সুন্দরীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন? একতরফা প্রেম নিয়ে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

সুন্দরীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন? একতরফা প্রেম নিয়ে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদন: একাকিত্ব দূর করতে অনেক পুরুষই প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর কথা ভাবে। আর সেই মেয়েটি যদি সুন্দরী হয় তাহলে তো কথাই নেই! কল্পনার রঙিন ভবিষ্যত নিয়ে ভেবেই যেন দিন কেটে যায়। তবে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায় তরুণদের মধ্যে।সমাজে সবচেয়ে চাহিদা বেশি তথাকথিত সুন্দরীদের। অনেক সময় দেখা যায়, প্রেমিকাকে ভীষণ ভালোবাসে কোনও ছেলে, সম্পর্ক নিয়েও সৎ থাকে। তখন উল্টো দিকের মানুষটা দায় ছাড়া মনোভাব দেখায়, সিরিয়াস থাকেনা। এক্ষেত্রে সম্পর্কের ভবিষ্যত সুখের হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে একে অপরের প্রতি ভীষণ ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, যত্নশীল থাকলে সম্পর্কের ভবিষ্যত সুখের হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, একতরফা প্রেমের সম্পর্কের পূর্ণতার হার মাত্র ৩ শতাংশ। তবে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা থাকলে সেই শতাংশের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬০। সমীক্ষায় আরও দেখা গিয়েছে, ছেলেরা বেশিরভাগক্ষেত্রেই তথাকথিত সুন্দরী মেয়েদের প্রেমে পড়ে। তবে কথা বলার ধরণ, আচার, ব্যবহার দেখেও মেয়েদের প্রেমে পড়েন কেউ কেউ।

সেই সমীক্ষায় উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৮০ শতাংশ সুন্দরী মেয়েই নাকি সিরিয়াস সম্পর্কে জড়ায়না। তবে মাত্র ৫ শতাংশ সুন্দরী সিরিয়াস সম্পর্কে জড়ায়। ১৫ শতাংশ সুন্দরী প্রেমের সম্পর্কের বিরুদ্ধ। ছেলেদের থেকে অপেক্ষাকৃত কম সুন্দর  দেখতে মেয়েদের ভালোবাসা নাকি খাঁটি সোনার মত। এরাই নাকি নিখাদ ভালোবাসায় ছেলেদের জীবন বদলে দিতে পারে। আবার মিথ্যে ভালোবাসায় ছেলেদের জীবন নষ্ট করে দিতেও পারে। এককথায় মেয়েরা সবই পারে।

সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ওই ৮০ শতাংশ সুন্দরী সিরিয়াস প্রেমে না জড়ালেও বিয়ের সময় পরিবারের পছন্দের পাত্রকে সাদরে গ্রহণ করে। সেক্ষেত্রে বেশি বয়সের, ভুড়িওয়ালা, কাকুমার্কা পাত্র হলেও সমস্যা নেই। তবে টাকাওয়ালা হওয়াটা জরুরি। তবে প্রেমের ক্ষেত্রেও ভালো কর্মজীবীর ছেলে পেলে ঝাঁপিয়ে পড়তে পিছপা হয়না সুন্দরীরাও।

অনেকেই বলেন, সুন্দরী মেয়েদের মন নাকি কঠোর হয়। আবেগ বোঝার ক্ষমতা নেই। তারা জানে অনেক অপশন আছে, তাই গভীর সম্পর্কে জড়াতে চায়না সুন্দরীরা। তবে স্পষ্টত বলাই যায়, একে অপরের প্রতি নিখাদ ভালোবাসাই ভবিষ্যত মধুর করে তুলতে পারে। মননে আনতে পারে প্রশান্তি।

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, একতরফা প্রেমই বেশিরভাগক্ষেত্রে দেখা যায়। আর এক্ষেত্রে ছেলেদের ঠকার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি থাকে। তবে ছেলেদের কর্মজীবন স্বচ্ছল হলে ঠকার সম্ভাবনা একদমই কমে যায়। তাই ছেলেদের নিজের পায়ে দাড়ানোটা আগে দরকার। অনেকের মতে, রূপ দেখে সম্পর্ক দীর্ঘায়িত হয়না। সিনেমার মতো ফ্যান্টাসির জগতে কল্পনা পাড়ি দিলেও কঠিন বাস্তবের মাটিতে একদিন দাঁড় করিয়ে দেয় নিয়তি। তাই ছেলেদের উচিত, আগে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে পরে ভালো মনের মানুষকে আপন করা। সুন্দরীদের আগে প্রধান্য দেওয়া নয়।

Facebook Comments Box
Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply