Supreme court – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Wed, 09 Sep 2026 15:38:21 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.3 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2026/08/cropped-645620059_1464002491756680_8204546671402832666_n.jpg?fit=32%2C32&ssl=1 Supreme court – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 ‘এত সাহস পান কোথা থেকে?’ দিল্লিতে বিক্ষোভকারী পড়ুয়াকে নোটিস পাঠিয়ে সুপ্রিম কোর্টের তোপে উত্তরপ্রদেশের পুলিশকর্তা https://banglakal.com/nation/cji-surya-kant-fumes-over-stir-notice-to-noida-student/ https://banglakal.com/nation/cji-surya-kant-fumes-over-stir-notice-to-noida-student/#respond Wed, 09 Sep 2026 15:38:19 +0000 https://banglakal.com/?p=4692 নয়াদিল্লি, ৯ সেপ্টেম্বর:

প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম বিরক্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করল দেশের শীর্ষ আদালত। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নয়ডার এক আইনের পড়ুয়াকে আদালত অবমাননার কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করেছে। একই সঙ্গে ওই আইনের ছাত্রের এহেন আচরণকে আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত বলে অভিহিত করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, নয়ডার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ওই ছাত্র গত কয়েক দিন ধরে প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবনের সামনে দাঁড়িয়ে এককভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলেন। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নানা অসন্তোষ ও দাবি তুলে ধরছিলেন তিনি। এই ঘটনা প্রধান বিচারপতির নজরে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বিচার বিভাগের একটি নিজস্ব গরিমা ও সাংবিধানিক শালীনতা রয়েছে এবং আদালতের কাজের পদ্ধতি রাস্তাঘাটে বিক্ষোভ প্রদর্শনের মাধ্যমে পরিচালনা করা যায় না।

শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করেন, কোনো ব্যক্তির কোনো বিষয়ে অসন্তোষ বা দাবি থাকলে তার জন্য নির্দিষ্ট আইনি পথ ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া রয়েছে। বিচারপতির বাসভবনের সামনে এভাবে ধর্না বা প্রতিবাদে বসা কোনো সুস্থ বিচার ব্যবস্থার লক্ষণ নয়। বিশেষ করে আইনের ছাত্র হয়েও কীভাবে এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করা সম্ভব, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত। এ ধরণের পদক্ষেপ প্রাতিষ্ঠানিক অবমাননার শামিল বলেই মনে করে শীর্ষ আদালত।

এই প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা রুজু করে কড়া নোটিস জারি করেছে। কেন তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না, তার লিখিত ব্যাখ্যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দিল্লি পুলিশকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতিদের নিরাপত্তা এবং সরকারি বাসভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয় তা সুনিশ্চিত করতে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/nation/cji-surya-kant-fumes-over-stir-notice-to-noida-student/feed/ 0 4692
লোকসভার নোটিসের জবাবে আরও তিন সপ্তাহ সময় চেয়ে চিঠি বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের https://banglakal.com/state/rebel-tmc-ncpi-mps-write-to-lok-sabha-secretariat-seeking-more-time-to-reply-notice/ https://banglakal.com/state/rebel-tmc-ncpi-mps-write-to-lok-sabha-secretariat-seeking-more-time-to-reply-notice/#respond Wed, 02 Sep 2026 06:35:18 +0000 https://banglakal.com/?p=4408 কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর:

তৃণমূলত্যাগী ২০ জন এনসিপিআই সাংসদের বক্তব্য জানতে চেয়ে সম্প্রতি চিঠি পাঠিয়েছিল লোকসভার সচিবালয়। কিন্তু এখনই সেই নোটিসের জবাব না দিয়ে লোকসভার সচিবালয়কে চিঠি দিয়ে আরও তিন সপ্তাহ সময় চাইলেন ওই বিদ্রোহী সাংসদরা। তৃণমূলত্যাগী এই সাংসদরা ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়ে আলাদা আলাদাভাবে সচিবালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন এই সাংসদরা। পরবর্তীকালে তাঁরা এনসিপিআই নামক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে সমর্থন জানান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একই সারিতে এনডিএ-র বৈঠকে বসা থেকে শুরু করে মধ্যাহ্নভোজ ও আলাপচারিতায় তাঁদের দেখা গেলেও খাতায়-কলমে এখনও তাঁরা লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হিসেবেই রয়ে গিয়েছেন। কারণ লোকসভায় এখনও পর্যন্ত পৃথক দল হিসেবে কোনো স্বীকৃতি পাননি তাঁরা।

এই পরিস্থিতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ওই ২০ জন দলত্যাগী সাংসদের পদ খারিজের দাবিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার দ্বারস্থ হওয়ার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টেও গিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৫ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ ওই ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশের পরই লোকসভার সচিবালয় দলত্যাগী সাংসদদের চিঠি পাঠিয়ে সাত দিনের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানানোর নির্দেশ দিয়েছিল।

তবে সচিবালয়ের সেই নোটিসের জবাবে নিজেদের বক্তব্য পেশ না করে প্রত্যেকেই অতিরিক্ত তিন সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। বিদ্রোহী সাংসদদের লোকসভার চিফ হুইপ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে আধিকারিকের পক্ষ থেকে পাঠানো যে নোটিস এসেছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করার কাজ চলছে। পিটিশনের উপযুক্ত জবাব সম্পূর্ণ তৈরি না হওয়ার কারণেই তাঁরা তিন সপ্তাহ সময় চেয়েছেন। আরেক সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই সকলে ইমেল মারফত সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন এবং পিছু হটার কোনো প্রশ্ন নেই।

এই পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিদ্রোহী সাংসদরা অস্বীকৃত দলে যোগ দিয়ে বিজেপির সঙ্গে সখ্য গড়ে তুললেও এখন সময় চাইছেন। মহুয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পর সাত দিনের মধ্যে যেখানে জবাব দেওয়া উচিত ছিল, সেখানে যার কাছে সঠিক উত্তর রয়েছে তার তো এক দিনেই জবাব দেওয়ার কথা। কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন বিধায়ক কুণাল ঘোষও। পরিচয় বা ঠিকানার মতো প্রাথমিক প্রশ্নের উত্তরেও যেন সময় চাওয়ার মতো আচরণ করছেন ওই সাংসদরা, এমন মন্তব্য করেন তিনি।

অন্য দিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার গোটা বিষয়টি নিয়ে দূরত্ব বজায় রেখেছেন। তাঁর বক্তব্য, এনসিপিআই একটি পৃথক রাজনৈতিক দল এবং তারা এনডিএ জোটের শরিক। তবে তাঁদের দলীয় বিষয়ে বাইরে থেকে মন্তব্য করা সাজে না এবং কেন তাঁরা সময় চেয়েছেন তা সম্পূর্ণভাবে তাঁদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। উল্লেখ্য, এই দলত্যাগ মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টেও বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে এবং আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর শীর্ষ আদালতে এই সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত রয়েছে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/state/rebel-tmc-ncpi-mps-write-to-lok-sabha-secretariat-seeking-more-time-to-reply-notice/feed/ 0 4408
উত্তরাখণ্ডের জিম মালিক মহম্মদ দীপকের বিরুদ্ধে দায়ের মামলায় স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট https://banglakal.com/nation/supreme-court-stays-case-against-uttarakhand-gym-owner-mohammad-deepak-kumar/ https://banglakal.com/nation/supreme-court-stays-case-against-uttarakhand-gym-owner-mohammad-deepak-kumar/#respond Mon, 31 Aug 2026 07:35:22 +0000 https://banglakal.com/?p=4355 নয়াদিল্লি, ৩১ আগস্ট:

উত্তরাখণ্ডের জিম মালিক দীপক কুমার ওরফে মহম্মদ দীপকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলার সমস্ত প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এক মুসলিম দোকানদারকে হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ডানপন্থী কর্মীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সোমবার বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।

উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট এর আগে দীপক কুমারের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া এফআইআর খারিজ করতে অস্বীকার করেছিল। একই সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে এই মামলা সংক্রান্ত কোনো মন্তব্য বা ভিডিও প্রকাশ করার ক্ষেত্রেও তাঁর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আদালত। হাইকোর্টের সেই সিদ্ধান্ত ও নির্দেশের বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দীপক কুমার।

শুনানি চলাকালীন শীর্ষ আদালত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছে। ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, বিতর্কিত এফআইআর-এর ভিত্তিতে শুরু হওয়া সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া এবং হাইকোর্টের নির্দেশের কার্যকারিতার ওপর আপাতত স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। একই সঙ্গে এই বিষয়ে উত্তরাখণ্ড রাজ্য সরকারের জবাবও তলব করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। শীর্ষ আদালতে দীপক কুমারের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি।

ঘটনার সূত্রপাত চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি। অভিযোগ ওঠে, ডানপন্থী কর্মীরা এক প্রবীণ মুসলিম দোকানদারকে তাঁর দোকানের নাম থেকে বাবা শব্দটি বাদ দিতে বাধ্য করছিলেন, কারণ শব্দটি হিন্দু ধর্মীয় ভাবাবেগের সঙ্গে জড়িত। সেই সময় সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ জানান দীপক কুমার। ডানপন্থী কর্মীরা তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে মহম্মদ দীপক বলে পরিচয় দেন, যদিও তাঁর আসল নাম দীপক কুমার।

এর পরই ডানপন্থী কর্মীদের পক্ষ থেকে দীপক কুমারের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া ও গালিগালাজ করার অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১১৫(২), ১৯১(১), ৩৫১(২) এবং ৩৫২ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। এরপর গত ৩১ জানুয়ারির ওই এফআইআর খারিজের আবেদন জানিয়ে উত্তরাখণ্ড হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন দীপক কুমার।

গত মার্চ মাসে উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট এফআইআর খারিজ করতে অস্বীকার করে এবং পুলিশ তদন্ত জারি রাখার অনুমতি দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও বা বার্তা দিলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে, তাই দীপক কুমারকে সামাজিক মাধ্যমে কোনো পোস্ট না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। হাইকোর্টের সেই রায় এবং সামাজিক মাধ্যমে মতপ্রকাশে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকেই শীর্ষ আদালতে চ্যালেঞ্জ জানান তিনি, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই স্থগিতাদেশ মিলল।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/nation/supreme-court-stays-case-against-uttarakhand-gym-owner-mohammad-deepak-kumar/feed/ 0 4355
পেট্রোলে ইথানলের মাত্রা উল্লেখের দাবিতে মামলা শুনতে নারাজ সুপ্রিম কোর্ট https://banglakal.com/nation/supreme-court-declines-plea-for-mandatory-display-of-ethanol-percentage-in-petrol/ https://banglakal.com/nation/supreme-court-declines-plea-for-mandatory-display-of-ethanol-percentage-in-petrol/#respond Mon, 31 Aug 2026 06:36:46 +0000 https://banglakal.com/?p=4344 নয়াদিল্লি, ৩১ আগস্ট:

পেট্রোল পাম্পগুলিতে বিক্রিত পেট্রোলে ইথানলের সঠিক শতকরা পরিমাণ প্রদর্শন এবং বিলের মধ্যে তা উল্লেখ করার নির্দেশ চেয়ে দায়ের হওয়া আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। আইনজীবী এনকে গোস্বামীর পক্ষ থেকে জনস্বার্থে এই আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্টে যাওয়ার স্বাধীনতা প্রদান করেছে।

আদালতে শুনানির সময় আবেদনকারী দাবি করেন, উপভোক্তা হিসেবে সাধারণ নাগরিকদের জ্বালানির সঠিক সংমিশ্রণ বা উপাদান সম্পর্কে জানার মৌলিক অধিকার রয়েছে। সঠিক তথ্য পেলে ক্রেতারা সচেতনভাবে জ্বালানি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। পেট্রোলে ইথানলের সঠিক অনুপাত পাম্পে দৃশ্যমান স্থানে লেখা এবং বিলে উল্লেখ করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে সওয়াল করা হয়।

অন্যদিকে, কেন্দ্রের অ্যাটর্নি জেনারেল এই দাবির বিরোধিতা করে আদালতে জানান যে, এই ধরনের দাবি সরকারের কাছ থেকে ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা চাওয়ার সমতুল্য। তিনি আবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয় বলে শীর্ষ আদালতে যুক্তি পেশ করেন। উভয় পক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত এই মুহূর্তে বিষয়টি শুনতে চায়নি এবং আবেদনকারীকে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এই মামলাটি মূলত ভারতে পেট্রোলে ইথানল মিশ্রণ কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত। খনিজ তেলের আমদানি নির্ভরতা এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই পেট্রোলে বিভিন্ন মাত্রায় ইথানল মিশ্রণ করা হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ২০ শতাংশ অর্থাৎ ই২০ মিশ্রণ প্রয়োগের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/nation/supreme-court-declines-plea-for-mandatory-display-of-ethanol-percentage-in-petrol/feed/ 0 4344
রাজস্থানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির অপসারণ চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি বিচারপতি মেহতার https://banglakal.com/nation/supreme-court-justice-mehta-writes-to-cji-seeking-removal-of-rajasthan-hc-acting-chief-justice/ https://banglakal.com/nation/supreme-court-justice-mehta-writes-to-cji-seeking-removal-of-rajasthan-hc-acting-chief-justice/#respond Thu, 27 Aug 2026 03:03:24 +0000 https://banglakal.com/?p=4256 নয়াদিল্লি, ২৭ আগস্ট:

ভারতের বিচারবিভাগীয় ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনায় রাজস্থান হাইকোর্টের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব প্রকাশ শর্মার অপসারণ দাবি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সন্দীপ মেহতা। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে লেখা পরপর তিনটি চিঠিতে তিনি এই আর্জি জানিয়েছেন। চিঠিতে রাজস্থান হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপোষণ এবং দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আগামী মাসেই অবসর নেওয়ার কথা বিচারপতি শর্মার। তার আগে তাঁকে অবিলম্বে অন্য কোনও রাজ্যে বদলি করে রাজস্থান হাইকোর্টে একজন স্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের দাবি তুলেছেন বিচারপতি মেহতা।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২ আগস্ট, ১০ আগস্ট এবং ১৭ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে এই চিঠিগুলি দেওয়া হয়েছে। চিঠির অনুলিপি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের অন্যান্য সদস্য এবং ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছেও পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বিচারপতি মেহতা অভিযোগ করেছেন যে, বিচারপতি শর্মা গত দশ মাস ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে রয়েছেন এবং এই সময়ে তিনি ব্যাপকভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। মাস্টার অফ দ্য রোস্টার হিসেবে নিজের প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে তিনি বেছে বেছে নির্দিষ্ট কিছু মামলা নিজের বেঞ্চে সরিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিশেষ করে প্রভাবশালী এবং বিত্তশালীদের সুবিধা পাইয়ে দিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে চিঠিতে দাবি করা হয়েছে।

বিচারপতি মেহতা তাঁর চিঠিতে একটি বিশেষ শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছেন যা আইনি মহলে ব্যাপক চর্চার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর একটি বেঞ্চ অন্য একটি মামলার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল যে, অবসরের ঠিক আগে কিছু বিচারপতির মধ্যে নিয়মবহির্ভূত নির্দেশ দেওয়ার বা ছক্কা হাঁকানোর একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সেই প্রসঙ্গ টেনেই বিচারপতি মেহতা তাঁর চিঠিতে লিখেছেন যে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিচারপতি শর্মা যেন ছক্কা হাঁকানোর লাইসেন্স পেয়ে গিয়েছেন।

চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিচারপতি শর্মা তাঁর সহকর্মী বিচারপতিদের প্রায়শই বদলি সহ বিভিন্ন প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের হুমকি দিয়ে থাকেন। উদয়পুরের কিছু বহুমূল্য জমির মামলা জোধপুর বেঞ্চ থেকে জয়পুর বেঞ্চে নিজের কাছে সরিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট উদাহরণও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও, লোক আদালতে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বজনপোষণের অভিযোগও সামনে আনা হয়েছে। অভিযোগ, জয়পুর মেট্রো নম্বর ওয়ানের এক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তিনি নিজের বাল্যবন্ধু এবং মেয়ের শ্বশুরকে নিয়োগ করেছেন।

বিচারপতি সঞ্জীব প্রকাশ শর্মা ২০১৬ সালের নভেম্বরে রাজস্থান হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে তাঁকে পাটনা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৩ সালের মার্চ মাসে তিনি স্বাস্থ্যের কারণে রাজস্থানে ফিরে আসার আবেদন জানালে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন কলেজিয়াম তা খারিজ করে তাঁকে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে বদলি করে। তবে ২০২৫ সালের মে মাসে তাঁকে পুনরায় রাজস্থান হাইকোর্টে ফিরিয়ে আনা হয় এবং পরে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পান।

বিচারপতি মেহতা নিজে একসময় রাজস্থান হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, বিচারপতি শর্মাকে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি করার জন্য একটি চেষ্টা চলছে, যা বিচারবিভাগের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। তাই অবিলম্বে অন্য কোনও রাজ্য থেকে একজন বিচারপতিকে রাজস্থানের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত একটি বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন যে বিচারপতি মেহতার তোলা অভিযোগগুলি যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/nation/supreme-court-justice-mehta-writes-to-cji-seeking-removal-of-rajasthan-hc-acting-chief-justice/feed/ 0 4256
তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী সাংসদকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের, দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ https://banglakal.com/nation/supreme-court-issues-notice-to-20-rebel-tmc-mps-orders-swift-resolution/ https://banglakal.com/nation/supreme-court-issues-notice-to-20-rebel-tmc-mps-orders-swift-resolution/#respond Wed, 26 Aug 2026 02:32:35 +0000 https://banglakal.com/?p=4236 নয়াদিল্লি, ২৬ আগস্ট:

লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের পদ খারিজের আবেদন দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে রয়েছে।এই আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।তাঁর দায়ের করা রিট পিটিশনের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালত ওই ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের কাছে জবাব তলব করে নোটিশ জারি করেছে।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলার শুনানি করে।শুনানির সময় বেঞ্চ প্রথমে লোকসভার স্পিকারকেও নোটিশ পাঠাতে চেয়েছিল।কিন্তু স্পিকার এবং লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের হয়ে আদালতে উপস্থিত থাকা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান যে, তিনি সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছেন।তিনি শীর্ষ আদালতকে জানান যে, স্পিকারের কার্যালয় থেকে ইতিমধ্যেই ওই ২০ জন সাংসদকে পদ খারিজের আবেদনের ভিত্তিতে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সলিসিটর জেনারেলের এই বক্তব্যের পর বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন যে, আদালত কোনো সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্দেশ দিতে চায় না।তবে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাতে এই বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হয়, তা নিশ্চিত করাই আদালতের মূল উদ্দেশ্য।বিচারপতি বাগচী স্পষ্ট করে দেন যে শুধু নোটিশ দেওয়াটাই মূল কথা নয়, একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটির নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।এরপরই শীর্ষ আদালত স্পিকারকে নোটিশ পাঠানো থেকে বিরত থেকে লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেল এবং সংশ্লিষ্ট সাংসদদের নোটিশ পাঠায়।

এই ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের মধ্যে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, দীপক দেব অধিকারী, ইউসুফ পাঠান, জুন মালিয়া সহ অন্যান্যরা।জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জয়লাভ করার পর এই সাংসদরা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই নামক একটি দলে যোগ দেন।তাঁরা লোকসভায় একটি পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতির দাবিও জানিয়েছিলেন।সদ্য সমাপ্ত বাদল অধিবেশনে তাঁদের লোকসভায় আলাদা বসার জায়গাও দেওয়া হয়েছিল।

সংবিধানের দশম তফসিল বা দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় এই সাংসদদের পদ খারিজ করার জন্য স্পিকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।গত ১৮ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার স্পিকারের কাছে এই বিষয়ে প্রথম আবেদন জমা দেন।এরপর স্পিকারের তরফে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ায় তিনি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন।

সুপ্রিম কোর্টের নোটিশ জারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লোকসভার সচিবালয় থেকে তৎপরতা শুরু হয়।স্পিকারের কার্যালয় থেকে ওই ২০ জন সাংসদের কাছে পৃথকভাবে নোটিশ পাঠিয়ে তৃণমূলের দায়ের করা পদ খারিজের আবেদনের বিষয়ে আগামী সাত দিনের মধ্যে জবাব জমা দিতে বলা হয়েছে।সাংসদদের পাঠানো এই উত্তরগুলি বিবেচনা করার পর লোকসভার স্পিকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/nation/supreme-court-issues-notice-to-20-rebel-tmc-mps-orders-swift-resolution/feed/ 0 4236
সিকিমে ভোটার তালিকা সংশোধনে ২০০২ সালের ভিত্তিকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট https://banglakal.com/nation/supreme-court-declines-plea-challenging-election-commissions-2002-baseline-for-sikkim-electoral-roll-revision/ https://banglakal.com/nation/supreme-court-declines-plea-challenging-election-commissions-2002-baseline-for-sikkim-electoral-roll-revision/#respond Mon, 17 Aug 2026 08:30:28 +0000 https://banglakal.com/?p=3961 নয়াদিল্লি, ১৭ আগস্ট:

সিকিমের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR)-এর ভিত্তি হিসেবে ২০০২ সালের ভোটার তালিকাকে নির্বাচন কমিশনের বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ এই পিটিশনে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছে। আদালত জানিয়েছে, গোটা দেশে নির্বাচন কমিশনের একটি অভিন্ন নীতি রয়েছে এবং সিকিমের এই প্রক্রিয়ায় সেখানকার কোনও রাজনৈতিক দল বা অন্য কোনও পক্ষ কোনও আপত্তি জানায়নি। তা ছাড়া আগামী ৬ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে যাবতীয় প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

