নিজস্ব প্রতিবেদন : দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজার সংলগ্ন প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ঘিরে উঠছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকলেই চোখে পড়ছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ছড়িয়ে থাকা আবর্জনা। স্থানীয়দের দাবি, এখানে নিয়মিত অ্যালোপ্যাথি ডাক্তার বা ফার্মাসিস্ট থাকেন না। তবুও প্রতিদিন রোগীরা আসছেন এবং ওষুধ পাচ্ছেন—আর সেই ওষুধ দিচ্ছেন এক গ্রুপ-ডি কর্মী। অভিযোগ, ওষুধ বিতরণ থেকে রেজিস্টার নিয়ন্ত্রন, এমনকি প্রাথমিক চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজও তাঁকেই সামলাতে হচ্ছে।
অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসক না থাকায় বহু রোগী বাধ্য হয়ে হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের শরণাপন্ন হচ্ছেন। রোগীদের একাংশের বক্তব্য, চিকিৎসার জন্য এসেও ডাক্তার না পেয়ে বিকল্প ব্যবস্থাতেই ভরসা রাখতে হচ্ছে। যদিও কয়েকজন রোগী জানিয়েছেন, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় উপকারও মিলছে। তবু প্রশ্ন উঠছে—প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নির্দিষ্ট ডাক্তার ও পরিকাঠামো ছাড়া এভাবে পরিষেবা চালানো কতটা নিয়মসিদ্ধ এবং নিরাপদ?

