tmc – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Fri, 27 Mar 2026 14:51:55 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 tmc – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 রাণীনগরে তৃণমূলের বড় ভাঙন: কংগ্রেসে যোগ দিলেন শাহ আলমসহ ৭ পঞ্চায়েত সদস্য https://banglakal.com/state/tmc-workers-join-congress-in-raninagar/ https://banglakal.com/state/tmc-workers-join-congress-in-raninagar/#respond Fri, 27 Mar 2026 14:51:04 +0000 https://banglakal.com/?p=2450

রাণীনগর: দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুর্শিদাবাদের রাণীনগরে শাসক শিবিরে বড়সড় ভাঙন ধরল। তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করলেন রাণীনগরের দাপুটে নেতা শাহ আলম। তাঁর সঙ্গেই দল ছাড়লেন পঞ্চায়েতের আরও ৭ জন সদস্য এবং শতাধিক সক্রিয় কর্মী-সমর্থক।

শুক্রবার রাণীনগরে শাহ আলমের নিজস্ব বাসভবনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে রাণীনগর ১ ব্লকের সহ-সভাপতি জুলফিকার আলীর হাত ধরে তাঁরা কংগ্রেসের পতাকা তুলে নেন। বেশ কিছুদিন ধরেই শাহ আলমের দলবদল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কানাঘুষো চলছিল, আজ তাতে শীলমোহর পড়ল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শাহ আলমের এই দলবদল রাণীনগর বিধানসভা এলাকায় কংগ্রেসের জমি আরও শক্ত করল।

  • তৃণমূলের ক্ষতি: পঞ্চায়েত স্তরের ৭ জন সদস্য একসঙ্গে দল ছাড়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় শাসক দল সাংগঠনিকভাবে কিছুটা ধাক্কা খেল।
  • কংগ্রেসের শক্তি বৃদ্ধি: শাহ আলমের অনুগামী ও শতাধিক কর্মীর উপস্থিতিতে এলাকায় কংগ্রেসের মনোবল তুঙ্গে।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, শাহ আলমের যোগদানে আগামী নির্বাচনে রাণীনগর বিধানসভা আসনটি কংগ্রেসের জন্য জয়লাভ করা অনেক বেশি সহজ হয়ে উঠবে।

যোগদান শেষে শাহ আলম জানান, এলাকার উন্নয়ন এবং কর্মীদের স্বার্থ রক্ষার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

যোগদান কর্মসূচি শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জুলফিকার আলী বলেন:

আজকের এই যোগদান রাণীনগরের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। শাহ আলম সাহেবের মতো দক্ষ সংগঠক এবং পঞ্চায়েতের ৭ জন সদস্যের আমাদের দলে আসা প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ এবং কর্মীরা এখন কংগ্রেসের আদর্শের ওপরই ভরসা রাখছেন। তৃণমূলের অপশাসনে মানুষ বীতশ্রদ্ধ, তাই একের পর এক পঞ্চায়েত সদস্য ও কর্মী-সমর্থকরা আজ আমাদের হাত শক্ত করছেন। শাহ আলম ও তাঁর অনুগামীদের উপস্থিতিতে রাণীনগর বিধানসভায় কংগ্রেস এখন অপরাজেয়। আগামী দিনে আমরা এই ব্লকের প্রতিটি কোণায় কংগ্রেসের ঝাণ্ডা আরও উঁচুতে তুলে ধরব।”

]]>
https://banglakal.com/state/tmc-workers-join-congress-in-raninagar/feed/ 0 2450
টিকিট না পেয়ে রাজনীতিতে ইতি! ওকালতিতে ফেরার ইঙ্গিত চুঁচুড়ার বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারের https://banglakal.com/state/outgoing-chinsurah-mla-asit-majumdar-hints-at-return-to-advocacy-after-not-getting-ticket/ https://banglakal.com/state/outgoing-chinsurah-mla-asit-majumdar-hints-at-return-to-advocacy-after-not-getting-ticket/#respond Wed, 18 Mar 2026 10:07:40 +0000 https://banglakal.com/?p=2416 নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে শুরু হয়েছে মান-অভিমান আর দলবদলের পালা। তবে চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রে এবার সবথেকে বড় চমক বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারের রাজনৈতিক সন্ন্যাস। টানা তিনবারের বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও এবার দল তাঁর ওপর ভরসা না রাখায় একরাশ ক্ষোভ ও অভিমান নিয়ে রাজনীতির ময়দান ছাড়ার ঘোষণা করলেন তিনি।

​‘আমরা তো চুনোপুটির লোক’

​দলীয় সিদ্ধান্তে তাঁর জায়গায় তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যকে প্রার্থী করায় স্বভাবতই মুষড়ে পড়েছেন অসিতবাবু। সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের আক্ষেপ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা তো চুনোপুটি লোক, দল আমাদের সাথে কেন কথা বলবে? আমি মনে করেছি আমার কাজে খামতি নেই, কিন্তু দল হয়তো খামতি খুঁজে পেয়েছে। না হলে তিনবার জেতার পর এবার কেন টিকিট দেওয়া হলো না?” তাঁর অনুগামীদের ক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি জানান, মানুষের ভালোবাসা আছে বলেই তাদের মন ভেঙেছে, তবে সময়ের সাথে সব ঠিক হয়ে যাবে।

​বই আর ওকালতিতেই নতুন জীবন

​রাজনীতি থেকে আপাতত ‘বিশ্রাম’ নেওয়ার কথা জানিয়ে অসিত মজুমদার তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি জানান, “একদম তো বেকার হয়ে যাইনি। আমার উকিলের ডিগ্রি আছে, বার কাউন্সিলের সার্টিফিকেটও আছে। দরকার পড়লে আবার ওকালতি শুরু করব। এছাড়া বই পড়া আর ক্লাবে সময় কাটিয়ে দিন কাটাব।” দলের প্রতি কিছুটা বিদ্রুপের সুরে তিনি যোগ করেন, “দল কাজ করতে বললেই কি করতে হবে? আমি কি একা ঠ্যাকা নিয়েছি নাকি?”

​দলবদল কি সময়ের অপেক্ষা?

​রাজনীতি ছাড়ার কথা বললেও অন্য দলে যোগ দেওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা জিইয়ে রেখেছেন তিনি। বিজেপি বা অন্য কোনো শিবিরে যাচ্ছেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি সরাসরি ‘না’ বলেননি। তিনি জানান, “এখনো কিছু ভেবে দেখিনি। আমার একটা রাজনৈতিক পরিবার ও অনুগামীরা আছে। তাঁদের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করব।”

​২০১১ সালে বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে চুঁচুড়া থেকে ঘাসফুল ফুটিয়েছিলেন অসিত মজুমদার। দীর্ঘ ১৫ বছর বিধায়ক থাকার পর তাঁর এই ‘সন্ন্যাস’ ঘোষণা হুগলি জেলার রাজনীতিতে তৃণমূলের অন্দরে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

]]>
https://banglakal.com/state/outgoing-chinsurah-mla-asit-majumdar-hints-at-return-to-advocacy-after-not-getting-ticket/feed/ 0 2416
জৌগ্রাম বিতর্কের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই জারো গ্রামে মাস্টারস্ট্রোক তৃণমূলের https://banglakal.com/state/trinamools-masterstroke-in-jaro-village-within-24-hours-of-the-jaugram-controversy/ https://banglakal.com/state/trinamools-masterstroke-in-jaro-village-within-24-hours-of-the-jaugram-controversy/#respond Thu, 26 Feb 2026 11:18:21 +0000 https://banglakal.com/?p=2208

জামালপুর: রাজনীতির ময়দানে কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, বরং উন্নয়নের মাধ্যমেই বিরোধীদের জবাব দিতে চায় শাসকদল। গতকাল জৌগ্রামে পথশ্রী প্রকল্পের সরকারি সাইনবোর্ডে বিজেপির পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, আজ তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই নতুন প্রকল্পের সূচনা করে কার্যত মাস্টারস্ট্রোক দিল তৃণমূল কংগ্রেস।

গতকাল জামালপুরের জৌগ্রামে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের সরকারি বিজ্ঞাপনের ওপর বিজেপির পোস্টার দেখা যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চরম বাদানুবাদ শুরু হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে একে সরকারি প্রকল্পের অবমাননা বলে দাবি করা হয়, অন্যদিকে বিজেপি সেই অভিযোগ অস্বীকার করে। জেলাজুড়ে এই নিয়ে যখন চর্চা তুঙ্গে, ঠিক তখনই আজ জাড়গ্রাম অঞ্চলে নতুন রাস্তার কাজ শুরু করে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিল শাসকদল।

]]>
https://banglakal.com/state/trinamools-masterstroke-in-jaro-village-within-24-hours-of-the-jaugram-controversy/feed/ 0 2208
ভাঙড়ে তুলকালাম: বিধায়ক সওকাত মোল্লার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ও বোমাবাজি, কাঠগড়ায় আইএসএফ https://banglakal.com/state/mla-sawkat-mollas-car-targeted-in-shooting-and-bombing-isf-in-custody/ https://banglakal.com/state/mla-sawkat-mollas-car-targeted-in-shooting-and-bombing-isf-in-custody/#respond Sun, 22 Feb 2026 11:28:40 +0000 https://banglakal.com/?p=2183 নিজস্ব প্রতিনিধি, ভাঙড়: ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। শনিবার রাতে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা সওকাত মোল্লার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ও বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠল। পোলেরহাট থানার একেবারে ঢিল ছোড়া দূরত্বে এই ঘটনাটি ঘটায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

​ঘটনার বিবরণ

​স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ গাজিপুরে তৃণমূল নেতা খাইরুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় পোলেরহাট থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন সওকাত মোল্লা। সেখান থেকে কাজ সেরে ফেরার পথেই হামলার মুখে পড়ে তাঁর কনভয়। অভিযোগ, হঠাৎই তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি বোমা ছোড়া হয় ও গুলি চালানো হয়। বিধায়কের দেহরক্ষীদের তৎপরতায় বড়সড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হলেও ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

​পুলিশের ভূমিকা ও উদ্ধার

​খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পোলেরহাট থানার পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুটি তাজা বোমা এবং বোমার সুঁতুলি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ পুরো এলাকাটি ঘিরে রেখেছে এবং এই হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।

​রাজনৈতিক চাপানউতোর

​ঘটনার পর বিধায়ক সওকাত মোল্লা এই হামলার জন্য সরাসরি আইএসএফ (ISF) কর্মীদের দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, পরিকল্পনা করেই তাঁকে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয়েছে।

  • সওকাত মোল্লার বয়ান: “থানা থেকে ফেরার পথেই আমার ওপর হামলা চালানো হয়। আইএসএফ আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই বোমাবাজি ও গুলি চালিয়েছে।”
  • আইএসএফের প্রতিক্রিয়া: এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আইএসএফের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে খবর।

তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি:

পুলিশ সওকাত মোল্লার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করেছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

]]>
https://banglakal.com/state/mla-sawkat-mollas-car-targeted-in-shooting-and-bombing-isf-in-custody/feed/ 0 2183
লোকসভা স্পিকার ওম বিরলার অপসারণের প্রস্তাবে তৃণমূলের ‘না’ — বিরোধী ঐক্যে ফাটল? https://banglakal.com/nation/trinamools-no-to-the-proposal-to-remove-lok-sabha-speaker-om-birla-a-crack-in-the-opposition-unity/ https://banglakal.com/nation/trinamools-no-to-the-proposal-to-remove-lok-sabha-speaker-om-birla-a-crack-in-the-opposition-unity/#respond Mon, 16 Feb 2026 12:30:29 +0000 https://banglakal.com/?p=2102 নয়াদিল্লি, ১৬ ফেব্রুয়ারি: লোকসভায় চলমান অচলাবস্থা ও বিরোধীদের অভিযোগের মাঝে একটি নতুন মোড় নিয়েছে রাজনীতি। কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলি লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিরলার অপসারণের জন্য একটি প্রস্তাবের নোটিস জমা দিয়েছে। এই প্রস্তাবে প্রায় ১১৮-১২০ জন সাংসদের স্বাক্ষর রয়েছে, যার মধ্যে কংগ্রেস, ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টি, আরজেডি, বাম দলসহ একাধিক INDIA জোটের শরিক রয়েছে। কিন্তু এই উদ্যোগ থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ দূরে রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)।বিরোধীদের অভিযোগ, স্পিকার ওম বিরলা ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ ভাবে লোকসভার কার্য পরিচালনা করছেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীসহ অন্যান্য বিরোধী সাংসদদের বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়নি।

এছাড়া গত সপ্তাহে আটজন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, যা বিরোধী শিবির ‘একতরফা’ ও ‘সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার’ বলে দাবি করছে। সংবিধানের ৯৪(সি) অনুচ্ছেদের অধীনে এই প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে লোকসভা সেক্রেটারি জেনারেলের কাছে।তবে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা লোকসভায় দলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দলের অপসারণের প্রস্তাবে সই করতে কোনও আপত্তি নেই, কিন্তু এটিকে ‘শেষ অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত। তিনি বলেন, “প্রথমে স্পিকারের কাছে আমাদের অভিযোগগুলি লিখিতভাবে জানানো উচিত। তাঁকে সুযোগ দিতে হবে যাতে তিনি এই বিষয়ে সাড়া দেন। ‘সংযম’ (restraint) ও ‘গঠনমূলক’ (constructive) পদ্ধতি অবলম্বন করা দরকার।” অভিষেকের মতে, এই পদক্ষেপ ‘ক্যালিব্রেটেড’ হওয়া উচিত, না হলে বিরোধীদের দাবি দুর্বল হয়ে পড়বে।

তৃণমূলের এই অবস্থানকে অনেকে INDIA জোটের মধ্যে কৌশলগত স্বাধীনতা ও কংগ্রেসের নেতৃত্বের প্রতি অসন্তোষের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।এই ঘটনা INDIA জোটের ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তৃণমূলের এই ‘সোলো পোসচার’কে দলের নির্বাচনী কৌশলের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে, যেখানে তারা কংগ্রেসের পিছনে না দাঁড়িয়ে নিজস্ব পরিচয় তুলে ধরতে চায়। অন্যদিকে, বিজেপি এই প্রস্তাবকে ‘বিবেকহীন’ বলে কটাক্ষ করেছে এবং দাবি করেছে যে বিরোধীরা রাজনীতি থেকে ‘ইমপিচ’ হওয়া উচিত।লোকসভায় এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হলে তা সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতার পরীক্ষা হবে, যদিও অতীতে (১৯৮৭ সালের পর) এমন কোনও প্রস্তাব সফল হয়নি।

]]>
https://banglakal.com/nation/trinamools-no-to-the-proposal-to-remove-lok-sabha-speaker-om-birla-a-crack-in-the-opposition-unity/feed/ 0 2102
১২ ফেব্রুয়ারি ভারত বনধ: আগামীকাল কি স্কুল ছুটি? জানুন পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যের আপডেট https://banglakal.com/nation/12-february-indian-bandh/ https://banglakal.com/nation/12-february-indian-bandh/#respond Wed, 11 Feb 2026 18:19:50 +0000 https://banglakal.com/?p=2069 কলকাতা: আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দেশজুড়ে ‘ভারত বনধ’-এর ডাক দিয়েছে ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চ। নতুন শ্রম কোড বাতিল, বেসরকারীকরণ রোধ এবং প্রস্তাবিত ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩০ কোটি শ্রমিক এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন বলে দাবি আয়োজকদের। এই আবহে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মনে সবথেকে বড় প্রশ্ন— আগামীকাল কি স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে?

রাজ্যভিত্তিক পরিস্থিতির আপডেট

নিচে ভারতের প্রধান রাজ্যগুলোতে স্কুল খোলা বা বন্ধের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরা হলো:

  • পশ্চিমবঙ্গ (কলকাতা): রাজ্য সরকার বা শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে স্কুল বন্ধের কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তবে পরিবহণ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় কলকাতার বেশ কিছু বেসরকারি স্কুল আগামীকাল পঠন-পাঠন স্থগিত রাখার বা অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অভিভাবকদের নিজস্ব স্কুল কর্তৃপক্ষের বার্তার দিকে নজর রাখতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
  • কেরল: এই রাজ্যে বামপন্থী সংগঠনগুলোর প্রভাব বেশি থাকায় এবং ধর্মঘটের সমর্থনে বড় জমায়েতের সম্ভাবনা থাকায় প্রায় সমস্ত স্কুল ও কলেজ বন্ধ থাকার সম্ভাবনা প্রবল।
  • ওডিশা ও কর্ণাটক: ওডিশায় বনধের ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই অনেক জেলা প্রশাসন স্কুল ছুটির কথা বিবেচনা করছে। কর্ণাটকেও বিশেষ করে বেঙ্গালুরু ও মহীশূরে স্থানীয় পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে স্কুল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।
  • দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশ: দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় স্কুল খোলা থাকার কথা। তবে স্কুল বাস ও পরিবহণে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। উত্তরপ্রদেশেও সরকারিভাবে কোনো ছুটির ঘোষণা নেই।
  • পাঞ্জাব ও হরিয়ানা: এখানে কৃষক সংগঠনগুলো বনধকে সমর্থন জানানোয় গ্রামবাংলার দিকে জনজীবন ব্যাহত হতে পারে, তবে শহরাঞ্চলে স্কুল খোলা রাখারই প্রাথমিক ইঙ্গিত রয়েছে।

কী খোলা আর কী বন্ধ থাকবে?

বনধের প্রভাব জনজীবনের বিভিন্ন স্তরে পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও জরুরি পরিষেবাকে এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

বিভাগস্থিতি (সম্ভাবনা)
ব্যাঙ্ক পরিষেবাপাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্কের কর্মীরা ধর্মঘটে সামিল হওয়ায় লেনদেন ব্যাহত হতে পারে। এটিএম পরিষেবা সচল থাকবে।
গণপরিবহণসরকারি ও বেসরকারি বাস, অটো ও ট্যাক্সি চলাচল অনেক জায়গায় সীমিত হতে পারে।
জরুরি পরিষেবাহাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধের দোকান ও দমকল স্বাভাবিক থাকবে।
বিমান ও রেলউড়ান ও ট্রেন পরিষেবা সচল থাকবে, তবে স্টেশনে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষ পরামর্শ: বনধের সমর্থনে রাস্তায় মিছিল বা পিকেটিংয়ের জেরে যানজট হতে পারে। তাই আগামীকাল বাড়ির বাইরে বেরোনোর আগে স্থানীয় পরিস্থিতি যাচাই করে নেওয়া এবং স্কুলের পক্ষ থেকে কোনো শেষ মুহূর্তের বিজ্ঞপ্তি (Notification) দেওয়া হয়েছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি।

]]>
https://banglakal.com/nation/12-february-indian-bandh/feed/ 0 2069
শান্তিপুরে তাঁত শিল্প সম্মেলনে যোগ দিয়ে রাজ্যকে নিশানা কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রীর https://banglakal.com/state/union-textile-minister-targets-state-by-attending-weaving-industry-conference-in-santipur/ https://banglakal.com/state/union-textile-minister-targets-state-by-attending-weaving-industry-conference-in-santipur/#respond Mon, 09 Feb 2026 10:49:05 +0000 https://banglakal.com/?p=2016

শান্তিপুর: ‘এই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সবার আগে বন্ধ করা হবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী। বেছে বেছে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করা হবে। তন্তুদের জন্য হাফ তৈরি করেছে তৃণমূল সরকার, যেখানে বিক্রি করা হচ্ছে নকল শাড়ি। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর তন্তুজীবীদের জন্য খুলে যাবে ভাগ্যের চাকা। সঠিক দামে আসল তাঁতের শাড়ির জন্য একাধিক ব্যবস্থা করবে বিজেপি সরকার। বর্তমানে গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চলছে লুটপাটের সরকার। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি।’ রবিবার নদীয়ার শান্তিপুরে তাঁত শিল্পী সম্মেলনে যোগ দিয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সৌমিক ভট্টাচার্য, নদিয়ার রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার, ও বিজেপির একাধিক বিধায়ক। তাঁত শিল্প সম্মেলনের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গিরিরাজ সিং তুলে ধরেন শান্তিপুরের তাঁত শিল্প সহ গোটা রাজ্যের তাঁত শিল্পের উন্নয়নের কথা। বস্ত্র মন্ত্রীর দাবি,’ শান্তিপুরের হস্ত চালিত তাঁতশিল্প ধ্বংসের মুখে, সঠিক দাম পাচ্ছে না তন্তুরা। গোটা রাজ্যজুড়ে ছেয়ে গেছে নকল শাড়িতে, তাঁত শিল্পীদের কথা ভাবছে না তৃণমূল সরকার। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে তাঁত শিল্পীদের জন্য গোটা রাজ্যে গড়ে উঠবে একের পর এক উন্নয়ন। তাঁত শিল্পীদের ঘুরে যাবে ভাগ্যের চাকা। ন্যায্য মূল্য পাবে তাতিরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁত শিল্পীদের অবস্থা করুন। পাওয়ারলুমে তৈরি শাড়ি হ্যান্ডলুম বলে বিক্রি করা হচ্ছে। জামদানি শাড়ির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। তাঁত শিল্পীদের কথা ভাবছে না এই রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার চাইছে এই তাঁত শিল্পকে বিশ্বের দরবারে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরাও সেই চেষ্টা করছি।’ অন্যদিকে,  বিজেপির রাজ্য সভাপতি শ্রমিক ভট্টাচার্য কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না রাজ্যের শাসক দলকে। তুলে ধরলেন একাধিক দুর্নীতির কথা। কটাক্ষের সুরে সৌমিক ভট্টাচার্য বলেন, ‘তৃণমূল বলে আর কিছু নেই, তৃণমূল চলে গেছে, তৃণমূলের বিদায় নিশ্চিত।’

]]>
https://banglakal.com/state/union-textile-minister-targets-state-by-attending-weaving-industry-conference-in-santipur/feed/ 0 2016
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্ট কে কি কি বলেছিলেন https://banglakal.com/nation/mamata-banerjee-arguments-in-sc/ https://banglakal.com/nation/mamata-banerjee-arguments-in-sc/#respond Wed, 04 Feb 2026 14:18:40 +0000 https://banglakal.com/?p=1920 নয়াদিল্লি| ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ :আজ সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নজিরবিহীনভাবে নিজে সওয়াল করেছেন। তিনি Special Intensive Revision (SIR) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নিজের পিটিশন নিয়ে সরাসরি যুক্তি দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চের সামনে তিনি খুবই আবেগপ্রবণ এবং কড়া ভাষায় নির্বাচন কমিশনের (ECI) বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।

নীচে তাঁর প্রধান যুক্তিগুলো

  • শুধু নাম কাটা হচ্ছে, নতুন নাম যোগ হচ্ছে না  গত ৪ মাস ধরে কোনো নতুন ভোটার যোগ করা হচ্ছে না। 
    প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র deletion (নাম কাটা)-এর জন্য, inclusion (নাম যোগ)-এর জন্য নয়।
  • “Why only Bengal and not Assam?” 
    অন্যান্য রাজ্যে (বিশেষ করে আসামে) এই ধরনের কড়া SIR চালানো হচ্ছে না।নির্বাচনের আগে শুধু বাংলাকে টার্গেট করে ভোটারদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
  • বিপুল সংখ্যক নাম কাটা হয়েছে  প্রথম পর্যায়েই প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম কাটা হয়েছে। 
    অনেক জীবিত মানুষকে “declared dead” বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
  • বিবাহের পর স্বামীর বাড়িতে চলে যাওয়া মেয়েদের নামও একতরফাভাবে কাটা হচ্ছে।
  • মাইক্রো-অবজার্ভারদের (MO) অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে মাইক্রো-অবজার্ভারদের দিয়ে ERO (Electoral Registration Officer)-দের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।এদের অনেককে বিজেপি-শাসিত রাজ্য থেকে আনা হয়েছে। এরা সাধারণ spelling mistake-এর জন্যও নাম কেটে দিচ্ছে।
  • যথাযথ ডকুমেন্ট গ্রহণ করা হচ্ছে না  আধার কার্ড, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট, OBC সার্টিফিকেট ইত্যাদি গ্রহণ করা হচ্ছে না। 
    সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশ সত্ত্বেও আধারকে বৈধ প্রমাণ হিসেবে মানা হচ্ছে না।
  • মানুষের উপর অমানবিক চাপ  SIR-এর চাপে ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন (একজন বুথ লেভেল অফিসারও রয়েছেন)।
  • দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, যা বিশেষ করে বয়স্ক ও মহিলাদের জন্য কষ্টদায়ক।
  • নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে কটাক্ষ করে কমিশনকে “WhatsApp Commission” বলে সম্বোধন করেছেন। 
    অর্থাৎ, কোনো নিয়ম-কানুন ছাড়াই WhatsApp-এর মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
  • “Justice is crying behind closed doors.” 
    কমিশনকে ৬ বার চিঠি লিখেছেন, কোনো উত্তর পাননি। 
    অন্য কোথাও ন্যায় পাওয়া যাচ্ছে না, তাই সুপ্রিম কোর্টে এসেছি।“গণতন্ত্রকে বাঁচান” – এই আবেদন জানিয়েছেন।
  • সামান্য spelling mistake বা surname পরিবর্তনের জন্য নাম কাটা যাবে না। 
    ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন বর্তমান ভোটার তালিকা (২০২৫-এর) দিয়েই করতে হবে।

             
 

সুপ্রিম কোর্টের প্রতিক্রিয়া  কমিশনকে নোটিস জারি করা হয়েছে (বিশেষ করে মাইক্রো-অবজার্ভার নিয়োগ নিয়ে)। 
কমিশনকে আরও sensitive হতে বলা হয়েছে। 
পরবর্তী শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার)।

এই সওয়ালকে অনেকে ঐতিহাসিক বলছেন কারণ কোনো বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এর আগে সুপ্রিম কোর্টে নিজে এভাবে সওয়াল করেননি। TMC এটাকে গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে বিরোধীরা বলছেন এটা রাজনৈতিক বক্তব্য।

]]>
https://banglakal.com/nation/mamata-banerjee-arguments-in-sc/feed/ 0 1920
ISF- কে ভোট দিলে মিলবেনা মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া ঘর, সভা থেকে প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি সওকত মোল্লার https://banglakal.com/state/no-house-for-isf-supporter-says-saukat-molla/ https://banglakal.com/state/no-house-for-isf-supporter-says-saukat-molla/#respond Thu, 29 Jan 2026 09:42:26 +0000 https://banglakal.com/?p=1742

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভাঙ্গর ২ নম্বর ব্লকের ভোগালি দু নম্বর অঞ্চলের ভুমরু গ্রামে লক্ষ্মী এলো ঘরে সিনেমা প্রদর্শনী সভার আয়োজন করে ভোগালী টু তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।  আর সেই সভাতে উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা।  সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রকাশ্যে আইএসএফ কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষকে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেল শওকতকে। 

তিনি বলেন,’ ভোট দেবেন আইএসএফে আর ঘর দেবে মমতা ব্যানার্জি, এটা কিন্তু আর হবেনা। ডাল ভাত কবে খেয়েছেন ভুলে যান, খুব পরিষ্কার কথা খোলাখুলি কথা। যদি আগামী দিনে শুধরে যান তাহলে টাকা পাবেন।  ভোটের আগে নয়, ভোটের পরে এটাও বলে দিলাম। কথা যেমন এখানে বলে যাচ্ছি কাজেও প্রমাণ করে দেব, যদি না করতে পারি রাজনীতি করবো না,  ছেড়ে দেব।’ বিরোধীদের প্রকাশ্যে সভা থেকে সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করার হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেল ক্যানিং পূর্বে তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লাকে।

জবাবে  দক্ষিণ ২৪ পরগনা আইএসএফের জেলা সভাপতি আব্দুল মালেক মোল্লা বলেন, ‘শওকত মোল্লা এই মুহূর্তে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মত কাজ করছেন। সাধারণ মানুষের ওপর আর কোনও ভরসা রাখতে পারছেন না।  যার কারণে এইভাবে হুমকির আশ্রয় নিতে হচ্ছে। ঘরের টাকা সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা, কোন মমতা ব্যানার্জির টাকা নয়।’

ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার হুঁশিয়ারি নিয়ে বিজেপি নেতা দিলীপ হালদার বলেন,’ শুধু ভুমরু গ্রাম নয়, সারা পশ্চিমবঙ্গে জবরদস্তি হুমকির রাজ শুরু হয়েছে। ঘর যারা পাচ্ছে তাদের থেকে তোলাবাজি করে টাকা নেয়া হচ্ছে।  আবার ঘর দেব না ভোট দিতে হবে তার জন্য এখন থেকেই হুমকি শুরু হয়ে গিয়েছে।’

]]>
https://banglakal.com/state/no-house-for-isf-supporter-says-saukat-molla/feed/ 0 1742
কাশ্মীরে সীমান্তবাসীদের পাশে তৃণমূল প্রতিনিধি দল, রাজৌরি ও পুঞ্চে জরুরি ত্রাণ প্যাকেজের দাবি https://banglakal.com/nation/tmc-delegation-team-visits-affected-area-kashmir-shelled-by-pakistan/ https://banglakal.com/nation/tmc-delegation-team-visits-affected-area-kashmir-shelled-by-pakistan/#respond Mon, 26 May 2025 03:46:38 +0000 https://banglakal.com/?p=861

কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী রাজৌরি ও পুঞ্চ জেলার ভয়াবহ পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পাঁচ সদস্যের তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) প্রতিনিধি দল সেখানে পৌঁছে স্থানীয় মানুষজনের পাশে দাঁড়াল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাংসদ সাগরিকা ঘোষ, নদিমুল হক, মমতা ঠাকুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া।

প্রতিনিধি দলটি সীমান্তবর্তী গ্রামের অবহেলা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেছে, এসব গ্রাম এখন ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে। তাই জরুরি ভিত্তিতে বাঙ্কার, হাসপাতাল ও চিকিৎসা সরঞ্জামসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ত্রাণ প্যাকেজ প্রয়োজন।

তারা ২২ এপ্রিলের পাহেলগাঁও হামলার জবাবে ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পর পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি ঘুরে দেখেন। ৮ থেকে ১০ মে-র মধ্যে পাকিস্তানের গোলাবর্ষণে ২৭ জন প্রাণ হারান, আহত হন ৭০ জনেরও বেশি।

প্রতিনিধি দলটি প্রথমে ২২ এপ্রিলের হামলায় নিহত অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসার অমরজিত সিংহের বাড়িতে যান। পরে পুঞ্চের সেই ক্রিস্ট স্কুলে যান, যেখানে গোলার আঘাতে মারা যায় যমজ ভাই-বোন যায়ন আলি ও জোয়া। তারা যান জিয়া-উল-উলুম মাদ্রাসায়ও, যেখানে নিহত শিক্ষক ক্বারী মোহাম্মদ ইকবালকে একাধিক সংবাদমাধ্যমে ভুলভাবে ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছিল।

রাজৌরি সরকারি মেডিক্যাল কলেজেও যান তারা। সেখানে চিকিৎসাধীন আহতদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন। ১২ বছরের রুকসানার সঙ্গে কথা বলেন, যার পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাংসদ সাগরিকা ঘোষ বলেন, “আমরা এখানে সহানুভূতির বার্তা দিতে এসেছি। এইসব পরিবারকে বলতে এসেছি—আপনারা একা নন। বাংলার মানুষ এবং ভারতের মানুষ আপনাদের পাশে আছে।”

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এই নিরীহ মানুষগুলো আরও ভালো সুরক্ষা পেল না কেন? সীমান্তের প্রথম সারিতে থেকেও তারা সম্পূর্ণ অসহায়!”

রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, “শেষ দু’ঘণ্টার অভিজ্ঞতা আমাদের আবেগপ্রবণ করে তুলেছে। মমতা ব্যানার্জি আমাদের পাঠিয়েছেন, যাতে আমরা শোকাহত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে পারি।”

তিনি আরও বলেন, “এখানকার দুঃখ-কষ্ট জাতীয় মিডিয়ার কাছে অদৃশ্য। দিল্লি-নয়ডার মিডিয়া এ ট্র্যাজেডিকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছে।”

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স-এ বলেন:


“এই সঙ্কটের সময়ে সহমর্মিতার ছোঁয়া সবচেয়ে জরুরি। প্রতিনিধি দলের কাজ আমাদের দায়বদ্ধতা ও মানবিকতা তুলে ধরেছে। আমি গভীর কৃতজ্ঞ।”

জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ তৃণমূল কংগ্রেসকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আপনাদের আগমনে মনে হয়েছে, আমরা একা নই।”

পুঞ্চের বিধায়ক আজাজ আহমেদ জান ও ‘উপযুক্ত সময়ের সাহসী পদক্ষেপ’ বলে দলটির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

জম্মু-কাশ্মীর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এক্স-এ তৃণমূলকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখে:

“যেখানে অনেকেই চোখ ফিরিয়ে নেয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের পাশে দাঁড়িয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে—রাজনীতি মানে মানবিকতা নয়, মানবিকতাই রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি।”

তারা আরও লেখে, “শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করে, যাদের স্বপ্ন আজ অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি—তৃণমূল বুঝিয়ে দিয়েছে, এই দেশের প্রতিটি জীবন, প্রতিটি স্বপ্ন মূল্যবান।”

]]>
https://banglakal.com/nation/tmc-delegation-team-visits-affected-area-kashmir-shelled-by-pakistan/feed/ 0 861