#tb #TB #Day – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Wed, 25 Mar 2026 17:24:02 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 #tb #TB #Day – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন, সচেতনতার উপর জোর https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d/#respond Wed, 25 Mar 2026 09:49:26 +0000 https://banglakal.com/?p=2441 বাঁকুড়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের সোনামুখী উত্তর চক্রের অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মদনপুর জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় ৪৫তম আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন করা হয়। এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা সচেতনতা মূলক শ্লোগান দিতে দিতে বাদ্যযন্ত্র ও বিউগল বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে গ্রাম পরিক্রমা করেন। শোভাযাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

পরে বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষকরা Tuberculosis বা যক্ষা রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে এই দিবস পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— “হ্যাঁ, আমরা যক্ষা নির্মূল করতে পারি, দেশগুলোর নেতৃত্বে মানুষের দ্বারা চালিত (Yes, we can end TB: led by countries, powered by people)”, যা ২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষা নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বিনিয়োগ এবং জনসচেতনতার উপর বিশেষ জোর দেয়।

এ বছরের মূল লক্ষ্য ছিল যক্ষা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নতুন রোগী শনাক্তকরণ এবং বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

এক সময় “যদি হয় যক্ষা, থাকবে না রক্ষা”—এই কথাটি সমাজে প্রচলিত ছিল, কারণ অতীতে এই রোগে মৃত্যুহার ছিল অত্যন্ত বেশি। তবে ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ Robert Koch যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন, যার ফলে এই মারণ রোগের চিকিৎসার পথ উন্মুক্ত হয়। এই আবিষ্কারের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৯৮২ সাল থেকে প্রতি বছর ২৪ মার্চ আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় ঘোষ জানান, যক্ষা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে সহজেই সুস্থ হওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, ১৯৯৩ সালে যক্ষাকে গ্লোবাল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হলেও এখনও এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। তবে সচেতনতা ও উন্নত চিকিৎসার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ সালে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ২৩৭ জন যক্ষায় আক্রান্ত হলেও বর্তমানে তা কমে ১৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে এবং মৃত্যুহার ২১% হ্রাস পেয়েছে।

তিনি সকলকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে যক্ষা নির্মূল করি।” এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভয় দূর করা। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়লে তবেই এই কর্মসূচির সার্থকতা অর্জিত হবে।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d/feed/ 0 2441
বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন, সচেতনতার উপর জোর https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6-2/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6-2/#respond Wed, 25 Mar 2026 09:49:26 +0000 https://banglakal.com/?p=2443 বাঁকুড়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের সোনামুখী উত্তর চক্রের অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মদনপুর জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় ৪৫তম আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন করা হয়। এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা সচেতনতা মূলক শ্লোগান দিতে দিতে বাদ্যযন্ত্র ও বিউগল বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে গ্রাম পরিক্রমা করেন। শোভাযাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

পরে বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষকরা Tuberculosis বা যক্ষা রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে এই দিবস পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— “হ্যাঁ, আমরা যক্ষা নির্মূল করতে পারি, দেশগুলোর নেতৃত্বে মানুষের দ্বারা চালিত (Yes, we can end TB: led by countries, powered by people)”, যা ২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষা নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বিনিয়োগ এবং জনসচেতনতার উপর বিশেষ জোর দেয়।

এ বছরের মূল লক্ষ্য ছিল যক্ষা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নতুন রোগী শনাক্তকরণ এবং বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

এক সময় “যদি হয় যক্ষা, থাকবে না রক্ষা”—এই কথাটি সমাজে প্রচলিত ছিল, কারণ অতীতে এই রোগে মৃত্যুহার ছিল অত্যন্ত বেশি। তবে ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ Robert Koch যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন, যার ফলে এই মারণ রোগের চিকিৎসার পথ উন্মুক্ত হয়। এই আবিষ্কারের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৯৮২ সাল থেকে প্রতি বছর ২৪ মার্চ আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় ঘোষ জানান, যক্ষা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে সহজেই সুস্থ হওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, ১৯৯৩ সালে যক্ষাকে গ্লোবাল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হলেও এখনও এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। তবে সচেতনতা ও উন্নত চিকিৎসার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ সালে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ২৩৭ জন যক্ষায় আক্রান্ত হলেও বর্তমানে তা কমে ১৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে এবং মৃত্যুহার ২১% হ্রাস পেয়েছে।

