Uttar pradesh – বাংলাকাল https://banglakal.com বাংলা আজ যা ভাবে, দুনিয়া ভাবে কাল। Wed, 22 Jul 2026 10:15:05 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0.2 https://i0.wp.com/banglakal.com/wp-content/uploads/2025/03/cropped-Logo-with-BG.png?fit=32%2C32&ssl=1 Uttar pradesh – বাংলাকাল https://banglakal.com 32 32 242431868 জৌহর বিশ্ববিদ্যালয় ভাঙার নির্দেশে ক্ষুব্ধ থারুর! যোগী সরকারের সিদ্ধান্তকে ‘বিকৃত’ বলে তোপ https://banglakal.com/nation/tharoor-outraged-over-jauhar-university-demolition-order-slams-yogi-govts-decision-as-perverse/ https://banglakal.com/nation/tharoor-outraged-over-jauhar-university-demolition-order-slams-yogi-govts-decision-as-perverse/#respond Wed, 22 Jul 2026 09:50:00 +0000 https://banglakal.com/?p=2956 নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই: উত্তরপ্রদেশের রামপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদ আলী জৌহর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রশাসনিক আদেশকে ঘিরে কেন্দ্র ও রাজ্য রাজনীতির উত্তাপ চরমে উঠেছে। রামপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (RDA) এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কংগ্রেসের প্রবীণ সাংসদ ও বর্ষীয়ান নেতা শশী থারুর। যোগী আদিত্যনাথ সরকারের এই পদক্ষেপকে সরাসরি ‘বিকৃত ও বিবেকহীন সিদ্ধান্ত’ বলে আখ্যা দিয়ে থারুর স্পষ্ট জানান, দেশে শিক্ষার অভাব থাকা সত্ত্বেও চলমান একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে ধ্বংস করা কোনো যুক্তিযুক্ত বিচার হতে পারে না।

সমাজবাদী পার্টির কারারুদ্ধ নেতা আজম খান প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০টির মধ্যে ৩৮টি ভবনই বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে ধ্বংসের নোটিস পাঠিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বুধবার এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ (পূর্বতন টুইটার) সরব হন থারুর। তিনি লেখেন, “যে রাজ্যে ভালো মানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চরম অভাব রয়েছে, সেখানে মোহাম্মদ আলী জৌহর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০টির মধ্যে ৩৮টি ভবন বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বিকৃত মানসিকতার পরিচয়”।

তিরুঅনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ আরও যোগ করেন, “যদি নকশা বা নির্মাণে কোনো আইনি গাফিলতি থেকে থাকে, তবে জরিমানার মতো অন্য কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেত। এমনকি প্রয়োজন হলে সরকার এই প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ভার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারত। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি সচল বিশ্ববিদ্যালয়কে এভাবে ধ্বংস করে দেওয়া কখনোই কাম্য নয়”।

রামপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ)-র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই ক্যাম্পাসের অধিকাংশ ভবন তৈরি করা হয়েছিল। প্রকৌশলীদের পরিদর্শনের পর এই নির্মাণের ওপর ধ্বংসের আদেশ জারি করা হয়।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাফ বক্তব্য, যখন এই ভবনগুলি নির্মাণ করা হয়েছিল, তখন ওই অঞ্চলটি রামপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভৌগোলিক ও আইনি একতিয়ারভুক্ত ছিল না। ফলে তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী আরডিএ-র নকশা মঞ্জুরির প্রয়োজন পড়েনি। যদিও প্রশাসন জৌহর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সেই যুক্তি খারিজ করে দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে ভবনগুলি সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন এবং মোরদাবাদ ডিভিশনাল কমিশনারের আদালতে মামলাটির শুনানির কথা রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ভাঙার এই নির্দেশকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতির অন্দরেও তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কেবল শশী থারুরই নন, এর আগে আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা থেকে শুরু করে একাধিক নাগরিক অধিকার রক্ষা গোষ্ঠী এবং কংগ্রেসের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, রাজনৈতিক শত্রুতার জেরেই একজন নেতার তৈরি করা শিক্ষার প্রাণকেন্দ্রকে নিশানা বানানো হচ্ছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এবং দেশের শিক্ষা পরিকাঠামোর স্বার্থে প্রশাসনিক এই ‘বুলডোজার নীতি’ অবিলম্বে স্থগিত করা উচিত বলে মনে করছে বুদ্ধিজীবী মহল।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন।

]]>
https://banglakal.com/nation/tharoor-outraged-over-jauhar-university-demolition-order-slams-yogi-govts-decision-as-perverse/feed/ 0 2956
জাতিগত জনগণনা: উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে নতুন যুগের ইঙ্গিত। https://banglakal.com/communalism/caste-census-sings-of-a-new-era-in-politics-in-uttar-pradesh/ https://banglakal.com/communalism/caste-census-sings-of-a-new-era-in-politics-in-uttar-pradesh/#respond Tue, 06 May 2025 11:03:41 +0000 https://banglakal.com/?p=765

জাতিগত জনগণনা চালানোর কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত ভারতের সমাজ-রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে — এবং এর সবচেয়ে স্পষ্ট প্রভাব পড়তে চলেছে উত্তরপ্রদেশে।

কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ও বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি)-র কাছে এই জনগণনা শুধু সংখ্যা গণনা নয়, বরং এটি রাজনৈতিক হাতিয়ার। ঐতিহাসিকভাবে এই দলগুলোর ভিত্তি অন্যান্য পিছিয়ে পরা সংখ্যালঘু শ্রেণী (OBC) ও দলিত সমাজে, এবং তারা বিশ্বাস করে যে এবার এই জনগোষ্ঠীগুলি তাদের জনসংখ্যার ভিত্তিতে রাজনৈতিক ও কল্যাণমূলক সুবিধার দাবি তুলতে পারবে।

এটি বিজেপির জন্য একটি বড় নীতিগত মোড়, কারণ এতদিন তারা জাতিগত জনগণনার দাবি প্রত্যাখ্যান করে এসেছে, যুক্তি দিয়েছিল যে এতে সমাজে বিভাজন আরও বাড়বে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জনগণনার পক্ষে সওয়াল করা দলগুলোর কটাক্ষ করেছিলেন। কিন্তু ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশে বিজেপির ধাক্কা খাওয়ার পর এবং রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের লাগাতার আক্রমণের মুখে কেন্দ্র অবশেষে মত পাল্টাতে বাধ্য হয়েছে।

অখিলেশ যাদব এই সুযোগ হাতছাড়া করেননি। তিনি দ্রুত “জাতিগত ভিত্তিক ন্যায়” ও “বাস্তব প্রতিনিধিত্ব”-এর স্লোগান তুলেছেন। বিএসপিও এটির মধ্যে প্রান্তিকদের পুনরায় আলোচনার কেন্দ্রে আনার সুযোগ দেখছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর নিজেদের পুনর্জীবিত করতে চায় বলেই।

এখন বিজেপির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে তাদের মূলমন্ত্র “সবকা সাথ, সবকা বিকাশ” বজায় রাখা, সেইসঙ্গে জনগণনা থেকে আসা জটিল ও প্রায়শই বিপরীতমুখী দাবিগুলি সামলানো। যদি এই তথ্য সংরক্ষণ নীতিতে পরিবর্তন বা নতুন কল্যাণমূলক প্রকল্পের দাবি তোলে, তবে এটি বিজেপির বৃহত্তর সামাজিক জোটেও ফাটল ধরাতে পারে।

২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতিগত জনগণনা রাজ্য রাজনীতিতে এক বিপ্লবী পর্বের ভিত্তি তৈরি করছে। বিজেপি কি তাদের সামাজিক জোট নতুনভাবে সাজিয়ে এই চ্যালেঞ্জ সামলাতে পারবে, নাকি বর্ধিত জাতিগত মেরুকরণ বিজেপির হিন্দুত্ব রাজনীতির গল্পকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে, তা সময়ই বলবে। সেইসঙ্গে জনগণনার তথ্য প্রকাশ ও ব্যাখ্যা যে রাজনৈতিক রূপ নেবে, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলা যায় — জাতিগত পরিচয় ও সামাজিক ন্যায় আবার উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরে এসেছে, যা ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে রাজনীতির ভবিষ্যত দিক নির্ধারণ করতে চলেছে।

]]>
https://banglakal.com/communalism/caste-census-sings-of-a-new-era-in-politics-in-uttar-pradesh/feed/ 0 765
লখনউয়ে মাদ্রাসা ও দোকান গুঁড়িয়ে দিল বুলডোজার, অভিযোগ ধর্মীয় বৈষম্যের, উত্তেজনা ছড়ালো শহরে। https://banglakal.com/communalism/homes-shopsand-madrasa-demolished-near-kgmu-locals-say-muslims-were-unfairly-targeted/ https://banglakal.com/communalism/homes-shopsand-madrasa-demolished-near-kgmu-locals-say-muslims-were-unfairly-targeted/#respond Wed, 30 Apr 2025 13:16:32 +0000 https://banglakal.com/?p=697

