দিল্লির সত্য নিকেতনে ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকার আশঙ্কা একাধিকের

দিল্লির সত্য নিকেতনে ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকার আশঙ্কা একাধিকের

দিল্লির সত্য নিকেতনে ভয়াবহ ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপে আটকে একাধিক! ৬ জন উদ্ধার, চলছে জোরকদমে উদ্ধারকাজ

ওয়েবডেস্ক: রবিবার দুপুরে দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় একটি ভবন আচমকা ভেঙে পড়ে। আচমকা এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে একাধিক ব্যক্তি আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দিল্লি ফায়ার সার্ভিস ও দিল্লি পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় ১২টি ফায়ার টেন্ডার। বিভিন্ন দফতরের একাধিক উদ্ধারকারী দলও সেখানে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চলছে তল্লাশি

ভবনটি ভেঙে পড়ার পর আশপাশের বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরাও উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। নিজেদের হাতে এবং স্থানীয়ভাবে পাওয়া বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা শুরু করেন তাঁরা।

উদ্ধারকারী দল ধাপে ধাপে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে থাকা ব্যক্তিদের খোঁজ চালাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে। সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়, যাতে উদ্ধারকারী দল দ্রুত এবং নিরাপদে কাজ করতে পারে।

পরিস্থিতির উপর নজর মুখ্যমন্ত্রীর

ভবন ধসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। আটকে থাকা ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধারের জন্য সমস্তরকম চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। পাশাপাশি পুরো পরিস্থিতির উপর তিনি নজর রাখছেন বলেও জানা গিয়েছে।

পড়ুয়াদের বসবাসের জন্য পরিচিত সত্য নিকেতন

সত্য নিকেতন দিল্লির একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কলেজে পড়াশোনা করা বহু পড়ুয়া এই এলাকায় থাকেন। এলাকায় রয়েছে একাধিক হস্টেল, পেইং গেস্ট ও ছাত্রছাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা।

এই কারণে ভবন ধসের খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয়দের পাশাপাশি পড়ুয়াদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে কারা আটকে রয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কেউ আহত হয়েছেন কি না, তা জানার জন্য উদ্ধারকারী দল তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।

কী কারণে ভেঙে পড়ল ভবন?

এখনও পর্যন্ত ভবন ধসের সঠিক কারণ স্পষ্ট নয়। উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর প্রশাসনের তরফে ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হতে পারে। একইসঙ্গে ভবনটির নির্মাণকাজ, কাঠামোগত নিরাপত্তা এবং অন্যান্য বিষয়ও তদন্তের আওতায় আসতে পারে।

এই মুহূর্তে প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের দ্রুত এবং নিরাপদে উদ্ধার করা। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলছে। পরিস্থিতির উপর প্রশাসনের নজর রয়েছে।

Facebook Comments Box

Discover more from বাংলাকাল

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply