~হাফিজুর রহমান
এপ্রিল ফুল করছি না, বছরের প্রথম দিন বলেই বলছি। খবরের ক্যাপশন দেখে ভুল হতে পারে, তাই সাসপেন্স না বাড়িয়ে রহস্যটা বলেই দিই। সালমান অভিনীত নতুন ফিল্ম ‘Battle of Galwan’-এর টিজার দেখে চীনে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে। কী আছে সেই টিজারে, যা দেখে এশিয়ার স্বঘোষিত অভিভাবক চীন ভয় পাচ্ছে? আসুন ব্যাপারটা বিস্তারিত দেখা যাক।
‘হিন্দি-চিনি ভাই ভাই’ এখন অতীত। একদা পুঁজিবাদ বিরোধী চীন এখন উল্টো পথে হাঁটছে। আগ্রাসী চীন এখন হাতের কাছে যা পাচ্ছে তা-ই গিলে খাওয়ার চেষ্টা করছে। তারা ‘লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল’ (LAC) মানতে রাজি নয়। বারবার দাদাগিরি করে ভারতের জমি দখলের সর্বনাশা খেলায় মেতেছে তারা। লাদাখের অনেক জায়গা কবজা করার পর এবার তাদের নজর পড়েছিল গালওয়ানের দিকে। কিন্তু সেই আশায় ছাই ঢেলে দেন কর্নেল সন্তোষ বাবু ও বিহার রেজিমেন্টের একদল জওয়ান। তুমুল লড়াইয়ের পর গালওয়ানের জমি তারা রক্ষা করেন। বিনিময়ে প্রাণ দেন কর্নেল সন্তোষ বাবু ও তাঁর ১৯ জন সহযোদ্ধা।
এই ঘটনায় ব্যথিত হয়ে সালমান খান নিজেই উদ্যোগ নিয়ে সেই বীরত্বগাঁথা নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন— যার নাম ‘Battle of Galwan’। এই ছবি যেন চীনের আগ্রাসনকে বিশ্বের দরবারে নগ্ন করে দিয়েছে। সিনেমার টিজার দেখেই চীন আপত্তি তুলেছে। টিজারেই যদি এই হাল হয়, তবে পুরো সিনেমা মুক্তি পেলে এশিয়ার স্বঘোষিত মোড়ল চীন মুখ লুকানোর জায়গা পাবে না। তাই এখন থেকেই তারা নিজেদের অপকর্ম ঢাকবার চেষ্টা করছে।
চীনের প্রধান সংবাদ সংস্থা আপত্তি জানিয়ে বলেছে, ‘Battle of Galwan’ সিনেমাটি অতিরঞ্জিত। বিশেষ করে সালমান খান অভিনীত কর্নেল সন্তোষ বাবুর চরিত্রটিকে অত্যন্ত ‘ভায়োলেন্ট’ বা হিংস্র হিসেবে দেখানো হয়েছে। সিনেমাটি ১৭ই এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা। সবেমাত্র টিজার এসেছে, তাতেই চীনের এই প্রতিক্রিয়া! বড় পর্দায় যখন সিনেমাটি আসবে, তখন চীনের অবস্থা কী হবে তা ভেবেই তারা ঘাবড়ে গেছে। কথায় আছে—পাপ আর পারা চাপা থাকে না। এবার পচা শামুকে পা কেটেছে চীনের; ভাইজান সালমান খান যেন তাদের মুখোশ খুলে দিয়েছেন।