লখনউ: উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ে বিশাল পুলিশবাহিনীর উপস্থিতিতে শমিনা শাহ বাবা মাজারের পাশে অবস্থিত একটি মাদ্রাসা, ১০টি দোকান ও ৩৬টি ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মুসলিম সম্প্রদায় ও তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক আক্রমণের অভিযোগ তুলেছেন। বুলডোজার অভিযান চলেছে পরপর দুই দিন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ — কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি — দাবি করেছে, মাদ্রাসাটি তাদের জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু মাদ্রাসা ও দোকানগুলির মালিকরা বলছেন, তারা বহু বছর ধরে এখানে আছেন এবং এই ধ্বংস কার্যক্রমের পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও মুসলিমদের হেয় করার চেষ্টা। সরকারি আধিকারিকদের দাবি, ছয় মাস আগে থেকেই নোটিশ পাঠানো হয়েছিল এবং অবৈধ কাঠামো সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে স্থানীয়দের দাবি, এই অভিযান আসলে মুসলিমদের প্রান্তিক করার একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ। মাদ্রাসার শিক্ষকরা গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের চোখের সামনে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেল। আমরা বাকরুদ্ধ।” শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। ধ্বংসের পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যখন ক্ষুব্ধ দোকানদাররা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন অধ্যাপক ও চিকিৎসকের উপর হামলা চালান। এতে দু’জন অধ্যাপক আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে থাকলেও হামলা থামাতে ব্যর্থ হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একজন মুখপাত্র বলেন, “আমরা বহুদিন ধরেই নোটিশ দিয়ে আসছি। আমাদের জমিতে অবৈধ দখল বরদাস্ত করা হবে না।” এই ঘটনার মধ্যে উত্তরপ্রদেশ সরকার আরও অন্তত ১২টি মাদ্রাসাকে “অবৈধ” ঘোষণা করেছে এবং বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এসব প্রতিষ্ঠান শুধু শিক্ষাদানই নয়, বহু মানুষকে জীবিকা দিয়েছে। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে এমন দমন নীতিকে তাঁরা “বৈষম্যমূলক” আখ্যা দিয়ে আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন। এদিকে, ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বুলডোজার বন্ধ করার দাবি তুলেছেন দোকানদার, বাসিন্দা এবং মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। অধিকারকর্মীরাও সরকারের বিরুদ্ধে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ এবং ‘সংবিধান-বিরোধী’ পদক্ষেপ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

]]>
https://banglakal.com/communalism/homes-shopsand-madrasa-demolished-near-kgmu-locals-say-muslims-were-unfairly-targeted/feed/ 0 697
সম্ভলে মসজিদ ও মন্দিরের অবৈধ নির্মাণ সরাতে উদ্যোগ প্রশাসনের, সড়ক দখলমুক্ত করার প্রস্তুতি । https://banglakal.com/communalism/sambhal-admin-to-remove-mosque-temple-encroachments/ https://banglakal.com/communalism/sambhal-admin-to-remove-mosque-temple-encroachments/#respond Thu, 24 Apr 2025 11:53:52 +0000 https://banglakal.com/?p=631 উত্তরপ্রদেশের সম্ভল জেলার হায়াতনগর থানার অন্তর্গত এলাকায় একটি মসজিদ ও একটি মন্দির আংশিকভাবে সরকারি সড়কের উপর গড়ে ওঠায় প্রশাসন এবার কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে। বুধবার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় স্থাপনাগুলি পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট (PWD)-এর মালিকানাধীন সড়কের উপর নির্মিত হয়েছে। গত বছরের ২৪ নভেম্বর সম্ভলের কোট গারভি এলাকার প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সুরক্ষিত শাহি জামে মসজিদ ঘিরে আদালতের নির্দেশে করা এক জরিপকে কেন্দ্র করে সহিংসতার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনায় চারজন প্রাণ হারান এবং বেশ কয়েকজন আহত হন, যার মধ্যে পুলিশ কর্মীরাও ছিলেন। সম্প্রতি হায়াতনগর এলাকায় করা এক জমি জরিপে উঠে এসেছে, সম্ভল-বেহজোই সড়কের ধারে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে সরকারি জমিতে। ঠিক বিপরীত পাশে একটি মন্দিরের কিছু অংশ, যার মধ্যে একটি বারান্দার মতো কাঠামো এবং একটি কুয়ো রয়েছে, সেটিও সড়কের উপর অবস্থিত। উপ-বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট (SDM) বন্দনা মিশ্র জানান, “জরিপে পরিষ্কারভাবে দেখা গেছে, মসজিদটি সড়কের উপর নির্মিত হয়েছে এবং মন্দিরের কিছু অংশও রাস্তায় বিস্তৃত হয়েছে। এটি PWD-এর জমি। খুব শিগগিরই এই অবৈধ দখল সরানোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে যাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে।” তিনি আরও জানান, এই এলাকার আরও কয়েকটি স্থানে জমি ব্যবহারের অনিয়ম ধরা পড়েছে। এক ব্যক্তি উওয়াইস গ্রাম সভার জমিতে বেআইনিভাবে দোকান গড়ে তুলেছিলেন। দোকানটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাকে ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। আরেকটি ঘটনায়, যেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য নির্ধারিত জমিতে একটি মাদ্রাসা চালানো হচ্ছিল বলে জানা যায়, প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে পুরনো নথিপত্র খতিয়ে দেখছে এবং প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মিশ্রা। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, মসজিদ এবং মন্দির দুটি স্থাপনাই গত ২৫-৩০ বছর ধরে ওই এলাকায় রয়েছে। তবে SDM স্পষ্ট করেছেন, “সরকারি পরিকাঠামোর উপর কোনও রকম অবৈধ নির্মাণ, ধর্মীয় হোক বা অন্য কোনও রকম, সহ্য করা হবে না। জনস্বার্থে ও নিরাপত্তার কারণে এই ধরনের বাধা সরানো আবশ্যক।” জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে সরকারি জমি পুনরুদ্ধার এবং আইনপ্রয়োগের একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ বলে জানা গেছে।

]]>
https://banglakal.com/communalism/sambhal-admin-to-remove-mosque-temple-encroachments/feed/ 0 631
নরৌলিতে ‘ফ্রি গাজা, ফ্রি প্যালেস্টাইন’ পোস্টার ঘিরে উত্তেজনা, সাতজন গ্রেফতার https://banglakal.com/communalism/seven-muslims-arrested-in-sambhal-for-posters-calling-for-boycott-of-israeli-products/ https://banglakal.com/communalism/seven-muslims-arrested-in-sambhal-for-posters-calling-for-boycott-of-israeli-products/#respond Mon, 21 Apr 2025 15:32:37 +0000 https://banglakal.com/?p=580 উত্তর প্রদেশের সাম্ভল জেলার নরৌলি শহরের একাধিক দোকানের দেওয়ালে ‘ফ্রি গাজা, ফ্রি প্যালেস্টাইন’ বার্তাবাহী পোস্টার লাগানোর অভিযোগে রবিবার সাতজনকে গ্রেফতার করেছে সাম্ভল পুলিশ। পোস্টারগুলিতে ইসরায়েলি পণ্য বর্জনের আহ্বান জানানো হয়েছে এবং ভারতীয় পণ্য কেনার জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী গাজার গণহত্যা ও অবরোধের প্রতিবাদে বহু মানুষ এমন সংস্থাগুলিকে বয়কট করছে, যারা এই দমননীতি থেকে লাভবান হচ্ছে। গাজায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫১,০০০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে এবং জরুরি সহায়তা অবরুদ্ধ রয়েছে। বানিয়াথের থানার স্টেশন হাউস অফিসার রামবীর সিং PTI-কে জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে অভিযুক্ত সাতজনকে চিহ্নিত করে। যেসব দোকানের দেওয়ালে এই পোস্টার লাগানো হয়েছিল, তাদের মালিকদের থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃতদের নাম—আসিম, সাইফ আলি, রহিস, মাতলুব, ফরদিন, আরমান ও আরবাজ। তবে FIR-এ কোন ধারায় মামলা রুজু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট করেনি সাম্ভল পুলিশ। পোস্টারে লেখা ছিল, “সমগ্র মুসলিম উম্মাহ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে যেকোনো সম্পর্কযুক্ত পণ্য বর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক।” আরও লেখা ছিল, “গাজার সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। যদি আমরা আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের এই অবস্থা দেখে কাঁদতে না পারি, তবে মনে রাখতে হবে আমরা মৃত।” পোস্টারে যেসব পণ্য বর্জনের ডাক দেওয়া হয়েছে, সেগুলির ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়াও উল্লেখ করা হয়েছে, “যদি কেউ ইসরায়েলি খাদ্য বা পানীয় সামগ্রী কেনেন, তবে তা ঠিক ততটাই নিষিদ্ধ যতটা শূকর মাংস খাওয়া বা মদ্যপান করা হারাম। মুসলিম জনগণ ও দোকানদারদের কাছে অনুরোধ, এসব পণ্য যেন না কেনা হয়।”

