নিজস্ব সংবাদদাতা, ক্যানিং: সাত সকালে বাড়ির অদূরেই একটি গাছ থেকে উদ্ধার হলো এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানার অন্তর্গত দাঁড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঠাকুরাণীবেড়িয়া এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম ঝন্টু মন্ডল (৩৫)।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১২ বছর আগে পিংকি মন্ডলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ঝন্টুর। তাঁদের সংসারে দুটি সন্তানও রয়েছে। পিংকিদেবী কলকাতায় পরিচারিকার কাজ করতেন। প্রতিবেশীদের দাবি, বুধবার সন্ধ্যা থেকেই নিখোঁজ ছিলেন ঝন্টু। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর হদিস পাননি। এরপর আজ, বৃহস্পতিবার কাকভোরে বাড়ির কাছেই একটি গাছে গামছার ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর দেহ ঝুলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশি তৎপরতা
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ক্যানিং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দেহটি উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ ইতিমধ্যেই মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
প্রতিবেশীদের বয়ান
ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিবেশী রবীন নস্কর সংবাদমাধ্যমকে জানান,
”ঝন্টু ইদানীং অতিরিক্ত মদ্যপান করত। সেই সঙ্গে সে মানসিক অবসাদেও ভুগছিল। সম্ভবত সেই কারণেই এমন চরম পথ বেছে নিয়েছে।”
তবে মদ্যপানজনিত সমস্যা নাকি স্ত্রীর কাজের সূত্রে বাইরে থাকা নিয়ে কোনো পারিবারিক বিবাদ ছিল, তা নিয়ে কানাঘুষো চলছে এলাকায়। পুলিশ পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
