal.com/politics/protest-escalates-over-ssc-list-jobless-teachers-demand-cancellation-of-ineligible-appointments-set-deadline-for-commission/#respond Tue, 22 Apr 2025 14:48:55 +0000 https://banglakal.com/?p=599 যোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে না পারলে, অযোগ্যদের চাকরি বাতিল করা হোক। তাহলেই চাল থেকে কাঁকর আলাদা করা যাবে। এবার SSC-কে ডেডলাইন বেঁধে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা। শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, কিন্তু যোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করল এসএসসি, তাতেই ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে আন্দোলনকারীদের। রাত গড়াতেই বাড়ে আন্দোলনের উত্তাপ। রাতভর এস এস সি ভবনে আটকে রাখা হলো চেয়ারম্যান কে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা যোগ্য বঞ্চিত শিক্ষক, সময়মতোই বেতন পাবেন। দ্রুত রিভিউ পিটিশন করবে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে অভিজিৎ গাঙ্গুলী তিনি জানাচ্ছেন সুপ্রিম কোর্টের অর্ডার রয়েছে তাতে কোথাও লেখা নেই যে যোগ্য অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করা যাবে না। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ন্যায্য দাবি, এসএসসি চাইলেই তালিকা প্রকাশ করতে পারে। ‘যারা যোগ্য বঞ্চিত শিক্ষক, সময়মতোই বেতন পাবেন। দ্রুত রিভিউ পিটিশন করবে রাজ্য সরকার। তার আগে জলঘোলা করার ব্যাপার নেই। আইনজ্ঞদের অনুমতি না মেলাতেই তালিকা প্রকাশিত হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিলেই তালিকা প্রকাশিত হবে’, মন্তব্য শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে চলবে তারা। এ ব্যাপারে অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে চাকরিহারা তাদের স্পষ্ট বার্তা তালিকা যতক্ষন প্রকাশিত হয় তারা ততক্ষণই এস এসসি ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করবেন।

]]>
https://banglakal.com/politics/protest-escalates-over-ssc-list-jobless-teachers-demand-cancellation-of-ineligible-appointments-set-deadline-for-commission/feed/ 0 599
হাইকোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘন করে বস্তিবাসীদের ঝুপড়ি জোর করে ভেঙ্গে ফেলার জন্য অন্ধ্রপ্রদেশের ডেপুটি কালেক্টরকে সুপ্রিম কোর্টের তীব্র ভর্ৎসনা https://banglakal.com/communalism/supreme-court-slams-andhra-pradesh-deputy-collector-for-forcibly-demolishing-slum-dwellers-huts-violating-hc-order/ https://banglakal.com/communalism/supreme-court-slams-andhra-pradesh-deputy-collector-for-forcibly-demolishing-slum-dwellers-huts-violating-hc-order/#respond Tue, 22 Apr 2025 13:14:33 +0000 https://banglakal.com/?p=584 সোমবার সুপ্রিম কোর্ট অন্ধ্রপ্রদেশের এক ডেপুটি কালেক্টরকে তীব্র ভর্ৎসনা করে, যিনি তহসিলদার পদে থাকাকালীন গুন্টুর জেলায় হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে বস্তিবাসীদের কুঁড়েঘর জোরপূর্বক ভেঙে দেন, যার ফলে বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েন। সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে একটি বিশেষ অনুমতি পিটিশন (SLP) শুনানি করছিল, যেখানে হাইকোর্টের দেওয়া রায় চ্যালেঞ্জ করা হয়। হাইকোর্ট ওই কর্মকর্তাকে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে দুই মাসের সাধারণ কারাদণ্ড ও ২,০০০ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছিল। বিচারপতি বি.আর. গাভাই এবং এ.জি. মাসীহ-এর বেঞ্চ মৌখিকভাবে জানায়, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে জেল খাটতে হবে, ক্ষতিগ্রস্ত সকলের কাছে মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং তার পদাবনতি হতে পারে। আদালত জানায়, “সাধারণ পরিস্থিতিতে আমরা এই SLP গ্রহণ করতাম না, কারণ আবেদনকারী হাইকোর্টের ১১.১২.২০১৩ তারিখের স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করেছেন। তবে কিছুটা সহানুভূতির ভিত্তিতে আমরা নোটিশ জারি করছি, ততদিন আদেশ স্থগিত থাকবে।” বিচারপতি গাভাই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা তাকে এখনই হেফাজতে নিতে পারি। কেউ হাইকোর্টের মর্যাদা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। তার আচরণ কীভাবে ন্যায়সঙ্গত হতে পারে?” আবেদনকারীর পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী দেবাশীষ ভরুকা দয়া প্রার্থনা করে বলেন, তার মক্কেলের আচরণ ক্ষমার অযোগ্য হলেও আদালতের কাছে অনুরোধ জানানো হচ্ছে কিছুটা নমনীয়তা দেখাতে। জবাবে বিচারপতি গাভাই বলেন, “কোন ভিত্তিতে দয়া? তিনি কি নিজেকে হাইকোর্টের ঊর্ধ্বে ভাবেন?” এরপর তিনি আদালতে উপস্থিত তহসিলদারকে জিজ্ঞেস করেন, কেন তিনি হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী বস্তিবাসীদের দখলে বিঘ্ন ঘটাননি? “যখন তিনি এতজন বস্তিবাসীকে গৃহহীন করে দিচ্ছিলেন, তখন তাদের সন্তানদের কথা তার মনে পড়েনি?”, মন্তব্য করেন বিচারপতি গাভাই। ১৩.০৯.২০১৩ তারিখে হাইকোর্টের একক বেঞ্চ আবেদন নিষ্পত্তি করে নির্দেশ দিয়েছিল, তহসিলদার যেন আবেদনকারীদের ঘর-বাড়ির জন্য জমি বরাদ্দ সংক্রান্ত আবেদন বিবেচনা করেন এবং দুই মাসের মধ্যে তা জানিয়ে দেন। একইসঙ্গে বলা হয়, যদি আবেদনকারীরা জমির দখলে থাকেন, তবে তাদের উচ্ছেদ করা যাবে না। তা সত্ত্বেও, তহসিলদার ০৬.১২.২০১৩ ও ০৮.০১.২০১৪ তারিখে তাদের ঘরবাড়ি জোরপূর্বক উচ্ছেদ করেন। একক বেঞ্চ জানায়, ০৮.০১.২০১৪ তারিখে তহসিলদারের অনুরোধে ৮৮ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল, যা আদালতের আদেশের সরাসরি অবমাননা। ফলে তাকে দুই মাসের সাধারণ কারাদণ্ড ও ২,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত রায় দেয়নি, তবে স্পষ্ট করেছে যে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

]]>
https://banglakal.com/communalism/supreme-court-slams-andhra-pradesh-deputy-collector-for-forcibly-demolishing-slum-dwellers-huts-violating-hc-order/feed/ 0 584