]]>
https://banglakal.com/communalism/seven-muslims-arrested-in-sambhal-for-posters-calling-for-boycott-of-israeli-products/feed/ 0 580
উত্তরপ্রদেশে ‘নেজা মেলা’ নিয়ে বিতর্ক https://banglakal.com/communalism/hindu-organisations-urge-bahraich-bhadohi-administration-to-deny-permission-for-neja-mela/ https://banglakal.com/communalism/hindu-organisations-urge-bahraich-bhadohi-administration-to-deny-permission-for-neja-mela/#respond Mon, 24 Mar 2025 13:07:15 +0000 https://banglakal.com/?p=522

উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ ও ভাদোহি জেলায় হিন্দু সংগঠনগুলো প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছে, যাতে নেজা মেলার অনুমতি বাতিল করা হয়। এর আগে সাম্ভল জেলা পুলিশ জনসাধারণের আপত্তির কারণে মেলার আয়োজনের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করেছিল।নেজা মেলা ঐতিহ্যগতভাবে সৈয়দ সালার মাসুদের স্মৃতিতে অনুষ্ঠিত হয়। মাসুদ ছিলেন মাহমুদ গজনির ভ্রাতুষ্পুত্র এবং ঐতিহাসিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব। অভিযোগ রয়েছে যে তিনি হিন্দু মন্দির ধ্বংস করেছিলেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিলেন। হিন্দু সংগঠনগুলো দাবি করেছে যে মেলা চলাকালীন “অবৈধ কার্যকলাপ,” যেমন জমি দখল, ধর্মান্তরণ এবং তথাকথিত “লাভ জিহাদ” ঘটে।
প্রশাসন এর পক্ষ থেকে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে সেগুলি হল:
১। সাম্ভল জেলা পুলিশ মেলার অনুমতি বাতিল করেছে এবং আয়োজকদের সতর্ক করে বলেছে, কোনো স্মারক স্থাপন বা মেলা আয়োজনের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২।ভাদোহি ও বাহরাইচেও প্রশাসনের কাছে মেলা বন্ধের আবেদন জমা পড়েছে।
৩। ভিএইচপি ও হিন্দু জাগরণ মঞ্চের স্থানীয় নেতারা দাবি করেছেন, মেলা শুধু ঐতিহ্য নয় বরং এটি বিতর্কিত ব্যক্তিত্বের মহিমা প্রচারের মাধ্যম।

সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেছেন, “বিজেপি মিশ্র সংস্কৃতি এবং ভ্রাতৃত্ব ধ্বংস করছে। নেজা মেলা এমন একটি উৎসব যেখানে সব ধর্মের মানুষ একত্রে মিলিত হয়।” অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, “যে কেউ আক্রমণকারীকে মহিমান্বিত করে, তারা বিশ্বাসঘাতকতার ভিত্তি শক্তিশালী করছে। স্বাধীন ভারত কোনো বিশ্বাসঘাতককে গ্রহণ করতে পারে না।” নেজা মেলা প্রতি বছর হোলির পরের প্রথম মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়। মেলার মূল আকর্ষণ হলো ৩০ ফুট উঁচু একটি খুঁটি স্থাপন, যার শীর্ষে সবুজ পতাকা থাকে। এ বছরের বিতর্ক এবং প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞার কারণে সাম্ভল ও মোরাদাবাদে মেলা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলো অন্যান্য জেলায়ও একই পদক্ষেপের জন্য দাবি জানাচ্ছে।

]]>
https://banglakal.com/communalism/hindu-organisations-urge-bahraich-bhadohi-administration-to-deny-permission-for-neja-mela/feed/ 0 522
উত্তরপ্রদেশে নয়টি বিয়ে করে প্রতারণা, লক্ষাধিক টাকা ঋণ নিয়ে উধাও এক ব্যক্তি! https://banglakal.com/nation/9-marriage-scams-in-uttar-pradesh-one-person-disappeared-with-a-loan-of-lakhs-of-rupees/ https://banglakal.com/nation/9-marriage-scams-in-uttar-pradesh-one-person-disappeared-with-a-loan-of-lakhs-of-rupees/#respond Sat, 22 Mar 2025 10:04:44 +0000 https://banglakal.com/?p=498 উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রা জেলায় রাজন গেহলট নামে এক ব্যক্তি চাঞ্চল্যকর প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত। তিনি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী, সরকারি কর্মচারী বা ব্যবসার মাধ্যমে ভালো উপার্জনকারী নারীদের লক্ষ্য করে তাঁদের সঙ্গে একাধিকবার বিয়ে করেন। তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করে ব্যাঙ্ক ঋণ নেন এবং পরে সমস্ত সম্পর্ক অস্বীকার করে উধাও হয়ে যান। রাজন গেহলট মূলত সিঙ্গেল বা ডিভোর্সি মহিলাদের লক্ষ্য করতেন, বিশেষত যাঁরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী। তিনি কিছু বিয়ে ম্যাট্রিমোনিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেট করতেন। এবং বিয়ের পর তিনি মহিলাদের বিশ্বাস অর্জন করে নানা মিথ্যা অজুহাতে তাঁদের নামে ব্যাঙ্ক ঋণ নিতেন। কখনো বাড়ি কেনার জন্য, কখনো সন্তানের পড়াশোনার খরচের নামে। সন্ত কবীর নগরের এক শিক্ষিকার অভিযোগ, রাজন তাঁকে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে হিন্দু রীতিতে বিয়ে করেন। পরে, তিনি দাবি করেন যে তাঁদের সন্তানের পড়াশোনা ও লখনউতে জমি কেনার জন্য ৪১ লক্ষ টাকার ঋণ দরকার।
শিক্ষিকা তাঁকে বিশ্বাস করে ঋণ নেন। কিন্তু কিছুদিন পরেই রাজন স্থানান্তরের (ট্রান্সফার) অজুহাতে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। ঘটনাটি সামনে আসে, যখন সন্ত কবীর নগরের ওই শিক্ষিকা থানায় অভিযোগ করেন। এরপর আরও তিনজন মহিলা রবার্টসগঞ্জ থানায় এসে অভিযোগ করেন এবং সবাই রাজনকে তাঁদের স্বামী বলে দাবি করেন। পুলিশি তদন্তে জানা যায়, রাজন কমপক্ষে নয়টি বিয়ে করেছেন। প্রতিটি ক্ষেত্রেই একই কৌশল ব্যবহার করেছেন। রাজনের বিরুদ্ধে IPC ৪৯৪ (দ্বিতীয়বার বিয়ে থাকা অবস্থায়), ৪২০ (প্রতারণা), ও ৪০৬ (বিশ্বাস ভঙ্গ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া তাঁর নেওয়া ঋণ সংক্রান্ত বিষয়েও তদন্ত চলছে। ব্যাঙ্ক প্রতারণার প্রমাণ পাওয়া গেলে আরও গুরুতর অভিযোগ আনা হবে। এই ঘটনা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। ফলে সমাজের দাবি , ম্যাট্রিমোনিয়াল ওয়েবসাইটের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা প্রয়োজন। নারীদের উচিত বিয়ের আগে পাত্রের অতীত ভালোভাবে যাচাই করা। তদন্তের মাধ্যমে হয়তো আরও অনেক প্রতারিত নারীর তথ্য সামনে আসতে পারে।

