বিহারের বাঙ্কিপুর উপনির্বাচন: ফল প্রকাশের আগেই পাটনায় বিজেপির লাড্ডু প্রস্তুতির ভিডিও ভাইরাল

বিহারের বাঙ্কিপুর উপনির্বাচন: ফল প্রকাশের আগেই পাটনায় বিজেপির লাড্ডু প্রস্তুতির ভিডিও ভাইরাল

পাটনা, ৩ আগস্ট:বিহারের অত্যন্ত হাই-প্রোফাইল বাঙ্কিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হতেই পাটনার রাজনৈতিক অলিন্দে চরম উৎসাহ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ভোট গণনার শুরুর মুখেই ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি শিবিরের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আগাম বিজয়ের উল্লাস ও উদযাপনের ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রকাশিত একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পোস্ট ও ছবিতে দেখা গিয়েছে, পাটনায় দলের কার্যালয়ে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা বড় বড় থালায় ভর্তি করে হলুদ রঙের লাড্ডু তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন। গেরুয়া পোশাকে সজ্জিত একাধিক সমর্থককে দলের তরুণ প্রার্থী নীরজ কুমার সিনহা এবং বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বদের বড় বড় পোস্টারের সামনে বসে এই মিষ্টি তৈরির তদারকি ও প্রস্তুতি নিতে দেখা গিয়েছে।

বিজেপির দীর্ঘদিনের এই শক্তঘাঁটি বাঙ্কিপুর আসনে দলের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বর্তমান জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন রাজ্যসভায় নির্বাচিত হওয়ার পর আসনটি খালি হয়। নিতিন নবীন দীর্ঘদিন ধরে এই পাটনার নগর কেন্দ্রিক গুরুত্বপূর্ণ আসনটির প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন। এর ফলে শূন্য হওয়া আসনে বিজেপি চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নিয়ে শেষ মুহূর্তে তরুণ ফ্রন্টের নেতা ৩২ বছর বয়সী নীরজ কুমার সিনহাকে প্রার্থী হিসেবে ময়দানে নামায়। বহু বছরের ঐতিহ্যবাহী ও সুরক্ষিত এই আসনে তরুণ মুখের ওপর আস্থা রেখে বিজেপি তাদের জয়ের ধারা বজায় রাখার বিষয়ে আশাবাদী।

গত ৩০ জুলাই বাঙ্কিপুর বিধানসভা আসনে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল এবং ৩ আগস্ট সকালে তার গণনা শুরু হয়েছে। বাঙ্কিপুর মূলত বিজেপির অত্যন্ত বিশ্বস্ত দুর্গ হিসেবে পরিচিত হলেও এবারের লড়াই অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক এবং নজরকাড়া রূপ নিয়েছে। কারণ এই উপনির্বাচনেই প্রথমবার সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেছেন জন সুরজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। বিজেপির প্রার্থী নীরজ কুমার সিনহা, জন সুরজ পার্টির প্রশান্ত কিশোর এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দল বা আরজেডি-র প্রার্থী রেখা কুমারীর মধ্যে একটি ত্রিমুখী ও তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ লড়াই সংগঠিত হয়েছে। গণনা চলাকালীন গেরুয়া শিবিরের এই আগাম লাড্ডু প্রস্তুতের দৃশ্য দলের আত্মবিশ্বাস এবং সমর্থকদের অকাল দেওয়ালির আনন্দকে বেশ স্পষ্ট করে তুলেছে।

বাংলাকাল-কে ফলো করুন

Facebook Comments Box

Discover more from বাংলাকাল

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply