বারুইপুর: প্রেমের টানে ঘর ছেড়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিল ১৬ বছরের এক কিশোরী। কিন্তু চার হাত এক হওয়ার আগেই বিয়ের আসরে হানা দিল পুলিশ। নাবালিকাকে বিয়ের চেষ্টার অভিযোগে শ্রীঘরে ঠাঁই হলো পাত্রের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থানার ঘোলা শিবনগর এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম অভিজিৎ মন্ডল। তার বাড়ি বারুইপুরের টগরবেড়িয়া এলাকায়। বিধাননগরের বাসিন্দা ওই ১৬ বছর বয়সী নাবালিকার সঙ্গে অভিজিতের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। পরিবারের অমতেই তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়।
পুলিশি অভিযান
বৃহস্পতিবার রাতে বারুইপুরের ঘোলা শিবনগর এলাকায় অভিজিতের মামার বাড়িতে বিয়ের আসর বসেছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে হানা দেয় বারুইপুর থানার পুলিশ। বিয়ের কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই পুলিশ হাতে-নাতে ধরে ফেলে পাত্র অভিজিৎ মন্ডলকে। তাকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের বক্তব্য
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, ওই নাবালিকা তার পরিবারকে কিছু না জানিয়েই নিজেই ঘর ছেড়ে বিয়ে করতে চলে এসেছিল। তবে আইনিভাবে বিয়ের ন্যূনতম বয়স না হওয়ায় এবং বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ হওয়ায় পুলিশ এই কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
”নাবালিকার বিয়ের খবর পাওয়া মাত্রই আমরা অভিযান চালাই। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং নাবালিকাকে উদ্ধার করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।” — বারুইপুর থানা কর্তৃপক্ষ
বাল্যবিবাহ রুখতে প্রশাসনের এই সক্রিয়তা এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।
Discover more from বাংলাকাল
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