]]>
https://banglakal.com/nation/9-marriage-scams-in-uttar-pradesh-one-person-disappeared-with-a-loan-of-lakhs-of-rupees/feed/ 0 498
ইফতার আয়োজনের জন্য স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার বরখাস্ত, বিতর্কে উত্তাল শিকারপুর https://banglakal.com/communalism/suspend-ed-school-principle-for-organising-iftar-in-school/ https://banglakal.com/communalism/suspend-ed-school-principle-for-organising-iftar-in-school/#respond Fri, 21 Mar 2025 10:10:17 +0000 https://banglakal.com/?p=476 উত্তরপ্রদেশের শিকারপুরে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ইরফানা নকভিকে স্কুল প্রাঙ্গণে ইফতার আয়োজনের অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। ১৭ মার্চ স্কুলে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, স্কুল চত্বরে বেশ কয়েকজন মুসলিম ব্যক্তি ইফতার করছেন। অভিযোগ, প্রধান শিক্ষিকা ইরফানা নকভি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অনুমতি ছাড়াই এই আয়োজন করেছিলেন । ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর, স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ইরফানা নকভিকে বরখাস্ত করে এবং আয়োজকদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। শিকারপুরের সহকারী বেসিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ABSA) আমান গুপ্তা জানান: “সরকারি স্কুল বা প্রতিষ্ঠানে কোনও অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। প্রধান শিক্ষিকা ইরফানা নকভি এই নিয়ম ভেঙে ইফতার আয়োজন করেছেন। তাই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।” এই ঘটনার পর, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সরকারের পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছে। সমাজবাদী পার্টির এক স্থানীয় নেতা মন্তব্য করেছেন: ”উত্তরপ্রদেশে দ্বৈত নীতি স্পষ্ট। যদি ইফতার আয়োজন সত্যিই গুরুতর অপরাধ হয়, তাহলে অন্যান্য ধর্মের অনুষ্ঠানের জন্য কেন একই পদক্ষেপ নেওয়া হয় না?” ইরফানা নকভির বরখাস্তের পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অধিকারকর্মী, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং সাধারণ মানুষ এই সিদ্ধান্তের নিন্দা করেছেন। অনেকে মন্তব্য করেছেন উত্তরপ্রদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, “একই ধরনের অনুষ্ঠান যদি অন্য ধর্মের হতো, তাহলে কি এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতো?” তবে, কিছু হিন্দু দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠী এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছে, এবং একে “ন্যায্য পদক্ষেপ” বলে অভিহিত করেছে। ইফতার আয়োজনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশে ধর্মীয় বৈষম্য এবং প্রশাসনিক পক্ষপাতের অভিযোগ নতুন করে উত্থাপিত হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, সব ধর্মের জন্য কি সমান নিয়ম প্রযোজ্য? নাকি একপেশে ব্যবস্থাই বাস্তব চিত্র?

]]>
https://banglakal.com/communalism/suspend-ed-school-principle-for-organising-iftar-in-school/feed/ 0 476
উত্তরপ্রদেশের রামনগরের সংশোধনাগারে মুসলিম নাবালকদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ https://banglakal.com/communalism/islamphobic-abuse-in-up-detention/ https://banglakal.com/communalism/islamphobic-abuse-in-up-detention/#respond Thu, 20 Mar 2025 11:45:48 +0000 https://banglakal.com/?p=466 উত্তরপ্রদেশের রামনগরের কিশোর সংশোধনাগারে আটক মুসলিম নাবালকরা ভয়াবহ নির্যাতনবৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশোধনাগারে তাদের জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করা হয়েছে, সাম্প্রদায়িক গালাগালি দেওয়া হয়েছে এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। এই নাবালকদের বিরুদ্ধে বারাণসীর কোটওয়া গ্রামে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ছিল। মুক্তির পর, নাগরিক অধিকার রক্ষা সংস্থা Association for Protection of Civil Rights (APCR)-এর একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং টিম তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এবং তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার তথ্য নথিভুক্ত করে। নাবালকদের পরিবার জানিয়েছে, পুলিশ মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়ার পর, মুসলিম কিশোরদের আলাদাভাবে জোরপূর্বক মেঝে পরিষ্কার করানো হয় ও নোংরা কাজ করানো হয়।তাদেরকে ‘মোল্লা’, ‘কাটমোল্লা’, ‘পাকিস্তানি’ ইত্যাদি সাম্প্রদায়িক গালিগালাজ দেওয়া হয়। কিছু নাবালক অভিযোগ করেছে, থানায় থাকার সময় টয়লেট ব্যবহার করতে চাইলে পুলিশ লাঠিপেটা করে।APCR-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “সংশোধনাগারের কর্মকর্তারা সাম্প্রদায়িক পক্ষপাতের কারণে মুসলিম শিশুদের উপর অন্যায় আচরণ করেছেন। শুধুমাত্র মুসলিম নাবালকদের দিয়ে জোরপূর্বক কাজ করানো হয়েছে, তাদের মারধর করা হয়েছে এবং টয়লেট ব্যবহার করতে চাওয়ায় লাঠি দিয়ে পেটানো হয়েছে।”নাবালকদের পক্ষের আইনজীবী শামিম নোমানি এই গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “এই অভিযোগের ভিত্তিতে নাবালকদের আটক রাখার কোনো আইনগত বৈধতা নেই। এটি স্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন।” বারাণসীর কোটওয়া গ্রামে ৪ মার্চ রাতে কয়েকজন মুসলিম নাবালকের বিরুদ্ধে স্ট্রিটলাইট ভাঙচুর ও CCTV ক্যামেরার ক্ষতির অভিযোগ ওঠে। পরে এই ঘটনার CCTV ফুটেজ ভাইরাল হলে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় কিছু হিন্দু পরিবার অভিযোগ করে, মুসলিম কিশোররা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের বাড়ির আশেপাশে পাথর ছুঁড়ে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছিল। তবে, পুলিশ দ্রুত এই অভিযোগ নাকচ করে জানিয়ে দেয় যে, নাবালকরা শুধুমাত্র স্ট্রিটলাইটের বাল্ব চুরির উদ্দেশ্যে এগুলো করেছিল, কোনো সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্য ছিল না। CCTV ফুটেজ বিশ্লেষণের পর, লোঠা থানার পুলিশ ১২-১৫ বছর বয়সী ৯ জন নাবালককে গ্রেপ্তার করে। তাদের কোর্টে পেশ করা হলে রামনগরের সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বলেছে, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে, সংশোধনাগারে নির্যাতনের অভিযোগ উঠায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।

]]>
https://banglakal.com/communalism/islamphobic-abuse-in-up-detention/feed/ 0 466
IIMT বিশ্ববিদ্যালয়ে নামাজ বিতর্ক: ৬ মুসলিম ছাত্র গ্রেফতার, পুলিশের লাঠিচার্জ https://banglakal.com/communalism/iimt-university-namaz-controversy-and-muslim-student-arrested-police-lathicharge/ https://banglakal.com/communalism/iimt-university-namaz-controversy-and-muslim-student-arrested-police-lathicharge/#respond Wed, 19 Mar 2025 09:05:16 +0000 https://banglakal.com/?p=454 নামাজ পড়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর উত্তাল হয়ে উঠল মীরাটের IIMT বিশ্ববিদ্যালয়। এক মুসলিম ছাত্রকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদে ৪০০-র বেশি ছাত্র-ছাত্রী বিক্ষোভে সামিল হলে পুলিশের কড়া ব্যবস্থা, ৬ জন ছাত্র গ্রেফতার।

১৩ মার্চ, হোলির আগের দিন প্রায় ৫০ জন মুসলিম ছাত্র ক্যাম্পাসে খোলা জায়গায় নামাজ পড়েন, যার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলি অভিযোগ তোলে, দাবি করে এটি সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা।২২ বছর বয়সি ছাত্র খালিদ প্রধানে (ওরফে খালিদ মেওয়াতি) প্রথমে আটক করা হয়, পরে তাকে জেলে পাঠানো হয়।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খালিদ ও তিন নিরাপত্তারক্ষীকে সাসপেন্ড করে।

সোমবার, খালিদের মুক্তির দাবিতে প্রায় ৪০০ মুসলিম ছাত্র-ছাত্রী IIMT বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে সামিল হয়।পুলিশ একটি ‘অবৈধ জমায়েত’ বলে দাবি করে লাঠিচার্জ করে ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।পরে ৬ জন মুসলিম ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়।

SP রাকেশ কুমার মিশ্রা বলেন, “ছাত্রদের বিরুদ্ধে অবৈধ জমায়েত ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনের অধীনে অভিযোগ আনা হয়েছে। হোলির সময় এই ভিডিও প্রকাশ পাওয়ায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়তে পারত।”গঙ্গানগর থানার SHO অনুপ সিংহ জানান, BNS ধারা ২৯৯ ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। IIMT গ্রুপের মিডিয়া ইনচার্জ সুনীল শর্মা বলেন, “নামাজ খোলা জায়গায় পড়া হয়েছিল এবং ভিডিও এমনভাবে ছড়ানো হয়েছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে।”

প্রতিবাদী ছাত্রনেতা শান মহম্মদ দাবি করেন, “আমাদের আলোচনার নামে থানায় ডেকে পরে আটক করা হয়েছে।”এক ছাত্র বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে পূজাও হয়, কিন্তু মুসলিম ছাত্রদের উপর এই একতরফা দমনপীড়ন কেন?”

স্থানীয় হিন্দু সংগঠন ‘কার্তিক হিন্দু’র’ অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।সংগঠনটি দাবি করে, “নামাজ পড়ার ভিডিও ইচ্ছাকৃতভাবে ভাইরাল করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা হয়েছে।”

পুলিশ ক্যাম্পাসের আশেপাশে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও ছাত্রদের শান্ত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু ছাত্রদের একাংশ দাবি করছে, প্রশাসন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে।

এই ঘটনা উত্তরপ্রদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় আচরণ ও প্রশাসনিক কঠোরতার বিতর্ক আরও উসকে দিয়েছে।

]]>
https://banglakal.com/communalism/iimt-university-namaz-controversy-and-muslim-student-arrested-police-lathicharge/feed/ 0 454