জয়পুর, ২২ আগস্ট:
জয়পুরে সরকারি স্কুল পরিদর্শনে যাওয়া ‘আরশোলা জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র দলের ওপর হামলার অভিযোগ সরাসরি খারিজ করল ভারতীয় জনতা পার্টি।সিজেপি-র তোলা ‘বিজেপি গুণ্ডা বাহিনীর হামলা’-র অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রাজস্থানের শাসক দল দাবি করেছে, বিরোধীরা নৈরাজ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে এবং তাদের এবার উচিত শিক্ষা নেওয়া উচিত।
শুক্রবার জয়পুরের রামপুরা কানওয়ারপুরা গ্রামে একটি বেহাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যাওয়ার পথে বাধার মুখে পড়েন সিজেপি-র সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা ও দলের অন্য সদস্যরা।সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং আশুতোষ রাঙ্কার অভিযোগ, স্কুলটির দুরবস্থা প্রকাশ্যে আনা ঠেকাতে বিজেপির মদতে বহিরাগত গুণ্ডারা তাদের ওপর লাঠিসোঁটা ও পাথর নিয়ে চড়াও হয়।হামলায় দলের গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়, পোশাক ছিঁড়ে দেওয়া হয় এবং এক মহিলা কর্মীসহ একাধিক সদস্য নিগৃহীত হন বলে তাঁদের দাবি।এক কর্মীর হাত ভেঙেছে বলেও অভিযোগ জানানো হয়।পুরো ঘটনার জন্য তারা রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলাওয়ারকে দায়ী করেছে এবং অভিযুক্তদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে।
তবে এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে রাজস্থান রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।রাজস্থানের মন্ত্রী জওহর সিং বেধাম অভিযোগ করেন, কংগ্রেস কর্মীরাই সিজেপি-র মুখোস পরে গ্রামে গ্রামে গিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।মানুষ তাদের উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।অপর মন্ত্রী অবিনাশ গেহলোত বলেন, সিজেপি নৈরাজ্যবাদী উপাদানের দল হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাদের কাজ স্কুল সংস্কার নয়, বরং নৈরাজ্য তৈরি করা এবং প্রশাসনের বিরোধিতা করা।তিনি বলেন, স্থানীয় মানুষ তাদের তাড়িয়ে দিয়েছে, এবার তাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।জয়পুরের বিজেপি বিধায়ক গোপাল শর্মাও সিজেপি-র প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন।
গ্রামবাসীদের একাংশও সিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, স্থানীয় স্কুলের সংস্কারের জন্য বিধায়কের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ১২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।বহিরাগত কাউকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গ্রামে ঢুকে স্কুল ভাঙচুর বা রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না বলেই তারা সিজেপি দলকে ফেরত পাঠিয়েছেন।
Discover more from বাংলাকাল
Subscribe to get the latest posts sent to your email.