আবেদনকারীদের পক্ষে আদালতে সওয়াল করে যুক্তি দেওয়া হয় যে, সিকিমের ভৌগোলিক, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট দেশের অন্যান্য অংশের চেয়ে আলাদা। ১৯৭৫ সালে ভারতভুক্তির পর সংবিধানের বিশেষ কাঠামোর মধ্যে সিকিম রয়েছে। তাদের অভিযোগ ছিল, ২০০২ সালের আগে হওয়া ভোটার তালিকাগুলিকে এড়িয়ে কেন নির্দিষ্টভাবে ২০০২ সালকেই ভিত্তি হিসেবে নির্ধারণ করা হলো, তার কোনো যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি সিকিমের বর্তমান সামগ্রিক প্রজনন হার বা ফার্টিলিটি রেট মাত্র ১.১ শতাংশ হওয়া সত্ত্বেও ভোটার বৃদ্ধির হারের সঙ্গে জনসংখ্যার তথ্যের ফারাক দেখা যাচ্ছে বলে আদালতে দাবি করা হয়।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে শীর্ষ আদালতকে জানানো হয়, সিকিমে শেষবার ২০০২ সালেই সামগ্রিক নিবিড় সংশোধনের কাজ হয়েছিল। ফলে সেই তালিকাকেই ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, এই মুহূর্তে সেই ভিত্তি পরিবর্তন করতে গেলে গোটা সংশোধন প্রক্রিয়াটি আবার নতুন করে শুরু করতে হবে, যা আগামী ৬ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ আবেদনটি পর্যবেক্ষণ করে জানায়, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়াটি ইতিমধ্যে দাবি ও আপত্তি নিষ্পত্তির চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছে গিয়েছে। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক দল ও রাজ্য অংশীদারদের কোনও ধরনের আপত্তি না থাকা এবং জাতীয় নীতি বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে শীর্ষ আদালত আবেদনটি শুনতে বা এ বিষয়ে কোনো নির্দেশ দিতে অস্বীকার করে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/nation/supreme-court-declines-plea-challenging-election-commissions-2002-baseline-for-sikkim-electoral-roll-revision/feed/ 0 3961
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে গণহারে নাম বাদ নিয়ে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর ও আইনজীবী সামিম আজ সুপ্রিম কোর্ট https://banglakal.com/state/west-bengal-mass-voter-deletions-supreme-court-declines-to-impose-timeline-on-tribunals-seeks-report-from-election-commission/ https://banglakal.com/state/west-bengal-mass-voter-deletions-supreme-court-declines-to-impose-timeline-on-tribunals-seeks-report-from-election-commission/#respond Tue, 11 Aug 2026 09:12:42 +0000 https://banglakal.com/?p=3746 নয়াদিল্লি, ১১ অগাস্ট:

পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা পরিষ্করণ বা স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে গণহারে সাধারণ নাগরিকদের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ আইনি পর্যবেক্ষণ জানাল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। লাইভল ইন্ডিয়া-এর আইনি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে জমা পড়া আপিলগুলো নিষ্পত্তির জন্য আপিল ট্রাইব্যুনাল বা বিচারবিভাগীয় বেঞ্চগুলোর ওপর কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা চাপিয়ে দিতে শীর্ষ আদালত সরাসরি অস্বীকার করেছে। তবে আপিলগুলো নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে যে ব্যাপক দীর্ঘসূত্রিতা দেখা যাচ্ছে, তা নিরসনে শীর্ষ আদালত ওই ট্রাইব্যুনালগুলোর সার্বিক কর্মক্ষমতা এবং তাদের লজিস্টিক বা পরিকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার ওপর নিয়মিত নজরদারি চালাতে সম্মত হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ ভারতের নির্বাচন কমিশনের কাছে এই আপিল নিষ্পত্তির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং নিখুঁত পরিসংখ্যান জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আদালত এবং আইনি মহলের খবর অনুযায়ী, এই মামলার প্রেক্ষাপটে কলকাতা হাইকোর্টের একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর এবং গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট তাদের পূর্ববর্তী পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল যে, প্রায় ৩৪ লক্ষ বিচারাধীন মামলার ক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়ায় আনুমানিক ২১ বছর পর্যন্ত দীর্ঘসূত্রিতা বা বিলম্বের সৃষ্টি হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক সাধারণ নাগরিকের ভোটার তালিকা সংক্রান্ত অভিযোগ দীর্ঘকাল ধরে অমীমাংসিত পড়ে থাকার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের। কলকাতা হাইকোর্টের সেই সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছে যে, এত বিশাল সংখ্যক আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালগুলো ঠিক কী গতিতে কাজ করছে এবং এই প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করতে কমিশনের কাছে কী ধরনের রূপরেখা রয়েছে।

বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দায়ের করা একটি জনস্বার্থ পিটিশনের ভিত্তিতেই সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আবেদনকারীর পক্ষ থেকে আপিল নিষ্পত্তির জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা টাইমলাইন নির্ধারণ করে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল, যাতে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া নাগরিকরা দ্রুত ন্যায়বিচার পান। কিন্তু শুনানিকালে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে, বিচারবিভাগীয় প্রক্রিয়ায় এহেন সময়সীমা বেঁধে দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। এর পরিবর্তে শীর্ষ আদালত আপিল নিষ্পত্তির পরিমাণের বা ডিসপোজাল ভলিউমের ওপর সর্বাধিক জোর দিয়েছে। অর্থাৎ, প্রতিটি মামলার চূড়ান্ত ফলাফল কী হচ্ছে তার চেয়েও বড় কথা হলো, ট্রাইব্যুনালগুলো ঠিক কত দ্রুত এবং কত বেশি সংখ্যক মামলার নিষ্পত্তি করতে পারছে, আদালত প্রধানত সেই পরিসংখ্যান বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখবে।

এর পাশাপাশি, এই মামলার শুনানিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপিত হয়েছিল। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার কারণে অনেক সাধারণ নাগরিক বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা বা বেনিফিট থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই মুহূর্তে মামলাটিকে বৃহত্তর পরিসরে প্রসারিত করতে বা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চনার বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে যে, বর্তমান আইনি প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র ভোটার তালিকা সংশোধন এবং আপিল ট্রাইব্যুনালের কাজকর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। নির্বাচন কমিশনকে আপিল নিষ্পত্তির সম্পূর্ণ ডেটা বা পরিসংখ্যান প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন হিসেবে আগামী ২৫ অগাস্ট তারিখটি ধার্য করেছে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/state/west-bengal-mass-voter-deletions-supreme-court-declines-to-impose-timeline-on-tribunals-seeks-report-from-election-commission/feed/ 0 3746
ডিম ছুড়ছে তাতেই ভয়, স্বাধীনতা সংগ্রামীরা তো গুলি খেয়েছেন! মহুয়াকে থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলল সুপ্রিম কোর্ট https://banglakal.com/state/supreme-court-dismisses-tmc-mp-mahua-moitras-plea-for-virtual-appearance-directs-physical-presence-before-investigating-officer/ https://banglakal.com/state/supreme-court-dismisses-tmc-mp-mahua-moitras-plea-for-virtual-appearance-directs-physical-presence-before-investigating-officer/#respond Fri, 07 Aug 2026 14:48:24 +0000 https://banglakal.com/?p=3552 নয়াদিল্লি, ৭ আগস্ট:

তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্রের ভার্চুয়াল মাধ্যমে তদন্তকারী কর্মকর্তার সামনে হাজির হওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি শীল নাগুর সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ মহুয়া মৈত্রের এই সংক্রান্ত আবেদন খারিজ করে দেয়। তদন্ত প্রক্রিয়া চলাকালীন ভারতীয় জনতা পার্টির সমর্থকদের দ্বারা ডিম ছোড়ার যে সংঘাতময় আশঙ্কার কথা তুলে ধরে বিশেষ সুরক্ষা ও ভার্চুয়াল হাজিরার অনুদান চেয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র, তাকে একজন সক্রিয় রাজনীতিকের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণরূপে অনুপযুক্ত এবং অনভিপ্রেত মন্তব্য বলে আখ্যা দেয় শীর্ষ আদালত।

সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন বিতর্কিত ভিডিও এবং একটি বিশেষ ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে রুজু হওয়া প্রথম তথ্য বিবরণী বা এফআইআরের প্রেক্ষিতে শুরু হওয়া তদন্ত প্রক্রিয়ায় সুরক্ষা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এই তৃণমূল সাংসদ। এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে অন্তর্বর্তী আইনি স্বস্তি প্রদান করলেও তদন্তকারী আধিকারিকের সম্মুখে সশরীরে উপস্থিত থাকার বিষয়টিকে বাধ্যতামূলক নির্দেশ হিসেবেই বহাল রেখেছিল। কলকাতা হাইকোর্টের সেই সুনির্দিষ্ট নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণ দর্শিয়ে সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন তিনি। তবে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বিপীঠ তাঁর এই আর্জি গ্রহণে সম্পূর্ণ অনিচ্ছা প্রকাশ করায় এবং বেশ কিছু প্রখর পর্যবেক্ষণ ব্যক্ত করায় শেষ পর্যন্ত শীর্ষ আদালত থেকে নিজের আবেদনটি প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হন এই সাংসদ।

মামলার শুনানিকালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বেঞ্চ অত্যন্ত কঠোর ও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য পেশ করে। আদালত তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রশ্ন তোলে, ভারতের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা সংগ্রামীরা যখন নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে নির্দ্বিধায় বুলেটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলেন, সেখানে একজন বর্তমান দায়িত্বশীল আইনপ্রণেতা বা সংসদ সদস্য হয়ে ডিম ছোড়ার মতো ঘটনাকে কেন এত ভয় পাচ্ছেন। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ রাজনৈতিক জীবনের বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার তাগিদ দিয়ে বিচারপতির বেঞ্চ আরও জানতে চায়, কেন এই বিশেষ পরিস্থিতিতে আইনি তদন্তের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ভার্চুয়াল শুনানির দরকার পড়বে। শীর্ষ আদালতের এমন নজিরবিহীন কঠোর অবস্থানের মুখে পড়ে মহুয়া মৈত্রের পক্ষে থাকা আইনজীবী শেষ পর্যন্ত মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান।

পুরো আইনি প্রক্রিয়াটির সূত্রপাত মহুয়া মৈত্রের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একাধিক বক্তব্য এবং পোস্টের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় রুজু হওয়া একটি এফআইআরকে কেন্দ্র করে। সেই তদন্ত প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে যাওয়ার সময় বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থকদের পক্ষ থেকে হামলা, বিশৃঙ্খলা এবং বিশেষ করে ডিম ছোড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে আদালতের কাছে বিশেষ সুরক্ষার ছাতা চেয়েছিলেন তিনি। তবে সুপ্রিম কোর্ট অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, রাজনীতির আঙিনায় সক্রিয় থাকা কোনো শীর্ষ ব্যক্তিত্বের পক্ষে এ ধরনের সামান্যতম আশঙ্কা প্রকাশ করে সশরীরে হাজিরা এড়ানোর পথ খোঁজা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ফলে কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া পূর্বের সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত হিসেবে বহাল রইল, যার ভিত্তিতে তাঁকে তদন্তকারী কর্মকর্তার সামনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে সমস্ত আইনি জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হতে হবে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/state/supreme-court-dismisses-tmc-mp-mahua-moitras-plea-for-virtual-appearance-directs-physical-presence-before-investigating-officer/feed/ 0 3552
আশারাম বাপুর অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জির শুনানিতে মেডিকেল রিপোর্ট পেশ এমসের, রাজস্থান হাইকোর্টের সাজাকে চ্যালেঞ্জ করা মামলার পুনঃশুনানি শুরু সুপ্রিম কোর্টে https://banglakal.com/nation/supreme-court-resumes-hearing-on-asaram-bapu-appeal-aiims-medical-report-submitted/ https://banglakal.com/nation/supreme-court-resumes-hearing-on-asaram-bapu-appeal-aiims-medical-report-submitted/#respond Tue, 04 Aug 2026 05:44:43 +0000 https://banglakal.com/?p=3469 নতুন দিল্লি, ০৪ আগস্ট:যৌন নির্যাতন মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু আশারাম বাপুর অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন এবং সাজা স্থগিতের আর্জি সংক্রান্ত মামলায় আবার শুনানি শুরু হলো ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। ২০১৩ সালে যোধপুরের আশ্রমে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক ভক্তকে যৌন নিপীড়নের দায়ে নিম্ন আদালত আশারামকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল, যা পরবর্তীতে বহাল রাখে রাজস্থান হাইকোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন আশারাম। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতা ও অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে চিকিৎসার জন্য অন্তর্বর্তী জামিন চেয়েছিলেন তিনি। এই প্রেক্ষিতে দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস বা এমসের পক্ষ থেকে সম্প্রতি আশারামের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত রিপোর্ট আদালতে পেশ করা হয়েছে।

বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালে-র সমন্বয়ে গঠিত শীর্ষ আদালতের একটি ডিভিশন বেঞ্চের সামনে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গত শুনানিতে আদালত এমস-এর চিকিৎসকদের নিয়ে একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল, যাতে আশারামের বর্তমান শারীরিক অবস্থা এবং হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসার আদৌ কোনো প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কি না তা পর্যালোচনা করা যায়। আদালতের সেই নির্দেশনা মেনে পেশ করা এমসের সাম্প্রতিক মেডিকেল রিপোর্টে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে আশারাম বাপুর চিকিৎসার জন্য তাকে এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি করার মতো কোনো আবশ্যিক শারীরিক পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। চিকিৎসকদের দেওয়া এই মূল্যায়ন রিপোর্ট আদালতের এজলাসে পেশ করা হলে বেঞ্চ বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য পরবর্তী পর্যায়ে স্থগিত বা পাস ওভার রাখে।

আশারামের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন যে তাঁর মক্কেলের বয়স ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে এবং তিনি হৃদরোগ ও অন্যান্য বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন, ফলে তাঁকে বিশেষ চিকিৎসাসেবা প্রদান করা জরুরি। অন্যদিকে প্রসিকিউশন ও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জামিনের আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করা হয়। তাদের যুক্তি, অতীতেও জামিনের সুযোগ নিয়ে তদন্ত প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছিল এবং এমসের মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী জেলে রেখেই তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিচালনা সম্ভব। চিকিৎসকদের মূল্যায়নে জরুরি হাসপাতালে ভর্তির বাধ্যবাধকতা নাকচ হওয়ায় আশারামের অন্তর্বর্তী জামিন পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আইনি জল্পনা তৈরি হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বেঞ্চ উভয় পক্ষের যুক্তি ও এমসের মেডিকেল রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করে মামলার পরবর্তী শুনানি ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

]]>
https://banglakal.com/nation/supreme-court-resumes-hearing-on-asaram-bapu-appeal-aiims-medical-report-submitted/feed/ 0 3469