তৃণমূল কংগ্রেসের জামানায় তৃণমূলের কিছু দুষ্টু লোকের গুন্ডামি এবং অশ্লীলতার ছবি বার বার উঠে এসেছে বিভিন্ন খবরে। কখনো চুরি,কখনো হুমকি আবার কখনো খুনের অভিযোগ উঠেছে বার বার। বার বার খবর হবার পরেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেসের চুনোপুঁটি কিছু দুষ্টু নেতা বা নেত্রী। ঠিক তারিই একটি নজির স্থাপন করেছেন এক তৃণমূল বুথ সভাপতি ও পঞ্চায়েতের মহিলা সদস্য। কারিবিল্লা খাঁ নতুন বাড়ি তৈরির জন্য স্টোনচিফ ফেলতে গিয়ে সৈয়দ আলি খাঁয়ের বাড়ির কোনাচে লেগে যায় গাড়ি, ফলত ভেঙে যায় কোনাচ। সূত্রের খবর সৈয়দ আলি খাঁয়ের প্রথম বিয়ে হয়েছিল সুপিয়া বিবির সাথে। খবরের ভিতরে খবর যে সুপিয়া বিবিকে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করে সৈয়দ আলি খাঁ প্রায় দুই বছর ঘরে ঢুকতেই দেইনি এখন পর্যন্ত বলে অভিযোগ করছেন তার বৌমা আল্লাদী বিবি, তারপর বিয়ে করেছে সৈয়দ আলি খাঁ আরো একটি।এবার ঘটনা হলো সৈয়দ আলি খাঁ এর প্রথম স্ত্রী সুপিয়া বিবির নামে এবছর বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা এসেছে, অনেক চেষ্টা করেও সেই বাড়ি সৈয়দ আলি সহ তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা কেড়ে নিতে পারেননি এরকমটাই জানিয়েছেন কারিবিল্লা খাঁয়ের বৌ অর্থাৎ সুপিয়া বিবির বৌমা অর্থাৎ যারা বর্তমানে দেখাশোনা করছেন সুপিয়া বিবির।ফলত একটা চাপা রাগ ছিল আর তার উপর কোনাচ ভেঙে যাওয়া । প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে জানালে তাদের অর্থাৎ সৈয়দ আলি খাঁয়ের যা ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করবেন বলেন কারিবিল্লা খাঁ। তারপর চুপচাপ ছিল একদিন। পরদিন চলে তুমুল গালিগালাজ এবং লাঠির আঘাত। অভিযোগ বুথ সভাপতি দাঁড়িয়ে থেকে বলে ক্ষতিপূরণ নেওয়ার দরকার নেই মেরে শোধ করে লে, পঞ্চায়েত মেম্বারের পাওয়ার আরো বেড়ে যায় ফলত চলে তুমুল ধ্বস্তাধ্বস্তি। এক পর্যায়ে সুপিয়া বিবিকে একা পেয়ে বুথ সভাপতি সজোরে মাথায় মারে লাঠি,ফেটে রক্ত পড়তে থাকে এবং দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা।ফলত কেস গড়ায় থানা পর্যন্ত। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা ১ নং ব্লকের সন্ধিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার যাদববাটীর। জানা গেছে ২৫২ নং তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি আসরাফ ভাঙ্গি ও সন্ধিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত সদস্যা সানোয়ারা এই পুরো কর্মকাণ্ডটি ঘটিয়েছে যা সত্যিই বেদনাদায়ক।যদিও বর্তমানে পুলিশের কাছে হস্তান্তর হয়েছে এই ঘটনা এখন দেখার বিষয় কবে বিচার পান উক্ত নিরীহ দরিদ্র পরিবারের মানুষ গুলো।তবে এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৈয়দ আলি খাঁয়ের ভাগ্না তথা সন্ধিপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী অর্থাৎ যাদববাটীর অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা জাকির হোসেন খাঁন। তিনি বলেন ভিডিও দেখেছি খুব খারাপ লাগলো। তবে বাড়িটা আমার দূরে তাই কি হয়েছে আসলে আমি জানিনা।

Discover more from বাংলাকাল
Subscribe to get the latest posts sent to your email.