কলকাতা, ১৭ আগস্ট:
যুবতীর রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল শহরে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় যুবতীকে হাসপাতালে নিয়ে এসে দেহ ফেলে রেখেই চম্পট দেওয়ার অভিযোগ উঠল তাঁর লিভ ইন পার্টনারের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত ঘটনার তদন্তে নেমে যুবতীকে খুনের অভিযোগে তাঁর লিভ ইন পার্টনার এবং তার এক সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার নেপথ্য কারণ জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় এক যুবতীকে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করতেই সঙ্গে আসা যুবতীর লিভ ইন পার্টনার ও তার এক সহযোগী সেখান থেকে দ্রুত গা ঢাকা দেয়। চিকিৎসকদের সন্দেহ হওয়ায় তারা বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় থানায় জানায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের থেকে তথ্য পেয়েই তদন্তে নামে পুলিশ।
মৃতার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই যুবতীকে শারীরিক নির্যাতন করে খুন করা হয়েছে। যুবতীর দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্নও লক্ষ্য করা গিয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা।
মোবাইল টাওয়ারের অবস্থান ও গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শেষ পর্যন্ত অভিযুক্ত লিভ ইন পার্টনার ও তার সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। কীভাবে যুবতীর মৃত্যু হলো এবং মৃত্যুর পর কেন তারা হাসপাতালে দেহ ফেলে পালিয়ে গেল, তা জানতে ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হচ্ছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং সেই রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Discover more from বাংলাকাল
Subscribe to get the latest posts sent to your email.