তিনি সকলকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে যক্ষা নির্মূল করি।” এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভয় দূর করা। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়লে তবেই এই কর্মসূচির সার্থকতা অর্জিত হবে।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6-2/feed/ 0 2443
বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন, সচেতনতার উপর জোর https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-awareness/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-awareness/#respond Wed, 25 Mar 2026 09:49:26 +0000 https://banglakal.com/?p=2445 বাঁকুড়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের সোনামুখী উত্তর চক্রের অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মদনপুর জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় ৪৫তম আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন করা হয়। এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা সচেতনতা মূলক শ্লোগান দিতে দিতে বাদ্যযন্ত্র ও বিউগল বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে গ্রাম পরিক্রমা করেন। শোভাযাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

পরে বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষকরা Tuberculosis বা যক্ষা রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে এই দিবস পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— “হ্যাঁ, আমরা যক্ষা নির্মূল করতে পারি, দেশগুলোর নেতৃত্বে মানুষের দ্বারা চালিত (Yes, we can end TB: led by countries, powered by people)”, যা ২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষা নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বিনিয়োগ এবং জনসচেতনতার উপর বিশেষ জোর দেয়।

এ বছরের মূল লক্ষ্য ছিল যক্ষা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নতুন রোগী শনাক্তকরণ এবং বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

এক সময় “যদি হয় যক্ষা, থাকবে না রক্ষা”—এই কথাটি সমাজে প্রচলিত ছিল, কারণ অতীতে এই রোগে মৃত্যুহার ছিল অত্যন্ত বেশি। তবে ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ Robert Koch যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন, যার ফলে এই মারণ রোগের চিকিৎসার পথ উন্মুক্ত হয়। এই আবিষ্কারের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৯৮২ সাল থেকে প্রতি বছর ২৪ মার্চ আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় ঘোষ জানান, যক্ষা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে সহজেই সুস্থ হওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, ১৯৯৩ সালে যক্ষাকে গ্লোবাল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হলেও এখনও এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। তবে সচেতনতা ও উন্নত চিকিৎসার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ সালে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ২৩৭ জন যক্ষায় আক্রান্ত হলেও বর্তমানে তা কমে ১৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে এবং মৃত্যুহার ২১% হ্রাস পেয়েছে।

তিনি সকলকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে যক্ষা নির্মূল করি।” এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভয় দূর করা। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়লে তবেই এই কর্মসূচির সার্থকতা অর্জিত হবে।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-awareness/feed/ 0 2445
বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন, সচেতনতার উপর জোর https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-bakura/ https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-bakura/#respond Wed, 25 Mar 2026 09:49:26 +0000 https://banglakal.com/?p=2447 বাঁকুড়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের সোনামুখী উত্তর চক্রের অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মদনপুর জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় ৪৫তম আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস পালন করা হয়। এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা সচেতনতা মূলক শ্লোগান দিতে দিতে বাদ্যযন্ত্র ও বিউগল বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে গ্রাম পরিক্রমা করেন। শোভাযাত্রার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

পরে বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষকরা Tuberculosis বা যক্ষা রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রতি বছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে এই দিবস পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল— “হ্যাঁ, আমরা যক্ষা নির্মূল করতে পারি, দেশগুলোর নেতৃত্বে মানুষের দ্বারা চালিত (Yes, we can end TB: led by countries, powered by people)”, যা ২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষা নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বিনিয়োগ এবং জনসচেতনতার উপর বিশেষ জোর দেয়।

এ বছরের মূল লক্ষ্য ছিল যক্ষা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নতুন রোগী শনাক্তকরণ এবং বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

এক সময় “যদি হয় যক্ষা, থাকবে না রক্ষা”—এই কথাটি সমাজে প্রচলিত ছিল, কারণ অতীতে এই রোগে মৃত্যুহার ছিল অত্যন্ত বেশি। তবে ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ Robert Koch যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন, যার ফলে এই মারণ রোগের চিকিৎসার পথ উন্মুক্ত হয়। এই আবিষ্কারের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১৯৮২ সাল থেকে প্রতি বছর ২৪ মার্চ আন্তর্জাতিক যক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দময় ঘোষ জানান, যক্ষা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে সহজেই সুস্থ হওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, ১৯৯৩ সালে যক্ষাকে গ্লোবাল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হলেও এখনও এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। তবে সচেতনতা ও উন্নত চিকিৎসার ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ সালে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ২৩৭ জন যক্ষায় আক্রান্ত হলেও বর্তমানে তা কমে ১৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে এবং মৃত্যুহার ২১% হ্রাস পেয়েছে।

তিনি সকলকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে যক্ষা নির্মূল করি।” এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভয় দূর করা। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়লে তবেই এই কর্মসূচির সার্থকতা অর্জিত হবে।

]]>
https://banglakal.com/middle-east/middleeast/international-tb-day-bakura/feed/ 0 2447