নয়াদিল্লি, ১১ অক্টোবর:
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশের হাতে প্রতিরোধমূলকভাবে আটক হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতাকে মুক্তির নির্দেশ দিল দিল্লির বিশেষ এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। রবিবার সকালে সিজেপির সর্বভারতীয় আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে, সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় স্থাপিত এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে পেশ করার পর আদালত তাঁদের শর্তসাপেক্ষে মুক্তির নির্দেশ দেয়। প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা পুলিশি হেফাজতে থাকার পর এই স্বস্তি মিলল।
সিজেপির লিগ্যাল সেলের প্রধান রত্না সিং সামাজিক মাধ্যম এক্সে আদালতের এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার সকালে মুম্বই থেকে বিমানে দিল্লি পৌঁছনোর পর রানওয়ে থেকেই ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারায় তাঁদের প্রতিরোধমূলক গ্রেফতার করা হয়েছিল। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে আগামী এক বছরের জন্য শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার শর্তে প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত শিউরিটি বন্ডে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে সিজেপি এবং বিরোধী দলগুলির ডাকা ‘যন্তর মন্তর ২.০’ আন্দোলনকে ঘিরে রাজধানী জুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলে দিল্লি পুলিশ। জমায়েতের অনুমতি না থাকার কারণ দেখিয়ে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অন্তত ৭ হাজার আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছিল। শনিবার সন্ধ্যার মধ্যেই সাধারণ প্রতিবাদীদের বেশিরভাগকে ছেড়ে দেওয়া হলেও সিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে দীর্ঘ সময় হেফাজতে রাখা হয়। রবিবার আদালতের হস্তক্ষেপে দীপকে সহ তিন নেতা মুক্ত হলেও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে তাঁদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেই জানিয়েছে সিজেপি শিবির।
Discover more from বাংলাকাল
Subscribe to get the latest posts sent to your email.